Banner 468x60 for

বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২০

'বুলেট ট্রেনের চেয়েও দ্রুতগতিতে নিউ ইয়র্কে বিস্তার ঘটছে করোনার'

'বুলেট ট্রেনের চেয়েও দ্রুতগতিতে নিউ ইয়র্কে বিস্তার ঘটছে করোনার'

বুলেট ট্রেনের চেয়েও দ্রুতগতিতে বিস্তার ঘটছে নিউ ইয়র্কে করোনাভাইরাস বা কভিড-১৯। 
নিউইয়র্কের গভর্নর অ্যানড্রু কুমো বলেছেন, যেমনটা ধারণা করা হয়েছিল, করোনা সংক্রমণ তার চেয়ে অনেক ভয়াবহ হতে পারে। তাছাড়া এই ভয়াবহতা খুব তাড়াতাড়িই দেখা দিতে পারে। 
এ সময় তিনি করোনা সঙ্কট মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় সরকার পর্যাপ্ত সরঞ্জাম সরবরাহ করেনি বলে অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, আমার প্রয়োজন ৩০০০০ ভেন্টিলেটর। এর বিপরীতে আপনারা পাঠিয়েছেন ৪০০ ভেন্টিলেটর? আপনারা সমস্যার ভয়াবহতা বুঝতে ভুল করেছেন।
উল্লেখ্য, নিউ ইয়র্কে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন কমপক্ষে ২৫০০০ মানুষ। মারা গেছেন কমপক্ষে ২১০ জন। 
এ অবস্থার প্রেক্ষাপটে অ্যানড্রু কুমো বলেন, আমাদের ফেডারেল সহায়তা প্রয়োজন। ঠিক এখনই এই সহায়তা প্রয়োজন। তিনি বলেন, নিউ ইয়র্কে যে সংক্রমণ ঘটছে তা ঘটছে খুব দ্রুত। নিউ ইয়র্কে এখন যা ঘটছে সেই একই ঘটনা ঘটবে ক্যালিফোর্নিয়া ও ইলিনয় রাজ্যে। ব্যাপারটা এখন শুধু সময়ের বিষয়। 
তিনি বলতে থাকেন, আমাকে সংক্রমণের যে পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে তাতে আমরা দেখতে পাচ্ছি একটি ‘বুলেট ট্রেন’ ধেয়ে আসছে। তাই তার রাজ্য আরো বেশি স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্র সৃষ্টি করছে। এর মধ্যে কলেজ ডরমেটরি এবং হোটেলকে হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে।
তিনি আরো বলেন, মানুষের জীবন রক্ষা করতে হলে তিনি এক ডলারও হাতে রাখবেন না। 
উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে গৃহীত পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিতে পারে। তার এমন উদ্বেগের সমালোচনামুলক জবাবে গভর্নর কুমো ওই মন্তব্য করেছেন।

১০০ বছর বয়সে বিয়ে, করোনাকে হার মানাল ভালোবাসা

১০০ বছর বয়সে বিয়ে, করোনাকে হার মানাল ভালোবাসা


১০০ বছর বয়সে বিয়ে, করোনাকে হার মানাল ভালোবাসা

কভিড-১৯ করোনাভাইরাসের আতঙ্ককে হার মানিয়ে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন ইয়াবর আব্বাস ও নূর জহির। ভালোবাসাই এ জুটিকে এমন সিদ্ধান্ত নিতে ভূমিকা রেখেছেন। ১০০ বছর বয়সী ইয়াবর আব্বাস ব্রিটেনভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মাতা ও বিবিসি’র সাবেক সাংবাদিক। অন্যদিকে নূর জহির ভারতীয় অধিকারকর্মী ও লেখিকা।
ইয়াবর আব্বাস বলেন, এই বিয়ের উদ্দেশ্য হলো ভালোবাসা। আমরা দু’জনে ভালোবাসায় ডুবে গিয়েছি। আমার বয়স কত সেটা কোনো বিষয়ই নয়! নূর সবে ৬০ বছর পেরিয়েছে! তবুও বয়সের এই ব্যবধান কিছুই না। আমরা বিয়ে করে একত্রিত হতে পেরে খুব আনন্দ লাগছে।
আগামী ২৭ মার্চ ইয়াবর আব্বাস ও নূর জহিরের বিয়ের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু করোনাভাইরাসের আগ্রাসী প্রভাব বাড়তে থাকায় নির্ধারিত তারিখে বিয়ে হওয়া নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তাই তারা শুভকাজটি আগেই সেরে ফেলেছেন!

করোনাভাইরাসকে পাত্তা দিচ্ছেন না যে তিন প্রেসিডেন্ট

করোনাভাইরাসকে পাত্তা দিচ্ছেন না যে তিন প্রেসিডেন্ট


মহামারী করোনাভাইরাস কভিড-১৯ কাঁপিয়ে দিয়েছে সারা বিশ্বকে। বিশ্বের ২৫০ কোটি মানুষকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে, তাদের চলাফেরা নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। আক্রান্ত হয়েছে ৪ লাখ ২২ হাজারের বেশি মানুষ এবং মারা গেছে ১৮ হাজার ৯০৭ জন। কিন্তু এ ভাইরাস এখনো আতঙ্কে ফেলতে পারেনি তিনটি দেশের প্রেসিডেন্ট। দেশগুলো হল ব্রাজিল, মেক্সিকো ও নিকারাগুয়া।
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জৈইর বলসোনারো এটিকে সামান্য ফ্লু বলে অভিহিত করেছেন। করোনা নিয়ে হিস্টিরিয়া ছড়ানোর অভিযোগে সাংবাদিকদের সমালোচনাও করেছেন। মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেজ ম্যানুয়েল লোপেজ ওব্রাডর বলছেন, করোনা আতঙ্ক ছড়ালেও নাগরিকরা চাইলে বাইরে খেতে যেতে পারে। নিকারাগুয়ায় এখনো চলছে রাজনৈতিক শোভাযাত্রা।

ইতালির ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠল এই ছবিতে

করোনাভাইরাস

ইতালির ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠল এই ছবিতে

ইতালির ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠল এই ছবিতে
সংগৃহীত ছবি

ইতালির ব্যস্ত সড়কে পড়ে আছে এক ব্যক্তি। মুখে মাস্ক পরা। রোমের একটি বাস স্টপের যাত্রী ছাউনির সামনে রাখা একটি ব্যাগ। দেখেই বোঝা যাচ্ছে, কোথাও যাওয়ার জন্য বের হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু গন্তব্যে আর পৌঁছাতে পারেননি। বাসের অপেক্ষায় থাকতে থাকতেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। এই ছবি থেকেই বোঝা যায়  ইতালিতে করোনাভাইরাস কতটা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।
কতক্ষণ ওই ব্যক্তি এইভাবে রাস্তায় পড়ে ছিলেন কেউ জানে না। এক সময় একটি অ্যাম্বুলেন্স এসে তাকে নিয়ে যায়। তবে তিনি এখন কোথায় আছেন? কেমন আছেন? কোনো হাসপাতালে আছেন কিনা, তা জানাতে পারেনি।
এদিকে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ইতালিতে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশটিতে মোট মৃত্যু হয়েছে ৬ হাজার ৮২০ জনের। দেশটিতে মোট আক্রান্ত হয়েছে ৬৯ হাজার ১৭৬ জন। 
চীনের পর সবচেয়ে বেশি করোনা ভাইরাসের বিস্তার ঘটেছে ইতালিতে। করোনার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে আনতে দেশটি ইতিমধ্যে সকল ধরণের ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। 
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে বিশ্বের ১৯৪ দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯। এতে বিশ্বজুড়ে প্রাণ গেছে ১৮ হাজার ২৯৫ জনের। মোট আক্রান্ত ৪১ লাখ ৪৬৫ জন ৪১।

বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২০

৩৫০ টাকায় ১৫ মিনিটে করোনা শনাক্ত

ড. বিজনের উদ্ভাবিত পদ্ধতি

৩৫০ টাকায় ১৫ মিনিটে করোনা শনাক্ত


৩৫০ টাকায় ১৫ মিনিটে করোনা শনাক্ত

বিশ্বব্যাপী মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া নতুন করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ নিরাময়ে বিশ্বজুড়ে চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের চেষ্টার অন্ত নেই। এই ভাইরাস নিয়ে গবেষণার অগ্রগতি হলেও এখনো তার কার্যকর প্রতিষেধক আবিষ্কার সম্ভব হয়নি। সাভারের গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস শনাক্তকরণের সহজ ও স্বল্পমূল্যের পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন ড. বিজন কুমার শীল।
বিষয়টি নিশ্চিত করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এটা সত্যি ঘটনা। এটা ভিন্ন পদ্ধতি। এর নাম হলো: র‌্যাপিড ডট ব্লট।’
ড. বিজন কুমার শীলের নেতৃত্বে ড. নিহাদ আদনান, ড. মোহাম্মদ রাশেদ জমিরউদ্দিন ও ড. ফিরোজ আহমেদ এই পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন।
ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী আরও বলেন, ‘ব্লাড গ্রুপ যে পদ্ধতিতে চিহ্নিত করা হয় এটা মোটামুটি সে রকমের একটি পদ্ধতি। ২০০৩ সালে যখন সার্স ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দিয়েছিল তখন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল সিঙ্গাপুর গবেষণাগারে কয়েকজন সহকারীকে নিয়ে সার্স ভাইরাস দ্রুত নির্ণয়ের পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। ‘র‌্যাপিড ডট ব্লট’ পদ্ধতিটি ড. বিজন কুমার শীলের নামে পেটেন্ট করা। পরে এটি চীন সরকার কিনে নেয় এবং সফলভাবে সার্স মোকাবেলা করে।’
‘তারপর তিনি সিঙ্গাপুরেই গবেষণা করছিলেন ডেঙ্গুর ওপরে। গবেষণা চলাকালে তিনি দুই বছর আগে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে যোগ দেন। আমাদের এখানে যখন যোগ দিলেন তখন তিনি ডেঙ্গু নিয়ে কাজ করছিলেন।’
‘যখন গত বছরের ডিসেম্বরে নতুন করোনাভাইরাস দেখা দিলো তখন তিনি আমাদের বললেন, ‘এটা (নতুন করোনাভাইরাস) হলো সার্সের রূপান্তরিত রূপ। এটা ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করবে। উনি এটা বুঝতে পেরেছিলেন। তখন আমরা কেউ চিন্তা করি নাই করোনাভাইরাস এমন হতে পারে। তিনি তখন বলেছিলেন, করোনাভাইরাস নিয়ে আমাদের গবেষণা করা দরকার।’
‘উনি আমাদের গণবিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং গণস্বাস্থ্য ফার্মাসিউটিক্যালের প্রধান বিজ্ঞানী। উনি সাভারে আমাদের ক্যাম্পাসে থাকেন। উনি গত দুই মাসে করোনার গবেষণা পারফেক্ট করেন।’
‘এই পদ্ধতিতে ৫ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে অত্যন্ত স্বল্পমূল্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত করা যাবে,’ বলেও জানান ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
‘এটা করতে রিএজেন্ট লাগে। কেমিক্যাল রিএজেন্টগুলো সহজলভ্য না। এগুলো পাওয়া যায় সুইজারল্যান্ড, আমেরিকা ও ব্রিটেনে।’
‘এখন এটি বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না। আমরাই মার্কেটিং করতে যাচ্ছি। আমরা এর অনুমোদনের জন্যে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরে আবেদন করেছি। তারা এর গুরুত্বটাই বুঝতে পারছে না। সাতদিন আগেই আমাদের অনুমোদন দিয়ে দেওয়া উচিত ছিল। আজকে আমাদের প্রতিনিধি দল সেখানে গেছে। তাদের সঙ্গে মিটিং করছে। আজকে যদি আমরা অনুমোদন পেয়ে যাই তাহলে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপাদনের জন্যে আগামী সপ্তাহে ল্যাবরেটরিতে পাঠিয়ে দিবো।’
‘প্রচলিত কিট যেটা ব্যবহৃত হচ্ছে সেটা খুবই ব্যয়বহুল। এর জন্যে একটা দামি যন্ত্র প্রয়োজন হয়। সেই যন্ত্র সব মেডিকেল কলেজে নেই। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে তিনটা আছে। সারাদেশে এই যন্ত্র খুব বেশি নেই। আইইডিসিআরের কাছে একটা যন্ত্র আছে। এ কারণে তারা এখন পর্যন্ত মাত্র ২৬৮ জনের করোনা পরীক্ষা করতে পেরেছে। অথচ আমাদের পরীক্ষা করা উচিত ছিল হাজার-হাজার।’
‘ড. বিজন ও তার দলের উদ্ভাবিত পদ্ধতিতে ৩৫০ টাকায় ১৫ মিনিটে করোনা শনাক্ত সম্ভব’ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্ভাবিত পদ্ধতিতে মাত্র ৫ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে বলে শনাক্ত করা যাবে করোনা সংক্রমণ হয়েছে কি না। এতে খরচ পড়বে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকার মতো। সরকার যদি এর ওপর ট্যাক্স-ভ্যাট আরোপ না করে তাহলে আমরা ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় বাজারজাত করতে পারব।’
‘তবে সবকিছু নির্ভর করছে সরকারের মর্জির ওপরে। ডেঙ্গু টেস্টের যেমন মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছিল করোনা টেস্টেরও যদি মূল্য নির্ধারণ করে দেয় তাহলে জনগণ স্বল্প মূল্যে সেবা পাবে। মূল্য নির্ধারণ না করে দিলে যে যার যার মতো টাকা নিবে।’
‘আমরা মাসে এক লাখ কিট সরবরাহ করতে পারব। তবে সবকিছু ঠিক থাকলে প্রাথমিকভাবে এই মাসে ১০ হাজার কিট সরবরাহ করতে পারব।’
‘আরও একটি খুশির সংবাদ হলো: আমেরিকার একটি সংস্থা আমাদের জানিয়েছে তারাও আমাদের উদ্ভাবিত এই ‘র‌্যাপিড ডট ব্লট’ উৎপাদন করবে। এ কথা তারা ড. বিজনকে তারা জানিয়েছে,’ যোগ করেন ডা. জাফরুল্লাহ।

করোনাভাইরাস: বেকার হতে পারে আড়াই কোটি মানুষ

করোনাভাইরাস: বেকার হতে পারে আড়াই কোটি মানুষ


করোনাভাইরাস: বেকার হতে পারে আড়াই কোটি মানুষ

বিশ্বব্যাপী ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে এনেছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। এরই মধ্যে বিশ্বের ১৭২টি দেশে হানা দিয়েছে চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাস। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৫৭ জন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৮ হাজার ৭৯১ জনের।
বিভিন্ন দেশের সরকার সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা না নিতে পারলে করোনাভাইরাসের প্রভাবে প্রায় আড়াই কোটি মানুষ চাকরি হারাতে পারে।
বুধবার আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এক বিবৃতির মাধ্যমে এ শঙ্কার কথা জানিয়েছে। সে সঙ্গে সারাবিশ্বে অর্থনৈতিক সংকট প্রবল হতে পারে বলেও আশঙ্কা করেছে সংস্থাটি।
তবে আইএলও বলেছে, ২০০৮ সালে বৈশ্বিক অর্থনেতিক মন্দার সময় যেভাবে বিশ্বব্যাপী সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, এবারও তেমনটি করা গেলে বেকারত্বের হার কমে আসতে পারে।
সংস্থাটির পরিসংখ্যান মতে, করোনা মহামারির প্রভাব খুব স্বল্পমাত্রায় হলে চাকরি হারাতে পারেন কমপক্ষে ৮০ লাখ মানুষ। আর এর প্রভাব উচ্চমাত্রায় হলে এ সংখ্যা দাঁড়াবে দুই কোটি ৪৭ লাখে। ২০০৮-০৯ সালে বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের সময় বেকার হয়েছিলেন দুই কোটি ২০ লাখ মানুষ।
আইএলওর মহাপরিচালক গাই রাইডার বলেন, করোনা ভাইরাস শুধু বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সংকট না, এটা বৈশ্বিক শ্রমবাজার এবং অর্থনীতির সংকট। মানুষের ওপর এর ভয়ানক প্রভাব পড়ছে। ২০০৮ সালে সারাবিশ্ব সংকট থেকে উত্তরণে সমন্বিতভাবে লড়াই করেছিল। যার কারণে ভয়াবহ পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণেও তেমনই নেতৃত্ব দরকার।

যুক্তরাষ্ট্রে একদিনেই আক্রান্ত ২৩০০ ব্যক্তি, মৃত্যু হয়েছে ১৪০ জনের

যুক্তরাষ্ট্রে একদিনেই আক্রান্ত ২৩০০ ব্যক্তি, মৃত্যু হয়েছে ১৪০ জনের


যুক্তরাষ্ট্রে একদিনেই আক্রান্ত ২৩০০ ব্যক্তি, মৃত্যু হয়েছে ১৪০ জনের

যুক্তরাষ্ট্রে ৮ হাজার ৫০০ বেশি ব্যক্তি কভিড-১৯ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। প্রতি ঘণ্টায় ঘণ্টায় আক্রান্তের খবর পাওয়া যাচ্ছে। গতকাল বুধবার আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৩০০ এর বেশি মানুষ। এ পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে দেশটিতে ১৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সবকটি অঙ্গরাজ্যেই ছড়িয়েছে করোনাভাইরাস। গত বুধবার সবচেয়ে খারাপ দিন ছিল যুক্তরাষ্ট্রের জন্য। এদিন সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা থেকে ২ হাজার ৩০০ আক্রান্ত হয়েছেন।   
গত ডিসেম্বরে চীনে হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়ে করোনাভাইরাস।

Native Banner