Banner 468x60 for

শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২৬

ইয়ারবাড কি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়, যা বলছে বিজ্ঞান

ইয়ারবাড কি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়, যা বলছে বিজ্ঞান

ইয়ারবাড কি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়, যা বলছে বিজ্ঞান
প্রায় সবাই শুনতে ভালোবাসেন। কাজের ফাঁকে, অবসরে কিংবা ঘরে একান্ত সময় কাটাতে গান শোনা অনেকেরই প্রিয় অভ্যাস। গবেষণা বলছে, সঙ্গীত শুনলে ডিমেনশিয়া, অ্যালঝাইমার্সের মতো মস্তিষ্কের জটিল রোগ প্রতিরোধে সাহায্য হতে পারে। তাই গান এক প্রকার অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে।কিন্তু সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, মস্তিষ্কের ক্যানসারের সঙ্গে ইয়ারবাড বা হেডফোনের সংযোগ রয়েছে। এতে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।

তবে চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেছেন, মস্তিষ্কের কাছাকাছি এমন কোনো যন্ত্র রাখা উচিত নয় যার সঙ্গে রেডিয়েশনের সম্পর্ক আছে। ব্লু টুথ ইয়ারবাড বা অনুরূপ ডিভাইস থেকে উচ্চমাত্রার ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন (ইএমএফ) নির্গত হয়। অনেক মানুষের আতঙ্কের কারণও এখানেই।

মস্তিষ্কের দিক থেকে ইয়ারবাডকে একটি মিনি মাইক্রোওয়েভ হিসেবে ভাবা যেতে পারে। এটি মোবাইল ফোনের তুলনায় প্রায় ১১ গুণ বেশি রেডিয়েশন সৃষ্টি করে। তবে, ইয়ারবাড বা হেডসেটের ব্যবহার ও মস্তিষ্কের ক্যানসারের সরাসরি সম্পর্ক এখনো বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত হয়নি।

ইএমএফ বা ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ড কী-
ইএমএফ বা ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ড হল সেই শক্তি যা যেকোনো বৈদ্যুতিক ডিভাইজের চারপাশে তৈরি হয়। এর দুটি ধরন আছে। 

নন-আয়নাইজিং রেডিয়েশন: কম ফ্রিকোয়েন্সির, সাধারণত ক্ষতিকর নয়। মোবাইল, ব্লুটুথ ডিভাইস, ওয়াই-ফাই রাউটার ইত্যাদি থেকে বের হয়। এটি এতটাই দুর্বল যে শরীরের কোষে থাকা শক্তভাবে বাঁধা ইলেকট্রন আলাদা করতে পারে না, তাই শরীরে আয়নাইজেশন হয় না। ফলে ক্ষতিও হয় না।

আয়নাইজিং রেডিয়েশন: শক্তিশালী, যেমন এক্স-রে, গামা-রে। কোষের ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে এবং ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, গত দুই দশকে ব্লু টুথ ডিভাইস ও মোবাইল ফোনের স্বাস্থ্য প্রভাব নিয়ে প্রচুর গবেষণা হয়েছে। তবে এখনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি যে এগুলো ব্যবহার করলে মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে যায়।

আমেরিকান জাতীয় ক্যানসার ইনস্টিটিউট-এর কিছু গবেষণায়, ইয়ারবাড বা মোবাইলের সঙ্গে মস্তিষ্কের টিউমারের সম্ভাবনা উল্লেখ করেছে। তবে এই গবেষণাগুলোর অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সামগ্রিকভাবে দেখা গেছে, মোবাইল ফোনের সঙ্গে সরাসরি ক্যানসারের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়নি। যে পরিমাণ রেডিয়েশন এই ডিভাইসগুলো থেকে নির্গত হয়, তা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মানের অনেক নিচে থাকে। তাই সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য এগুলো নিরাপদ বলে ধরে নেওয়া যায়।

যা খেয়াল রাখবেন-
১. ইয়ারবাড ডিভাইস বেশি সময় ধরে না ব্যবহার করা

২. মস্তিষ্কের খুব কাছে ডিভাইস রাখা এড়িয়ে চলা

৩. শিশু বা কিশোরদের ব্যবহারে সতর্ক থাকা

গান শোনা উপভোগ করুন, কিন্তু সাবধানতার সঙ্গে। সচেতন ব্যবহার নিশ্চিত করবে স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়িয়ে চলা।

এআই ওভারভিউ সার্চে আস্থা ফেরাতে গুগলের ‘প্রেফার্ড সোর্সেস’

এআই ওভারভিউ সার্চে আস্থা ফেরাতে গুগলের ‘প্রেফার্ড সোর্সেস’

এআই ওভারভিউ সার্চে আস্থা ফেরাতে গুগলের ‘প্রেফার্ড সোর্সেস’
গুগল সার্চে এখন এআই দিয়ে তৈরি সারাংশ বা প্রশ্নের সংক্ষিপ্ত উত্তর দেখানো হয়, যাকে বলা হচ্ছে ‘এআই ওভারভিউ’। সার্চ জায়ান্ট গুগলের দাবি, এই সুবিধার ফলে ব্যবহারকারীর সময় বাঁচবে। তবে এর বিপরীতে বারবারই অভিযোগ উঠেছে- এআই ওভারভিউ অনেক সময় ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য দেখাচ্ছে।

এআইয়ের ভুল তথ্য দেওয়ার আশঙ্কা কিন্তু নতুন নয়। ২০১৯ সালের শুরুতেই মার্কিন বাণিজ্য প্রকাশনা ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে পাঠকদের সতর্ক করেছিল যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন ভুয়া খবর লিখতে শিখে গেছে। ওই প্রতিবেদনে আলোচিত টুলগুলোর একটি ছিল ‘জিপিটি-২’, যা বর্তমানের যুগান্তকারী প্রযুক্তি চ্যাটজিপিটি-এরই পূর্বসূরি।

বর্তমানে এআই সরাসরি গুগল সার্চ অভিজ্ঞতার অংশ হয়ে গেছে। এখন গুগলে কিছু খুঁজলে সার্চ পেইজের একেবারে উপরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি ‘এআই ওভারভিউ’ দেখা যায়, যেখানে বিভিন্ন উৎস থেকে নেওয়া তথ্যের সংক্ষিপ্ত সারাংশ তুলে ধরা হয়।

তবে সমস্যা এখানেই শেষ নয়। প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট স্ল্যাশগিয়ার জানিয়েছে, অনেক ওয়েবসাইট ‘কনটেন্ট মিল’-এর মতো পাইকারি হারে এআই দিয়ে নিবন্ধ তৈরি করছে, যা ভুল ও নিম্নমানের তথ্য ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

এই সমস্যার সমাধানে গুগল নতুন একটি ফিচার এনেছে, যার নাম ‘প্রেফার্ড সোর্সেস’। ২০২৫ সালের অগাস্টে চালু হওয়া এই ফিচারের মাধ্যমে ব্যবহারকারী নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ের তথ্য খোঁজার সময় নিজের পছন্দের ওয়েবসাইট বা সংবাদমাধ্যম বেছে নিতে পারবেন।

যেভাবে সেট আপ করবেন ‘প্রেফার্ড সোর্সেস’

১. গুগল সার্চে গিয়ে আপনার প্রয়োজনীয় বিষয়টি লিখে সার্চ করুন।

২. সার্চ রেজাল্ট আসার পর নিচে স্ক্রল করতে থাকুন, যতক্ষণ না ‘টপ স্টোরিজ’ সেকশনটি দেখতে পান। ওই লেখাটির পাশে একটি তারকা (*) আইকন দেখা যাবে। সেখানে ক্লিক বা ট্যাপ করুন।

৩. এরপর একটি পপ-আপ উইন্ডো খুলবে। সেখানে আপনার পছন্দের সংবাদমাধ্যম বা ওয়েবসাইটের নাম লিখুন। পছন্দের নামগুলো তালিকায় যোগ হলে ‘রিলোড রেজাল্টস’ বাটনে ক্লিক করুন।

এরপর থেকে গুগলে কোনো বিষয়ে তথ্য খুঁজলে সার্চ ইঞ্জিনটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার পছন্দের ওয়েবসাইটগুলো থেকে পাওয়া তথ্যকে সবার আগে গুরুত্ব দেবে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চাপে ডেটা সেন্টার খাতে বিশাল বিনিয়োগ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চাপে ডেটা সেন্টার খাতে বিশাল বিনিয়োগ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চাপে ডেটা সেন্টার খাতে বিশাল বিনিয়োগ
বিশ্বজুড়ে ডেটা সেন্টার খাত দ্রুত বড় হচ্ছে। আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক ডেটা সেন্টারের সক্ষমতা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যাবে। বর্তমানে এই সক্ষমতা ১০৩ গিগাওয়াট হলেও ২০৩০ সালে তা বেড়ে প্রায় ২০০ গিগাওয়াটে পৌঁছাবে।

 আন্তর্জাতিক সম্পত্তি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান জেএলএল-এর ২০২৬ সালের বৈশ্বিক ডেটা সেন্টার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এই বড় পরিবর্তনের পেছনে মূল চালিকা শক্তি হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। এআই প্রযুক্তি চালাতে সাধারণ ডেটা সেন্টারের তুলনায় অনেক বেশি বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এআই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে বিদ্যুতের চাহিদা সাধারণ ডেটা সেন্টারের চেয়ে প্রায় ১০ গুণ বেশি। এ কারণে এসব কেন্দ্র ভাড়ার ক্ষেত্রেও বেশি মূল্য পাচ্ছে।

জেএলএল জানিয়েছে, আগামী পাঁচ বছরে এই খাতে মোট বিনিয়োগ লাগতে পারে প্রায় ৩ ট্রিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে রিয়েল এস্টেট খাতে প্রায় ১.২ ট্রিলিয়ন ডলার এবং ঋণ অর্থায়ন (ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ) হতে পারে প্রায় ৮৭০ বিলিয়ন ডলার। সংস্থাটি একে অবকাঠামো খাতে একটি বড় বিনিয়োগ চক্র বলে উল্লেখ করেছে।

উত্তর আমেরিকায় বর্তমানে রেকর্ড পরিমাণ ডেটা সেন্টার নির্মাণকাজ চলছে। সেখানে প্রায় ১৬ গিগাওয়াট নতুন জায়গা তৈরি হচ্ছে। তবে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহ। বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে অনেক ক্ষেত্রে চার বছরের বেশি সময় লাগছে। ফলে অনেক প্রতিষ্ঠান নিজেরাই বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সংরক্ষণের পথ খুঁজছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে ডেটা সেন্টারের মোট সক্ষমতার প্রায় ৫০ শতাংশই ব্যবহৃত হবে এআই কাজের জন্য। বর্তমানে এই হার প্রায় ২৫ শতাংশ। বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০২৭ সালে এআই ব্যবহারে একটি বড় পরিবর্তন আসবে।

অঞ্চলভিত্তিক হিসাবে, আমেরিকা অঞ্চল বিশ্বে সবচেয়ে বড় ডেটা সেন্টার বাজার হিসেবেই থাকবে। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলেও উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হবে। ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকায়ও নতুন সক্ষমতা যুক্ত হবে।

সিইএস ২০২৬-এ এআই প্রযুক্তির নতুন মানদণ্ড স্থাপন করল লেনোভো

সিইএস ২০২৬-এ এআই প্রযুক্তির নতুন মানদণ্ড স্থাপন করল লেনোভো

সিইএস ২০২৬-এ এআই প্রযুক্তির নতুন মানদণ্ড স্থাপন করল লেনোভো
বিশ্বের অন্যতম বড় প্রযুক্তি প্রদর্শনী সিইএস ২০২৬-এ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে বড় পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে লেনোভো। এই আয়োজনে প্রতিষ্ঠানটি একদিকে নতুন এআই চশমার ধারণা তুলে ধরেছে, অন্যদিকে এনভিডিয়ার সঙ্গে বড় আকারের ক্লাউড অবকাঠামো অংশীদারত্বের ঘোষণা দিয়েছে।

৬ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে স্পিয়ার অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক মূল বক্তৃতায় লেনোভোর চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইউয়ানছিং ইয়াং এবং এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াং যৌথভাবে ‘লেনোভো এআই ক্লাউড গিগাফ্যাক্টরি’ কর্মসূচি উন্মোচন করেন। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো এআই ক্লাউড সেবা প্রদানকারীদের দ্রুত বড় পরিসরে অবকাঠামো গড়ে তুলতে সহায়তা করা। এতে এনভিডিয়ার ব্ল্যাকওয়েল আলট্রা প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। লেনোভো দেবে তাদের নেপচুন লিকুইড কুলিং প্রযুক্তি (তরল শীতলীকরণ ব্যবস্থা) ও বৈশ্বিক উৎপাদন সক্ষমতা। ফলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ব্যবহারযোগ্য এআই ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব হবে বলে জানানো হয়।

ভোক্তাপর্যায়ের পণ্যের দিকেও নজর দিয়েছে লেনোভো। তারা ‘এআই গ্লাসেস কনসেপ্ট’ নামে হালকা স্মার্ট চশমা দেখিয়েছে, যার ওজন মাত্র ৪৫ গ্রাম। এই চশমা স্মার্টফোন ও কম্পিউটারের সঙ্গে তারবিহীনভাবে যুক্ত হয়। এতে রয়েছে লাইভ অনুবাদ, ছবি শনাক্তকরণ, হাত ছাড়াই কল করা এবং গান শোনার সুবিধা। একবার চার্জে এটি প্রায় আট ঘণ্টা ব্যবহার করা যাবে। চশমাটি চালিত হবে লেনোভোর নতুন এআই সহকারী ‘কিরা’ দ্বারা।

এ ছাড়া লেনোভো জানিয়েছে, আগে ধারণা হিসেবে দেখানো থিঙ্কবুক প্লাস জেন ৭ অটো টুইস্ট ল্যাপটপটি ২০২৬ সালের জুনে বাজারে আসবে। এই ল্যাপটপের স্ক্রিন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবহারকারীর মুখের দিকে ঘুরে যায় এবং ভয়েস কমান্ডে বিভিন্ন মোডে কাজ করে।

লেনোভোর এই ঘোষণাগুলো এআই প্রযুক্তিকে দৈনন্দিন ব্যবহার ও বড় পরিসরের অবকাঠামো—দুই ক্ষেত্রেই নতুন মাত্রা দেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

দীর্ঘদিন ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড না বদলালে যে ঝুঁকি হতে পারে

দীর্ঘদিন ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড না বদলালে যে ঝুঁকি হতে পারে

দীর্ঘদিন ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড না বদলালে যে ঝুঁকি হতে পারে
বছরের পর বছর কি একই ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করছেন? যদি তাই হয়ে থাকে, তাহলে এখনই সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৮০ শতাংশ ব্যবহারকারী দীর্ঘদিন ধরে একই ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন, যা তাদের বড় ধরনের সাইবার ঝুঁকির মুখে ফেলছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘদিন পাসওয়ার্ড পরিবর্তন না করলে শুধু ইন্টারনেটের গতি কমে যাওয়ার সমস্যাই দেখা দেয় না, বরং ব্যক্তিগত তথ্য চুরি, ডিভাইস হ্যাকিং এমনকি আইনি জটিলতার ঝুঁকিও বাড়ে।

দীর্ঘদিন একই পাসওয়ার্ড ব্যবহারের ফলে পরিচিতজন বা প্রতিবেশীদের মাধ্যমে তা অন্যদের কাছে পৌঁছে যেতে পারে। এতে আপনার অজান্তেই একাধিক ডিভাইস নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়ে পড়ে। ফলস্বরূপ ব্যান্ডউইথ ভাগ হয়ে গিয়ে ইন্টারনেটের গতি কমে যায়, যা গেমিং বা এইচডি ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের সময় বেশি অনুভূত হয়।

পুরোনো বা দুর্বল পাসওয়ার্ড হ্যাকারদের জন্য বড় সুযোগ তৈরি করে দেয়। সাইবার অপরাধীরা রাউটারে অনুপ্রবেশ করে স্মার্ট টিভি, সিসি ক্যামেরা কিংবা স্মার্ট স্পিকার পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে। এমনকি ম্যালওয়্যার পাঠিয়ে মোবাইল ফোন বা ল্যাপটপ থেকে ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল তথ্য চুরি করার আশঙ্কাও থাকে।

সবচেয়ে বড় ঝুঁকির জায়গাটি হলো আইনি সমস্যা। আপনার ওয়াইফাই সংযোগ ব্যবহার করে কেউ যদি সাইবার অপরাধ বা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়ায়, তাহলে ইন্টারনেট সংযোগটি যেহেতু আপনার নামে নিবন্ধিত, দায়ভার আপনার ওপরই পড়তে পারে।

সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, অন্তত তিন মাস অন্তর রাউটারের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা উচিত। পাসওয়ার্ড হিসেবে নাম, জন্মতারিখ বা সহজ শব্দ এড়িয়ে চলতে হবে। নিরাপদ পাসওয়ার্ডের জন্য ইংরেজি বড় ও ছোট হাতের অক্ষর, সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্ন (যেমন #, @, $) একসঙ্গে ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫

বিশ্বের দীর্ঘতম রাস্তা,৩০ হাজার কিলোমিটার পথে কোনো ইউ-টার্ন নেই!

বিশ্বের দীর্ঘতম রাস্তা,৩০ হাজার কিলোমিটার পথে কোনো ইউ-টার্ন নেই!

প্যান-আমেরিকান হাইওয়ে পৃথিবীর দীর্ঘতম মোটরযান চলাচলযোগ্য রাস্তা, যার দৈর্ঘ্য প্রায় ৩০ হাজার কিলোমিটার (১৯,০০০ মাইল)। এটি আলাস্কার প্রুডো বে থেকে আর্জেন্টিনার দক্ষিণ প্রান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত এবং উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকাকে সংযুক্ত করেছে। এই রাস্তা ১৪টি দেশের মধ্য দিয়ে গেছে এবং গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস দ্বারা স্বীকৃত।

প্রথমে এটি রেলপথ হিসেবে পরিকল্পিত হলেও পরে মহাসড়ক হিসেবে নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ১৯৩৭ সালে ১৪টি দেশ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের চুক্তি করে এবং ১৯৬০ সালে এটি জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়। পুরো পথটি পাড়ি দিতে সাধারণত ৬০ দিন লাগে, তবে সময় যানবাহনের গতি ও বিরতির ওপর নির্ভর করে।

প্যান-আমেরিকান হাইওয়ের মাধ্যমে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার অনেক গুরুত্বপূর্ণ শহর সংযুক্ত হয়েছে। নিচে কিছু উল্লেখযোগ্য শহরের নাম দেওয়া হলো, যেগুলো এই মহাসড়কের পথে অবস্থিত বা সংযুক্ত:

📍উত্তর আমেরিকা:
Anchorage, Alaska (আলাস্কা, যুক্তরাষ্ট্র)
Seattle, Washington (ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র)
Vancouver, British Columbia (ব্রিটিশ কলম্বিয়া, কানাডা)
San Francisco, California (ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র)
Los Angeles, California (ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র)
Mexico City (মেক্সিকো সিটি, মেক্সিকো)

📍মধ্য আমেরিকা:
Guatemala City (গুয়াতেমালা সিটি, গুয়াতেমালা)
San Salvador (সান সালভাদর, এল সালভাদর)
Tegucigalpa (টেগুসিগালপা, হন্ডুরাস)
Managua (মানাগুয়া, নিকারাগুয়া)
San José (সান হোসে, কোস্টারিকা)
Panama City (পানামা সিটি, পানামা)

📍দক্ষিণ আমেরিকা:
Bogotá (বোগোটা, কলম্বিয়া)
Quito (কুইটো, ইকুয়েডর)
Lima (লিমা, পেরু)
Santiago (সান্তিয়াগো, চিলি)
Buenos Aires (বুয়েনোস আইরেস, আর্জেন্টিনা)

এছাড়াও, এই মহাসড়কটি আরও অনেক ছোট-বড় শহর ও নগরীর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করেছে। প্যান-আমেরিকান হাইওয়ে দুই মহাদেশের অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও পর্যটন যোগাযোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

মূল বিষয়:
প্যান-আমেরিকান হাইওয়ে শুধু দীর্ঘতম রাস্তা নয়, এটি দুই আমেরিকার মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী এক বিস্ময়কর প্রকৌশল কীর্তি। 

মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাবে সাইবার নিরাপত্তায় নতুন জটিলতা: সফোস

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাবে সাইবার নিরাপত্তায় নতুন জটিলতা: সফোসকৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাবে সাইবার নিরাপত্তায় নতুন জটিলতা: সফোস

সম্প্রতি ‘টেক রিসার্চ এশিয়া’র সহযোগিতায় প্রকাশিত “দ্য ফিউচার অফ সাইবার সিকিউরিটি ইন এশিয়া প্যাসিফিক অ্যান্ড জাপান” শীর্ষক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এশিয়া প্যাসিফিক ও জাপান (এপিজে) অঞ্চলে সাইবার নিরাপত্তা কর্মীদের কাজের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। 

জরিপে অংশ নেওয়া ৮৬ শতাংশ প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, তারা এই চাপ বা বার্নআউটের সমস্যায় ভুগছে। সফোসের এপিজে অঞ্চলের ফিল্ড চিফ ইনফরমেশন সিকিউরিটি অফিসার অ্যারন বুগাল বলেন, সাইবার হামলার বৃদ্ধি, নিয়ন্ত্রক কাঠামো এবং সীমিত রিসোর্স- এই তিনটি কারণেই নিরাপত্তা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। 
তিনি আরও জানান, পরিকল্পিতভাবে এআই টুলস ব্যবহার করা গেলে কার্যক্ষমতা বাড়বে, তবে অনুমোদনহীন বা শ্যাডো এআই ব্যবহারের ফলে নতুন ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

ভবিষ্যদ্বাণীতে এআই মানুষের চেয়ে এগিয়ে

ভবিষ্যদ্বাণীতে এআই মানুষের চেয়ে এগিয়ে

ভবিষ্যদ্বাণীতে এআই মানুষের চেয়ে এগিয়ে
আন্তর্জাতিক এক প্রতিযোগিতায় ভবিষ্যৎ ঘটনা পূর্বাভাসে (প্রেডিকশন) মানুষের চেয়ে এগিয়ে গেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)। ব্রিটিশ স্টার্টআপ ম্যান্টিক এআই (Mantic AI) মেটাকুলাস কাপ নামে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় অষ্টম স্থান দখল করে। প্রতিষ্ঠানটি গুগল ডিপমাইন্ডের এক সাবেক গবেষকের সহ-প্রতিষ্ঠিত।

এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের ৬০টি ঘটনার সম্ভাবনা পূর্বাভাস দিতে হয়েছিল। এর মধ্যে ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইলন মাস্কের দ্বন্দ্ব, কিংবা কনজারভেটিভ পার্টির নেতৃত্ব পরিবর্তন।

বিশেষজ্ঞরা ধারণা করেছিলেন, এআই মানুষের গড় পারফরম্যান্সের সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ পর্যন্তই পৌঁছাতে পারবে। কিন্তু বাস্তবে ম্যান্টিক এআই দেখিয়েছে দ্বিগুণেরও বেশি দক্ষতা—৮০ শতাংশ। ফলে অনেক অভিজ্ঞ মানব পূর্বাভাসকারীও এআই-এর নিচে স্থান পেয়েছেন।

মেটাকুলাসের প্রধান নির্বাহী ডেগার তুরান একে ‘চমকপ্রদ সাফল্য’ বলে অভিহিত করেছেন। ম্যান্টিকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা টবি শেভলেন বলেন, ভবিষ্যৎ পূর্বাভাস দেওয়া কেবল শেখা তথ্য ফিরিয়ে দেওয়া নয়, এতে মৌলিক চিন্তাশক্তি প্রয়োজন। আমাদের মডেল অনেক ক্ষেত্রে মানুষের চেয়েও মৌলিক পূর্বাভাস দিয়েছে।’

ম্যান্টিক এআই বিভিন্ন কাজ আলাদা করে ওপেনএআই, গুগল বা ডিপসিকের মতো মেশিন-লার্নিং মডেলের কাছে পাঠায়। প্রতিটি মডেলকে তাদের বিশেষ দক্ষতার ভিত্তিতে নির্দিষ্ট কাজ দেওয়া হয়।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এআই যত বেশি নির্ভুলভাবে ভবিষ্যৎ ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারছে, ততই এটি আর্টিফিশিয়াল জেনারেল ইন্টেলিজেন্স ( এজিআই ) বা মানব-সমমান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দিকে এগোচ্ছে। গুগল ডিপমাইন্ডের এক গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যেই এজিআই তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এজিআই এমন এক ধরনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যা মানুষের মতো নানা ক্ষেত্রে জ্ঞান বুঝতে, শিখতে এবং কাজে লাগাতে পারবে। যেখানে সাধারণ এআই শুধু নির্দিষ্ট কাজে সীমাবদ্ধ, সেখানে এজিআই সব ধরনের কাজে ব্যবহারযোগ্য হবে।

সাড়া ফেলেছে আইফোন ১৭, উৎপাদন বাড়াচ্ছে অ্যাপল

সাড়া ফেলেছে আইফোন ১৭, উৎপাদন বাড়াচ্ছে অ্যাপল

সাড়া ফেলেছে আইফোন ১৭, উৎপাদন বাড়াচ্ছে অ্যাপল

প্রতিবেদনে বলা হয়, ধারণার চেয়ে বেশি গ্রাহক ৭৯৯ ডলারের আইফোন ১৭ বেছে নিচ্ছেন। প্রিমিয়াম প্রো মডেলের পরিবর্তে বেসিক সংস্করণের প্রতি আগ্রহী হচ্ছেন অনেকেই। এ অবস্থায় আইফোনের অন্যতম সংযোজন প্রতিষ্ঠান চীনের লাক্সশেয়ারকে প্রতিদিনের উৎপাদন প্রায় ৪০ শতাংশ বাড়াতে বলা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে অ্যাপল এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নতুন আইফোন ১৭ লাইনআপে যুক্ত হওয়া পাতলা মডেল ‘আইফোন এয়ার’ বিক্রির গতি বাড়াতে সহায়ক হবে। গত কয়েক বছর ধরে স্মার্টফোন বিক্রি স্থবির ছিল এবং নতুন সংস্করণগুলোয় বড় ধরনের আপডেট না থাকায় গ্রাহকরা কম আপগ্রেড করছিলেন।

তবে নতুন এন্ট্রি-লেভেল আইফোন ১৭-তে এমন কিছু স্ক্রিন ও ক্যামেরা আপগ্রেড যুক্ত হয়েছে, যা আগে কেবল প্রো মডেলেই পাওয়া যেত। ফলে প্রো মডেল ও বেসিক মডেলের পার্থক্য অনেকটাই কমে এসেছে।

অ্যাপল বরাবরই গ্রাহকদের উচ্চমূল্যের ডিভাইসের দিকে টানতে চাইলেও, মূল্য সংবেদনশীল বাজারের চাপে এবার সিদ্ধান্ত বদলাচ্ছে। এতে প্রশ্ন উঠছে, শুধু প্রিমিয়াম আপগ্রেডের ওপর নির্ভর করে প্রতিষ্ঠানটি কতটুকু ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে পারবে।

বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

উন্মোচিত হল আইফোন ১৭ সিরিজ, নতুন ঘড়ি, ইয়ারবাড ও অ্যাপস

উন্মোচিত হল আইফোন ১৭ সিরিজ, নতুন ঘড়ি, ইয়ারবাড ও অ্যাপস

উন্মোচিত হল আইফোন ১৭ সিরিজ, নতুন ঘড়ি, ইয়ারবাড ও অ্যাপস

আইফোন ১৭ সিরিজ

অ্যাপল এবার চারটি মডেল এনেছে: আইফোন ১৭, আইফোন ১৭ এয়ার, আইফোন ১৭ প্রো, আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স।

আইফোন ১৭ এ রয়েছে নতুন সেন্টার স্টেজ ফ্রন্ট ক্যামেরা, ডুয়াল ৪৮ মেগাপিক্সেল ফিউশন রিয়ার ক্যামেরা, বড় ৬.৩ ইঞ্চি সুপার রেটিনা এক্সডিআর ডিসপ্লে, ProMotion (১২০ হার্জ পর্যন্ত), উন্নত Ceramic Shield 2 যা তিনগুণ বেশি স্ক্র্যাচ প্রতিরোধী, এবং শক্তিশালী A19 চিপ। স্টোরেজ অপশন: ২৫৬ জিবি ও ৫১২ জিবি।

আইফোন ১৭ এয়ার—অ্যাপলের ইতিহাসে সবচেয়ে পাতলা আইফোন, মাত্র ৫.৬ মিমি। এতে রয়েছে গ্রেড-৫ টাইটানিয়াম ফ্রেম, সামনের ও পিছনের দিকে সিরামিক শিল্ড, A19 Pro, N1 ও C1X চিপ, ৬.৫ ইঞ্চি প্রোমোশন ডিসপ্লে, ৪৮ মেগাপিক্সেল ফিউশন ক্যামেরা ও ১৮ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা। স্টোরেজ অপশন: ২৫৬ জিবি, ৫১২ জিবি, ১ টেরাবাইট।

আইফোন ১৭ প্রো ও প্রো ম্যাক্স—অ্যালুমিনিয়ামের একক গঠন (unibody) ডিজাইন, বিল্ট-ইন ভেপার চেম্বার যা ফোনের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ও ব্যাটারির স্থায়িত্ব বাড়াবে। তিনটি ৪৮ মেগাপিক্সেল ফিউশন রিয়ার ক্যামেরা, যার মধ্যে রয়েছে ৮ গুণ অপটিক্যাল জুম টেলিফটো। ফ্রন্ট ক্যামেরা ১৮ মেগাপিক্সেল সেন্টার স্টেজ। এছাড়া ProRes RAW, Apple Log 2 ও Genlock সমর্থন, যা প্রফেশনাল ভিডিওগ্রাফির জন্য আদর্শ। ডিসপ্লে: ৬.৩ ও ৬.৯ ইঞ্চি, Always-On, ৩০০০ নিট ব্রাইটনেস, Ceramic Shield 2, এবং পিছনের গ্লাস চারগুণ বেশি শক্তিশালী।

প্রো ও প্রো ম্যাক্স মডেল পাওয়া যাবে ২৫৬ জিবি, ৫১২ জিবি, ১ টেরাবাইটে, আর প্রো ম্যাক্সে থাকবে ২ টেরাবাইট অপশনও।

মূল্য:

  • আইফোন ১৭: $৭৯৯
  • আইফোন ১৭ এয়ার: $৯৯৯
  • আইফোন ১৭ প্রো: $১,০৯৯
  • আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স: $১,১৯৯
  • (প্রি-অর্ডার শুরু ১২ সেপ্টেম্বর, বাজারে আসবে ১৯ সেপ্টেম্বর)।

অ্যাপল ওয়াচ আল্ট্রা ৩

অ্যাপলের সবচেয়ে উন্নত ঘড়ি হিসেবে আসছে Apple Watch Ultra 3। এতে স্যাটেলাইট কানেক্টিভিটি, অফ-গ্রিড মেসেজিং, ইমার্জেন্সি SOS ও লোকেশন শেয়ারিং সুবিধা থাকছে। ব্যাটারি ৪২ ঘণ্টা (লো পাওয়ার মোডে ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত)। আরও থাকছে ৫জি কানেক্টিভিটি, হাই ব্লাড প্রেসার অ্যালার্ট ও স্লিপ-কোয়ালিটি স্কোর। Workout Buddy এসেছে Apple Intelligence দ্বারা চালিত।

মূল্য: $৭৯৯ (বাজারে আসবে ১৯ সেপ্টেম্বর)।

এয়ারপডস প্রো ৩

AirPods Pro 3-এ আগের চেয়ে দ্বিগুণ নয়েজ ক্যানসেলেশন, ফোম-ইনফিউজড টিপস (৫ সাইজে), IP57 রেটিং, ব্যায়াম চলাকালীন হার্ট রেট মনিটরিং (৫০+ ব্যায়াম ধরন সমর্থিত)। বড় চমক হলো Live Translation, যেখানে হাতে ছাড়াই কথোপকথনের লাইভ অনুবাদ শোনা যাবে।

মূল্য: $২৪৯ (বাজারে আসবে ১৯ সেপ্টেম্বর)।

অ্যাপল ওয়াচ SE 3

মিড-রেঞ্জ ডিভাইস Apple Watch SE 3-এ যুক্ত হয়েছে নতুন স্বাস্থ্য ফিচার: স্লিপ-স্কোর ইনসাইট, রেট্রোস্পেকটিভ ওভ্যুলেশন অনুমান, স্লিপ অ্যাপনিয়া নোটিফিকেশন, রিস্ট-টেম্পারেচার সেন্সিং। এছাড়া প্রথমবার Always-On ডিসপ্লে ও দ্রুত চার্জিং সুবিধা যুক্ত হয়েছে।

মূল্য: $২৪৯ (বাজারে আসবে ১৯ সেপ্টেম্বর)।

অ্যাপল ওয়াচ সিরিজ ১১

Apple Watch Series 11-এ হাইপারটেনশন নোটিফিকেশন, স্লিপ-স্কোর, ২৪ ঘণ্টা ব্যাটারি, ৫জি কানেক্টিভিটি, ফাস্ট চার্জিং (১৫ মিনিটে ৮ ঘণ্টা ব্যাকআপ) সুবিধা যুক্ত হয়েছে।

মূল্য: $৩৯৯ (বাজারে আসবে ১৯ সেপ্টেম্বর)।

Final Cut Camera 2.0

Final Cut Camera অ্যাপ-এর নতুন সংস্করণে যুক্ত হয়েছে ProRes RAW, Genlock, Open Gate রেকর্ডিং, Apple Log 2, Timecode। এছাড়া Live Multicam সাপোর্টের মাধ্যমে iPad-এ Final Cut Pro-র সঙ্গে সহজে কাজ করা যাবে।

ধীরগতির কম্পিউটিং থেকে বাঁচতে চার ফ্রি ভাইরাস সফটওয়্যার

ধীরগতির কম্পিউটিং থেকে বাঁচতে চার ফ্রি ভাইরাস সফটওয়্যার

ধীরগতির কম্পিউটিং থেকে বাঁচতে চার ফ্রি ভাইরাস সফটওয়্যার

ম্যালওয়্যারবাইটস : বহু আগে এ সফটওয়্যারটি ভাইরাস স্ক্যান ও রিমুভ করার দিক থেকে ব্যবহারকারীদের আস্থা অর্জন করেছে। এটি মাত্র কয়েক মিনিটে ভাইরাস শনাক্ত করে সরিয়ে ফেলতে সক্ষম। ম্যালওয়্যারবাইটসের ফ্রি সংস্করণেই পাওয়া যায় ম্যালওয়্যার প্রটেকশন ও ব্রাউজার সুরক্ষা। চাইলে প্রিমিয়াম সংস্করণেও আপগ্রেড করা যায়, যেখানে আরও অনেক উন্নত নিরাপত্তা ফিচার সংযুক্ত রয়েছে।

উইন্ডোজ সিকিউরিটি : উইন্ডোজ ১০ ও ১১তে বিল্ট-ইন অবস্থায় থাকা উইন্ডোজ সিকিউরিটি অনেক সময়ই যথেষ্ট কার্যকরী হয়ে ওঠে। এতে রয়েছে ফায়ারওয়াল, ভাইরাস প্রটেকশন, রিয়েলটাইম স্ক্যানিং ও ইন্টারনেট ব্যবহারে অতিরিক্ত সুরক্ষাব্যবস্থা। এ ক্ষেত্রে ভাইরাস ও থ্রেট প্রোটেকশন>স্ক্যান অপশনস চালু করলেই হবে। তবে কুইক স্ক্যান না করে ফুল স্ক্যান করা উচিত, বিশেষ করে যখন কম্পিউটার ব্যবহার করা হয় না। ভালো ফলাফল পেতে মাইক্রোসফট ডিফেন্ডার অফলাইন স্ক্যান করা যায়।

সিক্লিনার : সিক্লিনার সরাসরি ভাইরাস রিমুভ করে না, তবে এটি অপ্রয়োজনীয় ফাইল, টেম্প ফাইল এবং অব্যবহৃত সফটওয়্যার সরাতে দারুণ কার্যকর। ভাইরাস রিমুভাল সফটওয়্যারের পর এ টুল ব্যবহার করলে কম্পিউটার আরও দ্রুত ও পরিষ্কারভাবে কাজ করে। উইন্ডোজে বিল্ট-ইন ফিচারের তুলনায় সিক্লিনার একটি জায়গা থেকেই সবকিছু পরিচালনা করার সুবিধা দেয়।

ভাইরাসটোটাল : এটি একটি অনলাইন টুল, যা ফাইল বা ইউআরএল স্ক্যান করে ভাইরাস শনাক্ত করে। যদি কোনো ফাইল বা লিংক নিয়ে সন্দেহ থাকে, তাহলে সেটি এ ওয়েবসাইটে আপলোড করলেই জানা যাবে সেটা নিরাপদ কি না। বিশেষ করে ছোটদের জন্য এটি কার্যকর, যারা মাঝে মাঝে মড ফাইল বা গেম ডাউনলোড করে, যেগুলোর মাধ্যমে ভাইরাস আসতে পারে।

উপরোক্ত কাজগুলো করার পরও যদি মনে হয় পিসি ঠিকমতো কাজ করছে না, তাহলে ধরে নিতে হবে হার্ডওয়্যারের সমস্যা।

তিন ট্রিলিয়ন ডলারের ক্লাবে অ্যালফাবেট

তিন ট্রিলিয়ন ডলারের ক্লাবে অ্যালফাবেট

তিন ট্রিলিয়ন ডলারের ক্লাবে অ্যালফাবেট

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সার্চ জায়ান্টটির শেয়ার চার শতাংশের বেশি বেড়ে যায়, যা কোম্পানিটিকে এমন পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছে যেখানে আগে কেবল এনভিডিয়া, মাইক্রোসফট ও অ্যাপল ছিল বলে প্রতিবেদনে লিখেছে আমেরিকান সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি।

সেপ্টেম্বরের শুরুতে একজন বিচারকের দেওয়া অ্যান্টিট্রাস্ট রায়ে জয় পাওয়ায় অ্যালফাবেটের শেয়ার দামে বড় উত্থান ঘটে। এ মামলায় যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ চেয়েছিল গুগল যেন নিজেদের ক্রোম ব্রাউজার বিক্রি করতে বাধ্য হয়।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের এক ডিস্ট্রিক্ট আদালত রায় দিয়েছিল, সার্চ ও এ সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞাপন খাতে অবৈধভাবে একচেটিয়া ক্ষমতা ব্যবহার করেছে গুগল। তবে সাম্প্রতিক রায়ে কোম্পানিটির ওপর শাস্তি বিনিয়োগকারীদের শঙ্কার চেয়ে হালকা হওয়ায় শেয়ারদামে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বলে প্রতিবেদনে লিখেছে সিএনবিসি।

গুগলের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের প্রস্তাবিত সবচেয়ে কঠোর শাস্তি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বিচারক অমিত মেহতা। ফলে অ্যালফাবেটের শেয়ারের দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছে যায়। কোম্পানিটির এমন বড় উত্থানের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প অ্যালফাবেটকে অভিনন্দন জানিয়ে এটিকে কোম্পানিটির জন্য ‘খুব ভালো একটি দিন’ বলেও মন্তব্য করেছেন।

তিন ট্রিলিয়ন ডলারের এই মাইলফলক এল গুগলের শেয়ার বাজারে আসার প্রায় ২০ বছর পর এবং অ্যালফাবেটকে হোল্ডিং কোম্পানি হিসেবে গঠনের ১০ বছর পর, যেখানে অ্যালফাবেটের প্রধান সহযোগী কোম্পানি হিসেবে রয়েছে গুগলই।

২০১৯ সালে অ্যালফাবেটের প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেইজের জায়গায় কোম্পানিটিতে সিইও হিসেবে নিয়োগ পান সুন্দার পিচাই। তার সাম্প্রতিক সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের উত্থানের ফলে তৈরি হওয়া নতুন প্রতিযোগিতা।

এ সময় কোম্পানিটিকে একদিকে যেমন এই প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে হয়েছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থার কঠোর চাপও ঠেকাতে হয়েছে। পারপ্লেক্সিটি এবং ওপেনএআইয়ের উত্থান শেষ পর্যন্ত গুগলের জন্য সাম্প্রতিক অ্যান্টিট্রাস্ট মামলার রায় পেতে সহায়তা করেছে।

এদিকে, এআই দুনিয়ায় বড় ভূমিকা নেওয়ার যে আশা গুগল করছে তার বড় অংশই নির্ভর করছে জেমিনাইয়ের ওপর, যা গুগলের প্রধান বিভিন্ন এআই মডেলের পূর্ণাঙ্গ এক সংকলন।

চীনে আইফোন ১৭ উন্মাদনা, দাম নিয়ে কেউ ভাবছে না

চীনে আইফোন ১৭ উন্মাদনা, দাম নিয়ে কেউ ভাবছে না

চীনে আইফোন ১৭ উন্মাদনা, দাম নিয়ে কেউ ভাবছে না

রেকর্ড ভাঙা প্রি-অর্ডার

চীনা ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম জেডি ডট কমের তথ্য অনুযায়ী, আইফোন ১৭ সিরিজের প্রি-অর্ডার গত শুক্রবার (সেপ্টেম্বর ১২) রাতে শুরু হওয়ার মাত্র এক মিনিটের মধ্যেই আইফোন ১৬-এর প্রথম দিনের মোট প্রি-অর্ডার সংখ্যাকে ছাড়িয়ে গেছে। এতে বোঝা যায়, নতুন আইফোনের প্রতি চীনা গ্রাহকদের আগ্রহ কতটা তুঙ্গে। সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে ২৫৬ জিবি স্টোরেজ-সহ আইফোন ১৭-এর সাধারণ মডেলটি।

তবে এই রেকর্ড-ব্রেকিং বিক্রির ডেটাতে আইফোন ১৭ এয়ার-এর তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ই-সিম সংক্রান্ত জটিলতায় আপাতত এটি আটকে আছে।

আইফোন ১৮ সিরিজে থাকবে না যে ফিচার

আইফোন ১৮ সিরিজে থাকবে না যে ফিচার

আইফোন ১৮ সিরিজে থাকবে না যে ফিচার

 

চীনা সোশ্যাল মিডিয়া উইবো’র পরিচিত টেক টিপস্টার ইনস্ট্যান্ট ডিজিটাল জানিয়েছেন, আগামী বছর বাজারে আসতে যাওয়া iPhone 18, iPhone 18 Pro এবং iPhone 18 Pro Max-এ ডাইনামিক আইল্যান্ড কিছুটা ছোট আকারে আসতে পারে। তবে বহুল আলোচিত আন্ডার-স্ক্রিন ফেস আইডি প্রযুক্তি থাকছে না এই সিরিজে।

গত কয়েক প্রজন্ম ধরেই ডাইনামিক আইল্যান্ড আইফোনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে পরিচিত। ধারণা করা হয়েছিল, আইফোন ১৭ প্রো মডেলেই এটি ছোট হবে, তবে সেই পরিবর্তন হয়নি। নতুন তথ্য অনুযায়ী, আইফোন ১৮ সিরিজেই অবশেষে আনা হতে পারে এ পরিবর্তন। অনেকেই এটিকে ২০২৭ সালের ২০তম বার্ষিকীর “অল-গ্লাস আইফোন”-এর প্রস্তুতি হিসেবে দেখছেন।

আন্ডার-স্ক্রিন ফেস আইডি নিয়ে গুঞ্জন দীর্ঘদিনের। আইফোন ১৬ প্রো ও ১৭ প্রো নিয়েও এমন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। তবে ইনস্ট্যান্ট ডিজিটালের দাবি, প্রযুক্তিটি এখনো বাজারের জন্য প্রস্তুত নয়। ফলে ফিচারটি হয়তো আইফোন ১৯ প্রো বা তার পরবর্তী সংস্করণে দেখা যেতে পারে।

অর্থাৎ, আইফোন ১৮ সিরিজে এখনও দৃশ্যমান ফ্রন্ট ক্যামেরা থাকবে, তবে সেটি থাকবে ছোট ডাইনামিক আইল্যান্ডের ভেতরে।

উল্লেখ্য, উইবোতে প্রায় ১৫ লাখ ফলোয়ার রয়েছে ইনস্ট্যান্ট ডিজিটালের। আগেও তারা অ্যাপলের বেশ কিছু ফিচার সঠিকভাবে ফাঁস করলেও, আইফোন ১৭ সংক্রান্ত কিছু তথ্য ভুল প্রমাণিত হয়েছিল।

আইফোন ১৮ সিরিজ বাজারে আসতে এখনও প্রায় এক বছর বাকি। ফলে আগামী মাসগুলোতে আরও নানা ফিচার ও গুঞ্জন সামনে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উবার অ্যাপে ডাকা যাবে হেলিকপ্টার

এবার উবার অ্যাপে ডাকা যাবে হেলিকপ্টার

এবার উবার অ্যাপে ডাকা যাবে হেলিকপ্টার

 

সানফ্রান্সিসকো ভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি ঘোষণা দিয়েছে, আগামী বছরের মধ্যেই চালু করা হবে এই নতুন পরিষেবা। এই লক্ষ্যে তারা যৌথভাবে কাজ করছে ইলেকট্রিক এয়ার ট্যাক্সি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান জোবি এভিয়েশনের সঙ্গে। সম্প্রতি যাত্রী পরিবহন সেবা দিয়ে পরিচিত ব্লেড এয়ার মোবিলিটিকেও অধিগ্রহণ করেছে জোবি, ফলে যাত্রী পরিবহন সুবিধা এক ছাতার নিচে আনতে যাচ্ছে উবার।

সেবা চালু হলে উবার অ্যাপ থেকেই ঠিক যেমনভাবে গাড়ি বুক করা হয়, ঠিক তেমনি বুক করা যাবে হেলিকপ্টার বা সি-প্লেনও। উবারের দাবি, এই পরিষেবার ফলে শহরের যাতায়াত আরও দ্রুত, স্মার্ট ও সুবিধাজনক হবে। বিশেষ করে বিমানবন্দরের মতো রুটে, যেখানে সময় বাঁচানো জরুরি, সেখানে এই এয়ার রাইড হতে পারে বড় সমাধান।

যদিও এখনো নির্দিষ্ট রুট বা ভাড়া চূড়ান্ত হয়নি, তবে প্রাথমিক ধারণা মিলছে জোবির সহযোগী প্রতিষ্ঠান ব্লেডের বর্তমান সেবার ভিত্তিতে।

ব্লেডের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, ম্যানহাটন থেকে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (JFK) অথবা নিউ জার্সির লিবার্টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত হেলিকপ্টার রাইডের ভাড়া গড়ে ১৯৫ ডলার। অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২২ হাজার টাকা।

শুরুর দিকে এই এয়ার রাইড সুবিধা কেবল বিশ্বের প্রধান শহরগুলোতে চালু হবে। এরপর ধাপে ধাপে অন্যান্য শহরেও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে। যাত্রীদের জন্য এটি হবে এক অভিজ্ঞতামূলক যাত্রা, যেখানে জ্যাম, সময়ের চাপ ও দেরির ঝামেলা থাকবে না।

সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

নতুন ডেটা সেন্টার ও এআই প্রশিক্ষণে বড় পদক্ষেপ গুগলের

নতুন ডেটা সেন্টার ও এআই প্রশিক্ষণে বড় পদক্ষেপ গুগলের

নতুন ডেটা সেন্টার ও এআই প্রশিক্ষণে বড় পদক্ষেপ গুগলের
আমেরিকার ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে আরও ৯০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে গুগল। এই বিনিয়োগ ২০২৬ সাল পর্যন্ত চলবে। গুগল জানিয়েছে, এই অর্থ মূলত ক্লাউড ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) অবকাঠামোতে ব্যয় করা হবে।

এর অংশ হিসেবে ভার্জিনিয়ার চেস্টারফিল্ড কাউন্টিতে একটি নতুন ডেটা সেন্টার স্থাপন করা হচ্ছে। এ জন্য স্থানীয় অংশীদারদের সঙ্গে মিলে বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানো, জ্বালানি দক্ষতা কর্মসূচি এবং নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

তবে গুগল শুধু অবকাঠামোতেই নয়, মানবসম্পদ উন্নয়নেও নজর দিচ্ছে। ভার্জিনিয়ার শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে এআই ও চাকরিমুখী প্রশিক্ষণ চালু করা হচ্ছে। পাশাপাশি, ভার্জিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রাইটপয়েন্ট কমিউনিটি কলেজ এবং নর্দার্ন ভার্জিনিয়া কমিউনিটি কলেজকে যুক্ত করা হয়েছে গুগলের ‘এআই ফর এডুকেশন অ্যাকসেলারেটর’ প্রকল্পে।

এছাড়া ‘Virginia Has Jobs’ নামে একটি উদ্যোগের মাধ্যমে ভার্জিনিয়ার সাধারণ মানুষও এআই প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ পাবেন।
গুগল মনে করছে, এই বিনিয়োগ শুধু ভার্জিনিয়ার অর্থনীতিকে এগিয়ে নেবে না, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে বৈশ্বিকভাবে এআই প্রযুক্তিতে নেতৃত্ব ধরে রাখতে সহায়তা করবে।

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

তবে সুখবর হলো— এটি সেটিংস থেকে বন্ধ করা যায়। যদিও সম্পূর্ণ বন্ধ করা সম্ভব নয়, তবুও নোটিফিকেশন বন্ধ করলে বিরক্তি অনেকটাই কমে যায়।

কম্পিউটার থেকে যেভাবে বন্ধ করবেন

• ফেসবুক খুলে ওপরের ডান পাশে থাকা Account আইকন-এ ক্লিক করুন।
• Settings & privacy এ ক্লিক করে Settings নির্বাচন করুন।
• বাম দিকের মেনু থেকে Notifications এ যান।
• সেখানে গিয়ে People You May Know অপশন খুঁজে বের করুন।
• এখানে Push, Email, SMS নোটিফিকেশন আলাদাভাবে বন্ধ করতে পারবেন। চাইলে একেবারেই বন্ধ করে দিতে পারেন।

মোবাইল থেকে যেভাবে বন্ধ করবেন

• ফেসবুক অ্যাপ খুলে উপরের ডান পাশে থাকা প্রোফাইল আইকন চাপুন।
• নিচে স্ক্রল করে Settings & privacy → Settings এ যান।
• এবার Notifications অপশন নির্বাচন করুন।
• People You May Know খুঁজে বের করে উপরের Toggle Button বন্ধ করুন।
• একবার বন্ধ করলে নোটিফিকেশন আর আসবে না।

পুরোপুরি কি বন্ধ করা যায় না?

দুঃখজনক হলেও সত্যি নিউজফিডে ভেসে ওঠা Friend Suggestion পুরোপুরি বন্ধ করা যায় না। শুধু Hide people you may know বেছে নিয়ে সাময়িকভাবে লুকানো যায়। কিছুদিন পর আবার দেখা দেবে।

ফেসবুক কীভাবে Friend Suggestion দেখায়?

ফেসবুক নানা তথ্য ব্যবহার করে এসব পরামর্শ দেখায়—

• মিউচুয়াল ফ্রেন্ড
• একই গ্রুপে থাকা সদস্যরা
• আপনার ফোনের কনট্যাক্ট লিস্ট
• কাজের জায়গা, স্কুল বা বিশ্ববিদ্যালয় তথ্য
• এমনকি আপনার লাইক, কমেন্ট, লোকেশন— সবই কাজে লাগে।
• পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব না হলেও নোটিফিকেশন বন্ধ করলে বিরক্তিকর অ্যালার্ট থেকে মুক্তি মিলবে।

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট তাদের জনপ্রিয় সফটওয়্যার ওয়ার্ডে বড় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে। নতুন সংস্করণে যেকোনো ফাইল তৈরি করলে তা আর সরাসরি কম্পিউটারে সেভ হবে না, বরং স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউড প্ল্যাটফর্মে (যেমন ওয়ানড্রাইভ বা অন্য অনলাইন সংরক্ষণ ব্যবস্থা) জমা হবে।

আগে ব্যবহারকারীরা নিজের ইচ্ছামতো কম্পিউটার বা ক্লাউডে ফাইল সেভ করতে পারতেন। তবে মাইক্রোসফটের দাবি, নতুন নিয়ম চালু হলে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল হারানোর ভয় থাকবে না এবং স্মার্টফোনসহ যেকোনো ডিভাইস থেকে সহজেই ফাইল ব্যবহার করা যাবে।

এদিকে, অনেক ব্যবহারকারী এ পরিবর্তন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, যারা ওয়ানড্রাইভ বা অন্য কোনো ক্লাউড সেবা ব্যবহার করেন না, তাদের স্থানীয়ভাবে ফাইল সংরক্ষণে জটিলতা তৈরি হতে পারে।

মাইক্রোসফটের পণ্য ব্যবস্থাপক রাউল মুনোজ জানিয়েছেন, নতুন ফিচারে ফাইল তৈরি করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে। তবে চাইলে ব্যবহারকারীরা নিজেদের মতো করে ডিফল্ট ক্লাউড লোকেশন নির্ধারণ করতে পারবেন। আবার প্রয়োজনে পুরোপুরি বন্ধও করে দেওয়া যাবে এই সুবিধা।

নতুন ফিচারে ফাইলের নামকরণ পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আসছে। ভবিষ্যতে ফাইল সেভ করার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে তারিখ যুক্ত হয়ে যাবে।বর্তমানে পরীক্ষামূলকভাবে মাইক্রোসফট ৩৬৫ ইনসাইডার ব্যবহারকারীদের জন্য এই সুবিধা চালু করা হয়েছে। তবে ব্লগে অনেক ব্যবহারকারী অভিযোগ করেছেন, প্রায়ই নতুন নিয়ম চাপিয়ে দেওয়ার কারণে ফাইল খুঁজে পাওয়া আগের চেয়ে বেশি ঝামেলার হয়ে দাঁড়ায়।

Native Banner