Banner 468x60 for

মঙ্গলবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১২

এবার অ্যাপলের লক্ষ্য গ্যালাক্সি এস-থ্রি

এবার অ্যাপলের লক্ষ্য গ্যালাক্সি এস-থ্রি

স্যামসাংয়ের যে আটটি পণ্য নিষিদ্ধ করার জন্য অ্যাপল উঠে পড়ে লেগেছে, সে তালিকায় যোগ হলো গ্যালাক্সি এস থ্রি স্মার্টফোন ও গ্যালাক্সি নোট। অ্যাপলের তৈরি প্রাথমিক তালিকায় এই দু’টি স্যামসাং পণ্যের নাম ছিলো না। খবর সিনেটডটকম-এর।

অ্যাপলের আভ্যন্তরীন এক সূত্রের বরাতে সিনেট জানিয়েছে, শুক্রবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নর্দার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার আদালতে গ্যালাক্সি এস থ্রি এবং গ্যালাক্সি নোট নিষিদ্ধ করার জন্য আবেদন করে অ্যাপল কর্তৃপক্ষ।

এর আগে এ বছরেরই জুন মাসে গ্যালাক্সি এস থ্রি নিষিদ্ধ করার জন্য আবেদন করেছিলো অ্যাপল। তবে সেবার আদালতের ব্যস্ততার কারণে থামতে হয়েছিলো অ্যাপলকে।

শুক্রবার অ্যাপল নতুন করে স্যামসাংয়ের যে পণ্যগুলো নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছে, সে তালিকায় রয়েছে, স্যামসাং গ্যালাক্সি এস থ্রি, গ্যালাক্সি এস থ্রি ভ্যারাইজন, গ্যালাক্সি নোট এবং গ্যালাক্সি নোট ১০.১ ট্যাবলেট কম্পিউটার।

ম্যাগনেটিক শিল্ড রক্ষা করবে স্পেসশিপ

ম্যাগনেটিক শিল্ড রক্ষা করবে স্পেসশিপ

ভবিষ্যতের স্পেসশিপগুলোকে মহাকাশের ক্ষতিকর রেডিয়েশন থেকে রক্ষা করতে পারে চাঁদের মিনি ম্যাগনেটোস্ফিয়ারের আদলে তৈরি ম্যাগনেটিক শিল্ড বা চৌম্বক ঢাল। খবর নিউ সায়েন্টিস্ট-এর।

চাঁদের কোনো চৌম্বক ক্ষেত্র নেই পৃথিবীর মতো। যার ফলে সোলার উইন্ড বা সূর্যের চার্জড পাটিকলের ঢেউ থেকে কোনো রক্ষাকবচ নেই চাঁদের। সূর্যের চার্জড পার্টিকলের কারণেই কালো হয়ে গেছে চাঁদের মাটি।

তবে চাঁদের বুকে রয়েছে ছোট ছোট কিছু ম্যাগনেটিক ফিল্ড। বিজ্ঞানীরা ধারণা করেছিলেন, সূর্যের ক্ষতিকারক রেডিয়েশন থেকে চাঁদের ছোট ছোট কিছু অংশকে রক্ষা করছে ওই ‘মিনি ম্যাগনেটোস্ফিয়ার’গুলো।

চাঁদের ওই মিনি ম্যাগনেটোস্ফিয়ার থেকে ধারণা নিয়ে ভবিষ্যতের মহাকাশযানগুলোকে ক্ষতিকারক রেডিয়েশন থেকে রক্ষা করতে ম্যাগনেটিক শিল্ড বা চৌম্বকীয় ঢাল তৈরির প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা করছেন বৃটেনের রাদারফোর্ড অ্যাপলটন ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানীরা।

রাদারফোর্ড অ্যাপলটন ল্যাবরেটরির প্লাজমা ফিজিসিস্ট রুথ বামফোর্ড এবং তার সহকর্মীরা ল্যাবরেটরিতে তৈরি করেন কৃত্রিম সোলার উইন্ড। ছোট্ট একটি চুম্বকের দিকে তারা ছুঁড়ে দেন প্রোটন এবং ইলেকট্রনের একটি বিম। আর চমকপ্রদ ব্যাপার হচ্ছে চুম্বকটির কোনো ক্ষতি না করে, ছাতার উপর দিয়ে গড়িয়ে যাওয়া জলের কণার মতোই অনায়াসে চুম্বকটির উপর দিয়ে বয়ে যায় ইলেকট্রন এবং প্রোটনগুলো।

এই পরীক্ষার ফলাফল থেকে বামফোর্ডের নেতৃত্বাধীন বিজ্ঞানীদল ধারণা করছেন, চাঁদের চৌম্বকক্ষেত্রগুলোকে পাশ কাটিয়ে চলে যায় সোলার উইন্ডের ইলেকট্রনগুলো। আর প্রোটনগুলো ভেতর দিয়েই গড়িয়ে পার হয়ে যায়। এর ফলে ক্ষতিকারক রেডিয়েশন থেকে রক্ষা পাচ্ছে চাঁদের চৌম্বকক্ষেত্রগুলো।

বামফোর্ড জানিয়েছেন, চাঁদের ম্যাগনেটিক ফিল্ডের অনুকরণে মহাকাশযানের জন্য ‘ডিফেক্টর শিল্ড’ তৈরির চেষ্টা করছেন তিনি ও তার সহকর্মীরা, যা সূর্যের ক্ষতিকারক রেডিয়েশন থেকে রক্ষা করবে নভোযান এবং নভোচারীদের।



সবচেয়ে জনপ্রিয় ডেস্কটপ ওএস হলো উইন্ডোজ ৭

সবচেয়ে জনপ্রিয় ডেস্কটপ ওএস হলো উইন্ডোজ ৭

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ডেস্কটপ অপারেটিং সিস্টেম এখন উইন্ডোজ ৭। অগাস্ট মাসে নেট অ্যাপ্লিকেশনের তৈরি মাসিক প্রতিবেদন অনুযায়ী উইন্ডোজ এক্সপিকে হটিয়ে শীর্ষস্থানীয় ডেস্কটপ অপারেটিং সিস্টেমের সিংহাসনটি দখল করে নিয়েছে উইন্ডোজ ৭। খবর ম্যাশএবল-এর।

২০০১ সালে মাইক্রোসফট বাজারে এনেছিলো উইন্ডোজ এক্সপি অপারেটিং সিস্টেম। এরপর থেকে জনপ্রিয় ডেস্কটপ অপারেটিং সিস্টেমের সিংহাসনটি এক্সপির দখলেই ছিলো। তবে নেট অ্যাপ্লিকেশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী ৪২ দশমিক ৭৬ শতাংশ মার্কেট শেয়ার নিয়ে এক্সপিকে টপকে গেছে উইন্ডোজ ৭। দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও খুব বেশি পিছিয়ে নেই উইন্ডোজ এক্সপি; এখনও ৪২ দশমিক ৫২ শতাংশ মার্কেট শেয়ার রয়েছে অপারেটিং সিস্টেমটির দখলে।

৬ দশমিক ১৫ শতাংশ মার্কেট শেয়ার নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে মাইক্রোসফটের অপর অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ ভিসতা। অ্যাপলের ম্যাক অপারেটিং সিস্টেম ওএসএক্স ১০.৭ এবং ওএসএক্স ১০.৬ রয়েছে তৃতীয় এবং চতুর্থ স্থানে। নেট অ্যাপ্লিকেশনের ওই প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে বলা যায় যে, প্রায় ৯২ শতাংশ মার্কেট শেয়ার নিয়ে ডেস্কটপ অপারেটিং সিস্টেমের বাজারে একচ্ছত্র রাজত্ব করে বেড়াচ্ছে মাইক্রোসফট।

২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে বাজারে এসছিলো উইন্ডোজ ৭। ঠিক ৩ বছর পর ২০১২ সালের অক্টোবর মাসেই বাজারে আসছে মাইক্রোসফটের সর্বশেষ অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ ৮। ২৬ অক্টোবর থেকে বিক্রি শুরু হবে উইন্ডোজ ৮-এর। একই সঙ্গে ট্যাবলেট কম্পিউটার এবং ডেস্কটপ পিসিতে চলবে উইন্ডোজ ৮। উইন্ডোজ এক্সপি, ভিসতা এবং ৭-এর ব্যবহারকারীরা তাদের অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ ৮-এ আপডেট করতে পারবেন ৩৯.৯৯ ডলারের বিনিময়ে।




অনুভূতি ফিরিয়ে দিলো স্টেম সেল

অনুভূতি ফিরিয়ে দিলো স্টেম সেল

পক্ষাঘাতগ্রস্ত রোগীর শরীরে অনুভূতি ফিরিয়ে দিলো স্টেম সেল। নিউরাল স্টেম সেল বা স্নায়বিক স্টেম সেলের বদৌলতে ক্ষতিগ্রস্ত মেরুদণ্ডের কারণে পঙ্গত্বের শিকার দুই ব্যক্তি আংশিকভাবে হলেও ফিরে পেয়েছেন শারীরিক অনুভূতি। খবর নিউ সায়েন্টিস্ট-এর।

পক্ষাঘাতগ্রস্ত ব্যক্তিদের শরীরে স্টেম সেলের প্রতিক্রিয়া নিয়ে গবেষণার কাজটি করছে ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক মার্কিন প্রতিষ্ঠান ‘স্টেমসেলস’। পঙ্গু হয়ে যাওয়া তিন ব্যক্তির মেরুদণ্ডের ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে সরাসরি ২ কোটি স্টেম সেল পুশ করেন বিজ্ঞানীরা। নতুন স্টেম সেলগুলোকে প্রত্যাখান করা ঠেকাতে ইমিউনোসাপ্রেসিভ ওষুধও নিতে হয় রোগীদের।

প্রথমে তাদের অবস্থার কোনো পরিবর্তন না হলেও স্টেম সেল থেরাপির ৬ মাস পর দেহের নিচের অংশে আংশিক অনুভূতি ফিরে তিন জন রোগীর মধ্যে দুই জনের। স্পর্শ এবং উষ্ণতা অনুভব করেন তারা শরীরের পঙ্গু হয়ে যাওয়া অংশে।

এ ব্যাপারে স্টেমসেলের স্টিফেন হান বলেন, ‘২ জন রোগী এখন স্পর্শ এবং উষ্ণতা অনুভব করতে পারছেন, যা সত্যিই বিস্ময়কর। শরীরের সুস্থ অংশগুলোর মতোই, অনুভূতির অনেকটাই ফিরে এসেছে শরীরের পঙ্গু অংশে।’

ওই ৩ রোগীর স্টেম সেল চিকিৎসা হয় সুইজারল্যান্ডের বালগ্রিস্ট ইউনিভার্সিটি হসপিটালে। রোগীদের চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা আরমিন কার্ট বলেন, ‘আমাদের রোগীরা তাদের দেহের পঙ্গু অংশে অনুভূতি ফিরে পাওয়ায় আমরা খুবই আনন্দিত। আমাদের ডেটাগুলো এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে থাকলেও, পক্ষাঘাতগ্রস্ত ব্যক্তিদের সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনতে স্টেম সেল যে বড় ধরনের অবদান রাখছে, তা নিশ্চিত।’

পক্ষাঘাতগ্রস্ত ব্যক্তিদের সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনতে চলমান স্টেম সেল গবেষণার প্রথম ধাপে স্টেম সেল থেরাপি পান ওই তিন রোগী। মোট ১২ জন পক্ষাঘাতগ্রস্ত ব্যক্তির শরীরে স্টেম সেলের প্রতিক্রিয়া নিয়ে গবেষণা চালানো হবে।


আইটিউনসের ওপর ক্ষেপেছেন ব্রুস উইলিস

আইটিউনসের ওপর ক্ষেপেছেন ব্রুস উইলিস

আইটিউনসের ওপর ক্ষেপেছেন হলিউডি অভিনেতা ব্রুস উইলিস। এমনকি আইটিউনস এবং অ্যাপলের বিরুদ্ধে নাকি আইনানুগ ব্যবস্থা নেবার কথাও ভাবছেন ডাই হার্ড খ্যাত এই অভিনেতা। খবর দি ডেইলি মেইল-এর।

সূত্র জানিয়েছে, অ্যাপলের আইটিউনস থেকে কেনা গানগুলো নিজের সন্তানদের উইল করে দিতে পারবেন না বলেই নাকি ক্ষেপেছেন উইলিস। আইটিউনস থেকে কোনো গান কিনলে আদতে তার মালিক হয়ে যান না ক্রেতা। বরং অনেকটা গানগুলো শোনার জন্য লাইসেন্স করিয়ে নেয়ার মতো হয় ব্যাপারটি। আইটিউনসের এই পন্থার কারণে, চাইলেও নিজের সম্পদের মতো গানগুলো প্রিয়জনকে উইল করে দেয়া সম্ভব নয়।

এ কারণেই নাকি অ্যাপল এবং আইটিউনসের ওপর ক্ষেপেছেন উইলিস। ডেইলি মেইল জানিয়েছে, আইনানুগ ব্যবস্থা নেবার কথাও নাকি ভাবছেন এই হলিউডি অ্যাকশন হিরো।

তবে এই অভিনেতার স্ত্রী এমা হেমিং বলছেন ভিন্ন কথা। এক টুইটার পোস্টে হেমিং লেখেন, ‘এটা সত্য নয়।’

রবিবার, ২৬ আগস্ট, ২০১২

দুনিয়ার যতো বাজে নামের ওয়েবসাইট

দুনিয়ার যতো বাজে নামের ওয়েবসাইট

নতুন ওয়েবসাইটের জন্য ভালো একটি অ্যাড্রেস নির্ধারণ খুবই কঠিন কাজ। ওয়েবসাইট অ্যাড্রেস নির্ধারণের প্রথম সমস্যা হচ্ছে, ভালো অ্যাড্রেসগুলো দখল হয়ে গেছে আগেই। তার ওপর ওয়েবসাইট অ্যাড্রেসে ব্যবহার করা যায় না স্পেস। ফলে অনেকসময়ই শখের ওয়েবসাইটের নাম পাল্টে এমন উদ্ভট হয়ে দাঁড়ায় যে, না হেসে উপায় থাকে না।

এমন উদ্ভট নামের ওয়েবসাইটের একটি তালিকা তৈরি করেছে টেকলগঅন ডটকম। তাদের তৈরি সবচেয়ে বাজে নামের ওয়েবসাইটের তালিকার কয়েকটি হচ্ছে-

হু রিপ্রেসেন্টস (Who Represents) – সেলিব্রিটিদের যোগাযোগের তথ্য দেয় ওয়েবসাইটটি। সাইটটির ওয়েব ঠিকানা www.whorepresents.com। একটু খোয়াল না করলেই মনে হবে সাইটটির নাম হোরপ্রেজেন্টস ডট কম!

থেরাপিস্ট ফাইন্ডার (Therapist Finder) – ফ্যামিলি এবং ম্যারেজ থেরাপিস্টদের ঠিকানা যোগান দেয় ওয়েবসাইটটি। সাইটটির ওয়েব ঠিকানা www.therapistfinder.com। খেয়াল করে দেখুন, নামটি যেনো দি রেপিস্ট ফাইন্ডার ডট কম!

পাওয়ারজেন ইটালিয়া (Powergen Italia) – ইটালির একটি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী কোম্পানির ওয়েবসাইট এটি। সাইটটির ওয়েব ঠিকানা www.powergenitalia.com। মনে হয় যেনো পাওয়ার জেনিটালিয়া ডট কম!

মোল স্টেশন নেটিভ প্ল্যান্ট নার্সারি (Mole Station Native Plant Nursery) – অস্ট্রেলিয়ার এক নার্সারির ওয়েবসাইট এটি। সাইটটির ওয়েব ঠিকানা www.molestationnursery.com। নামটি দাঁড়িয়ে গেছে, মোলেস্টেশন নার্সারি ডট কম!

এক্সপার্টস এক্সচেঞ্জ (Experts Exchange) – বইয়ের পোকাদের জন্য এই ওয়েবসাইটটি। সাইটটির ওয়েব ঠিকানা www.expertsexchange.com। যৌনতার সঙ্গে কোনো সম্পর্কই নেই সাইটটির। অথচ নামটি মনে হয় এক্সপার্ট সেক্স চেঞ্জ ডট কম!

স্পিড অফ আর্ট (Speed Of Art) – আদতে আর্ট ডিজাইন বিষয়ক ওয়েবসাইট এটি। সাইটটির ওয়েব ঠিকানা www.speedofart.com। একটানে পড়ে গেলে মনে হতে পারে স্পিডোফার্ট ডট কম!

লেক টাহোই ট্যুরিজম (Lake Tahoe tourism) – লেক টাহোই এর ট্যুরিজম বিষয়ক ওয়েবসাইট এটি। সাইটটির ওয়েব ঠিকানা www.gotahoe.com। নামটি যেনো গো-টা হো ডট কম!

চিলড্রেনস লাফটার ফাউন্ডেশন (The Children’s Laughter Foundation) – শিশু নির্যাতন ঠেকানোর জন্য সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্য তৈরি ওয়েবসাইটের নাম হিসেবে এরচেয়ে বাজে নাম যে আর হতে পারে না, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। সাইটটির ওয়েব ঠিকানা www.childrenslaughter.com। ভয়াবহ রূপ নিয়েছে নামটি। হয়ে গেছে চিলড্রেন স্লটার ডট কম!


২০০০ বছরের প্রাচীন যোদ্ধার দেহাবশেষ মিলল ইউরোপে

২০০০ বছরের প্রাচীন যোদ্ধার দেহাবশেষ মিলল ইউরোপে

ডেনমার্কের এক জলাভূমিতে খোঁজ মিলেছে ২০০০ বছরের পুরনো যোদ্ধাদের দেহাবশেষের। জলাটিতে খনন করে দুই হাজার বছরের পুরনো যোদ্ধাদের মাথার খুলি, কেটে দু’ভাগ করা উরুর হাড় ছাড়াও যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত কুড়াল, বর্শা, মুগুর ও ঢাল খুঁজে পেয়েছেন প্রত্নত্তাত্ত্বিকরা। খবর লাইভ সায়েন্স-এর।

ডেনমার্কের ইস্ট জুটল্যান্ডের একটি জলাভূমিতে মানুষের শরীরের হাজার বছরের পুরনো হাড়ের খোঁজ মিলছিলো গত কয়েক দশক ধরেই। পরে ২০০৮ থেকে ২০০৯ সালের মাঝামাঝি সময়ে ওই এলাকায় খননকাজ চালান প্রত্নত্তাত্ত্বিকরা। এতে জলাভূমির কাঁদার ৬ দশমিক ৬ ফিট নিচে মানব হাড়ের সন্ধান পেয়েছেন তারা।

খননকারীরা আশা করছেন, জলাভূমির কাঁদার নিচ থেকে খুড়ে বের করা দেহাবশেষ এবং যুদ্ধাস্ত্রগুলো থেকে ওই যোদ্ধারা আদাতে কারা ছিলো এবং কোথা থেকে তারা এসেছিলো তা নির্ণয় করা যাবে।

খননকাজ চালানো হচ্ছে প্রায় ৪০ হেক্টর জায়গা নিয়ে গড়ে ওঠা জলাভূমিতে। খননকাজের পরিচালক স্ক্যান্ডেনবোর্গ মিউজিয়ামের ফিল্ড ডিরেক্টর এজভিন্ডজ হার্টজ জানিয়েছেন, প্রতিদিনই নতুন নতুন প্রত্নত্তাত্ত্বিক নিদর্শনের খোঁজ পাচ্ছেন তারা।

ভূতাত্ত্বিকরা মনে করছেন, দুই হাজার বছর আগে ওই জায়গাটিতে একটি লেক ছিলো। লেকটির ছোট্ট একটি বেসিনে জমা করা হয়েছিলো যুদ্ধক্ষেত্রে প্রাণ হারানো যোদ্ধাদের মৃতদেহ।

Native Banner