Banner 468x60 for

শনিবার, ১ মার্চ, ২০২৫

প্লেনে ফোন ফ্লাইট মোডে রাখতে বলা হয় কেন

প্লেনে ফোন ফ্লাইট মোডে রাখতে বলা হয় কেন

প্লেনে ফোন ফ্লাইট মোডে রাখতে বলা হয় কেন?

ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশনের (এফসিসি) দাবি, সেলফোন বা এ ধরনের ডিভাইসগুলোর রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি প্লেনের নেভিগেশন এবং যোগাযোগ ব্যবস্থায় সমস্যা তৈরি করতে পারে। এ কারণে, ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) প্লেন উড়ানের সময় এবং অবতরণের সময় কোনও ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করতে নিষেধ করে।

ফ্লাইট মোড সাময়িকভাবে ফোন বা ল্যাপটপের ডেটা ট্রান্সমিটার এবং রিসিভারের সিগন্যালগুলোকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়। অর্থাৎ ডিভাইসে কোনও ডেটা পাঠানো বা গ্রহণ করা যায় না। ফলে ব্যবহারকারী কোনও কল করতে, টেক্সট মেসেজ করতে বা মেল পাঠাতেও পারবেন না।

কেন স্মার্টফোন ক্যামেরায় থাকে তিন বা চারটি লেন্স

কেন স্মার্টফোন ক্যামেরায় থাকে তিন বা চারটি লেন্স

কেন স্মার্টফোন ক্যামেরায় থাকে তিন বা চারটি লেন্স?

একাধিক লেন্সের প্রয়োজনীয়তা
ডিএসএলআর ক্যামেরায় বিভিন্ন ধরনের শট নেওয়ার জন্য লেন্স পরিবর্তনের সুবিধা থাকে। তবে, স্মার্টফোনের আকার ছোট হওয়ায় এতে বারবার লেন্স পরিবর্তনের সুযোগ নেই। এই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে তুলতে স্মার্টফোন নির্মাতারা একাধিক ক্যামেরা সেন্সর যুক্ত করেছেন, যেখানে প্রত্যেক ক্যামেরার আলাদা ফোকাল লেংথ ও সক্ষমতা রয়েছে।

ক্যামেরা অ্যাপে আলট্রা-ওয়াইড, টেলিফটো বা ম্যাক্রো অপশন নির্বাচন করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্দিষ্ট ক্যামেরা সেন্সর নির্বাচন হয়, যা উন্নত মানের ছবি তুলতে সাহায্য করে।

একাধিক ক্যামেরার ভূমিকা
বর্তমানে আইফোন ১৬ প্রো, গুগল পিক্সেল ৭ প্রো, স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ২৫ ও ওয়ানপ্লাস ১৩-এর মতো জনপ্রিয় স্মার্টফোনগুলোতে তিনটি ক্যামেরা থাকে।

প্রধান তিনটি ক্যামেরার কাজ:

প্রাইমারি ক্যামেরা (ওয়াইড-অ্যাঙ্গেল):
সাধারণ ফটোগ্রাফির জন্য ব্যবহৃত হয়।
এটি সাধারণত সবচেয়ে শক্তিশালী ও উচ্চ মেগাপিক্সেলের হয়ে থাকে।

আলট্রা-ওয়াইড অ্যাঙ্গেল ক্যামেরা:
আরও বিস্তৃত ভিউ ধারণ করতে পারে।
গ্রুপ ফটো বা ল্যান্ডস্কেপ শট তোলার জন্য উপযুক্ত।

টেলিফটো ক্যামেরা:
অপটিক্যাল জুমের মাধ্যমে দূরের বস্তু স্পষ্টভাবে ক্যাপচার করা যায়।
ডিজিটাল জুম বা ক্রপিং ছাড়াই ছবির মান বজায় থাকে।
কিছু স্মার্টফোন, যেমন স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ২৫ আল্ট্রা, চারটি ক্যামেরা যুক্ত করেছে। এখানে চতুর্থ ক্যামেরাটি পেরিস্কোপ টেলিফটো, যা টেলিস্কোপিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে দূরবর্তী বস্তুর স্পষ্ট ছবি তুলতে সাহায্য করে।

এছাড়া, কিছু স্মার্টফোনে মনোক্রোম সেন্সর যুক্ত থাকে, যা সাদা-কালো ছবি তুলতে ব্যবহৃত হয় এবং ছবির কনট্রাস্ট ও বিস্তারিত ডিটেইলস উন্নত করে।

একাধিক ক্যামেরার সমন্বিত কাজ
স্মার্টফোনের ছবির মান শুধু ক্যামেরার সংখ্যা নয়, বরং ইমেজ প্রসেসিংয়ের ওপরও নির্ভর করে।

গুগল পিক্সেল ৩ ও তার আগের মডেলগুলো মাত্র একটি ক্যামেরা ব্যবহার করেও উন্নতমানের ছবি তুলতে সক্ষম ছিল, কারণ এতে কম্পিউটেশনাল ফটোগ্রাফি ব্যবহৃত হয়েছে।

কম্পিউটেশনাল ফটোগ্রাফি কীভাবে কাজ করে?

বিভিন্ন ক্যামেরা থেকে নেওয়া তথ্য একত্রিত করে উন্নতমানের ছবি তৈরি করা হয়।
পোর্ট্রেট মোডে ছবি তুললে, ক্যামেরা বিষয়বস্তুর গভীরতা পরিমাপ করে পটভূমিকে ব্লার করে বোকেহ ইফেক্ট তৈরি করে।
মনোক্রোম সেন্সর থাকলে, এটি কনট্রাস্ট ও বিস্তারিত ধরে রাখে এবং অন্য ক্যামেরা রঙের তথ্য যোগ করে আরও স্পষ্ট ছবি তৈরি করে।

অ্যাপ ডাউনলোড করার পর ফোন হ্যাং হলে কী করবেন

অ্যাপ ডাউনলোড করার পর ফোন হ্যাং হলে কী করবেন

অ্যাপ ডাউনলোড করার পর ফোন হ্যাং হলে কী করবেন?ফোনে নানান কাজে অ্যাপ ডাউনলোড করছেন যে কোনো সময়। তবে স্মার্টফোনে অ্যাপ ডাউনলোড করে দেখলেন, মোবাইলটি ঘনঘন হ্যাং হচ্ছে, বা স্মার্টফোন দ্রুত গরম হচ্ছে বা চার্জও থাকছে না বেশিক্ষণ। এমন হলে সতর্ক হোন। বিপদ থাকতে পারে ডাউনলোড করা অ্যাপের মধ্যেই। জেনে নিন এসময় কী করবেন, কী করবেন না-

অ্যাপ ডাউনলোড করুন সব সময়ে ট্রাস্টেড প্ল্যাটফর্ম থেকে। যেমন- বৈধ ও নিরাপদ ওয়েবসাইট অথবা অথরাইজড অ্যাপ স্টোর থেকে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনও বিজ্ঞাপন দেখে অথবা কোনো ফরোয়ার্ডেড লিঙ্ক বা মেসেজ থেকে কোনও অ্যাপ কখনো ডাউনলোড না-করাই ভালো।

কোনো অ্যাপ স্মার্টফোনে ডাউনলোড করার সময়ে ভালো কররে দেখে নিন, তাকে কোন কোন তথ্য ব্যবহারের অনুমতি দিচ্ছেন। একান্ত ব্যক্তিগত কোনো তথ্য, ক্রেডিট কার্ড বা ডেবিট কার্ড নম্বর, ব্যাঙ্ক ডিটেলস, আধার-প্যান নম্বর এমন সব তথ্য চাওয়া হলে অবশ্যই সতর্ক হোন।

কোনো অ্যাপ ডাউনলোড করার আগে তার বিস্তারিত আগে দেখুন। এর আগের ব্যবহারকারীরা অ্যাপটি সম্পর্কে কী রেটিং দিয়েছেন, এর কোনো খারাপ দিকের কথা উল্লেখ করেছেন কি না, সেগুলো দেখে নিন।

অ্যাপ প্রস্তুতকারী সংস্থাটি সম্পর্কেও বিস্তারিত জানার চেষ্টা করুন অ্যাপ ইনস্টল করার আগে।

আপনার স্মার্টফোনে ট্রাস্টেড অ্যান্টি-ভাইরাস ও অ্যান্টি-ম্যালওয়্যার সফটওয়্যার অবশ্যই ইনস্টল করে রাখুন। তাতে কোনও ম্যালিশিয়াস অ্যাপ ডাউনলোড করার আগে আপনার কাছে সতর্কবার্তা চলে যাবে।

অনেক সময়ে প্রতারকরা হোয়াটসঅ্যাপ বা টেলিগ্রামে গ্রুপ তৈরি করে নতুন কাজের সুযোগ দেওয়ার নাম করে বিশেষ অ্যাপ ডাউনলোডের পরামর্শ দেয়। এরকম কোনও অ্যাপ ডাউনলোড না-করাই ভালো।

সাম্প্রতিক অতীতে কম ইনভেস্টমেন্টে বেশি লাভের টোপ দিয়ে অনেক লোন-অ্যাপ বাজারে ছাড়ছে প্রতারকরা। এরকম অ্যাপ ডাউনলোড করবেন না।

অনেক সময়ে আবার আপনাকে কোনো সার্ভিস প্রোভাইডারের নাম করে মোবাইলে রিমোট অ্যাপ ডাউনলোডের টোপ দিতে পারে প্রতারকরা। সেটা করবেন না। কারণ, এতে আপনার মোবাইলের দখল রিমোটেই নিয়ে নিতে পারে প্রতারকরা।

যে সব মোবাইল অ্যাপ আপনি দীর্ঘদিন ব্যবহার করছেন না, সেগুলো আন-ইনস্টল করে দেওয়াই ভালো। নাহলে সেগুলি আপডেট হতে থাকবে, আপনার স্মার্টফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডে চালুও থাকবে, তাতে মোবাইলের চার্জ তাড়াতাড়ি চলে যেতে পারে। ফোন হ্যাংও হতে পারে।

চ্যাটজিপিটি-৪.৫ আবেগ বোঝে, উত্তর দেবে আরও বাস্তবসম্মতভাবে

চ্যাটজিপিটি-৪.৫ আবেগ বোঝে, উত্তর দেবে আরও বাস্তবসম্মতভাবে

চ্যাটজিপিটি-৪.৫: আবেগ বোঝে, উত্তর দেবে আরও বাস্তবসম্মতভাবে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কোম্পানি ওপেনএআই গত বৃহস্পতিবার তাদের নতুন মডেল জিপিটি-৪.৫ উন্মোচন করেছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি অনুযায়ী, এটি তাদের সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী মডেল। আগের মডেলগুলোর তুলনায় এটি আরও ভালোভাবে আবেগ বুঝতে পারে এবং সংবেদনশীলভাবে উত্তর দিতে সক্ষম।

আরও ‘বড়’ ও ‘ব্যয়বহুল’ মডেল
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ওপেনএআইয়ের সিইও স্যাম অল্টম্যান বলেন, "জিপিটি-৪.৫-এর সঙ্গে কথা বললে মনে হবে যেন একজন চিন্তাশীল মানুষের সঙ্গে কথা বলছি।" তিনি আরও বলেন, "এটি এমন একটি মডেল, যা আমাকে চমকিত করেছে এবং সত্যিকারের ভালো পরামর্শ দিয়েছে।"

তিনি জানান, এই মডেলটি আরও ‘বড়’ এবং ‘ব্যয়বহুল’ হবে। প্রতিষ্ঠানটি একই সঙ্গে পেইড সাবস্ক্রিপশন স্তর (প্লাস ও প্রো) চালু করতে চাইলেও পর্যাপ্ত জিপিইউ (gpu) না থাকায় তা সম্ভব হয়নি। তবে পরবর্তী সপ্তাহে আরও হাজার হাজার জিপিইউ যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে এবং প্রথমে প্লাস ব্যবহারকারীদের জন্য এটি উন্মুক্ত করা হবে।

আরও স্মার্ট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
সিলিকন ভ্যালিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেলগুলোর উন্নয়ন নিয়ে নানা মতপার্থক্য রয়েছে। তবে জিপিটি-৪.৫ প্রমাণ করেছে যে, বেশি ডেটা ও কম্পিউটেশনাল শক্তি ব্যবহার করলে মডেল আরও উন্নত হয়।

এক নিউজলেটারে ওপেনএআইয়ের প্রধান গবেষণা কর্মকর্তা মার্ক চেন জানান, "মডেলটি আরও বড় এবং বেশি ডেটা ব্যবহারের পরও এর পারফরম্যান্স কমেনি।"

চেন আরও বলেন, "ওপেনএআই খুবই কঠোর ও সুনির্দিষ্ট পদ্ধতিতে মডেল তৈরি করে। আগের মডেলগুলোর পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে পরবর্তী ফলাফল পূর্বানুমান করা হয় এবং স্কেলিং যন্ত্রপাতি তৈরি করা হয়।"

কম খরচে শক্তিশালী মডেল
মডেল প্রশিক্ষণের খরচ এখনো অনেক বেশি হলেও, বড় মডেল চালানোর জন্য সাশ্রয়ী কিছু পদ্ধতি খুঁজে পেয়েছে ওপেনএআই। ফলে জিপিটি-৪.৫ চালানোর খরচ জিপিটি-৪-এর তুলনায় অনেক কমে গেছে।

জিপিটি-৪.৫ মডেলটি গবেষণা প্রিভিউ হিসেবে উন্মুক্ত করা হয়েছে। এটি প্রথমে চ্যাটজিপিটি প্রো সাবস্ক্রাইবার ও এপিআই ডেভেলপাররা ব্যবহার করতে পারবে। পরবর্তী সময়ে প্লাস, টিম ও ইডিইউ ব্যবহারকারীদের জন্য চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

উল্লেখ্য, চ্যাটজিপিটি প্রো সাবস্ক্রিপশনের জন্য প্রতি মাসে ২০০ ডলার এবং প্লাস সাবস্ক্রিপশনের জন্য মাসে ২০ ডলার খরচ করতে হয়।

আরও নির্ভুল ও কম ভুল তথ্য
ওপেনএআই জানিয়েছে, জিপিটি-৪.৫ পূর্ববর্তী মডেলগুলোর তুলনায় আরও বেশি সঠিক এবং এতে ভুল তথ্য (Hallucination) তৈরির প্রবণতা অনেক কম।

শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

ইউটিউবে বিজ্ঞাপন ছাড়াই দেখা যাবে ভিডিও

ইউটিউবে বিজ্ঞাপন ছাড়াই দেখা যাবে ভিডিও

ইউটিউবে বিজ্ঞাপন ছাড়াই দেখা যাবে ভিডিও
ইউটিউবে কিছুক্ষণ পরপর বিজ্ঞাপনের অত্যাচার বেশ বিরক্ত হয়ে পড়েন অনেকে। এর মধ্যে কিছু বিজ্ঞাপন আবার স্কিপ করাও যায় না। তবে যেসব ব্যবহারকারী বিজ্ঞাপন দেখতে চান না, তাদেরকে এই ঝামেলা থেকে মুক্তির উপায় নিয়ে আসছে জনপ্রিয় এই প্ল্যাটফর্মটি। কোনো খরচ ছাড়াই বিজ্ঞাপন ফ্রি ভিডিও দেখতে পারবেন। 

জানা গেছে, শিগগিরি ইউটিউব নিয়ে আসছে প্রিমিয়াম লাইট প্ল্যান। তবে এই প্ল্যানে দেখতে পাবেন না কোনো মিউজিক ভিডিও। কিন্তু পডকাস্ট বা নির্দেশমূলক কনটেন্ট দেখা যাবে। যা অস্ট্রেলিয়া, মার্কিন আমেরিকা, জার্মানি ও থাইল্যান্ডে শুরু হচ্ছে। গুগল পরীক্ষামূলক ভাবে এই প্ল্যান বাজারে নিয়ে আসছে। তবে আগামীতে আস্তে আস্তে বিশ্বের বাকি দেশগুলোতে শুরু হবে এই পরিষেবা। 

এছাড়াও ইউটিউব নিজেদের রেভিনিউ মডেলকে নতুন করে সাজাতে শুরু করেছে। ইউটিউবে যারা কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে কাজ করছেন তারা যা আয় করেন ভবিষ্যতে সেই আয়ের পরিমাণ বাড়াতে চাইছে ইউটিউব। সেজন্য কেবল বিজ্ঞাপন বাবদ অর্থ থেকে আয় নয় আরো বেশি করে পেইড সাবস্ক্রিপশনের পথেও হাঁটতে চাইছে প্ল্যাটফর্মটি।

ইউরোপে শাস্তির মুখে গুগল

ইউরোপে শাস্তির মুখে গুগল

ইউরোপে শাস্তির মুখে গুগল
ইউরোপে শাস্তির মুখে সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগল। গুগলের বিরুদ্ধে ইউরোপে ডিজিটাল মার্কেটস অ্যাক্ট (ডিএমএ) লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) অ্যান্টিট্রাস্ট রেগুলেটর এখনো বলবত আছে। যা অবস্থা তাতে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই গুগলকে মোটা অংকের অর্থ জরিমানা করতে পারে ইউরোপিয়ান কমিশন।

গুগলের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের মোট বার্ষিক আয়ের ১০ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা দিতে হতে পারে প্রতিষ্ঠানটিকে।

নিজেদের সার্চ রেজাল্টে গুগলের প্রস্তাবিত পরিবর্তনসমূহ ইইউর অ্যান্টিট্রাস্ট পর্যবেক্ষক সংস্থার উদ্বেগ প্রশমিত করতে পারেনি। শুধু তাই নয়, গুগলের প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোও দাবি করেছে যে, সার্চ রেজাল্টে গুগলের প্রস্তাবিত পরিবর্তনসমূহ ডিজিটাল মার্কেটস অ্যাক্ট-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

উল্লেখ্য, ইউরোপিয়ান কমিশন গত বছর মার্চ মাস থেকেই ডিজিটাল মার্কেটস অ্যাক্ট নীতিমালা ভঙ্গের অভিযোগে গুগলের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে। তদন্তাধীন অভিযোগগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে, গুগল তাদের সার্চ ইঞ্জিনে গুগল ফ্লাইটস, গুগল হোটেলস ও গুগল শপিংয়ের মতো সার্ভিসগুলোকে অন্যায্যভাবে প্রাধান্য দিয়ে থাকে। ফলে একই ধরনের সার্ভিস প্রদানকারী অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। ইউরোপিয়ান কমিশন তদন্ত করে দেখছে, সেবাপ্রদানকারী অন্যান্য থার্ড-পার্টি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে গুগলের সার্চ ইঞ্জিন আসলেই এমন বৈষম্যমূলক আচরণ করছে কি না।

গত ডিসেম্বরে প্রকাশিত তাদের একটি ব্লগপোস্টের দিকে ইঙ্গিত করছে যেখানে প্রতিষ্ঠানটির ইউরোপ, মিডল ইস্ট ও আফ্রিকা অঞ্চলের (ইএমইএ) প্রতিযোগিতা-সম্পর্কিত বিষয়ের পরিচালক অলিভার বেথেল জানিয়েছেন যে, তার প্রতিষ্ঠান ভারসাম্যপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করতে ইউরোপিয়ান কমিশনের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। ব্লগ পোস্টে বেথেল আরও বলেছেন, প্রতিদ্বন্দ্বীদের সন্তুষ্ট করতে গুগলের সার্চ রেজাল্ট ফরম্যাটে পরিবর্তন আনার ফলে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফিচার তারা সরিয়ে নিতে পারেন।

উল্লেখ্য, ডিজিটাল মার্কেটস অ্যাক্ট বা ডিএমএ অনুযায়ী, গুগলের মতো বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের প্ল্যাটফর্মে নিজস্ব পণ্য ও সেবার প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করতে পারে না। ইইউর এমন আইনের পেছনে যুক্তি হচ্ছে, সার্চ ইঞ্জিন একটি পাবলিক প্ল্যাটফর্ম যেখানে সবার সমান অধিকার থাকবে এমনটাই প্রত্যাশা করেন সাধারণ ব্যবহারকারীরা। সেখানে অ্যালগরিদমে পরিবর্তন এনে নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠানের পণ্য ও সেবার প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করার কোনো সুযোগ নেই।

ডিএমএর নীতিমালা অনুসারে, গুগলের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের মোট বার্ষিক আয়ের ১০ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা দিতে হতে পারে প্রতিষ্ঠানটিকে। সার্চ ইঞ্জিনে পক্ষপাতমূলক আচরণ ছাড়াও আরও কয়েকটি বিষয়ে গুগলের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে ইউরোপিয়ান কমিশন। এর মধ্যে একটি হচ্ছে, গুগল তাদের অ্যাপ স্টোরের বাইরে অ্যাপ ডেভেলপারদের নিজেদের বিভিন্ন অফার বিনামূল্যে প্রচার করতে দেয় না।

হোয়াটসঅ্যাপে কেউ ব্লক করলে বুঝবেন যেভাবে

হোয়াটসঅ্যাপে কেউ ব্লক করলে বুঝবেন যেভাবে

হোয়াটসঅ্যাপে কেউ ব্লক করলে বুঝবেন যেভাবে
বিশ্বের প্রায় ২০০ কোটি মানুষ প্রতিদিন ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করছেন। চ্যাট নিরাপত্তা, এইচডি কোয়ালিটি ছবি, ভিডিও আদান-প্রদান করা যায় খুব সহজে। প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা ও হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারের অভিজ্ঞতা ভালো করতে নানান ফিচার যুক্ত করছে।

সারাক্ষণ বন্ধু, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাট করছেন। কেউ যদি আপনাকে না জানিয়ে ব্লক করে দেয় অনেক সময় বুঝতেই পারেন না। এটি কিন্তু খুব সহজেই বুঝতে পারবেন। কয়েকটি বিষয় খেয়াল করুন-

খেয়াল করুন কোনো কোনো কনট্যাক্ট অনলাইন থাকলে আপনি তা দেখতে পেতেন। কিন্তু আচমকাই পাচ্ছেন না। তাহলে এটা সম্ভব যে আপনাকে ওই কনট্যাক্ট থেকে ব্লক করে দেওয়া হয়েছে। তবে এও হতে পারে ওই কনট্যাক্ট হয়তো প্রাইভেসে সেটিংস বদলে ইনফরমেশন হাইড করে রেখেছেন।

তার চেয়ে খেয়াল করুন আপনি মেসেজ পাঠালে দুটি না একটি, টিক দেখাচ্ছে। একটি টিকের অর্থ আপনার ফোন থেকে মেসেজটি চলে গিয়েছে। কিন্তু এখনো ডেলিভার্ড হয়নি। দুটি টিক অর্থে সেটা অন্য নম্বরটিতে চলে গিয়েছে। আর ‘সিন’ করলে তবে সেই ডাবল টিক নীলবর্ণ ধারণ করে। সুতরাং মেসেজ পাঠানোর পর অনেকক্ষণ কেটে গেলেও যখন সিঙ্গল টিক হয়েই থেকে যায়, তখনই বুঝে নিতে হবে তা ওই ফোনে ঢোকেনি। তার মানে আপনি ব্লক, তা হতেই পারে। তবে ইন্টারনেট না থাকলেও এরকম দেখাতে পারেন। ফলে নিশ্চিত হওয়ার জো নেই।

আপনি যে কনট্যাক্টকে নিয়ে সন্দেহ করছেন, আচমকাই যদি তার প্রোফাইল ছবিটি সরে যেতে দেখেন তাহলে ধরে নেওয়াই যায় আপনি ব্লকড।

ব্লক হয়েছেন কি না তা বোঝার আরও বড় উপায়, সেই কনট্যাক্টকে কল করতে গেলে কিংবা তাকে কোনো গ্রুপে অ্যাড করতে গেলে যদি ‘এরর’ মেসেজ আসে তাহলে ধরে নিতেই পারেন আপনি ব্লকড।

তবে এব্যাপারে নিশ্চিত হওয়ার আরও একটি উপায় আছে। আপনাদের কোনো ‘মিউচুয়াল কনট্যাক্ট’ থাকলে তাকে বলুন ওই নম্বরটির ‘লাস্ট সিন’ এবং প্রোফাইল ছবি তিনি দেখতে পাচ্ছেন কি না। যদি এর উত্তর ‘হ্যাঁ’ হয়, তাহলে নিশ্চিত ভাবেই আপনি ব্লকড।

Native Banner