Banner 468x60 for

সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২০

করোনা সতর্কতায় ৩১ মার্চ পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা

করোনা সতর্কতায় ৩১ মার্চ পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা4


করোনা সতর্কতায় ৩১ মার্চ পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা
ফাইল ছবি

আগামী বুধবার (১৮মার্চ) থেকে দেশের স্কুল-কলেজ, মাদরাসাসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। করোনাভাইরাসের সতর্কতায় ৩১ মার্চ পর্যন্ত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
সোমবার বিকেলে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি হবে। গণমাধ্যমকে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
চীনের উহান থেকে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। প্রতিদিনই বিশ্বব্যাপী করোনায় মানুষ আক্রান্ত ও মারা যাচ্ছে।

সাফল্যের শীর্ষে নেদারল্যান্ডস, করোনাভাইরাসের অ্যান্টিবডি আবিষ্কার

সাফল্যের শীর্ষে নেদারল্যান্ডস, করোনাভাইরাসের অ্যান্টিবডি আবিষ্কার


সাফল্যের শীর্ষে নেদারল্যান্ডস, করোনাভাইরাসের অ্যান্টিবডি আবিষ্কার

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে অ্যান্টিবডি আবিষ্কার হয়েছে। নেদারল্যান্ডসের ইরাসমাস মেডিকেল সেন্টার ও আটরেচট ইউনিভার্সিটির গবেষকরা এই অ্যান্টিবডি আবিষ্কারের কথা জানিয়েছেন।
শনিবার আবিষ্কার, নতুন উদ্যোগ এবং প্রযুক্তি বিষয়ক ইউরোপীয় প্ল্যাটফর্ম ‘ইননোভেশন অরিজিনস’-এর একটি প্রতিবেদনে এ খবর দেওয়া হয়।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০জন বিজ্ঞানীর সমন্বয়ে গঠিত দল গবেষণাপত্রটি তৈরি করেছে। এটি বর্তমানে শীর্ষস্থানীয় জার্নাল ‘নেচার’-এর পিয়ার রিভিউর জন্য প্রস্তুত।
প্রতিবেদনে বলা হয়, রোটারডাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নাল ‘ইরাসমাস ম্যাগাজিন’ প্রথম এ চাঞ্চল্যকর সংবাদটি দিয়েছে।

করোনা সতর্কতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা

করোনা সতর্কতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা


করোনা সতর্কতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা

চীনের উহান থেকে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। এই প্রাণঘাতী করোনার সতর্কতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।
সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয় সংলগ্ন লাউঞ্জে এ ঘোষণা দেন উপাচার্য। 
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ১৮ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস-পরীক্ষা সাময়িক স্থগিত থাকবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল হল চালু থাকবে।

করোনা আক্রান্ত ৩ জনের মধ্যে দুই শিশু, এক নারী


করোনা আক্রান্ত ৩ জনের মধ্যে দুই শিশু, এক নারী
মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা

করোনা আক্রান্ত ৩ জনের মধ্যে দুই শিশু, এক নারী



দেশে নতুন করে আরও তিনজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে দু’জন শিশু ও একজন নারী। এই তিনজন একই পরিবারের সদস্য।
সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট  (আইইডিসিআর) এ তথ্য জানিয়েছে।
সোমবার দুপুরে আইইডিসিআর’র পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
এ নিয়ে দেশে মোট ৮ জন করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা হল।
এর মধ্যে তিনজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২০

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত তিনজন শনাক্ত

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত তিনজন শনাক্ত


বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত তিনজন শনাক্ত

বাংলাদেশে প্রথম তিনজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। আরো তিনজনকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। রবিবার দুপুরে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) জানিয়েছে, গতকাল (শনিবার) তাদের শরীরে করোনা ধরা পড়েছে।
আক্রান্তদের মধ্যে একজন নারী এবং দু’জন পুরুষ রয়েছে। এদের মধ্যে দু’জন ইতালি ফেরত বাংলাদেশি রয়েছেন। ব্রিফিংয়ে আইইডিসিআর জানিয়েছে, আক্রান্ত তিনজন রোগীর অবস্থায়ই স্থিতিশীল। তারা ভালো আছেন। তবে আইসোলেশনে থাকবেন।
বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা এরই মধ্যে এক লাখ ছাড়িয়েছে। প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় সাড়ে তিন হাজার মানুষ।
১০২টি দেশ ও অঞ্চলে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়েছে। গত ডিসেম্বরের শেষের দিকে চীনের উহানে প্রথম এই ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছিল। আড়াই মাসের কম সময়ের মধ্যে বিশ্বের অর্ধেক দেশে সংক্রমণ শনাক্ত হয়। 

শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২০

F S S T S T L: পেটের চর্বি কমায় যে ৫ খাবার

F S S T S T L: পেটের চর্বি কমায় যে ৫ খাবার: পেটের চর্বি কমায় যে ৫ খাবার প্রতীকী ছবি প্রতিনিয়ত ওজনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে পেটের চর্বি। পেটের এই অতিরিক্ত চর্বি কম... FSS TSTL

অস্ত্রোপচারের সময় চিকিৎসকেরা সবুজ বা নীল অ্যাপ্রন কেন পরেন জানেন

অস্ত্রোপচারের সময় চিকিৎসকেরা সবুজ বা নীল অ্যাপ্রন কেন পরেন জানেন


অস্ত্রোপচারের সময় চিকিৎসকেরা সবুজ বা নীল অ্যাপ্রন কেন পরেন জানেন?

সাধারণত সাদা রঙের অ্যাপ্রন পরেন চিকিৎসকেরা। কিন্তু অস্ত্রোপচার করার সময় দেখা যায় উল্টো।
সাদার পরিবর্তে সবুজ বা নীল রঙের অ্যাপ্রন পরে থাকতে দেখা যায় চিকিৎসকদের।
টেলিভিশন বা ফিল্মে অনেক সময় সবুজ অ্যাপ্রনই পরে থাকতে দেখা যায় তাদের। কেন জানেন?
আসলে ভিন্ন রঙের অ্যাপ্রন পরার পিছনে রয়েছে মনস্তাত্ত্বিক বিষয়।
অস্ত্রোপচার মানেই রক্তাক্ত ব্যাপার। যত ছোটখাটো অস্ত্রোপচার হোক না কেন, রোগীর রক্তপাত হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক।
সেই অস্ত্রোপচারের সময় চিকিৎসকদের অ্যাপ্রনে রক্তের দাগ লাগবেই। যদি চিকিৎসকেরা সাদা রঙের অ্যাপ্রন পরেন, তাহলে তাতে রক্তের দাগ দেখতে খুবই খারাপ লাগে।
এমনকি অপারেশন টেবিলে শুয়ে থাকা রোগীও সেটা দেখে আতঙ্কিত হয়ে উঠতে পারেন।
বিজ্ঞানসম্মতভাবে, সবুজ বা নীল আসলে লালের পরিপূরক রং। সবুজ বা নীল রঙের উপর লাল রং মিশিয়ে দিলে, তা কালো হয়ে যায়।
সবুজ বা নীল অ্যাপ্রনের উপর কালো রং খারাপ মানসিক প্রভাব ফেলে না। রক্ত বলে মনে না হওয়ায় রোগীও মানসিক ভাবে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন না।
সে কারণে শুধু অস্ত্রোপচারের সময় চিকিৎসকদের অ্যাপ্রনই নয়, হাসপাতালের পর্দা থেকে শুরু করে রোগীর বিছানার চাদরও বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সবুজ বা নীল রঙের হয়ে থাকে।

Native Banner