Banner 468x60 for

শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২০

শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে যা খাওয়াবেন

শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে যা খাওয়াবেন


শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে যা খাওয়াবেন
প্রতীকী ছবি
করোনা প্রতিরোধে ক্ষমতা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়েনোর বিকল্প নাই। যার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যত বেশি, সে তত ভালো রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সক্ষম হবে এবং সংক্রমণের ঝুঁকিও কমবে। তাই প্রাপ্ত বয়স্কদের তুলনায় শিশুদের স্বাস্থ্যকর এবং ফিট থাকার জন্য একটি ভালো ডায়েটের প্রয়োজন। কারণ, এটি শিশুকে রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করবে।
শিশুর পুষ্টির ব্যাপারে ভীষণ ঝামেলায় পড়তে হয়। মনের মতো না হলে অনেক কিছুই খেতে চায় না তারা। তাদের ঝোঁক বেশি থাকে জাঙ্ক ফুডের দিকে। এতে স্বাভাবিকভাবেই সম্পূর্ণ পুষ্টি না পাওয়ার কারণে নানা রকম রোগ তাদের তাড়া করে। শিশুকে এমন খাবার খাওয়ান যেগুলো তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করবে এবং একই সঙ্গে পুষ্টির ঘাটতি মেটাবে। 
শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে যেসব খাবারগুলো খাওয়ানো জরুরি।
মাতৃদুগ্ধ
ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে তার প্রয়োজনীয় উপাদান হলো মাতৃদুগ্ধ। শিশুরা তাদের স্তন্যপান থেকেই প্রয়োজনীয় পুষ্টি গ্রহণ করে, তাই মাতৃদুগ্ধের কোন বিকল্প হয় না। 
দই
দই খাওয়া বাচ্চাদের গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল অসুস্থতা প্রতিরোধে সহায়ক। দই প্রো-বায়োটিক পূর্ণ, যা দেহের খারাপ ব্যাকটেরিয়াগুলোকে ধ্বংস করতে সহায়তা করে এবং বাচ্চার ইমিউন সিস্টেমকে বাড়িয়ে তোলে। 
ডিম
ডিমে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেলস্ এবং প্রোটিন, যা শরীরকে সুস্থ রাখতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে। 
সবুজ শাকসবজি
অনেক বাচ্চাই শাকসবজি খেতে পছন্দ করে না। কিন্তু এই সময়ে তাদের সুস্থ রাখতে এবং ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করতে প্রত্যেক দিনের খাবারের তালিকায় রাখুন শাকসবজি। ফুলকপি, ব্রকলি, পালং শাক, মেথি শাক ইত্যাদি রাখলে আরও ভালো।
বাদাম
বাদাম যা বাচ্চার শরীরের অনেক চাহিদাকে পূরণ করতে সহায়ক। তাই প্রতিদিনের ডায়েটে রাখুন খেজুর, পেস্তা বাদাম, কাজু বাদাম, আখরোট ইত্যাদি। এগুলি শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। 
রসুন
রসুনে অ্যান্টিভাইরাল এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং এটি শরীরের শ্বেত রক্ত কোষের উৎপাদন করতে সাহায্য করে। যা বাচ্চাদের অনাক্রম্যতা বাড়ানোর জন্য খুবই উপকারি। পাশাপাশি বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা প্রতিরোধেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ফল
সুস্থ এবং ফিট থাকতে প্রতিদিন ফল খাওয়া প্রয়োজন। ফলে থাকা প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে এবং অন্যান্য চাহিদা পূরণ করতে সাহায্য করে। বিভিন্ন বেরি জাতীয় ফল, আপেল, কমলালেবু, তরমুজ, আঙুর, ডালিম ইত্যাদি খাওয়ান।

গোলমরিচের এত গুণ

গোলমরিচের এত গুণ


গোলমরিচের এত গুণ!

গোলমরিচ একটি অতিপরিচিত জিনিস। অনেক খাবারেই গোলমরিচের ব্যবহার আছে। উপকারের দিক থেকে এর জুড়ি মেলা ভার। মিশকালো গোলমরিচের ওষধি গুণ শরীরকে রোগমুক্ত রাখতে আর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
গোলমরিচের গুণাগুণ
১. অতিরিক্ত ওজন তো আজকাল প্রায় অনেকেরই সমস্যা। শরীর থেকে বাড়তি ফ্যাট টেনে নিতে গরম পানিতে গোলমরিচ খুব উপকারী। ক্যালোরি পুড়িয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে গোলমরিচ।
২. ঠাণ্ডা লাগলে গরম দুধে গোলমরিচ কষ্ট থেকে উপশম দেয়। যাদের প্রায়ই ঠাণ্ডা লাগে বা ঘন ঘন হাঁচি হয়, তারা যদি কয়েকটা গোলমরিচ রোজ চিবিয়ে খেয়ে নেন, উপকার পাবেনই পাবেন। 
৩. কচি নিমপাতার সঙ্গে তিন-চারটি গোলমরিচ সকালে খালি পেটে চিবিয়ে খেলে সুগারও নিয়ন্ত্রণে থাকে।
৪. আপনার কি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে? সকালবেলা অনেকটা সময় যুদ্ধ করতে হয়? এক কাপ হালকা গরম পানিতে লেবুর রস আর গোলমরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে টানা কয়েক দিন খেলে গ্যাস-এর সমস্যা কমে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।
৫. আপনার যদি ডিহাইড্রেশনের সমস্যা থাকে, আপনাকে মৃদু গরম পানির সঙ্গে গোলমরিচ খেতেই হবে। ফলে শরীরে ক্লান্তি জমতে পারে না। 
৬. ত্বককে মসৃণ রাখে গোলমরিচ।
৭. খুব হালকা গরম পানিতে গোলমরিচের গুঁড়া ফেলে একটু নেড়ে নিয়ে হালকা হালকা চুমুক দিয়ে খেলে শরীরে শক্তি ও কর্মক্ষমতা বাড়ে। কাজ করার এনার্জি পাওয়া যায়। শরীরে পানির মাত্রা কমতে পারে না। সকাল বেলা এটা যদি খেয়ে নেন, আপনি সারা দিন মুক্তি পাবেন অ্যাসিডিটির সমস্যা থেকে।
এতগুলো সুফল যখন আছেই, তখন আর দেরি না করে গোল গোল ছোট দানাগুলোকে সকাল থেকেই সঙ্গী করে ফেলুন।

সুখের সঙ্গে টাকার সম্পর্ক, কী বলছে গবেষণা

সুখের সঙ্গে টাকার সম্পর্ক, কী বলছে গবেষণা


সুখের সঙ্গে টাকার সম্পর্ক, কী বলছে গবেষণা?
প্রতীকী ছবি

টাকা থাকলেই কি সুখ কেনা যায়? অনেকেই বলবেন, হ্যাঁ যায়। আবার একদল বলেন, টাকার সঙ্গে মনের শান্তি, স্বস্তির কোনো সম্পর্ক নেই। এই নিয়ে তর্ক চলে। বহুদিন ধরে। আসলে কি টাকা থাকলেই সুখ কেনা যায়?
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল সোশ্যাল সার্ভে (জিএসএস) একটি গবেষণার ফল প্রকাশ করেছে সম্প্রতি। তাতে জানানো হয়েছে, টাকা আর সুখের সম্পর্ক রয়েছে। ১৯৭২ সাল থেকে ৪৪ হাজার মানুষের উপর এই গবেষণা করা হয়েছে। 

গত সপ্তাহে 'ইমোশন'নামের একটি পত্রিকায় ওই গবেষণার ফল প্রকাশ করা হয়েছিল। সেখানে লেখা হয়েছে, ৩০ বছরের বেশি মানুষের সুখ নির্ভর করে তার উপার্জনের উপর। মনের শান্তি থেকে শুরু করে স্বস্তি, সবটাই অর্থের উপর নির্ভরশীল। 
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সব থেকে দীর্ঘদিন ধরে চলা গবেষণাগুলির মধ্যে এটি একটি। অর্থ সুখ কিনতে পারে না- এমন প্রবাদকে চ্যালেঞ্জ করতেই এই গবেষণা করা হয়েছিল। গবেষণায় সুখের কয়েকটি স্তর ধরা পড়়েছে। এছাড়া গত দশকের থেকে বর্তমানে সুখের সঙ্গে উপার্জনের সম্পর্ক অত্যন্ত দৃঢ় বলে জানানো হয়েছে।

মাইগ্রেনের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কার্যকরী ঘি

মাইগ্রেনের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কার্যকরী ঘি

মাইগ্রেনের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কার্যকরী ঘি
মাইগ্রেন কেবল একটি সাধারণ ধরণের মাথাব্যথা নয়। এটি আরও তীব্র এবং বারবার ফিরে আসে, বিশেষত কেবল মাথার একপাশে অনুভূত হয়। আপনি বা আপনার কাছের কেউ যদি মাইগ্রেনের সমস্যায় ভুগে থাকেন তবে এটি নিশ্চয়ই জানেন, মাইগ্রেন সহ্য করা কতটা কষ্টকর!
হরমোন পরিবর্তন, স্ট্রেস এবং অ্যালকোহল গ্রহণ- এমন একাধিক কারণে মাইগ্রেন বাড়তে পারে এবং তিন ঘণ্টা থেকে কয়েকদিন স্থায়ী হতে পারে। বেশিরভাগ মানুষ কিছুটা স্বস্তির জন্য ওষুধের দিকে ঝোঁকেন, তবে কিছু প্রাকৃতিক উপায় রয়েছে, যা আপনাকে মাইগ্রেন থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করতে পারে।
দীর্ঘদিন থেকেই ঘি আমাদের খাবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে আছে। ঘি ডার্ক সার্কেল, ঠোঁট ফাটা, শুষ্ক ত্বক এবং শুষ্ক চুলের চিকিৎসাও ব্যবহৃত হয়। মজার বিষয় হল, এটি মাইগ্রেনের চিকিৎসার একটি কার্যকরী প্রতিকার।
মাইগ্রেনের চিকিৎসার জন্য কীভাবে ঘি ব্যবহার করবেন:
ঘি গলিয়ে নিন এবং নাকের ছিদ্রে ২-৩ ফোঁটা গরম ঘি দিন। মাইগ্রেন বা মাথাব্যথার হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আপনি দিনে দুইবার এটি করতে পারেন।
মাইগ্রেন থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আরও কয়েকটি জিনিস আপনি করতে পারেন:
* প্রচুর পানি পান করুন। ডিহাইড্রেশন মাথা ব্যথার বড় কারণ।
* প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমান। নিদ্রাহীনতা মাইগ্রেনের সমস্যাকে বাড়িয়ে তুলতে পারে।
* প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট ব্যায়াম করুন।
* প্রতিদিন একই সময়ে খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। খাবারের সময় ওঠানামা মাইগ্রেন বাড়িয়ে তুলতে পারে।

জেনে নিন ত্বক ও চুলের নানা সমস্যায় আমলকীর জাদুকরী গুণাগুণ

জেনে নিন ত্বক ও চুলের নানা সমস্যায় আমলকীর জাদুকরী গুণাগুণ

জেনে নিন ত্বক ও চুলের নানা সমস্যায় আমলকীর জাদুকরী গুণাগুণ!
আমলকী একটি অতিপরিচিত এক বস্তু। এটি জাদুকরী গুণাগুণ ত্বক ও চুলের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে সহজেই। 
আসুন জেনে নেওয়া যাক রূপচর্চায় ভেষজ গুণসম্পন্ন আমলকী ব্যবহারের কিছু টিপস-
ব্রণের দাগ দূর করতে: প্রাকৃতিক উপায়ে ব্রণের দাগ দূর করতে সহায়তা করে আমলকী। আমলকীর রস মুখে মেখে ৩০ মিনিট পর ধুয়ে নিতে হবে ঊষ্ণ পানিতে। অনুভূতিপ্রবণ ত্বক হলে আমলকীর রসের সঙ্গে মিশিয়ে নিন সামান্য পানি। ভালো ফলের জন্য ব্যবহার করতে হবে নিয়মিত।
মুক্তি মিলবে মরা ত্বক থেকে: স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পাওে আমলকীর রস। এতে থাকা ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বক সজীব ও টানটান করতে সহায়তা করে। এক চামচ আমলা পাউডার গরম পানিতে মিশিয়ে তৈরি করা পেস্টে মুখ স্ক্রাব করতে হবে। স্ক্রাব করার পাঁচ মিনিট পর মুখ ধুয়ে নিলেই হলো। এই পেস্টের সঙ্গে সামান্য হলুদ মিশিয়ে নেওয়া যেতে পারে।
চুল পড়া রোধে: চুল পড়া বন্ধ করতে আমলকী বেশ কার্যকর। প্রয়োজনীয় পরিমাণ শুকনো আমলকী পানিতে নিয়ে গরম করম করতে হবে। আমলকী ভালোভাবে সেদ্ধ হলে তা চটকে পেস্ট করে নিতে হবে। এই পেস্ট চুলের গোড়া ও পুরো চুলে লাগিয়ে কিছু সময় রেখে মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। ভালো ফল পেতে সপ্তাহে একদিন ব্যবহার করতে হবে এই প্যাক। ঔজ্জ্বল্য বাড়ানোর জন্য শুধু আমলকীর রসও ব্যবহার করা যায়। এক্ষেত্রে আমলকীর রস চুলে লাগিয়ে আধাঘণ্টা রেখে ধুয়ে নিতে হবে।
আমলকীর তেল তৈরির ঘরোয়া পদ্ধতি: তেল তৈরির জন্য প্রয়োজন টাটকা আমলকী ও নারকেল তেল। প্রথমে এক কাপ আমলকী ভালোভাবে ধুয়ে বিচি ছাড়িয়ে নিয়ে মিক্সারে গুড়ো করে নিতে হবে। এতে পানি ব্যবহার করা যাবে না।
এরপর একটি পাত্রে এক কাপ নারকেল তেল চুলায় গরম করতে দিতে হবে। তেল গরম হলে এতে দিয়ে দিতে হবে আমলকীর গুড়ো।
আমলকীর গুড়ো মিশ্রিত নারকেল তেল ফুটে ওঠার ১০-১৫ মিনিট পর তেল চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে কাঁচের জারে রাখতে হবে।
এই তেল চুলের গোড়া ও চুলে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। এরপর চুল ধুয়ে নিতে হবে ভালো ব্র্যান্ডের মাইল্ড শ্যাম্পুর সাহায্যে।

জেনে নিন কাঁঠালের বিচির গুণাগুণ

জেনে নিন কাঁঠালের বিচির গুণাগুণ


জেনে নিন কাঁঠালের বিচির গুণাগুণ
বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠাল। এটি শুধু বাংলাদেশে নয়,  এশিয়াজুড়েই খুব জনপ্রিয় একটি ফল। দেশে কাঁঠালের এখন ভর মৌসুম চলছে। প্রোটিন, ভিটামিন ও পটাসিয়াম সমৃদ্ধ এই ফল গরমে শরীর সুস্থ রাখার পক্ষে একেবারে আদর্শ। 

তবে শুধু ফলেই নয়, গুণ রয়েছে বিচিতেও। গবেষণা বলছে, কাঁঠালের বিচি খেলে শরীরের কোনও ক্ষতি তো হয়ই না, উল্টো অনেক উপকার হয়। কাঁঠালের বিচিতে রয়েছে থায়ামিন, রাইবোফ্লেবিন নামে দুটি উপাদান, যা দেহে এনার্জির ঘাটতি দূর করার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
পুষ্টিবিজ্ঞানীদের তথ্যানুযায়ী, প্রতি ১০০ গ্রাম আহার উপযোগী কাঁঠালের বিচিতে শক্তি পাওয়া যায় ৯৮ ক্যালরি। এতে কার্বোহাইড্রেট ৩৮.৪ গ্রাম, প্রোটিন ৬.৬ গ্রাম, ফাইবার ১.৫ গ্রাম, চর্বি ০.৪ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ০.০৫ থেকে ০.৫৫ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ০.১৩ থেকে ০.২৩ মিলিগ্রাম, আয়রন ১.২ মিলিগ্রাম, সোডিয়াম ২ মিলিগ্রাম ও পটাসিয়াম ৪.০৭ মিলিগ্রাম রয়েছে।
কাঁঠালের বিচি ভিটামিন বি-১ ও ভিটামিন বি-১২ এর ভালো উৎস। এছাড়াও রয়েছে ভিটামিন-এ, ভিটামিন-সি, থায়ামিন, নায়াসিন, লিগন্যান, আইসোফ্ল্যাভোন ও স্যাপোনিনের মতো ফাইটো ক্যামিক্যালস।
কাঁঠালের বিচি বিভিন্ন উপায়ে খাওয়া যায়। তারকারি হিসেবে কিংবা ভর্তা করেও খাওয়া যায়। অনেকেরই পছন্দ কাঁঠাল বিচির হালুয়া। যেভাবেই খাওয়া হোক না কেন পুষ্টিগুণ একই।

রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ঢেঁড়শ

রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ঢেঁড়শ


রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ঢেঁড়শ
ঢেঁড়শ
ঢেঁড়শে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি ও সি রয়েছে। এছাড়া পর্যাপ্ত আয়োডিন, ভিটামিন এ এবং বিভিন্ন খনিজ পদার্থ রয়েছে। ফলে ঢেঁড়শ চাষ করলে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শারীরিক উপকারিতাও রয়েছে। কমবেশি সারা বছরই খাওয়া হলেও ঢেঁড়শের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে অনেকেরই হয়তো জানা নেই। পুষ্টিগুণে ভরপুর এ সবজির রয়েছে অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা-
ঢেঁড়শের স্বাস্থ্য উপকারিতা:
শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধে: ঢেঁড়শে রয়েছে ভিটামিন সি, অ্যান্টি-ইনফ্লামেটোরি এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান। অ্যাজমার লক্ষণ বৃদ্ধি প্রতিরোধে এবং অ্যাজমার আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে ঢেঁড়শ বেশ উপকারী।
কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়: ঢেঁড়শের উচ্চমাত্রার অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ক্ষতিকর ফ্রি রেডিকেলসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ তৈরি করে।
রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: এর মধ্যে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এ ছাড়া আরও প্রয়োজনীয় মিনারেল যেমন ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ; যা রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়।
ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমায়: ঢেঁড়শের মধ্যে রয়েছে সলিউবল ফাইবার (আঁশ) পেকটিন; যা রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টেরলকে কমাতে সহায়তা করে এবং অ্যাথেরোসক্লোরোসিস প্রতিরোধ করে।
ত্বকের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে: ঢেঁড়শ ত্বকের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে শরীরের টিস্যু পুনর্গঠনে ও ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে।
বিষণ্ণতা দূর করে: ঢেঁড়শ বিষণ্ণতা, দুর্বলতা এবং অবসাদ দূর করতে সহায়তা করে।
দৃষ্টি ভালো রাখে: ঢেঁড়শে আছে বেটা ক্যারোটিন, ভিটামিন এ, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, লিউটিন; যা চোখের গ্লুকোমা, চোখের ছানি প্রতিরোধে সহায়তা করে।

Native Banner