Banner 468x60 for

বুধবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২০

করোনাভাইরাস নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য, শক্তিশালী জীবাণু অস্ত্র বানাতে গিয়ে ছড়িয়ে পড়ে এটি

করোনাভাইরাস নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য, শক্তিশালী জীবাণু অস্ত্র বানাতে গিয়ে ছড়িয়ে পড়ে এটি

করোনাভাইরাস নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য, শক্তিশালী জীবাণু অস্ত্র বানাতে গিয়ে ছড়িয়ে পড়ে এটি!

মরণঘাতী করোনাভাইরাস নিয়ে এবার সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। শক্তিশালী জীবাণু অস্ত্র তৈরি করতে গিয়ে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে বলে দাবি করেছেন ইসরায়েলের জীবাণু অস্ত্রের বিশেষজ্ঞরা।
তারা বলেছেন, এই ভাইরাসের জন্মদাতা উহানের জৈব রাসায়নিক মারণাস্ত্র তৈরির কারখানা বায়ো-সেফটি লেভেল ৪ ল্যাবোরেটরি।
শোনা যাচ্ছে, অসাবধানতাবশত এই গবেষণাগার থেকেই ছড়িয়েছে ভাইরাসের সংক্রমণ। আসলে জৈব রাসায়নিক অস্ত্রের উপর গবেষণা করতে গিয়েই দুর্ঘটনা ঘটিয়েছেন চীনের বিজ্ঞানীরা। 
ইসরায়েলের সেনা গোয়েন্দাদের উদ্ধৃত করে মার্কিন সিসিএন-সহ ইসরায়েলের একাধিক ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, সেনাবাহিনীর ব‌্যাপক আধুনিকীকরণ, ছাঁটাই প্রক্রিয়া ও প্রযুক্তিগত মানোন্নয়ন করছে চীন। চলছে জীবাণু অস্ত্র ও রাসায়নিক অস্ত্র নিয়েও গবেষণা। এরই অংশ হিসেবে সার্স জাতীয় ভাইরাস নিয়ে গবেষণা করছে চীনের সামরিক বাহিনীর গবেষণাগার।
ইসরায়েলের দাবি, বিশ্বের সব দেশকে জব্দ করতে, চাপে রাখতে সবচেয়ে শক্তিশালী জীবাণু অস্ত্র বানাচ্ছে চীন। এজন‌্যই জিনগত অভিযোজন ঘটিয়ে করোনাভাইরাসের মতো অনেক ভাইরাস তৈরি করছেন চীনের সামরিক বাহিনীর গবেষকরা।
ইসরায়েলি সেনা গোয়েন্দা দফতরের প্রাক্তন প্রধান লেফটেন্যান্ট ড্যানি শোহাম জানিয়েছেন, ‘বায়ো-ওয়ারফেয়ার বা জীবাণু যুদ্ধের জন্য তৈরি হচ্ছে চীন। জিনের কারসাজিতে এমন ভাইরাস তৈরি করা হচ্ছে, যা মিসাইল, ড্রোন, বোমা বা সামান‌্য একটি পেন অথবা ঘড়ির মধ্যে দিয়েই ছড়িয়ে দেওয়া যায় শত্রুর ভূখণ্ডে। সেই ভাইরাসের দাপটে ২৫ দিনের মধ্যেই মৃত্যুমিছিলে উজাড় হয়ে যেতে পারে একটি বড় শহর বা একটি জেলা।’
তবে মার্কিন সংবাদমাধ‌্যম ও ইসরায়েলের গোয়েন্দাদের দাবি ভিত্তিহীন জল্পনা বলে উড়িয়ে দিয়েছে চীন। কিন্তু ভাইরাসের প্রতিষেধক হিসেবে কোনও টিকা, ওষুধ বা ইঞ্জেকশন কাজ না করায় সন্দেহ তীর রয়েছে চীনা গবেষণাগারের উপরেই। 
উল্লেখ্য, এরই মধ্যে চীনের উহান প্রদেশে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে প্রাণ গেছে অন্তত ১৩২ জনের। আক্রান্ত হয়েছেন ছয় হাজারের বেশি মানুষ। ভাইরাসটি ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট, থাইল্যান্ড, নেপাল, সিঙ্গাপুরসহ ১৫টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। সূত্র: সিসিএন

এবার করোনাভাইরাসের হানা আরব আমিরাতে

এবার করোনাভাইরাসের হানা আরব আমিরাতে

এবার করোনাভাইরাসের হানা আরব আমিরাতে

বিশ্বজুড়ে এখন আতঙ্কের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে করোনাভাইরাস। চীন থেকে দ্রুতগতিতে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে।
এরই মধ্যে অন্তত ১৮টি দেশে মরণঘাতী এই ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়েছে। ১৯তম দেশ হিসেবে এবার সেই তালিকায় নাম লেখাল মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত। 
দেশটিতে চীনের উহান থেকে ফেরা একটি পরিবারের সদস্যদের শরীরে এই ভাইরাস পাওয়া গেছে।
বুধবার আমিরাতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। খবর রয়টার্সের।
মরণঘাতী এই ভাইরাসে চীনে এখন পর্যন্ত ১৩২ জনের প্রাণহানি হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছে ছয় হাজারের বেশি মানুষ।

করোনাভাইরাস: উহান থেকে বিদেশিদের সরিয়ে নেওয়া শুরু


করোনাভাইরাস: উহান থেকে বিদেশিদের সরিয়ে নেওয়া শুরু

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কেন্দ্রবিন্দু চীনের উহান শহর থেকে শত শত বিদেশি নাগরিকে সরিয়ে নেওয়া শুরু হয়েছে।
প্রতিনিয়তই চীনে এই ভাইরাসের সংক্রমণে প্রাণহানির সংখ্যা বাড়ছে এবং আরও সংক্রমণের খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে।
অস্ট্রেলিয়া পরিকল্পনা করেছে যে, চীন থেকে ফেরত আসা তাদের ৬০০ নাগরিককে মূল ভূখণ্ডে নেওয়ার আগে সতর্কতা হিসেবে দুই সপ্তাহের জন্য ক্রিসমাস আইল্যান্ডে রাখবে। যা মূল ভূখণ্ড থেকে ২ হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
জাপান, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপও তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নেয়া শুরু করেছে।
প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং ভাইরাসটিকে “ডেভিল বা খুবই খারাপ প্রকৃতির” বলে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন যে চীন এটাকে পরাজিত করবে।
চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের-এনএইচসি এক বিশেষজ্ঞ বলেছেন, প্রাদুর্ভাবটি শীর্ষে উঠতে আরো ১০ দিনের মতো সময় লাগতে পারে।
বুধবার এনএইচসি বলেছে, চীনে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩২ জনে দাঁড়িয়েছে।
ধারণা করা হচ্ছে যে, হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহানের সি ফুড মার্কেটে অবৈধ বন্যপ্রাণী বাণিজ্য থেকে এই ভাইরাসটি ছড়িয়েছে।
এই ভাইরাসের কারণে শ্বাসযন্ত্রের গুরুতর ও তীব্র সংক্রমণ হয় যার কোন নির্দিষ্ট নিরাময় বা প্রতিষেধক নেই।
এরইমধ্যে স্টারবাকস চীনে তাদের অর্ধেকেরও বেশি আউটলেট বন্ধ করেছে, এছাড়া অর্থনৈতিক প্রভাবও মারাত্মক হতে শুরু করেছে।
কাদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে?
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বলেছেন, তার দেশের নাগরিকদের দুই সপ্তাহের জন্য ক্রিসমাস আইল্যান্ডে রাখা হবে।
এই ঘোষণার পর সমালোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়েছে কারণ এই দ্বীপটি অভিবাসন প্রত্যাশীদের বন্দী শিবির হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এই শিবিরগুলোর বেহাল দশা এবং এখানে মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
বর্তমানে সেখানে চার সদস্যের একটি শ্রীলঙ্কান পরিবার রয়েছে। কিন্তু প্রায় এক হাজার মানুষকে ধারণ করার জন্য এটি তৈরি করা হয়েছিল।
অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের পাশাপাশি নিজেদের ৫৩ জন নাগরিককে ফিরিয়ে আনতে ক্যানবেরার সাথে একযোগে কাজ করবে নিউজিল্যান্ড।
প্রায় ২০০ জন জাপানি নাগরিক উহান থেকে বিমানে করে টোকিওর হানেডা বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে।
আরও ৬৫০ জন জাপানি বলেছে যে তারা ফিরে যেতে চান এবং দেশটির সরকার বলেছে যে তারা আরো ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা করছে।
জাপানের গণমাধ্যমের তথ্যানুযায়ী, ফিরে আসা নাগরিকদের মধ্যে অনেকে জ্বর এবং কাশিতে ভুগছেন। তবে উপসর্গ দেখা না দিলেও ফিরে আসা সবাইকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে।
বাড়ি ফিরে যাওয়ার আগে তাদেরকে একটি নিয়ন্ত্রিত ওয়ার্ডে রেখে পরীক্ষা করা হবে এবং এগুলোর ফল না আসা পর্যন্ত তাদের বাড়ি থেকে বের না হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হবে।
বুধবার, যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেটের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি কিছু মার্কিন নাগরিকও উহান শহর ছেড়ে গেছে।
সিএনএন’র তথ্য মতে, তাদেরকে কম পক্ষে দুই সপ্তাহ ধরে বিমান বন্দরের হ্যাঙ্গারে তৈরি করা বিশেষ ব্যবস্থায় থাকতে হবে।
যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দফতরও তাদের প্রায় ২০০ নাগরিককে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করছে যারা ফিরে আসতে চান। কিন্তু কিছু কিছু ব্রিটিশ নাগরিক কর্তৃপক্ষের সমালোচনা করে অভিযোগ তুলেছেন যে, তাদের ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ।
আলাদাভাবে, দুটি বিমান ইউরোপের নাগরিকদের ফিরিয়ে আনার কথা রয়েছে, এরমধ্যে প্রথম ফ্লাইটে ২৫০ জন ফরাসি নাগরিক চীন ছাড়বেন।
দক্ষিণ কোরিয়া জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহে চারটি ফ্লাইটে তাদের ৭০০ নাগরিককে ফিরিয়ে নেয়া হবে।
কিন্তু তাদেরকে আলাদাভাবে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি, কিন্তু দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদ মাধ্যমগুলো বলছে, সংক্রমণের শিকার নাগরিকদের সব খরচ সরকার বহন করবে। এ পর্যন্ত, দেশটিতে চার জন আক্রান্ত হওয়ার খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এরইমধ্যে, হংকং চীনের মূল ভূখণ্ডের সাথে আন্তঃসীমান্ত ভ্রমণ বন্ধের পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছে।
উহানের সাথে সাথে পুরো হুবেই প্রদেশই যানবাহন চলাচলের দিক থেকে অচল হয়েছে পড়েছে। সূত্র: বিবিসি

বেপরোয়া করোনাভাইরাস: সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে ব্যাংকক

বেপরোয়া করোনাভাইরাস: সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে ব্যাংকক


বেপরোয়া করোনাভাইরাস: সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে ব্যাংকক

ভয়াবহ রূপ নিয়েছে চীনের করোনাভাইরাস। ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। এরই মধ্যে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চীনে প্রাণ গেছে অন্তত ১৩২ জনের। আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ছয় হাজার মানুষ। তবে করোনাভাইরাসে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক। কারণ দেশটিতে অনেক বেশি চীনা নাগরিক ভ্রমণ করেন। 
বিজ্ঞানীরা বলছেন, লস অ্যাঞ্জেলস, নিউ ইয়র্ক এবং লন্ডনও ঝুঁকিতে রয়েছে। তবে সবচেয়ে বিপজ্জনক পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারে ব্যাংকক।
এ ব্যাপারে বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলছেন, চীন থেকে ঘাতক করোনাভাইরাসের ঝুঁকি ব্যাংককে সবচেয়ে বেশি। কারণ চীন থেকে সবচেয়ে বেশি মানুষ ব্যাংককে যাওয়া-আসা করে।
ইউনিভার্সিটি অব সাউথাম্পটনের শিক্ষাবিদরা বুধবার ভ্রমণের বিষয়ে একটি তথ্য প্রকাশ করে। বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে। ওই ভ্রমণ তথ্য অনুযায়ী কোন কোন দেশ করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য ঝুঁকিতে রয়েছে সে বিষয়টি তুলে ধরা হয়।
ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, লস অ্যাঞ্জেলস এবং নিউ ইয়র্ক এ তালিকায় ২০তম স্থানে রয়েছে। গবেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে লন্ডন। তালিকায় প্যারিসের অবস্থান ২৭ এবং ফ্রাঙ্কফুট ৩০। ইতোমধ্যে ফ্রান্স এবং জার্মানিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রে ইতোমধ্যে পাঁচজন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলেও এখন পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে কারো এ ভাইরাসে আক্রান্তের খবর পাওয়া যায়নি।
ব্যাংককের ইউনিভার্সিটি ওয়ার্ল্ডপপ টিম এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, থাইল্যান্ড সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে। 

উহানের রাসায়নিক অস্ত্রের কারখানা থেকে ছড়িয়েছে করোনাভাইরাস!

উহানের রাসায়নিক অস্ত্রের কারখানা থেকে ছড়িয়েছে করোনাভাইরাস!

উহানের রাসায়নিক অস্ত্রের কারখানা থেকে ছড়িয়েছে করোনাভাইরাস!

ইসরায়েলি সেনা-গোয়েন্দা এবং মাইক্রোবায়োলজিস্টদের মতে রহস্যময় নোভেল করোনাভাইরাসের জন্মদাতা উহানের জৈব রাসায়নিক মারণাস্ত্র তৈরির কারখানা বায়ো-সেফটি লেভেল-৪ (বিএসএল-৪) ল্যাবরেটরি।
১০ বছর ধরে নির্মিত এ কারখানাটি ২০১৮ কার্যক্রম শুরু করে চীন। কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে, অসাবধানতাবশত এই গবেষণাগার থেকেই ছড়িয়েছে ভাইরাসের সংক্রমণ।
এদিকে প্রশ্ন উঠেছে সত্যিই কি ল্যাবরেটরি থেকে অসতর্কতাবশত ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে, নাকি এর পেছনে রয়েছে অন্তর্ঘাতের সম্ভাবনা। ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে কি নিজেদের শক্তি জাহির করতে চাইছে চীনা কমিউনিস্ট পার্টি? সম্প্রতি এক রিপোর্টে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছে মার্কিন প্রভাবশালী দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্ট। 
তাদের দাবি, সিঙ্গল-স্ট্র্যান্ডেড এই আরএনএ ভাইরাসকে তৈরি করা হয়েছে মারণাস্ত্র হিসেবেই। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের ছোবলে শত শত প্রাণনাশ করা সম্ভব। উহান ইন্সটিটিউট অব ভাইরোলজির বিএসএল-৪ ল্যাবরেটরিতে অতি গোপনে এই জৈব রাসায়নিক মারণাস্ত্র তৈরির কাজ চলছিল দীর্ঘ সময় ধরেই। হয় সেখান থেকেই ভাইরাস কোনোও ভাবে বাইরে চলে গেছে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবেই সংক্রমণ ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির (সিসিপি) নানাবিধ অপকর্ম বিষয়ক গবেষক মাইলস গুয়ো ভারতীয় দৈনিক জিনিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ভাইরাস যে দুর্ঘটনাক্রমে কারখানা থেকেই ছড়িয়েছে পরিস্থিতি শান্ত হলেই তা স্বীকার করবে সিসিপি। সরকারের সবুজসংকেত পেলেই এ ঘোষণা দেবে দল। দুর্ঘটনার পরপরই গোপনে কারখানা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়াং কিশান।
২৫ জানুয়ারির ওই সাক্ষাৎকারে গুয়ো আরও বলেন, ‘সংক্রমণ ফেব্রুয়ারিতে চূড়ান্ত আকার ধারণ করবে এবং ফেব্রুয়ারিতেই শেষ হবে- কারখানা ঘুরে এসে নিজের এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে সে কথাই বলেছিলেন কিশান।’
জানা গেছে, ইন্সটিটিউট অব ভাইরোলজিতে এই ল্যাবরেটরির জন্যই রয়েছে আলাদা উইং, যার বাইরের পরিবেশের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই। তবে সার্স ও ইবোলা প্রাণঘাতী হয়ে ওঠার পরে অভিযোগের আঙুল ওঠে এই গবেষণাগারের দিকেই। বলা হয়, রোগ প্রতিরোধ নয়, বরং প্রাণঘাতী জৈব অস্ত্র বানাতেই মত্ত গবেষকরা। যারই পরিণতি হাজার হাজার মৃত্যু।

করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় রাতারাতি হাসপাতাল বানিয়ে ফেলল চীন (ভিডিও)

করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় রাতারাতি হাসপাতাল বানিয়ে ফেলল চীন (ভিডিও)

করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় রাতারাতি হাসপাতাল বানিয়ে ফেলল চীন (ভিডিও)
চীনে বেড়েই চলেছে মরণঘাতী করোনাভাইরাসের প্রকোপ। এরই মধ্যে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চীনে প্রাণ গেছে অন্তত ১৩২ জনের। আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ছয় হাজার মানুষ। এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির ন্যাশনাল হেল্থ কমিশন।
এদিকে, করোনাভাইসের প্রকোপ বাড়তে থাকায় আগেই হাসপাতাল নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছিল চীন। সে অনুযায়ী রাতারাতি হাসপাতাল তৈরির কাজও শেষ করে ফেলেছে তারা। একটি খালি ভবনে দুই দিন টানা কাজ করে এক হাজার শয্যাবিশিষ্ট একটি মেডিকেল সেন্টারে রূপান্তর করা হয়েছে।
উহান শহরের কাছেই অবস্থিত ওই হাসপাতালটি চালু করা হয়েছে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের ডেবি মাউন্টেন রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে স্থানান্তর করা হবে বলে স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এই কাজে সহযোগিতা করায় লোকজনকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। 
এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ৪৮ ঘণ্টার দীর্ঘ পরিশ্রমে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে। নির্মাণ সংস্থা, ইউটিলিটি কোম্পানি এবং আধাসামরিক পুলিশ কর্মকর্তারা যৌথভাবে এই কাজে সহায়তা করায় তাদের ধন্যবাদ। সূত্র: ডেইলি মেইল
ভিডিও:


মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২০

মরণঘাতী করোনাভাইরাস আতঙ্কে বিশ্বজুড়ে শেয়ারবাজারে ধস

মরণঘাতী করোনাভাইরাস আতঙ্কে বিশ্বজুড়ে শেয়ারবাজারে ধস


মরণঘাতী করোনাভাইরাস আতঙ্কে বিশ্বজুড়ে শেয়ারবাজারে ধস

চীনে মরণঘাতী করোনাভাইরাসে এখন পর্যন্ত ১০৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়াও নতুন করে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন আরও এক হাজার ৩০০ জন। ফলে এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ১৯৩ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এছাড়াও দ্রুতগতিতে ছড়াচ্ছে করোনাভাইরাস। 
এদিকে, করোনাভাইরাস আতঙ্কের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বিশ্ব অর্থনীতিতে। বিশ্ব বাজারে এরই মধ্যে পড়ে গেছে তেলের দাম, নিম্নমুখী প্রধান প্রধান সব শেয়ারবাজারও। 
সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারের প্রধান তিনটি সূচকেই দরপতন হয়েছে ১ দশমিক ৫ শতাংশের বেশি। অন্যদিকে, লন্ডনের এফটিএসই সূচকের পতন গিয়ে ঠেকেছে প্রায় ২ দশমিক ৩ শতাংশ। এক্ষেত্রে চীনে যেসব প্রতিষ্ঠানের বিক্রি বেশি, তারাই সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 
এছাড়াও চীনা নববর্ষের সময় লাখ লাখ মানুষ ভ্রমণে বের হন, স্বাভাবিকভাবেই পর্যটন ও কেনাবেচার সূচকে বড় উন্নতি ঘটে। এ বছর বাণিজ্যিকভাবে এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়েই করোনাভাইরাস আঘাত হেনেছে। সোমবার ছুটির কারণে এশিয়ার অনেক শেয়ারবাজার বন্ধ ছিল। তবে বিশ্বের অন্য দেশগুলোতে ঠিকই ভাইরাস আতঙ্কের প্রভাব দেখা গেছে, বিশেষ করে ফ্যাশন কোম্পানিগুলোর শেয়ারে।
বিশ্বজুেড়ে করোনাভাইরাস এখনও ততটা প্রাণঘাতী না হয়ে উঠলেও বিশ্ব অর্থনীতিতে এর যথেষ্ট নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। 
মুডি’স অ্যানালিটিক্সের বিশ্লেষক রায়ান সুইট বলেন, ভাইরাসের কারণে অর্থনৈতিক বাজার অবস্থা, আত্মবিশ্বাস, ভোক্তাব্যয় ও রফতানির মাধ্যমে এশিয়ার অর্থনীতিতে ব্যাপক ক্ষতি হবে; তা ছড়িয়ে পড়বে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশেও।
সোমবার ইউরোপের শেয়ারবাজারে বড় ধরনের অবনমন ঘটেছে। এদিন জার্মানির ডিএএক্স ও ফ্রান্সের সিএসি ৪০ উভয় সূচকই পড়ে গেছে ২ দশমিক ৫ শতাংশের বেশি। চীনে বহুল জনপ্রিয় এলভিএমএইচ, কেরিং, ল’রিয়্যাল ও হার্মেসের মতো বিলাসবহুল ব্র্যান্ডগুলোর শেয়ারের দাম গতমাসে রেকর্ড পরিমাণ বাড়লেও ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের ধাক্কা এসেছে তাদের ওপরও।
পোশাক প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বারবেরির ১৬ শতাংশ পণ্য বিক্রি হয় চীনে। সোমবার লন্ডনে তাদের শেয়ারের দাম কমে গেছে ৪ দশমিক ৭৯ শতাংশ।
চীনের ম্যাকাও শহরে ক্যাসিনো ব্যবসা আছে উইন রিসোর্টসের। দরপতনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছে এ প্রতিষ্ঠানটি। যুক্তরাষ্ট্রে তাদের শেয়ারের দরপতন হয়েছে প্রায় আট শতাংশ। একই ব্যবসা করা লাস ভেগাস স্যান্ডসের দরপতন হয়েছে প্রায় ৬ দশমিক ৬ শতাংশ।
ভাইরাস প্রদুর্ভাবের পর সাংহাই ও হংকংয়ের পার্ক বন্ধ করে দিয়েছে ডিজনি। তাদের দরপতন হয়েছে তিন শতাংশেরও বেশি। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভ্রমণ কোম্পানিগুলোও। তবে, এর মধ্যেই উল্টো পথে হাঁটছে জীবাণুনাশক উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত ক্লোরক্স। সবার শেয়ারে দরপতনের দিন এক শতাংশ দাম বেড়েছে এ প্রতিষ্ঠানটির।
চীনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আক্রান্তদের মধ্যে অধিকাংশই হুবেই প্রদেশের বাসিন্দা। মূলত চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে গত বছরের ডিসেম্বরে প্রথম এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। উহানে নজিরবিহীন পরিস্থিতির সঙ্গে লড়াই করতে হচ্ছে স্বাস্থ্যকর্মীদের। স্বাস্থ্যকর্মীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিশ্রাম ছাড়াই কাজ করে যাচ্ছেন।

Native Banner