Banner 468x60 for

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২০

ওজন কমায় পেঁপে

ওজন কমায় পেঁপে

ওজন কমায় পেঁপে
পেঁপে স্বাদে অতুলনীয়। পেঁপে খেলে ওজন কমে, ত্বক পরিষ্কার হয়। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আর নানা উপকারী উপাদানে ভরপুর পেঁপে খেলে একদিকে স্বাস্থ্য যেমন ভালো থাকে, তেমনি চুল আর ত্বকের জন্যও উপকারী। খাবারে তাই পেঁপে রাখাটা জরুরি।
ওজন কমায় পেঁপে
মাঝারি আকারের একটি পেঁপেতে মাত্র ১২০ ক্যালরি থাকে। এ ছাড়া এর যে পাচক তন্তু থাকে, তা হজমে সহায়তা করে।
ডায়াবেটিসে উপকারী
পেঁপে খেতে মিষ্টি স্বাদের হলেও এতে চিনির পরিমাণ কম থাকে। এক কাপ টুকরো করা পেঁপেতে ৮ দশমিক ৩ গ্রাম চিনি থাকে। ডায়াবেটিস প্রতিরোধক উপাদান আছে পেঁপেতে।
চোখের জন্য দরকারি
পেঁপেতে আছে ক্যারোটিনাইডস নামের উপাদান, যা চোখের জন্য উপকারী। পেঁপেতে টমেটো বা গাজরের চেয়েও বেশি ভিটামিন এ আছে। এ ছাড়া চোখের মিউকাস মেমব্রেনকে সবল করতে ও ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে যে ধরনের উপাদান দরকার, পেঁপেতে তা অধিক পরিমাণে থাকে।

ত্বকের সুরক্ষায়
ভিটামিন ‘এ’ আর প্যাপিন নামের উপাদান আছে পেঁপেতে, যা শরীরের ত্বকের মৃত কোষগুলো সরিয়ে ফেলতে সাহায্য করে। শরীরের নিষ্ক্রিয় প্রোটিন ভেঙে ফেলে এবং কম মাত্রায় সোডিয়াম ত্বককে আর্দ্র রাখে।
হজমি গুণ
পেঁপেতে প্যাপিন এনজাইম থাকায় তা খাদ্যের বিপাক প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। এটি মাংস নরম করতেও ব্যবহৃত হয়। এতে তন্তু ও পানির পরিমাণ বেশি থাকায় কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২০

ধনীদের মহাকাশ ভ্রমণের জন্য তৈরি হলো যে বিলাসবহুল মহাকাশযান

ধনীদের মহাকাশ ভ্রমণের জন্য তৈরি হলো যে বিলাসবহুল মহাকাশযান


ধনীদের মহাকাশ ভ্রমণের জন্য তৈরি হলো যে বিলাসবহুল মহাকাশযান
মহাকাশ পর্যটন ব্যবসাকে ধনীদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে বিলাসবহুল মহাকাশযান তৈরি করল ভার্জিন গ্যালাক্টিক হোল্ডিং ইনকর্পোরেশন। মহাকাশ পরিবহনে পরিচিত নাম, ভার্জিন গোষ্ঠীরই একটি শাখা ভার্জিন গ্যালাক্টিক মহাকাশ পর্যটনশিল্প পরিচালনা করে। 
এক ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে তাদের নতুন ভার্জিন গ্যালাক্টিক মহাকাশযান বা ভিএসএস ইউনিটি'র উদ্বোধন করেছে এই কোম্পানি। ভার্জিনের প্রতিষ্ঠাতা তথা ব্রিটেনের নব শিল্পোদ্যোগী রিচার্ড ব্র‌্যানসন বললেন, ‘‌যখন প্রথমে আমরা ভার্জিন গ্যালাক্টিক শুরু করেছিলাম, তখন আমরা বিশ্বাস করতাম গ্রাহকদের অভিজ্ঞতার উপর, তারপর আমরা মহাকাশযান তৈরি করলাম।’‌
এই মহাকাশযানের কেবিনটিই তাদের পর্যটক টানার মূল আকর্ষণবিন্দু বলে মনে করছে ভার্জিন গ্যালাক্টিক। তবে এই মহাকাশ ভ্রমণ শুধুমাত্র ধনীদের পক্ষেই সম্ভব। কারণ এর টিকিটের দাম জন প্রতি ২,৫০,০০০ মার্কিন ডলার। কেবিনের ভিতর প্রত্যেক পর্যটক পরস্পরকে বিরক্ত না করে নিভৃতে এবং নিরাপদে বসে ব্রহ্মাণ্ডের রহস্য দেখতে পারবেন। চলতি বছরের শেষেই মহাকাশ পর্যটকদের প্রথম দল নিয়ে যেতে ইচ্ছুক ভার্জিন গ্যালাক্টিক। 
পর্যটকদের যাতে কোনওরকম অসুবিধা না হয় সে ব্যাপারে লক্ষ্য রাখতে ওয়াল ডিজনি কোম্পানির এক অবসরপ্রাপ্ত কর্মীকে তাদের নতুন সিইও হিসেবে নিয়োগ করেছে ভার্জিন গ্যালাক্টিক। ভিএসএস ইউনিটি একটি বিশাল বিমানে করে মহাকাশে পৌঁছাবে বলে জানা গেছে। আকাশের ৪৫,০০০ ফুট উচ্চতায় বিমানের ক্যারিয়ার মহাকাশযানটি ফেলবে শূন্যে। তারপর এর রকেট ইঞ্জিন চালু হয়ে যাবে। এতে দুজন পাইলট ছাড়া ছয়জন যাত্রী যেতে পারেন। পৃথিবী থেকে ৬৮ মাইল উপরে। নাসার গণনা অনুযায়ী পৃথিবী থেকে ওই দূরত্বই মহাকাশ।

নতুন গেমিং মোড নিয়ে এলো পাবজি মোবাইল

নতুন গেমিং মোড নিয়ে এলো পাবজি মোবাইল

নতুন গেমিং মোড নিয়ে এলো পাবজি মোবাইল
রহস্যময় এক পুরনো সভ্যতার থিমে সম্পূর্ণ নতুন গেম ইভেন্ট এবং আকর্ষণীয় পুরস্কারসহ প্লেয়ারদের জন্য একটি নতুন এনশিয়েন্ট সিক্রেট মোড আপডেট উন্মোচন করেছে পাবজি মোবাইল। একইভাবে নতুন অ্যারিনা গেমপ্লে- টিম গান গেম এবং হিট অ্যারিনা প্লেলিস্টের লাইব্রেরি ম্যাপে নতুন ফাস্ট-পেসড কন্টেন্ট নিয়ে আসা হয়েছে। প্লেয়াররা আজ থেকেই নতুন এই মোড এবং আপডেটের এক্সপেরিয়েন্স নিতে পারবেন।
এনশিয়েন্ট সিক্রেট স্পেশাল মোড 
নতুন এই এনশিয়েন্ট সিক্রেট থিমের গেমপ্লেটি মোড সিলেকশন স্ক্রিনের মাধ্যমে মূল মেন্যু থেকে বাছাই করা যাবে। যারা নতুন এই মোডটি অ্যাক্টিভেট করবেন তারা একটি অতিপ্রাকৃত শব্দে মিরামার এবং ইরাঙ্গেল এর ওপর ‘এনশিয়েন্ট সিক্রেট’ ভবন তৈরি হওয়া দেখতে ও উপভোগ করতে পারবেন। দুইতলা বিশিষ্ট বিশাল ভবনের গ্রাউন্ড-লেভেলে শুরু হয় এই গেমটি, এরপর প্লে সার্কেল অনুযায়ী গেমটি চলতে থাকে। ঐতিহাসিক এই কাঠামোতে আরও বেশ কিছু মজার ফিচারের অভিজ্ঞতা পাওয়া যাবে। যার মধ্যে রয়েছে- 
* নিউ বস ব্যাটেল: দ্বিতীয় তলার একটি বদ্ধ রুমে একজন গোপন বস অপেক্ষা করে, যার কাছে আছে যুদ্ধে পরাজিত হয়ে আসা প্লেয়ারদের জন্য মূল্যবান সব পুরস্কার।
* স্মল রুইন্স এনভায়রনমেন্ট: প্লেয়াররা ছোট্ট ধ্বংসাবশেষে ঢুকবে, যা ম্যাপজুড়ে ছড়িয়ে থাকে এবং এতে লুকানো আছে বক্স ও ধাঁধা।  
* কঠিন ধাঁধা: প্লেয়াররা এখন থেকে এই নতুন ইন্টারেক্টিভ এনশিয়েন্ট স্লেট (কঠিন) পাজল এর মাধ্যমে নিজেদের বুদ্ধিমত্তা যাচাই করতে পারবে। 
নতুন এই পরিবেশে প্লেয়ারদের মুগ্ধ করার জন্য চমৎকার এবং স্টাইলিশ ফারাও এক্স-স্যুট সেট আনলক করার সুযোগ রাখা হয়েছে। আরও থাকছে ওয়ারিয়র অব রা, ওয়ারিয়র অব নাট, আন্ডারওয়ার্ল্ড গাইড এবং মমি কস্টিউম। এই প্রথমবারের মতো প্লেয়াররা ছয় লেভেল পর্যন্ত আউটফিট আপগ্রেড করার সুযোগ পাবেন। সঙ্গে মিলবে আরও বেশ কিছু সুবিধা যেমন: আউটফিট পরিবর্তনের জন্য আপগ্রেড, এক্সক্লুসিভ এন্ট্রি ইমোটস, আউটফিট-এক্সক্লুসিভ লবি ইমোটস, টিমমেট ইন্টেরাকশন ইমোটস অ্যান্ড আইটেম শেয়ারিং, স্প্যান আইল্যান্ড অ্যান্ড কিল এনাউন্সমেন্ট স্পেশাল এফেক্ট। 
প্রতিটা আউটফিটে একটি অনন্য এবং এক্সক্লুসিভ ট্রেজার ক্রিয়েট আছে যা প্লেয়ার চাইলে অতিরিক্ত পুরস্কার হিসেবে আনলক করতে পারে। এখানে অন্যান্য আউটফিটের পরিবর্তে ফারাও কয়েন, গোল্ডেন ফারাও এক্স-স্যুট আপগ্রেড করার জন্য ম্যাটেরিয়েল সহ আরও অনেক কিছু আছে। প্লেয়াররা ইউসি অথবা সিলভার ফ্র্যাগমেন্ট ব্যবহার করে লাকি ড্র করতে পারে।
নিউ অ্যারিনা গেমপ্লে
অল-নিউ টিম গান গেমটি শুরু হয় অস্ত্রশস্ত্রসহ রণক্ষেত্র আকারে, যেখানে চারজন প্লেয়ারের বিরুদ্ধে চারজন প্লেয়ার যুদ্ধ করে। এই মোডে অ্যারেনা শুরু হওয়ার সাথে সাথে কিছু স্টার্টিং ওয়েপন পাওয়া যাবে। প্লেয়াররা প্রতিপক্ষকে পরাজিত করার সাথে সাথে তাদের অস্ত্রগুলো ধীরে ধীরে আপগ্রেড হতে থাকবে। শেষের ওয়েপন হবে পাবজি মোবাইলের বিখ্যাত প্যান এবং যে দল আগে প্যান জোগাড় করতে পারবে, সেই দল ম্যাচ জিতবে। টিম গান গেমটি খেলা যাবে প্রতি সপ্তাহান্তে শুক্রবার থেকে রোববার পর্যন্ত ।
প্লেয়াররা নতুন লাইব্রেরি ম্যাপে টিম গান গেমটি উপভোগ করতে পারবে। পাবজি মোবাইল প্রথমবারের মতো ইনডোর ম্যাপ নিয়ে এসেছে, যেখানে লাইব্রেরির তিনটি আক্রমণ রুটের সঙ্গে একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ বিন্যাস রেখেছে যেমন, বাম, ডান ও কেন্দ্র। প্ল্যাটফর্মগুলোতে দরজায় বা বুকশেলফের পিছনে কৌশলগত অবস্থানের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি খেলোয়াড়দের সাধারণ অস্ত্র সরবরাহের মাধ্যমে একটি লড়াইয়ের সুযোগ করে দেয়।
নতুন টিম গান গেম মোড ও লাইব্রেরি ম্যাপ ছাড়াও নতুন কন্টেন্ট আপডেটে আরও বেশকিছু ফিচার রাখা হয়েছে, যেমন:
* নিউ অ্যারিনা অ্যাটাচমেন্ট: দ্য ব্যারেল এক্সটেন্ডার মাজেল সংযুক্তিতে এখন আরও যুক্ত হতে পারে বেশকিছু স্নাইপার রাইফেলস, রাইফেলস এবং সাব-মেশিন গান। এটি আগ্নেয়াস্ত্রের কার্যকারীতার পরিসর বাড়িয়ে তোলে।
* অ্যারিনা ফায়ারআর্ম ড্যামেজ রিডাকশন অ্যাডজাস্টমেন্ট: আগ্নেয়াস্ত্রের ক্ষয়ক্ষতি নির্ভর করে অস্ত্রের ধরন এবং কার্যকর দূরত্বের উপর, যা মূলত শটগান, সাব-মেশিন গান, রাইফেল, স্নাইপার রাইফেল এই ক্রমে সাজানো হয়েছে।

দুই মাস পর নাসার বিজ্ঞানীদের নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনল স্পেসএক্স

দুই মাস পর নাসার বিজ্ঞানীদের নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনল স্পেসএক্স

দুই মাস পর নাসার বিজ্ঞানীদের নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনল স্পেসএক্স
প্রায় দুই আগে মহাকাশে গিয়েছিলেন নাসার দুই বিজ্ঞানী। তারা ইলন মাস্কের ব্যক্তিগত রকেট কোম্পানি স্পেসএক্সে মহাকাশে যান। দুই মাস পর নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরেছেন নাসার ওই দুই মহাকাশচারী। রবিবার বিজ্ঞানীরা ফ্লোরিডায় পানিতে অবতরণ করেন। খবর সিএনএন’র।
কোনও ব্যক্তিগত কোম্পানির রকেটে এভাবে মহাকাশে যাওয়া নাসার ইতিহাসে বিরল। 
আমেরিকা থেকে সবশেষ ৯ বছর আগে কোনও মার্কিন ক্রু মহাকাশে যান।
বব বেহনকেন এবং ডগ হারলি এই অভিযানে নতুন ক্যাপসুল সিস্টেমের যেমন ট্রায়াল দিয়েছেন তেমনি নাসার নতুন ব্যবসায়িক পরিকল্পনাকেও বাস্তবায়নের চেষ্টা করেছেন।
স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক মহাকাশজয় করার পর এভাবে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন, ‘এই মুহূর্তটার জন্যই আমি প্রার্থনা করেছিলাম। আমেরিকার কী শক্তি আছে, সেটা মানুষ দেখল।’
এই মিশনে দুই বিজ্ঞানী ক্রু ড্রাগন ক্যাপসুলের সব পার্ট পরীক্ষা করে দেখেছেন। নাসার ইতিহাসে এই প্রথম কক্ষপথে থাকা অবস্থায় মহাকাশচারীরা স্পেসএক্স ক্রু ড্রাগন পরীক্ষা করলেন।
ড্রাগন ক্যাপসুল অটোমেডেট মহাকাশযান। অর্থাৎ এটি আপনাআপনি স্টেশনে নিজস্ব পথ খুঁজে নিয়েছে।
এই ড্রাগনের কোনও কন্ট্রোল স্টিক নেই; সব ফ্লাইট টাচস্ক্রিন প্যানেলের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়।

ফেসবুকে চালু হচ্ছে মিউজিক ভিডিও সেকশন

ফেসবুকে চালু হচ্ছে মিউজিক ভিডিও সেকশন


ফেসবুকে চালু হচ্ছে মিউজিক ভিডিও সেকশন
ফেসবুককে ইউজারের কাছে আরও উপভোগ্য এবং আকর্ষণীয় করে তুলতে চালু হচ্ছে নতুন মিউজিক ভিডিও সেকশন। যুক্তরাষ্ট্রের ফেসবুক ব্যবহারকারীরা চলতি সপ্তাহে নতুন এ ফিচারের সুবিধা পাবেন।
ফেসবুকের ওয়াচ প্ল্যাটফর্মের জন্য এই নতুন অফিসিয়াল সেকশনের কথা শনিবারই ঘোষণা করেছে সংস্থা। ফেসবুকের এই বিভাগটি শুধু মিউজিক ভিডিও বা ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের জন্যই চালু করা হচ্ছে। এতদিন পর্যন্ত এই বিভাগটিতে একচেটিয়া আধিপত্য ছিল ইউটিউবের। এ বার ইউটিউব-এর সঙ্গে কড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামছে ফেসবুক। ইতিমধ্যে একাধিক মিউজিক সংস্থার সঙ্গে সত্ত্ব সংক্রান্ত চুক্তি সেরে ফেলেছে ফেসবুক।
শুধু সিনেমার গানই নয়, গজল, ধর্মীয় সঙ্গীত, ভজন, পপ-সহ লক্ষাধিক জনপ্রিয় গান রয়েছে এই তালিকায়। এখন সংস্থার প্ল্যাটফর্মে থাকা বিশ্বব্যাপী অসংখ্য মানুষ ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রাম মাধ্যমগুলিতে তাদের পছন্দের গান শুনতে পাবেন।
মিউজিক ভিডিওর জন্য আমেরিকার সনি মিউজিক, ইউনিভার্সাল মিউজিক গ্রুপ, ওয়ার্নার মিউজিক গ্রুপ, বিএমজি-সহ একাধিক সংস্থার সঙ্গে চুক্তি সেরে ফেলেছে ফেসবুক। ফেসবুকের ওয়াচ প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণের জন্যই এই পদক্ষেপটি নেওয়া হয়েছে। 

ট্রাম্প সরকারের রোষানলে পড়া টিকটক ক্রয়ে মাইক্রোসফটের উদ্যোগ

ট্রাম্প সরকারের রোষানলে পড়া টিকটক ক্রয়ে মাইক্রোসফটের উদ্যোগ


ট্রাম্প সরকারের রোষানলে পড়া টিকটক ক্রয়ে মাইক্রোসফটের উদ্যোগ
চীনের মালিকানাধীন ভিডিও অ্যাপ টিকটকের ওপর নিষেধাজ্ঞা/নিয়ন্ত্রণ আরোপ করার ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই পরিস্থিতিতেই টিকটকের ক্রয়ের উদ্যোগ নিয়েছে মার্কিন কোম্পানি মাইক্রোসফটসহ বিভিন্ন কোম্পানি। নিউ ইয়র্ক টাইমসসহ বেশ কিছু মার্কিন সংবাদমাধ্যম এ খবর প্রকাশ করেছে।
তবে মার্কিন কোম্পানিগুলোর সাথে চীনা কোম্পানি টিকটকের সে আলোচনার কতদূর অগ্রগতি হয়েছে তা জানা যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টিকটকের মূল কোম্পানি বাইটড্যান্স লিমিটেডের সঙ্গে কথাবার্তা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলো।
এই আর্থিক লেনদেন বিলিয়ন ডলারের হবে বলেই ধারণা। 
সম্প্রতি মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী মাইক পম্পেও অভিযোগ করেন, মার্কিন নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে টিকটক। এ নিয়ে বলতে গিয়ে ভারতে টিকটক নিষিদ্ধ হওয়ার প্রসঙ্গও তুলে ধরেছেন তিনি। এর মধ্যেই শুক্রবার ট্রাম্প ঘোষণা দেন, আমেরিকায় টিকটকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তারা অনেকগুলো বিষয় নিয়ে ভাবছেন। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কী তা এখনো জানা যায়নি।

মঙ্গলগ্রহে কয়টি অভিযান সফল হয়েছে

মঙ্গলগ্রহে কয়টি অভিযান সফল হয়েছে

মঙ্গলগ্রহে কয়টি অভিযান সফল হয়েছে?
প্রায়ই বলা হয়ে থাকে যে মঙ্গলগ্রহে যত অভিযান হয়েছে তার প্রায় অর্ধেকই ব্যর্থ হয়েছে। কিন্তু ঠিক কতগুলো অভিযান সফল আর কতগুলো ব্যর্থ তার সঠিক খতিয়ান দেয়া কঠিন। কিন্তু কেন?
অভিযানের সংখ্যার একটা হিসাব হয়ত বিজ্ঞানীরা সহজেই দিতে পারবেন, শতকরা হিসাবও তারা দেবেন, কিন্তু সাফল্য আর ব্যর্থতা কোন্ মাপকাঠিতে হিসাব করা হবে সেটা নিয়েই বিজ্ঞানী মহলে রয়েছে আসল জটিলতা।
যেমন: ব্রিটিশ নভোযান বিগল-২ মঙ্গলের আবহাওয়া মণ্ডলে সফলভাবে ঢুকতে সক্ষম হয়েছিল ২০০৩ সালের ডিসেম্বর মাসে। মঙ্গলের পৃষ্ঠে সফলভাবে অবতরণও করেছিল নভোযানটি। কিন্তু কয়েক বছর আগে জানা যায়, সফলভাবে পৌঁছনর সেই খবর বাড়িতে অর্থাৎ পৃথিবীতে পৌঁছে দিতে ব্যর্থ হয় নভোযানটি। তাহলে এই অভিযান সফল না ব্যর্থ?
নাসার মার্স রিকনোসেন্স অরবিটার নামে পর্যবেক্ষণ নভোযানের পাঠানো ছবি থেকে দেখা যায় বিগল- টু নভোযানটির "পাপড়ি"র মত যে অংশগুলো অবতরণের সময় খুলে যাবার কথা ছিল সেগুলো খুলতে ব্যর্থ হয়। ওই পাপড়ির মত অংশগুলোতে সংযুক্ত ছিল সোলার প্যানেল। সেগুলো না খোলায় যোগাযোগ অ্যান্টেনাগুলো বন্ধ থাকে এবং পৃথিবীর সাথে নভোযানের যোগাযোগ পথ বন্ধ হয়ে যায়।
বিগল টু-নভোযান প্রসঙ্গে বলা হয় এই মহাকাশ মিশন মঙ্গলের পৃষ্ঠে অবতরণের সময় শুধু কিছু ঘষা খাওয়ার চিহ্ণ রেখে গেছে - এছাড়া এর কোন সাফল্য নেই। কিন্তু যানটি যে অক্ষত অবস্থায় অবতরণ করেছিল সেটাকে কি অন্তত আংশিক সাফল্য হিসাবেও ধরা যায়? বিজ্ঞানীদের মধ্যে মতভেদ আছে।
কিংবা ধরুন রাশিয়ার মার্স-থ্রি নভোযানের কথা। মঙ্গল গ্রহে প্রথম সফলভাবে অবতরণ করেছিল এই নভোযানটি ১৯৭১ সালের দোসরা ডিসেম্বর। সেটাই মঙ্গলে প্রথম কোন নভোযানের অবতরণ। অবতরণের পরই সাথে সাথে সোভিয়েত নভোযানটি সেখান থেকে ছবি পাঠাতে শুরু করে পৃথিবীতে। মিশনের নিয়ন্ত্রকরা এই সাফল্যে তখন উল্লসিত হয়ে উঠেছিলেন।
কিন্তু মঙ্গলের পৃষ্ঠে মাত্র দু মিনিট যেতে না যেতেই নভোযানের কলকব্জা বিকল হয়ে যায়। সেই সময় একটা ভয়ঙ্কর রকম ধূলোর ঝড় বইছিল। ধারণা করা হয় নভোযানের কলকব্জা অকেজো হয়ে যাওয়ার কারণ ছিল ওই ধূলিঝড়।
কোন কোন বিজ্ঞানী মনে করেন ওই ধূলিঝড়ের কারণেই নভোযানের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা বিকল হয়ে যায় এবং পৃথিবীর সাথে নভোযানের যোগাযোগ বিঘ্নিত হয়।
সোভিয়েত ইউনিয়ন এরপর আরও পাঁচবার মঙ্গলগ্রহে নভোযান পাঠানোর পর তাদের অভিযান আসল সাফল্যের মুখ দেখে।
তাহলে মার্স-থ্রি: সফল নাকি ব্যর্থ? এ নিয়েও সর্বসম্মত মতৈক্য হয়নি।
আরও একটি বিষয় আছে: মঙ্গল গ্রহে অভিযান আসলে কোন্ গুলোকে বলা হবে? ১৯৮৮ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন দুটি নভোযান পাঠায় -তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল মঙ্গলের দুটি চাঁদ ফোবোস এবং ডেইমোস সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ ও গবেষণা। যদিও পাশাপাশি গ্রহটি পর্যবেক্ষণ করে তথ্য আনাও ওই মিশনের অন্যতম আরেকটি লক্ষ্য ছিল।
একটি ভুলের কারণে ফোবোস-১ মঙ্গলের কাছে পৌঁছতে পারেনি। কয়েক মাস পর ফোবোস সম্পর্কে তথ্য আনতে আরেকটি নভোযান পাঠানো হয়েছিল, সেটিও মহাকাশে হারিয়ে যায়। ২০১১ সালেও ফোবোসে আরেকটি মিশন পাঠানোর চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
অনেকেই প্রশ্ন তোলেন ফোবোসে পাঠানো নভোযানগুলো তো পাঠানো হয়েছিল মঙ্গলের চাঁদে। ফলে সেগুলোকে মঙ্গলের গবেষণা মিশন হিসাবে গণ্য করা কি সঠিক? অন্যরা বলেন - না মঙ্গল গ্রহ নিয়ে অভিযানের তালিকাতেই তাদের নাম ওঠানো উচিত। এ প্রশ্নের উত্তরও অস্পষ্ট। আপনার কি মনে হয়?
এছাড়া কিছু মিশন যেমন নাসার ডন এবং ইউরোপীয়ান মহাকাশ সংস্থার রোসেটা নভোযান তাদের "আসল" গন্তব্যে যাবার পথে মঙ্গল গ্রহকে ছুঁয়ে গেছে। তাহলে সেগুলোর নাম কোন্ তালিকায় ওঠা উচিত?
মঙ্গল অভিযান নিয়ে এরকম নানা ধোঁয়াশার কারণেই সম্ভবত মহাকাশ পর্যবেক্ষকদের কেউ কেউ বলেন "প্রায় অর্ধেক" অভিযান সফল হয়েছে আর বাকি অর্ধেক ব্যর্থ।
কিন্তু কোনগুলো আসল মঙ্গল গ্রহে অভিযান ছিল, আর কোনগুলো মঙ্গলের আশেপাশে কাজ করার জন্য পাঠানো হয়েছিল, সেটা নিয়ে তারা স্পষ্ট ধারণা দিতে পারেন না।
তবে যেসব মিশনের নাম ব্যর্থ অভিযানের তালিকায় উঠেছে, সেগুলোর ব্যর্থতার কারণ ছিল মূলত কারিগরি ত্রুটি, সফটওয়্যারের সমস্যা এবং কোন কোন ক্ষেত্রে নিছক দুর্ভাগ্য।
তবে ১৯৯৮ সালে নাসা যখন মার্স ক্লাইমেট অরবিটার মিশন নামে একটি নভোযান মঙ্গল গ্রহে পাঠায়, তখন কোন্ পদ্ধতিতে তথ্য হিসাব করা হবে তা নিয়ে ঘটে এক নজিরবিহীন বিভ্রাট।। নভোযানের তথ্য মেট্রিক পদ্ধতিতে নথিভুক্ত হবে নাকি সনাতনী পদ্ধতিতে, মঙ্গলের কক্ষপথে নভোযানটি ঢোকার মুখে তা গুলিয়ে যায়।
ধারণা করা হয় এরপর, নভোযানটি হয় মঙ্গল গ্রহের আবহাওয়া মণ্ডলে পুড়ে নষ্ট হয়ে যায়, নয়ত তথ্যবিভ্রাটে পড়ে সেটি সূর্যের কক্ষপথে ঢুকে পড়তে বাধ্য হয় এবং ধ্বংস হয়ে যায়।
অনেকে আবার মনে করেন, এই অভিযানের জন্য যে ব্যয় বরাদ্দ ছিল তার বাইরে আরও অতিরিক্ত কাজ করার চেষ্টা করা হয়েছিল এই অভিযানে। নাসার মূলমন্ত্র তখন ছিল তিনটি- দ্রুত কাজ, উন্নত কাজ ও সস্তায় কাজ। বিজ্ঞানীরা এ নিয়ে ঠাট্টা করে বলতেন তিনটা একসাথে মেলানো অসম্ভব- যে কোন দুটো বেছে নেয়া উচিত।
তা সত্ত্বেও এবং কিছু ব্যর্থতার কথা বাদ দিলেও, মঙ্গল গ্রহ অভিযানে আমেরিকার সাফল্যের রেকর্ডই সবচেয়ে ভাল।
মঙ্গল গ্রহে ১৯৯৯ সালের পর নাসা যেসব নভোযান পাঠিয়েছে তার সবগুলোই শুধু যে সফল হয়েছে, তাই নয়, যে উদ্দেশ্যে সেগুলো পাঠানো হয়েছিল তার বাইরেও অতিরিক্ত তথ্য সংগ্রহে সেই মিশনগুলো অনেকদিন পর্যন্ত কাজ করে গেছে।
এই মুহূর্তে নাসা মঙ্গলে পাঠিয়েছে নভোযান পারসিভিয়ারেন্স। সংযুক্ত আরব আমীরাত আর চীনও মঙ্গলে তাদের নভোযান পাঠিয়েছে। এদের নাম সাফল্যের তালিকায় উঠবে না কি ব্যর্থ অভিযানের তালিকায়, সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।

Native Banner