Banner 468x60 for

সোমবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫

বিশ্বের দীর্ঘতম রাস্তা,৩০ হাজার কিলোমিটার পথে কোনো ইউ-টার্ন নেই!

বিশ্বের দীর্ঘতম রাস্তা,৩০ হাজার কিলোমিটার পথে কোনো ইউ-টার্ন নেই!

প্যান-আমেরিকান হাইওয়ে পৃথিবীর দীর্ঘতম মোটরযান চলাচলযোগ্য রাস্তা, যার দৈর্ঘ্য প্রায় ৩০ হাজার কিলোমিটার (১৯,০০০ মাইল)। এটি আলাস্কার প্রুডো বে থেকে আর্জেন্টিনার দক্ষিণ প্রান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত এবং উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকাকে সংযুক্ত করেছে। এই রাস্তা ১৪টি দেশের মধ্য দিয়ে গেছে এবং গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস দ্বারা স্বীকৃত।

প্রথমে এটি রেলপথ হিসেবে পরিকল্পিত হলেও পরে মহাসড়ক হিসেবে নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ১৯৩৭ সালে ১৪টি দেশ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের চুক্তি করে এবং ১৯৬০ সালে এটি জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়। পুরো পথটি পাড়ি দিতে সাধারণত ৬০ দিন লাগে, তবে সময় যানবাহনের গতি ও বিরতির ওপর নির্ভর করে।

প্যান-আমেরিকান হাইওয়ের মাধ্যমে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার অনেক গুরুত্বপূর্ণ শহর সংযুক্ত হয়েছে। নিচে কিছু উল্লেখযোগ্য শহরের নাম দেওয়া হলো, যেগুলো এই মহাসড়কের পথে অবস্থিত বা সংযুক্ত:

📍উত্তর আমেরিকা:
Anchorage, Alaska (আলাস্কা, যুক্তরাষ্ট্র)
Seattle, Washington (ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র)
Vancouver, British Columbia (ব্রিটিশ কলম্বিয়া, কানাডা)
San Francisco, California (ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র)
Los Angeles, California (ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র)
Mexico City (মেক্সিকো সিটি, মেক্সিকো)

📍মধ্য আমেরিকা:
Guatemala City (গুয়াতেমালা সিটি, গুয়াতেমালা)
San Salvador (সান সালভাদর, এল সালভাদর)
Tegucigalpa (টেগুসিগালপা, হন্ডুরাস)
Managua (মানাগুয়া, নিকারাগুয়া)
San José (সান হোসে, কোস্টারিকা)
Panama City (পানামা সিটি, পানামা)

📍দক্ষিণ আমেরিকা:
Bogotá (বোগোটা, কলম্বিয়া)
Quito (কুইটো, ইকুয়েডর)
Lima (লিমা, পেরু)
Santiago (সান্তিয়াগো, চিলি)
Buenos Aires (বুয়েনোস আইরেস, আর্জেন্টিনা)

এছাড়াও, এই মহাসড়কটি আরও অনেক ছোট-বড় শহর ও নগরীর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করেছে। প্যান-আমেরিকান হাইওয়ে দুই মহাদেশের অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও পর্যটন যোগাযোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

মূল বিষয়:
প্যান-আমেরিকান হাইওয়ে শুধু দীর্ঘতম রাস্তা নয়, এটি দুই আমেরিকার মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী এক বিস্ময়কর প্রকৌশল কীর্তি। 

মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাবে সাইবার নিরাপত্তায় নতুন জটিলতা: সফোস

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাবে সাইবার নিরাপত্তায় নতুন জটিলতা: সফোসকৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাবে সাইবার নিরাপত্তায় নতুন জটিলতা: সফোস

সম্প্রতি ‘টেক রিসার্চ এশিয়া’র সহযোগিতায় প্রকাশিত “দ্য ফিউচার অফ সাইবার সিকিউরিটি ইন এশিয়া প্যাসিফিক অ্যান্ড জাপান” শীর্ষক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এশিয়া প্যাসিফিক ও জাপান (এপিজে) অঞ্চলে সাইবার নিরাপত্তা কর্মীদের কাজের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। 

জরিপে অংশ নেওয়া ৮৬ শতাংশ প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, তারা এই চাপ বা বার্নআউটের সমস্যায় ভুগছে। সফোসের এপিজে অঞ্চলের ফিল্ড চিফ ইনফরমেশন সিকিউরিটি অফিসার অ্যারন বুগাল বলেন, সাইবার হামলার বৃদ্ধি, নিয়ন্ত্রক কাঠামো এবং সীমিত রিসোর্স- এই তিনটি কারণেই নিরাপত্তা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। 
তিনি আরও জানান, পরিকল্পিতভাবে এআই টুলস ব্যবহার করা গেলে কার্যক্ষমতা বাড়বে, তবে অনুমোদনহীন বা শ্যাডো এআই ব্যবহারের ফলে নতুন ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

ভবিষ্যদ্বাণীতে এআই মানুষের চেয়ে এগিয়ে

ভবিষ্যদ্বাণীতে এআই মানুষের চেয়ে এগিয়ে

ভবিষ্যদ্বাণীতে এআই মানুষের চেয়ে এগিয়ে
আন্তর্জাতিক এক প্রতিযোগিতায় ভবিষ্যৎ ঘটনা পূর্বাভাসে (প্রেডিকশন) মানুষের চেয়ে এগিয়ে গেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)। ব্রিটিশ স্টার্টআপ ম্যান্টিক এআই (Mantic AI) মেটাকুলাস কাপ নামে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় অষ্টম স্থান দখল করে। প্রতিষ্ঠানটি গুগল ডিপমাইন্ডের এক সাবেক গবেষকের সহ-প্রতিষ্ঠিত।

এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের ৬০টি ঘটনার সম্ভাবনা পূর্বাভাস দিতে হয়েছিল। এর মধ্যে ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইলন মাস্কের দ্বন্দ্ব, কিংবা কনজারভেটিভ পার্টির নেতৃত্ব পরিবর্তন।

বিশেষজ্ঞরা ধারণা করেছিলেন, এআই মানুষের গড় পারফরম্যান্সের সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ পর্যন্তই পৌঁছাতে পারবে। কিন্তু বাস্তবে ম্যান্টিক এআই দেখিয়েছে দ্বিগুণেরও বেশি দক্ষতা—৮০ শতাংশ। ফলে অনেক অভিজ্ঞ মানব পূর্বাভাসকারীও এআই-এর নিচে স্থান পেয়েছেন।

মেটাকুলাসের প্রধান নির্বাহী ডেগার তুরান একে ‘চমকপ্রদ সাফল্য’ বলে অভিহিত করেছেন। ম্যান্টিকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা টবি শেভলেন বলেন, ভবিষ্যৎ পূর্বাভাস দেওয়া কেবল শেখা তথ্য ফিরিয়ে দেওয়া নয়, এতে মৌলিক চিন্তাশক্তি প্রয়োজন। আমাদের মডেল অনেক ক্ষেত্রে মানুষের চেয়েও মৌলিক পূর্বাভাস দিয়েছে।’

ম্যান্টিক এআই বিভিন্ন কাজ আলাদা করে ওপেনএআই, গুগল বা ডিপসিকের মতো মেশিন-লার্নিং মডেলের কাছে পাঠায়। প্রতিটি মডেলকে তাদের বিশেষ দক্ষতার ভিত্তিতে নির্দিষ্ট কাজ দেওয়া হয়।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এআই যত বেশি নির্ভুলভাবে ভবিষ্যৎ ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারছে, ততই এটি আর্টিফিশিয়াল জেনারেল ইন্টেলিজেন্স ( এজিআই ) বা মানব-সমমান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দিকে এগোচ্ছে। গুগল ডিপমাইন্ডের এক গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যেই এজিআই তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এজিআই এমন এক ধরনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যা মানুষের মতো নানা ক্ষেত্রে জ্ঞান বুঝতে, শিখতে এবং কাজে লাগাতে পারবে। যেখানে সাধারণ এআই শুধু নির্দিষ্ট কাজে সীমাবদ্ধ, সেখানে এজিআই সব ধরনের কাজে ব্যবহারযোগ্য হবে।

সাড়া ফেলেছে আইফোন ১৭, উৎপাদন বাড়াচ্ছে অ্যাপল

সাড়া ফেলেছে আইফোন ১৭, উৎপাদন বাড়াচ্ছে অ্যাপল

সাড়া ফেলেছে আইফোন ১৭, উৎপাদন বাড়াচ্ছে অ্যাপল

প্রতিবেদনে বলা হয়, ধারণার চেয়ে বেশি গ্রাহক ৭৯৯ ডলারের আইফোন ১৭ বেছে নিচ্ছেন। প্রিমিয়াম প্রো মডেলের পরিবর্তে বেসিক সংস্করণের প্রতি আগ্রহী হচ্ছেন অনেকেই। এ অবস্থায় আইফোনের অন্যতম সংযোজন প্রতিষ্ঠান চীনের লাক্সশেয়ারকে প্রতিদিনের উৎপাদন প্রায় ৪০ শতাংশ বাড়াতে বলা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে অ্যাপল এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নতুন আইফোন ১৭ লাইনআপে যুক্ত হওয়া পাতলা মডেল ‘আইফোন এয়ার’ বিক্রির গতি বাড়াতে সহায়ক হবে। গত কয়েক বছর ধরে স্মার্টফোন বিক্রি স্থবির ছিল এবং নতুন সংস্করণগুলোয় বড় ধরনের আপডেট না থাকায় গ্রাহকরা কম আপগ্রেড করছিলেন।

তবে নতুন এন্ট্রি-লেভেল আইফোন ১৭-তে এমন কিছু স্ক্রিন ও ক্যামেরা আপগ্রেড যুক্ত হয়েছে, যা আগে কেবল প্রো মডেলেই পাওয়া যেত। ফলে প্রো মডেল ও বেসিক মডেলের পার্থক্য অনেকটাই কমে এসেছে।

অ্যাপল বরাবরই গ্রাহকদের উচ্চমূল্যের ডিভাইসের দিকে টানতে চাইলেও, মূল্য সংবেদনশীল বাজারের চাপে এবার সিদ্ধান্ত বদলাচ্ছে। এতে প্রশ্ন উঠছে, শুধু প্রিমিয়াম আপগ্রেডের ওপর নির্ভর করে প্রতিষ্ঠানটি কতটুকু ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে পারবে।

বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

উন্মোচিত হল আইফোন ১৭ সিরিজ, নতুন ঘড়ি, ইয়ারবাড ও অ্যাপস

উন্মোচিত হল আইফোন ১৭ সিরিজ, নতুন ঘড়ি, ইয়ারবাড ও অ্যাপস

উন্মোচিত হল আইফোন ১৭ সিরিজ, নতুন ঘড়ি, ইয়ারবাড ও অ্যাপস

আইফোন ১৭ সিরিজ

অ্যাপল এবার চারটি মডেল এনেছে: আইফোন ১৭, আইফোন ১৭ এয়ার, আইফোন ১৭ প্রো, আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স।

আইফোন ১৭ এ রয়েছে নতুন সেন্টার স্টেজ ফ্রন্ট ক্যামেরা, ডুয়াল ৪৮ মেগাপিক্সেল ফিউশন রিয়ার ক্যামেরা, বড় ৬.৩ ইঞ্চি সুপার রেটিনা এক্সডিআর ডিসপ্লে, ProMotion (১২০ হার্জ পর্যন্ত), উন্নত Ceramic Shield 2 যা তিনগুণ বেশি স্ক্র্যাচ প্রতিরোধী, এবং শক্তিশালী A19 চিপ। স্টোরেজ অপশন: ২৫৬ জিবি ও ৫১২ জিবি।

আইফোন ১৭ এয়ার—অ্যাপলের ইতিহাসে সবচেয়ে পাতলা আইফোন, মাত্র ৫.৬ মিমি। এতে রয়েছে গ্রেড-৫ টাইটানিয়াম ফ্রেম, সামনের ও পিছনের দিকে সিরামিক শিল্ড, A19 Pro, N1 ও C1X চিপ, ৬.৫ ইঞ্চি প্রোমোশন ডিসপ্লে, ৪৮ মেগাপিক্সেল ফিউশন ক্যামেরা ও ১৮ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা। স্টোরেজ অপশন: ২৫৬ জিবি, ৫১২ জিবি, ১ টেরাবাইট।

আইফোন ১৭ প্রো ও প্রো ম্যাক্স—অ্যালুমিনিয়ামের একক গঠন (unibody) ডিজাইন, বিল্ট-ইন ভেপার চেম্বার যা ফোনের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ও ব্যাটারির স্থায়িত্ব বাড়াবে। তিনটি ৪৮ মেগাপিক্সেল ফিউশন রিয়ার ক্যামেরা, যার মধ্যে রয়েছে ৮ গুণ অপটিক্যাল জুম টেলিফটো। ফ্রন্ট ক্যামেরা ১৮ মেগাপিক্সেল সেন্টার স্টেজ। এছাড়া ProRes RAW, Apple Log 2 ও Genlock সমর্থন, যা প্রফেশনাল ভিডিওগ্রাফির জন্য আদর্শ। ডিসপ্লে: ৬.৩ ও ৬.৯ ইঞ্চি, Always-On, ৩০০০ নিট ব্রাইটনেস, Ceramic Shield 2, এবং পিছনের গ্লাস চারগুণ বেশি শক্তিশালী।

প্রো ও প্রো ম্যাক্স মডেল পাওয়া যাবে ২৫৬ জিবি, ৫১২ জিবি, ১ টেরাবাইটে, আর প্রো ম্যাক্সে থাকবে ২ টেরাবাইট অপশনও।

মূল্য:

  • আইফোন ১৭: $৭৯৯
  • আইফোন ১৭ এয়ার: $৯৯৯
  • আইফোন ১৭ প্রো: $১,০৯৯
  • আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স: $১,১৯৯
  • (প্রি-অর্ডার শুরু ১২ সেপ্টেম্বর, বাজারে আসবে ১৯ সেপ্টেম্বর)।

অ্যাপল ওয়াচ আল্ট্রা ৩

অ্যাপলের সবচেয়ে উন্নত ঘড়ি হিসেবে আসছে Apple Watch Ultra 3। এতে স্যাটেলাইট কানেক্টিভিটি, অফ-গ্রিড মেসেজিং, ইমার্জেন্সি SOS ও লোকেশন শেয়ারিং সুবিধা থাকছে। ব্যাটারি ৪২ ঘণ্টা (লো পাওয়ার মোডে ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত)। আরও থাকছে ৫জি কানেক্টিভিটি, হাই ব্লাড প্রেসার অ্যালার্ট ও স্লিপ-কোয়ালিটি স্কোর। Workout Buddy এসেছে Apple Intelligence দ্বারা চালিত।

মূল্য: $৭৯৯ (বাজারে আসবে ১৯ সেপ্টেম্বর)।

এয়ারপডস প্রো ৩

AirPods Pro 3-এ আগের চেয়ে দ্বিগুণ নয়েজ ক্যানসেলেশন, ফোম-ইনফিউজড টিপস (৫ সাইজে), IP57 রেটিং, ব্যায়াম চলাকালীন হার্ট রেট মনিটরিং (৫০+ ব্যায়াম ধরন সমর্থিত)। বড় চমক হলো Live Translation, যেখানে হাতে ছাড়াই কথোপকথনের লাইভ অনুবাদ শোনা যাবে।

মূল্য: $২৪৯ (বাজারে আসবে ১৯ সেপ্টেম্বর)।

অ্যাপল ওয়াচ SE 3

মিড-রেঞ্জ ডিভাইস Apple Watch SE 3-এ যুক্ত হয়েছে নতুন স্বাস্থ্য ফিচার: স্লিপ-স্কোর ইনসাইট, রেট্রোস্পেকটিভ ওভ্যুলেশন অনুমান, স্লিপ অ্যাপনিয়া নোটিফিকেশন, রিস্ট-টেম্পারেচার সেন্সিং। এছাড়া প্রথমবার Always-On ডিসপ্লে ও দ্রুত চার্জিং সুবিধা যুক্ত হয়েছে।

মূল্য: $২৪৯ (বাজারে আসবে ১৯ সেপ্টেম্বর)।

অ্যাপল ওয়াচ সিরিজ ১১

Apple Watch Series 11-এ হাইপারটেনশন নোটিফিকেশন, স্লিপ-স্কোর, ২৪ ঘণ্টা ব্যাটারি, ৫জি কানেক্টিভিটি, ফাস্ট চার্জিং (১৫ মিনিটে ৮ ঘণ্টা ব্যাকআপ) সুবিধা যুক্ত হয়েছে।

মূল্য: $৩৯৯ (বাজারে আসবে ১৯ সেপ্টেম্বর)।

Final Cut Camera 2.0

Final Cut Camera অ্যাপ-এর নতুন সংস্করণে যুক্ত হয়েছে ProRes RAW, Genlock, Open Gate রেকর্ডিং, Apple Log 2, Timecode। এছাড়া Live Multicam সাপোর্টের মাধ্যমে iPad-এ Final Cut Pro-র সঙ্গে সহজে কাজ করা যাবে।

ধীরগতির কম্পিউটিং থেকে বাঁচতে চার ফ্রি ভাইরাস সফটওয়্যার

ধীরগতির কম্পিউটিং থেকে বাঁচতে চার ফ্রি ভাইরাস সফটওয়্যার

ধীরগতির কম্পিউটিং থেকে বাঁচতে চার ফ্রি ভাইরাস সফটওয়্যার

ম্যালওয়্যারবাইটস : বহু আগে এ সফটওয়্যারটি ভাইরাস স্ক্যান ও রিমুভ করার দিক থেকে ব্যবহারকারীদের আস্থা অর্জন করেছে। এটি মাত্র কয়েক মিনিটে ভাইরাস শনাক্ত করে সরিয়ে ফেলতে সক্ষম। ম্যালওয়্যারবাইটসের ফ্রি সংস্করণেই পাওয়া যায় ম্যালওয়্যার প্রটেকশন ও ব্রাউজার সুরক্ষা। চাইলে প্রিমিয়াম সংস্করণেও আপগ্রেড করা যায়, যেখানে আরও অনেক উন্নত নিরাপত্তা ফিচার সংযুক্ত রয়েছে।

উইন্ডোজ সিকিউরিটি : উইন্ডোজ ১০ ও ১১তে বিল্ট-ইন অবস্থায় থাকা উইন্ডোজ সিকিউরিটি অনেক সময়ই যথেষ্ট কার্যকরী হয়ে ওঠে। এতে রয়েছে ফায়ারওয়াল, ভাইরাস প্রটেকশন, রিয়েলটাইম স্ক্যানিং ও ইন্টারনেট ব্যবহারে অতিরিক্ত সুরক্ষাব্যবস্থা। এ ক্ষেত্রে ভাইরাস ও থ্রেট প্রোটেকশন>স্ক্যান অপশনস চালু করলেই হবে। তবে কুইক স্ক্যান না করে ফুল স্ক্যান করা উচিত, বিশেষ করে যখন কম্পিউটার ব্যবহার করা হয় না। ভালো ফলাফল পেতে মাইক্রোসফট ডিফেন্ডার অফলাইন স্ক্যান করা যায়।

সিক্লিনার : সিক্লিনার সরাসরি ভাইরাস রিমুভ করে না, তবে এটি অপ্রয়োজনীয় ফাইল, টেম্প ফাইল এবং অব্যবহৃত সফটওয়্যার সরাতে দারুণ কার্যকর। ভাইরাস রিমুভাল সফটওয়্যারের পর এ টুল ব্যবহার করলে কম্পিউটার আরও দ্রুত ও পরিষ্কারভাবে কাজ করে। উইন্ডোজে বিল্ট-ইন ফিচারের তুলনায় সিক্লিনার একটি জায়গা থেকেই সবকিছু পরিচালনা করার সুবিধা দেয়।

ভাইরাসটোটাল : এটি একটি অনলাইন টুল, যা ফাইল বা ইউআরএল স্ক্যান করে ভাইরাস শনাক্ত করে। যদি কোনো ফাইল বা লিংক নিয়ে সন্দেহ থাকে, তাহলে সেটি এ ওয়েবসাইটে আপলোড করলেই জানা যাবে সেটা নিরাপদ কি না। বিশেষ করে ছোটদের জন্য এটি কার্যকর, যারা মাঝে মাঝে মড ফাইল বা গেম ডাউনলোড করে, যেগুলোর মাধ্যমে ভাইরাস আসতে পারে।

উপরোক্ত কাজগুলো করার পরও যদি মনে হয় পিসি ঠিকমতো কাজ করছে না, তাহলে ধরে নিতে হবে হার্ডওয়্যারের সমস্যা।

তিন ট্রিলিয়ন ডলারের ক্লাবে অ্যালফাবেট

তিন ট্রিলিয়ন ডলারের ক্লাবে অ্যালফাবেট

তিন ট্রিলিয়ন ডলারের ক্লাবে অ্যালফাবেট

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সার্চ জায়ান্টটির শেয়ার চার শতাংশের বেশি বেড়ে যায়, যা কোম্পানিটিকে এমন পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছে যেখানে আগে কেবল এনভিডিয়া, মাইক্রোসফট ও অ্যাপল ছিল বলে প্রতিবেদনে লিখেছে আমেরিকান সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি।

সেপ্টেম্বরের শুরুতে একজন বিচারকের দেওয়া অ্যান্টিট্রাস্ট রায়ে জয় পাওয়ায় অ্যালফাবেটের শেয়ার দামে বড় উত্থান ঘটে। এ মামলায় যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ চেয়েছিল গুগল যেন নিজেদের ক্রোম ব্রাউজার বিক্রি করতে বাধ্য হয়।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের এক ডিস্ট্রিক্ট আদালত রায় দিয়েছিল, সার্চ ও এ সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞাপন খাতে অবৈধভাবে একচেটিয়া ক্ষমতা ব্যবহার করেছে গুগল। তবে সাম্প্রতিক রায়ে কোম্পানিটির ওপর শাস্তি বিনিয়োগকারীদের শঙ্কার চেয়ে হালকা হওয়ায় শেয়ারদামে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বলে প্রতিবেদনে লিখেছে সিএনবিসি।

গুগলের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের প্রস্তাবিত সবচেয়ে কঠোর শাস্তি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বিচারক অমিত মেহতা। ফলে অ্যালফাবেটের শেয়ারের দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছে যায়। কোম্পানিটির এমন বড় উত্থানের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প অ্যালফাবেটকে অভিনন্দন জানিয়ে এটিকে কোম্পানিটির জন্য ‘খুব ভালো একটি দিন’ বলেও মন্তব্য করেছেন।

তিন ট্রিলিয়ন ডলারের এই মাইলফলক এল গুগলের শেয়ার বাজারে আসার প্রায় ২০ বছর পর এবং অ্যালফাবেটকে হোল্ডিং কোম্পানি হিসেবে গঠনের ১০ বছর পর, যেখানে অ্যালফাবেটের প্রধান সহযোগী কোম্পানি হিসেবে রয়েছে গুগলই।

২০১৯ সালে অ্যালফাবেটের প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেইজের জায়গায় কোম্পানিটিতে সিইও হিসেবে নিয়োগ পান সুন্দার পিচাই। তার সাম্প্রতিক সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের উত্থানের ফলে তৈরি হওয়া নতুন প্রতিযোগিতা।

এ সময় কোম্পানিটিকে একদিকে যেমন এই প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে হয়েছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থার কঠোর চাপও ঠেকাতে হয়েছে। পারপ্লেক্সিটি এবং ওপেনএআইয়ের উত্থান শেষ পর্যন্ত গুগলের জন্য সাম্প্রতিক অ্যান্টিট্রাস্ট মামলার রায় পেতে সহায়তা করেছে।

এদিকে, এআই দুনিয়ায় বড় ভূমিকা নেওয়ার যে আশা গুগল করছে তার বড় অংশই নির্ভর করছে জেমিনাইয়ের ওপর, যা গুগলের প্রধান বিভিন্ন এআই মডেলের পূর্ণাঙ্গ এক সংকলন।

Native Banner