Banner 468x60 for

শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২০

স্থূলতার সমাধান ও সাধারণ কিছু টিপস

স্থূলতার সমাধান ও সাধারণ কিছু টিপস

স্থূলতার সমাধান ও সাধারণ কিছু টিপস
চৌধুরী তাসনীম হাসিন

মহামারীর এই দিনগুলোতে বা এর বাইরে নিজেকে সুস্থ রাখতে আমাদের দরকার বাড়তি সচেতনতা। চলুন জেনে নেই স্থূলতার সমাধান ও সাধারণ কিছু টিপস :
* পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী একটি ফিটনেস রুটিন এবং ডায়েট চার্ট মেনটেইন করুন।
* নিজেই ক্যালরি কাউন্ট করার চেষ্টা করুন। অর্থাৎ পুষ্টিবিদের ডায়েট চাটের বাইরে কখন এবং কি পরিমাণ বাড়তি খাবার খেয়ে ফেলছেন তার চার্ট রাখুন। যা আপনার Maditation বাড়াতে সাহায্য করবে।
* Exerise-এর মাধ্যমে কতটুকু Calorie বার্ন করছেন আর কতটুকু Calorie শরীরে ঢুকছে তার একটি তুলনামূলক হিসাব রাখুন।
* প্রতি সপ্তাহে ১ দিন অথবা মাসে ২ দিন ওজন কমানোর খাদ্য তালিকা না মেনে স্বাভাবিক খাদ্যতালিকা মেনে চলুন। এতে সপ্তাহের বাকি দিনগুলো সহজেই নিজেকে সংরক্ষণ করতে পারবেন।
* ঘুম থেকে উঠে বিছানায় শুয়েই কিছু হালকা ব্যায়াম করুন।
* চেষ্টা করুন প্রতি সপ্তাহে অন্তত ১০ মিনিট করে ব্যায়ামের সময় বাড়াতে।
* ব্যায়াম করার সময় একজন উৎসাহী সঙ্গী জোগাড় করুন।
* যতটা সম্ভব লিফট ব্যবহার কম করুন এবং গাড়ি বাড়ি বা অফিস থেকে একটু দূরে রেখে কিছুটা হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছান।
* রাতের খাবারের অন্তত ২ ঘণ্টা পর ঘুমোতে যান এবং চেষ্টা করুন সে সময় একটু হাঁটাহাঁটি করতে।
* দিনে অন্তত ২-৩ লিটার পানি পান করুন।
* দৈনিক খাদ্যতালিকার বাইরে হঠাৎ কখনো খিদে পেলে সালাদ বা ফল জাতীয় খাবার গ্রহণ করুন।

তেজপাতার ৫ ঔষধি গুণ

তেজপাতার ৫ ঔষধি গুণ

তেজপাতার ৫ ঔষধি গুণ
বিরিয়ানি হোক কিংবা পোলাও, তাতে অবশ্যই তেজপাতার ছোয়া থাকতে হবে। তেজপাতা ছাড়া রান্নার কথা চিন্তা করাই মুশকিল। শুধু রান্নায় নয়, তেজপাতা আরও নানা কাজে ব্যবহৃত হয়। খাবার স্বাদ বৃদ্ধির পাশাপাশি ঔষধি গুণ থাকার কারণেও তেজপাতা কদর রয়েছে বিশ্বের বহু দেশে।
জেনে নিন তেজপাতা কোন কোন রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে।
১. ঠান্ডা-কাশিতে 
ঠান্ডাজনিত যেকোনো রোগ, ফ্লু ও অন্যান্য সংক্রমণ রোধে লড়াই করে তেজপাতা। শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা হলে, পানিতে দু-তিনটি তেজপাতা দিয়ে ১০ মিনিট গরম করুন। এই পানিতে ভেজানো একটি কাপড় বুকের ওপর রাখুন। ফ্লু, ঠান্ডা ও কাশি থেকে আরাম পাওয়া যাবে। জ্বর সারাতেও সহায়তা করে তেজপাতা।
২. বদহজমে
তেজপাতা হজমক্রিয়া বাড়াতে সহায়তা করে। হজমক্রিয়ায় সমস্যা থাকলে তা সারিয়ে তোলে। বুক জ্বালাপোড়া, পেট ফাঁপা, কোষ্ঠকাঠিন্য হলে তেজপাতা দিয়ে গরম করা এক গ্লাস পানি পান করুন। স্বস্তি পাবেন।
৩. ডায়াবেটিসে
টাইপ-২ ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় তেজপাতার কার্যকারিতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তেজপাতায় রক্তে শর্করা বা চিনি, কোলেস্টেরল কমাতে ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে সহায়তা করে। সর্বোচ্চ ফল পেতে তেজপাতা গুঁড়ো করে টানা এক মাস খেতে পারেন। তেজপাতায় থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি হৃৎপিণ্ডের কার্যক্রম ভালো রাখে।
৪. ব্যথা উপশমে
তেজপাতার তেল বাতের ব্যথা, মচকানো, কোনো কিছুর চাপ লেগে আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে বা যেকোনো সাধারণ বা দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা উপশম করে। মাইগ্রেন ও মাথাব্যথায় কপালি তেজপাতার তেল মালিশ করলে আরাম পাওয়া যায়।
৫. হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক রোধে 
তেজপাতায় এমন সব ভেষজ উপাদান আছে, যা হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের মতো রোগ প্রতিরোধ হৃদযন্ত্রকে রাখে নিরাপদ। বাড়ায় হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা।

মহামারীতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় দারুচিনি

মহামারীতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় দারুচিনি

মহামারীতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় দারুচিনি!
ফাইল ছবি
দারুচিনিকে এতদিন আমরা খাবারেই ব্যবহার করে এসেছি। গরম মশলার অপরিহার্য পদ এই দারুচিনি। খাবারের সুগন্ধ বাড়াতেও এর জুড়ি মেলা ভার। কিন্তু এই দারুচিনিই যে আপনার শরীরের যাবতীয় ভাইরাস ধুয়ে মুছে সাফ করে দিতে পারে, তা কি জানতেন? গবেষণা ঠিক এই তথ্যই দিচ্ছে।
প্রাচীনকালে বহু ভাইরাস ধ্বংস করে দেওয়ার নজির দেখিয়েছে দারুচিনি। তাই সুগন্ধি এই পদকে শুধু খাবারে ব্যবহার করলেই চলবে না। গবেষকরা বলছেন, করোনারকালেও প্রতিষেধক হিসেবে কাজে আসতে পারে দারুচিনি। তবে খাবারের সঠিক পদ্ধতিটি জানতে হবে। কোন সময়ে, ঠিক কী ভাবে দারুচিনি খেলে তা শরীরের জন্য কাজে আসবে, জানতে হবে সে পদ্ধতিও। আবার বেশি পরিমাণে দারুচিনি খেয়ে ফেললেও হিতের বিপরীত হতে পারে। সেই দারুচিনি কীভাবে মানুষের শরীর ভালো করার কাজ করেছে? আর তা সঠিক ভাবে খাওয়ার পদ্ধতিটিই বা কী? চলুন জেনে নেই-
১৯১৮ সালে স্প্যানিশ ফ্লু ধ্বংস করতে কাজে এসেছিল দারুচিনি
১৯১৮ সালে স্প্যানিশ ফ্লু মহামারীর সময়ে যারা দারুচিনির কারখানায় কাজ করতেন, তাদের প্রায় কেউই এই ভাইরাসে আক্রান্ত হননি। অর্থাৎ খাওয়া তো অবশ্যই, দারুচিনির সংস্পর্শে থাকাটাও স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, সেই সময় স্প্যানিশ ফ্লু নির্মূল করার অন্যতম সেরা ওষুধ ছিল দারুচিনির গুঁড়া। কেউ কেউ আবার দুধে সামান্য পরিমাণ দারুচিনি তেল ব্যবহার করেই সুস্থ হয়ে গিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে এইচআইভি, অ্যাডিনোভাইরাস ও হার্পিস সিমপ্লেক্স ভাইরাসের বিরুদ্ধেও দারুচিনি ব্যাপক ভাবে কার্যকারিতা দেখিয়েছে।
করোনায় যেভাবে উপকারী দারুচিনি
বর্তমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতেও বিশ্বের বেশ কিছু দেশে প্রতিষেধক হিসেবেও ব্যবহার করা হচ্ছে দারুচিনি। বিশেষ করে ডাক্তার থেকে শুরু করে গবেষকরা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দারুচিনি খেতে বলছেন। তবে এখনও পর্যন্ত দারুচিনি করোনাভাইরাস ধ্বংস করতে পারে কি না, সেই বিষয়ে কোনও প্রমাণ না মিললেও ডাক্তাররা বলছেন সংক্রমণের তীব্রতা প্রতিরোধ করতে পারে দারুচিনি। তবে তা ঠিকঠাক পদ্ধতি মেনে খেতে হবে। আর কোন সময়ে খাওয়া হচ্ছে, এবং কতটা পরিমাণে দারুচিনি খাওয়া হচ্ছে তার উপরেও নির্ভর করছে এর গুণাগুণ।
​শরীর ভালো রাখতে কীভাবে সাহায্য করে দারুচিনি
দারুচিনি আসলে শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। আমাদের শারীরিক প্রতিরক্ষার জন্য প্রদাহ গুরুত্বপূর্ণ হলেও প্রয়োজনাতিরিক্ত প্রদাহে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। আর সেটার পরিমাণই মূলত কমিয়ে দিতে পারে দারুচিনি। এই দারুচিনির মধ্যেই রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট পলিফেনল ও প্রোঅ্যান্থোসায়ানাইডিন, যা কোনও ব্যক্তির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে। এছাড়াও দারুচিনি মেদ ঝরাতেও কাজে আসে। শ্বাসতন্ত্রের রোগ এবং হার্টের রোগ নির্মূল করতেও খুবই সহায়ক দারুচিনি। দারুচিনির অ্যান্টিভাইরাল, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল প্রপার্টি বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমাতে পারে।
দারুচিনি খাওয়ার সঠিক পদ্ধতি
দারুচিনিকে পানিতে সিদ্ধ করে অথবা গরম পানিতে দারুচিনির গুঁড়া মিশিয়ে পান করলে এর সঠিক উপকারিতা পাওয়া যায়। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দারুচিনির তেল ব্যবহার করা উচিত নয়। সিনামন অয়েল এত বেশি শক্তিশালী যে এক বা দুই ফোঁটার বেশি খেলে শরীরের ভেতর পুড়ে যেতে পারে। কোনও খাবারে ঠিক কতটা পরিমাণ সিনামন অয়েল মিশিয়ে খেলে শরীরের কোনও ক্ষতি হবে না, তা জানতে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

অল্প বয়সে চুল পাকাদের এই পাতা ব্যবহারেই সমাধান


অল্প বয়সে চুল পাকাদের এই পাতা ব্যবহারেই সমাধান
কর্মব্যস্ত জীবন। অবসাদ। স্ট্রেস। আর তার ফল অল্প বয়সেই চুল পেকে যাওয়া। অনেক ক্ষেত্রেই জিনগত কারণে অর্থাৎ পারিবারিক সূত্রে অল্পবয়সে চুল পেকে যাওয়ার ধাঁচ রয়েছে। কারও ক্ষেত্রে চুল পাকার মূলে রয়েছে পেটের সমস্যা। সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নিতেই হবে। কিন্তু স্ট্রেস, ড্রায়ারের ব্যবহার, স্টাইলিং প্রোডাক্টের ব্যবহার, রোদে বেশি ঘোরাঘুরির কারণেও চুল পেকে যায়। এটি সহজেই আটকানো যেতে পারে।
প্রাথমিক পর্যায়ে অকালপক্কতা নিরাময়ের জন্য একটি পাতা অত্যন্ত কাজে আসে। সেটি কারি পাতা। এই কারি পাতা যদি চুলের গোড়ায় লাগানো যায়, তা পুষ্টি বৃদ্ধি করে। নতুন চুলও গজায়। চুলের স্বাস্থ্যও ভাল থাকে। তাই নিজেকে খানিকটা সময় দিতেই পারেন। বাড়িতেই বানিয়ে নিতে পারেন কারি পাতার হেয়ার মাস্ক।
এই হেয়ার মাস্কের জন্য প্রয়োজন
• দু টেবিল চামচ নারকেল তেল
•  ১০-১২টি কারি পাতা
পদ্ধতি
• নারকেল তেল গরম করে নিতে হবে প্রথমে। এরপরই বার্নার বন্ধ করে পাতাগুলো দিয়ে দিতে হবে। পাতার গন্ধ ও পুষ্টিগুণ যাতে পুরোপুরি তেলের সঙ্গে মিশে যায়, সেই সময়টুকু দিতে হবে। অন্তত ২০ মিনিট। এর পর তেল পুরোপুরি ঠাণ্ডা হয়ে গেলে ঈষদুষ্ণ তেল ভাল করে মাথার চুলে ও চুলের গোড়ায় ম্যাসাজ করতে হবে।
• সারারাত সেই তেল মাথায় রেখে পরদিন শ্যাম্পু করা যেতে পারে। একই সঙ্গে পানি পাতিলেবু দিয়ে কন্ডিশনিংও করে নিতে হবে।
• ছুটির দিনে হাতে সময় অনেকটাই বেশি। সেক্ষেত্রে এই তেল মেখে তার পর কাজকর্ম সেরে গোসলের সময় মাথা ধুয়ে নিলেও উপকার মিলবে।
• আরও একটু বেশি ফল পেতে ধোওয়ার আগে চুলে ভিটামিন-ই তেল ব্যবহার করতে পারেন। চুল নরম হবে।
• বাড়িতে কারি পাতা থাকলে আজ থেকেই শুরু করে ফেলুন চুলের য্ত্ন নেওয়া।

এই পাঁচ রকম খাবার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমায়

এই পাঁচ রকম খাবার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমায়

এই পাঁচ রকম খাবার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমায়!
শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী না হলে অল্প অসুস্থতাতেও মানুষ খুব সহজে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং রোগের আক্রমণও জোরালো হয়। এক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাস এবং জীবন-যাপনের পদ্ধতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করছেন চিকিৎসকরা। তবে এমন পাঁচ রকম খাবার আছে যা দুর্বল করে দিতে পারে আপনার শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা।
মদ্যপান: 
মদ্যপানের অভ্যাস স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর, এ কথা সকলেই জানেন। হেলথ ডট কম-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, যারা নিয়মিত মদ্যপান করেন তাদের শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা আর পাঁচজন সাধারণ মানুষের চেয়ে দুর্বল হয়ে যায়। ফলে বেড়ে যায় একাধিক স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি।
অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়ার অভ্যাস: 
পুষ্টিবিদ ও বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত পরিমাণে মিষ্টি বা ওই জাতীয় খাবার খাওয়ার অভ্যাস শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দিতে পারে। মিষ্টি জাতীয় খাবার অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকিও বেড়ে যেতে পারে। বেড়ে যেতে পারে ওজনও। আর ওজন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে একাধিক স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকিও বেড়ে যাবে।
অতিরিক্ত লবন খাওয়ার অভ্যাস: 
মিষ্টির মতো অতিরিক্ত লবন খাওয়ার অভ্যাসও শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর! অতিরিক্ত মাত্রায় লবন খেলে বাড়ে রক্তচাপ। অতিরিক্ত লবন খাওয়ার অভ্যাসের ফলে একাধিক স্বাস্থ্য সমস্যা মাথা চাড়া দিতে পারে। বাড়ে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকের ঝুঁকিও! অন্তত এমনটাই জানাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। শুধু তাই নয়, অতিরিক্ত লবন খাওয়ার অভ্যাস শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দিতে পারে।
অতিরিক্ত ক্যাফিন জাতিয় পানীয় পানের অভ্যাস: 
অতিরিক্ত মাত্রায় ক্যাফিন জাতীয় পানীয় পানের অভ্যাস শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দিতে পারে। অতিরিক্ত পরিমাণে চা, কফি পানের অভ্যাস ঘুমের ব্যঘাত ঘটায়। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে হজমের সমস্যাসহ একাধিক স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।
অতিরিক্ত সোডা বা এনার্জি ড্রিঙ্ক পানের অভ্যাস: 
অতিরিক্ত মাত্রায় সোডা বা এনার্জি ড্রিঙ্ক পানের অভ্যাস শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সোডা বা এনার্জি ড্রিঙ্ক পানের অভ্যাস স্বাস্থ্যের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে, দুর্বল করে দেয় স্বাভাবিক হজম ক্ষমতা। ফলে হজমের সমস্যাসহ একাধিক স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।

কিসমিস ভেজানো পানিতে এত উপকার

কিসমিস ভেজানো পানিতে এত উপকার

কিসমিস ভেজানো পানিতে এত উপকার?

কিসমিস শরীরে আয়রনের ঘাটতি দূর করার পাশাপাশি রক্তে লাল কণিকার পরিমাণ বাড়ায়। শুকনো কিসমিস খাওয়ার পরিবর্তে ভিজিয়ে খেলে উপকার বেশি। কিসমিস ভেজানো পানি রক্ত পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
প্রতিদিন কিসমিসের পানি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য, অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি পাবেন ওষুধ ছাড়াই। এছাড়া কিসমিস হৃদয় ভালো রাখে। নিয়ন্ত্রণে রাখে কোলেস্টেরল। কিসমিসে প্রচুর ভিটামিন এবং খনিজ আছে। আছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা সহজে রোগমুক্তির কারণ। আর আছে প্রচুর আয়রন, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফাইবার।
ভেজানো কিসমিসের উপকারিতা-
কিসমিস খাওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় সারারাত কিসমিস পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন ভোরে সেটা খান। ভেজানো কিসমিসে থাকে আয়রন, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফাইবার।  হাই ব্লাডপ্রেসারের সমস্যা থাকলেও এটি তা নিয়ন্ত্রণে রাখে। 
১. ব্লাড প্রেসার
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের প্রাকৃতিক পদ্ধতিগুলোর মধ্যে একটি কিসমিস। এর মধ্যে থাকা পটাসিয়াম হাই ব্লাড প্রেসার বশে রাখে।
২. রক্ত স্বল্পতা কমায়
রক্ত স্বল্পতা কমাতে কিসমিস যথেষ্ট উপকারি। নিয়মিত খেলে এর মধ্যে থাকা আয়রন হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ায়। এছাড়াও এর মধ্যে আছে তামা যা রক্তে লাল রক্তকণিকা তৈরিতে সাহায্য করে।
৩. হজমশক্তি বাড়ায়
সুস্থ থাকার জন্য ভালো হজমশক্তি জরুরি। এক্ষেত্রে কিসমিস হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। রোজ রাতে এক গ্লাস পানিতে কিসমিস ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন ভোরে সেই কিসমিস খান। নিজেই তারপর তফাত খেয়াল করুন দিন পনেরো পরেই।
৪. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
আপনি যদি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বড়াতে চান তবে ভেজা কিসমিস এবং তার পানি নিয়মিত খান। এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা রোগের সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
৫. বিষমুক্ত শরীর
শরীরকে দূষণমুক্ত করতে কিসমিস খান নিয়মিত। চারিদিকের দূষণে আপনি যখন জেরবার তখন সকালে খালি পেটে ভেজানো কিসমিস খেলে শরীর বিষমুক্ত হবে। ভেজানো কিসমিসের পাশাপাশি কিসমিস ভেজানো পানিও খেতে পারেন।
৬. কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়
নিয়মিত কিসমিস খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য কমে। আপনি যদি পেটের সমস্যায় নিয়মিত ভোগেন তাহলে প্রতিদিন সকালে খালিপেটে ভেজানো কিসমিস খান। যারা কোষ্ঠকাঠিন্যে কষ্ট পান তারা ওষুধের বদলে নিয়মিত কিসমিস খেয়ে দেখতে পারেন।

করোনাকে হারাতে ঘরে বসেই ভিটামিন ডি-র ঘাটতি কমানোর উপায়

করোনাকে হারাতে ঘরে বসেই ভিটামিন ডি-র ঘাটতি কমানোর উপায়

করোনাকে হারাতে ঘরে বসেই ভিটামিন ডি-র ঘাটতি কমানোর উপায়
একজন ব্যক্তির শরীরে প্রতিদিন ৬০০ আইইউ ভিটামিন ডি প্রয়োজন। সূর্যালোক এবং সুষম খাবার থেকে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। তবে অতিরিক্ত ভিটামিন ডি শরীরে গেলে তা কিডনি ও হার্টের ক্ষতি করতে পারে।
 
করোনাভাইরাসের কারণে দেশব্যাপী লকডাউনের কড়াকড়ি কিছুটা শিথিল হয়ে চলছে আনলক ওয়ান পর্ব। তবু এক জায়গায় অনেক মানুষের জমায়েত বা অকারণে বাড়ির বাইরে বিনাকারণে ঘুরাঘুরি করতে নিষেধ করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই সময় সংক্রমণ এড়াতে যেমন ঘরে থাকা প্রয়োজন, তেমনই দরকার রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ানো।
শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন সি-এর পাশাপাশি ভিটামিন ডি-ও অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ভিটামিন হাড় মজবুত করার সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও উন্নত করে। ভিটামিন ডি-এর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য উৎস হল সূর্যালোক। কিন্তু বাড়ির বাইরে না বের হলে গায়ে রোদ লাগবে কী করে? তাই এই সময় শরীরে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি দেখা দিতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।

ভিটামিন ডি-র ঘাটতি :
শরীরের ভিটামিন ডি-র ঘাটতি দেখা দিলে তার একাধিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়। সমীক্ষা বলছে আমাদের দেশের ৭০-৯০ শতাংশ মানুষই ভিটামিন ডি'র অভাবে ভোগেন। শরীরে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি থাকলে ক্যানসার, হাইপারটেনশন এবং ডায়াবিটিসের সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যায়। ঘরে বসে কী ভাবে ভিটামিন ডি বাড়াবেন দেখে নিন।
​রোদ লাগান : 
প্রত্যেক ব্যক্তি প্রতিদিন ৬০০ আইইউ ভিটামিন ডি প্রয়োজন। সুষম আহার ও সূর্যালোক থেকে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। বাড়ির বাইরে না বের হলেও বারান্দায় বসে দিনে অন্তত আধঘণ্টা হাত, পা ও মুখে রোদ লাগান। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টার মধ্যে রোদ লাগাতে হবে। ছাদে বসেও গায়ে রোদ লাগাতে পারেন।
​সামুদ্রিক মাছ খান :
সামুদ্রিক মাছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি থাকে। তাই প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় টুনা, স্যালমন, সার্ডিনের মতো মাছ অবশ্যই রাখবেন। এছাড়া রোজ ডিমের কুসুম ও দুধ খাবেন। অরেঞ্জ জ্যুস, মাশরুম, সেরালও খাদ্যতালিকায় রাখা খুব প্রয়োজনীয়। এই সব খাবার রোজ খেলে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি হবে না।
​কড লিভার অয়েল :
আপনি যদি মাছ খেতে ভালো না বাসেন, বা মাছের গন্ধ যদি সহ্য করতে না পারেন তাহলে প্রতিদিন কড লিভার অয়েল খান। প্রতিদিন এক চামচ করে কড লিভার অয়েল খাওয়া অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এতে শরীরে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি দেখা যায় না। এক চা চামচ কড লিভার অয়েল আপনার প্রতিদিনের প্রয়োজনের ৫৬ শতাংশ ভিটামিন ডি সরবরাহ করে।
​ভেগান ডায়েট : 
যারা ভেগান ডায়েট মেনে খাওয়া দাওয়া করেন, তাদের শরীরে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি দেখা যাওয়া খুবই সাধারণ সমস্যা। ভেগানরা অ্যানিম্যাল প্রোডাক্ট খান বা বলে এই সমস্যা দেখা দেয়। আপনারা সয় মিল্ক, আমন্ড মিল্ক খেতে পারেন। তবে অতিরিক্ত ভিটামিন ডি শরীরে গেলে কিডনি ও হার্টের ক্ষতি হতে পারে। অতিরিক্ত ভিটামিন ডি-র থেকে কিডনিতে স্টোন হতে পারে। তাই আপনার কতটা ভিটামিন ডি-র প্রয়োজন তা ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে ঠিক করুন।

Native Banner