Banner 468x60 for

বুধবার, ২৩ জুলাই, ২০২৫

যেভাবে ফোনে ‘ভয়েস টাইপিং’ করবেন

যেভাবে ফোনে ‘ভয়েস টাইপিং’ করবেন

যেভাবে ফোনে ‘ভয়েস টাইপিং’ করবেন

সিরি, এলেক্সা ও জেমিনাইয়ের মতো এআই সহযোগীগুলোর ব্যবহার বাড়ার কারণে অনেকেই এখন গ্যাজেটের সঙ্গে কথা বলায় অভ্যস্ত। তবে কথা বলার মাধ্যমে যে টাইপ করা সম্ভব তা হয়তো অনেকের অজানা। অ্যানড্রোয়েড ও আইওএস ডিভাইসে কীভাবে ‘ভয়েস টাইপ’ করা যায়- এ বিষয়ে ওয়ার্ডের এক প্রতিবেদন বলছে, ব্যবহারকারীরা চাইলেই ইচ্ছেমতো টাইপ বা ভয়েস টাইপ করতে পারবেন।

অ্যানড্রোয়েড : পিক্সেল ও অন্যান্য অ্যানড্রোয়েড ফোনে জি-বোর্ড থাকে। টাইপ করতে গেলে যখন বোর্ডটি পপআপ করবে, তখন ভয়েস টাইপিংয়ের জন্য বোর্ডের ডান পাশে মাইক্রোফোন আইকনে চাপ দিয়ে কথা বলতে পারবেন। ভয়েস টাইপিংয়ে কোনো শব্দ মুছতে ‘ডিলিট’ শব্দ ব্যবহার করতে পারেন, পুরো লেখা মুছতে ‘ক্লিয়ার অল’ বলতে পারেন। লেখার ফরম্যাট বা লেখাটি ঠিকঠাক দেখাতে পরবর্তী ধাপে কী করতে হবে সে সম্পর্কে নির্দেশনা দেওয়া হয়। ফোনে যদি ভয়েস টাইপিং কাজ না করে তাহলে সেটি চালু আছে কি না দেখতে হবে। না থাকলে ফোনের সেটিং>সিস্টেম>কিবোর্ড>অন-স্ক্রিন কিবোর্ড>জি-বোর্ড>ভয়েস টাইপিংয়ে গিয়ে চালু করতে পারবেন।

আইওএস : আইফোনেও ভয়েস টাইপিংয়ের সুযোগ রয়েছে। যদিও অ্যাপলের তৈরি নিজস্ব কিবোর্ডই ডিফল্ট হিসেবে থাকে। বিভিন্ন ধরনের কমান্ডের মাধ্যমে ইমোজি বা বিরাম চিহ্ন টাইপ করা যাবে। ‘নিউ লাইন’ বা ‘নিউ প্যারাগ্রাফ’-এর মতো কমান্ড দিয়ে মেসেজগুলো ভাগ ভাগ করা সম্ভব। তবে আইফোন অ্যানড্রোয়েডের মতো ‘সেন্ড’ বা ‘সার্চ’ কমান্ড করে মেসেজ সাবমিটের সুযোগ দেয় না। এ ক্ষেত্রে ‘মাইক্রোফোন’ বাটনে চাপ দিয়ে বা ‘স্টপ ডিকটেশন’ বলে ‘ভয়েস ডিকটেশন’ বন্ধ করতে হয়। এরপর লেখা সেন্ড করার জন্য বাটনে চাপতে হয়। আইওএসে এটি ডিফল্টভাবেই সেট থাকার কথা, যদি না থাকে তাহলে আইওএস সেটিংয়ে গিয়ে জেনারেল> কিবোর্ড খুলুন এবং ‘ইনএবল ডিকটেশন’ টগল অপশনটি অন আছে কি না নিশ্চিত হন।

হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ সামারি

হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ সামারি

হোয়াটসঅ্যাপে ‘মেসেজ সামারি’
হোয়াটসঅ্যাপে যুক্ত হচ্ছে নতুন ফিচার-এআই মেসেজ সামারি। এর কল্যাণে এআই প্রযুক্তির সহায়তায় অপঠিত (আনরিড) মেসেজগুলোর সামারি বা সারাংশ তৈরি করা যাবে। ফলে ব্যস্ততার মাঝেও ব্যবহারকারীরা একনজরে দেখে নিতে পারবেন তাদের কাছে আসা মেসেজের বিষয়বস্তু। অপঠিত মেসেজের এআই সামারি তৈরিতে ‘মেটা এআই’ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। উল্লেখ্য, ‘মেটা এআই’ হচ্ছে মেটার নিজস্ব এআই প্রযুক্তি, যেটা চলতি বছরের এপ্রিলে রিলিজ করেছে মার্ক জাকারবার্গের প্রতিষ্ঠান।

তবে এর ফলে ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা লঙ্ঘন বা মেসেজ এনক্রিপশন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হবে না বলেই জানিয়েছে মেটা। মেসেজ সামারি তৈরির ফিচারটি ঐচ্ছিক বা অপশনাল, তাই হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা চাইলে এটি ব্যবহার করতে পারেন, আবার না-ও করতে পারেন। এআই-সক্ষমতার মেসেজ সামারি সুবিধাটি প্রাথমিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে ইংরেজি ভাষার জন্য চালু হতে যাচ্ছে। তবে চলতি বছরের শেষদিকে বিশ্বের আরও কিছু দেশে এবং আরও কয়েকটি ভাষায় এ ফিচারটি আসবে বলে জানানো হয়েছে।

স্মার্টফোনের ব্যাটারির যত্ন নিবেন যেভাবে

স্মার্টফোনের ব্যাটারির যত্ন নিবেন যেভাবে

স্মার্টফোনের ব্যাটারির যত্ন নিবেন যেভাবে
কিছু সহজ উপায়ে আপনার স্মার্টফোনের ব্যাটারি অনেকদিন ভালো রাখতে পারেন। জেনে নিন সেগুলো-

>> প্রথমেই যে কাজটি করতে হবে তা হলো, স্মার্টফোন কেনার সময় এর ব্যাটারি ক্যাপাসিটি কেমন তা দেখে নিন। এতে বুঝতে পারবেন যে স্মার্টফোনটি কিনছেন সেটি কীভাবে ব্যবহার করতে পারবেন।

>> ফোনের ব্যাটারিতে অত্যধিক চার্জ দেওয়া ডিভাইসের পক্ষে ক্ষতিকর। অনেকেরই অভ্যাস থাকে সারারাত ফোন চার্জ দিয়ে বসিয়েই রাখা। ফুল চার্জ হওয়ার পরও চার্জে বসিয়ে রাখেন। এই ভুলে আপনার স্মার্টফোনের ব্যাটারি নষ্ট হতে পারে খুব দ্রুত।

>> ফোন চার্জে বসিয়ে কথা বলা কিংবা ফোন ব্যবহার করা, গান শোনা, ভিডিও দেখা, গেম খেলা- এইসব কাজ করা উচিত নয়। ফোন ব্যবহার হচ্ছে মানে ব্যাটারির উপরেও চাপ পড়ে। আর ফোন যদি সেই সময় চার্জে থাকে তাহলে ডিভাইস নষ্ট হওয়ার প্রবণতা বাড়ে।

>> ফোনের ব্যবহার যত কম হবে, ইন্টারনেট যত কম ব্যবহার করবেন ফোনে, ব্যাটারিতে তত বেশি সময় পর্যন্ত চার্জ থাকবে।

>> ফোনের ব্যাটারিতে চার্জ ২৫ শতাংশের কম হতে দেবেন না। অন্যদিকে ফুল চার্জ হয়ে গেলে ফোন চার্জিং পয়েন্ট থেকে খুলে নিয়ে ব্যবহার করুন। ৬০ শতাংশের নিচে নামলে তারপর আবার ফোন চার্জে বসাতে পারেন।

>> ফোনে অপটিমাইজড ব্যাটারি চার্জিং ফিচার থাকে তা অন করে অর্থাৎ এনাবেল রাখুন। এক্ষেত্রে ফোনে ৮০ শতাংশ চার্জ হলে ডিভাইস চার্জিংয়ে বসানো থাকলেও তা ব্যবহার না হলে ব্যাটারিতেও আর চার্জ হবে না। ব্যবহার শুরু হলে আবার ফোনের চার্জিংও শুরু হবে।

>> অন্য চার্জার ব্যবহার করবেন না। স্মার্টফোন কেনার সময় কোম্পানির যে আসল চার্জার দেওয়া হয়েছে সেটি ব্যবহার করুন সব সময়। কমদামি এবং নকল চার্জার ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। এতে স্মার্টফোনের ব্যাটারি নষ্ট হতে পারে।

>> আবহাওয়ার চরম অবস্থাতেও স্মার্টফোনের লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই খুব ঠান্ডা বা প্রবল গরমের জায়গায় বেড়াতে গেলে কিংবা হয়তো এমন সময় যে বজ্রপাত হচ্ছে, চলছে ঝড়বৃষ্টি, সেই সময় আপনি বাড়ির বাইরে রয়েছেন, এক্ষেত্রে ফোনের ব্যবহার বন্ধ রাখাই ভালো। পারলে ডিভাইস সুইচ অফ রাখুন।

>> নিয়মিত ফোনটি আপডেট করুন। এতে ফোনের নানান সমস্যা দূর হয়।

অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য কী ফিচার আনলো গুগল

অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য কী ফিচার আনলো গুগল

অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য কী ফিচার আনলো গুগল

গুগল ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা ভালো করতে অনেক ফিচার নিয়ে আসে। এবার অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য বিশেষ কয়েকটি ফিচার যুক্ত করেছে গুগল। যা নতুন ধরনের অভিজ্ঞতা দেবে ব্যবহারকারীদের।

উন্নত গ্রুপ চ্যাট থেকে স্মার্টওয়াচের মাধ্যমে পাবলিক ট্রানসিট পেমেন্ট, অনেক নতুন ফিচার্স পাবেন এবার অ্যান্ড্রয়েডে। ফোটো এডিট করাই হোক বা স্মার্ট হোম গ্যাজেট নিয়ন্ত্রণ করা, অ্যান্ড্রয়েড ফোন এখন প্রতিটি ধাপে আপনার কাজ সহজ করে দেবে। আসুন দেখে নেই আরও কী কী ফিচার আনলো গুগল-

এআই ফোটো এডিটিং টুল

গুগল ফটোজেও অনেক আপডেট এসেছে। ইমেজ এডিটর রিডিজাইন করা হয়েছে। খুব সহজে এই নতুন ডিজাইনারের সাহায্যে আপনার ছবি এডিট করা যাবে। রিইমাজিন নামক টুলের সাহায্য আপনার ছবিকে আপনি কীভাবে বদলাতে চাইছেন তা উল্লেখ করে বদলে নেওয়া যেতে পারে সেভাবে। ফলে বিগিনারদের জন্য ফটো এডিটিং অনেক সহজ হবে এখন।

স্মার্ট হোম

আপডেটেড গুগল হোম অ্যাপ এবার থেকে ডিভাইস-স্পেসিফিক কনট্রোল আনবে যা হোম গ্যাজেট নিয়ন্ত্রণ করতে আরও সুবিধা এনে দেবে। গুগল টিভির মাধ্যমে আপনার মনিটর ক্যামেরা দেখতে চাইছেন বা আপনার রান্নাঘরে স্পিকার কনট্রোল করতে চাইছেন, যখন যেটা দরকার আলাদা আলাদাভাবে করা যাবে। এর ফলে একইসঙ্গে সব ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করা সহজতর হবে।

সেফটি ফিচার্স

জগার, সোলো ট্রাভেলরদের জন্য গুগলের পার্সোনাল সেফটি অ্যাপ এখন আরও বেশি উপযোগী। অপরিচিত জায়গা ভ্রমণের সময়, বিপদে পড়লে এই অ্যাপের নতুন ফিচার্স সঙ্গে সঙ্গে পরিচিতদের এমার্জেন্সি কল করে দেবে।

ট্যাপ ইন

নিত্যযাত্রীদের জন্য গুগলের একটি নতুন আপডেট এসেছে। এখন আপনি চাইলে সিটি ট্রানসিট কার্ড ব্যবহার করতে পারেন ওয়্যার ওএস স্মার্টওয়াচের মাধ্যমে গুগল ওয়ালেট না খুলেই। ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড ব্যবহারকারীদের টগল কি দ্রুত সক্রিয় করে দেওয়া হবে এর মাধ্যমে।

গ্রুপ চ্যাট

গুগল মেসেজেস এই গ্রুপ চ্যাটকে আরও উন্নত করে তুলেছে। ব্যবহারকারীরা দ্রুত তাদের ইউনিক নেম ও আইকন দিয়ে চ্যাট করা শুরু করতে পারেন এর মাধ্যমে। এই চ্যাট কাস্টমাইজ করা যাবে সহজেই। যারা একাধিক আরসিএস চ্যাট কাগলিং করেন, তাদের জন্য এটি একটি আনন্দদায়ক বদল। কাদের কাদের আরসিএস সক্রিয় করা আছে তাও দেখতে পাবেন আপনি। একটি নির্দিষ্ট গ্রুপ থ্রেডে কতক্ষণের জন্য নোটিফিকেশন মিউট করতে চান তা সেট করা যাবে এবার থেকে।

ইস্পোর্টস বিশ্বকাপ, গ্লোবাল গেম হাব হতে চায় সৌদি

ইস্পোর্টস বিশ্বকাপ, গ্লোবাল গেম হাব হতে চায় সৌদি

ইস্পোর্টস বিশ্বকাপ, গ্লোবাল গেম হাব হতে চায় সৌদি
সৌদি আরব দ্রুতগতিতে গেমিং ও ইস্পোর্টস খাতে নিজেদের একটি বৈশ্বিক কেন্দ্রে পরিণত করার পথে হাঁটছে। সম্প্রতি রিয়াদে অনুষ্ঠিত 'ইস্পোর্টস ওয়ার্ল্ড কাপ' দেশটির এই উদ্যোগের অন্যতম বড় উদাহরণ। আন্তর্জাতিক মানের এই টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছে ৮৪টি দেশের ২ হাজারের বেশি প্রতিযোগী।

দর্শকদের উপচে পড়া ভিড়ে জমজমাট হয়ে ওঠে টুর্নামেন্টের ডোটা ২ ফাইনাল, যেখানে মুখোমুখি হয়েছিল টিম স্পিরিট এবং টিম ফ্যালকনস। ভক্তদের উচ্ছ্বাস আর টানটান উত্তেজনায় মুখর হয়ে ওঠে রিয়াদের গেমিং ভেন্যুগুলো।

ইস্পোর্টস ওয়ার্ল্ড কাপ ফাউন্ডেশনের চিফ অপারেটিং অফিসার মাইক ম্যাকক্যাব বলেন, আমাদের একটি জাতীয় গেমিং ও ইস্পোর্টস কৌশল আছে, যা ভিশন ২০৩০-এর একটি মূল স্তম্ভ। সরকারের সক্রিয় সহযোগিতা এবং জনগণের গভীর আগ্রহ—এই দুটি মিলেই সৌদি আরবকে আদর্শ গেমিং গন্তব্যে পরিণত করছে।

স্থানীয় গেমার হাসান আল হিমইয়ারি জানান, সম্প্রতি গেমিং সচেতনতা অনেক বেড়েছে। এখন প্রায় প্রতিটি শিশু বা কিশোরেরই কোনো না কোনো প্রিয় গেম রয়েছে।

চলমান ইস্পোর্টস ওয়ার্ল্ড কাপ চলবে ২৪ আগস্ট পর্যন্ত। বিশাল এই আয়োজনের পুরস্কার তহবিল ৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বিশ্বের সবচেয়ে বড় গেমিং প্রতিযোগিতাগুলোর মধ্যে অন্যতম।

এই খাতকে ঘিরে সৌদি আরবের পরিকল্পনাও যথেষ্ট বিস্তৃত। দেশটির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বাধীন ভিশন ২০৩০-এর আওতায় খেলাধুলা, গেমিং ও প্রযুক্তি খাতে সরকার ব্যয় করছে শত শত বিলিয়ন ডলার, যা অর্থনীতিকে তেল-নির্ভরতা থেকে সরিয়ে আনতে সাহায্য করবে।

২০২২ সালে সৌদি আরবের পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের মালিকানাধীন স্যাভি গেমস গ্রুপ ঘোষণা দেয়, তারা গেমিং খাতে প্রায় ৩৭.৮ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে। এই বিনিয়োগের লক্ষ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে ২৫০টি স্থানীয় গেম কোম্পানি প্রতিষ্ঠা, ৩৯ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জিডিপিতে গেমিং খাতের অবদান ৫০ বিলিয়ন রিয়ালে উন্নীত করা।

বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরবের এই পরিকল্পনা শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয় বরং গোটা বিশ্বে ইস্পোর্টস শিল্পে বড় ধরনের পরিবর্তন এনে দিতে পারে।

ভয়েসে টাইপ থেকে স্ক্যানার—দারুণ কিছু সুবিধা এক ক্লিকেই!

ভয়েসে টাইপ থেকে স্ক্যানার—দারুণ কিছু সুবিধা এক ক্লিকেই!

 অনলাইন ভার্সন
ভয়েসে টাইপ থেকে স্ক্যানার—দারুণ কিছু সুবিধা এক ক্লিকেই!
বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষ দৈনন্দিন যোগাযোগে ব্যবহার করছেন হোয়াটসঅ্যাপ। দ্রুত বার্তা আদান-প্রদানের জন্য জনপ্রিয় এই অ্যাপটিতে নিয়মিত যোগ হচ্ছে নতুন নতুন ফিচার। তবে অনেক ব্যবহারকারীই জানেন না—এই অ্যাপে রয়েছে এমন কিছু গোপন সুবিধা, যা তাদের ব্যবহারকে আরও সহজ ও স্মার্ট করে তুলতে পারে।

নিচে তুলে ধরা হলো হোয়াটসঅ্যাপের এমন তিনটি কম পরিচিত কিন্তু কার্যকর ফিচার—

১. কীবোর্ডে থাকা ‘মাইক্রোফোন’ দিয়ে ভয়েসে টাইপ
আমরা সাধারণত ভয়েস মেসেজ পাঠাতে নিচের মাইক্রোফোন আইকনে চাপ দিই। তবে কিবোর্ডে থাকা আরেকটি মাইক্রোফোন রয়েছে, যা অনেকেই খেয়াল করেন না।

-সেটিংসে গিয়ে আপনার পছন্দের ভাষা নির্বাচন করুন।

-এরপর কিবোর্ডে থাকা মাইক্রোফোনে চাপ দিয়ে কথা বললেই তা সেই ভাষায় টাইপ হয়ে যাবে স্ক্রিনে।

টাইপের ঝামেলা ছাড়াই সহজে লম্বা বার্তা লিখে ফেলা যাবে এক নিঃশ্বাসে।

২. কিবোর্ড স্ক্যানার হিসেবে ব্যবহার
চমকে উঠার মতোই একটি সুবিধা—হোয়াটসঅ্যাপের কিবোর্ড এখন স্ক্যানার হিসেবেও কাজ করতে পারে।

কাউকে কোনো লেখা পাঠাতে চাইছেন, যা আগে খাতায় লিখে ছবি তুলে পাঠাতেন? এখন আর তা নয়।

মেসেজ বক্সে ট্যাপ করলেই ‘অটোফিল’ অপশন পাওয়া যাবে। এতে ক্লিক করলেই কিবোর্ডে স্ক্যানার চালু হবে।

লেখা যুক্ত ছবিটি স্ক্যান করে সরাসরি পাঠিয়ে দিন বার্তায়—স্মার্ট ও ক্লিন।

৩. ভয়েস মেসেজ ট্রান্সক্রিপ্ট (লিখিত রূপ)
অনেক সময় পাবলিক প্লেসে ভয়েস মেসেজ শোনা সম্ভব হয় না। এ সময় কাজে লাগবে হোয়াটসঅ্যাপের ভয়েস ট্রান্সক্রিপ্ট ফিচার।

প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপের Settings-এ যান। এরপর চ্যাট অপশনে যান।

সেখান থেকে Voice Message Transcript অপশন চালু করুন।

ভাষা নির্বাচন করুন। যদিও বাংলা ভাষা এখনো যুক্ত হয়নি।

এরপর কোনো ভয়েস মেসেজ পাঠালে বা পেলে, তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্ক্রিনে লিখিত আকারে দেখা যাবে।

হেডফোন ছাড়া বা প্রকাশ্যে শুনতে না চাইলেও বার্তার পূর্ণ রূপ পেয়ে যাবেন সহজেই।

প্রযুক্তি ব্যবহারে যত সচেতন হবেন, ততই বাড়বে সুবিধা। হোয়াটসঅ্যাপের এই গোপন ফিচারগুলো শুধু সময় বাঁচাবে না, বরং আপনার স্মার্টনেসও বাড়াবে কয়েক গুণ। আজই চেষ্টা করে দেখুন—অজানা হোয়াটসঅ্যাপে কতটা পাওয়ার লুকিয়ে আছে!

কোড লেখায় আশানুরূপ সুবিধা দিচ্ছে না এআই : গবেষণা

কোড লেখায় আশানুরূপ সুবিধা দিচ্ছে না এআই : গবেষণা 

কোড লেখায় আশানুরূপ সুবিধা দিচ্ছে না এআই : গবেষণাকোডিংয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারে সময় কমার পরিবর্তে বরং বাড়ছে। এমনটাই জানিয়েছে এক নতুন গবেষণা। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান METR এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোড লেখায় এআই টুল ব্যবহার করলে অভিজ্ঞ সফটওয়্যার ডেভেলপারদের কাজ শেষ করতে গড়ে ১৯ শতাংশ বেশি সময় লেগেছে।

গবেষণাটি চালানো হয় ১৬ জন ডেভেলপারকে নিয়ে, যাদের গড় অভিজ্ঞতা ছিল পাঁচ বছর। তারা জটিল সফটওয়্যার প্রকল্পে কাজ করেছেন—একবার এআই সহায়তা নিয়ে এবং একবার ছাড়া। এআই ব্যবহারের সময় তারা Cursor Pro (একটি কোড এডিটর) এবং Claude 3.5/3.7 Sonnet ব্যবহার করেছেন।

গবেষণা শুরুর আগে ডেভেলপাররা ধারণা করেছিলেন, এআই ব্যবহার করলে কাজ শেষ করতে ২৪ শতাংশ সময় কম লাগবে। কাজ শেষে তাদের অনুমান হয়, সময় কমেছে ২০ শতাংশ। কিন্তু বাস্তব ফল ছিল উল্টো—এআই ব্যবহার করলে গড়ে ১৯ শতাংশ বেশি সময় লেগেছে।

গবেষকরা জানিয়েছেন, যদিও পরীক্ষার পদ্ধতি সম্পূর্ণ নিখুঁত নয়, তারপরও সময় বাড়ার যে ধারা পাওয়া গেছে, তা যথেষ্ট শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে। তবে তারা সবাইকে এই ফলাফলকে অতিরিক্ত সাধারণীকরণ না করার পরামর্শ দিয়েছেন। কারণ এই গবেষণায় শুধুমাত্র অভিজ্ঞ ডেভেলপারদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, নতুন বা শিক্ষানবিশ কোডারদের জন্য এআই হয়তো বেশি সহায়ক হতে পারে।

এদিকে, প্রযুক্তি জগতে এআইয়ের দ্রুত অগ্রগতির কারণে অনেকে মনে করছেন ভবিষ্যতে অনেক কোডিংয়ের কাজই এআই দিয়ে সম্ভব হবে। বাস্তবে গুগলের ২০২৪ সালের এক আয় প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির ২৫ শতাংশ নতুন কোড এখন এআই দিয়ে তৈরি হয় এবং সেগুলো প্রকৌশলীরা যাচাই করে অনুমোদন দেন।

গুগল সিইও সুন্দর পিচাই সে সময় বলেছিলেন,আজ আমাদের পণ্যের এক-চতুর্থাংশ কোড এআই তৈরি করছে, যা আমাদের প্রকৌশলীদের আরও বেশি এবং দ্রুত কাজ করতে সহায়তা করছে।

তবে METR–এর গবেষণা বলছে, এখনই এআইকে সম্পূর্ণ নির্ভরযোগ্য কোড লেখকের আসনে বসানো নিরাপদ নয়, বিশেষ করে অভিজ্ঞ কোডারদের ক্ষেত্রে।

Native Banner