Banner 468x60 for

বুধবার, ৮ আগস্ট, ২০১২

কেবল কাটা পড়ায় স্থবির উইকিপিডিয়া

কেবল কাটা পড়ায় স্থবির উইকিপিডিয়া

সোমবার প্রায় দুই ঘণ্টার জন্য বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো অনলাইন এনসাইক্লোপিডিয়া ‘উইকিপিডিয়া’। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় উইকিপিডিয়ার ডেটা সেন্টারের দু’টি কেবল দুর্ঘটনাবশত কাটা পড়লে এ ঘটনা ঘটে। খবর বিবিসির।

ডেটা সেন্টারের কেবল দু’টি কাটা পড়ার পর অনেকেই উইকিপিডিয়ার সাইটে ঢুকতে ব্যর্থ হন। কেউ আবার ঢুকতে পারলেও অত্যন্ত ধীরে কাজ করছিল ওয়েবসাইটটি। ডেটা কেবল দু’টি কাটা পড়ার পেছনে কোনো অশুভ শক্তির হাত থাকার কথা নাকচ করে দিয়েছে উইকিপিডিয়া কর্তৃপক্ষ।

কেবল দু’টি কাটা পড়ার পর মোট ১ ঘণ্টা ৬ মিনিট বন্ধ ছিলো উইকিপিডিয়ার ওয়েবসাইট। কেবল দু’টি জোড়া দেবার পর আরো ১ ঘণ্টা সময় লাগে সাইটটি পুরোপুরি কার্যক্ষম অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে।

উইকপিডিয়ার মেইন সাইটটি বন্ধ হলেও কার্যক্ষম ছিলো মোবাইল সাইটটি। তবে মেইন সাইট ঠিক হবার পরেও নানা জটিলতার মুখোমুখি হন উইকপিডিয়ার অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস(এপিআই) সার্ভিস ব্যবহারকারীরা।

উইকিপিডিয়া ফাউন্ডেশনের যুক্তরাজ্যভিত্তিক মুখপাত্র ডেভিড জেরার্ড এ ব্যাপারে বলেন, ‘ফ্লোরিডার ডেটা সেন্টারের দু’টি কেবল কাটা পড়েছিলো। কেবল দু’টি ইতোমধ্যেই জোড়া দেয়া হয়েছে এবং সবকিছু আগের মতোই ঠিক আছে এখন।’

ফুলে উঠছে অবৈধ ড্রাগের অভিনব গোপন সাইট

ফুলে উঠছে অবৈধ ড্রাগের অভিনব গোপন সাইট

মার্কিন সিনেটরের বন্ধ করার চেষ্টার পরও টিকে আছে কালোবাজারি ড্রাগ সাইট ‘সিল্ক রোড’। শুধু তাই নয়, ব্যবসার দিকে দিয়ে দিয়ে রীতিমতো ফুলে ফেঁপে উঠেছে সাইটটি। অবৈধ নেশাদ্রব্য বিক্রি করা সাইটটির বাৎসরিক আয় এখন ২ কোটি ২০ লাখ ডলার। খবর ফোর্বস-এর।

অবৈধ ড্রাগ সাইটটির দৌরাত্বের কথা গবেষণাপত্রের মাধ্যমে এ মাসেই পাদপ্রদীপের আলোতে আনেন কম্পিউটার সিকিউরিটি প্রফেসর নিকোলাস ক্রিস্টিন। সিল্ক রোডের আন্ডারগ্রাউন্ড অনলাইন মার্কেট প্লেস হ্যাক করতে সমর্থ হন ক্রিস্টিন। সিল্ক রোডের ক্রয় বিক্রয় নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে ক্রিস্টিন এমন একটি প্রোগ্রাম লেখেন যা কালোবাজারি সাইটটিতে ঘুরে ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করে। টানা ছয় মাস ধরে সাইটটির গোপন তথ্য সংগ্রহ করেন ক্রিস্টিন।

সিল্ক রোডের উপস্থিতি কেবল টর নেটওয়ার্কে। আর ড্রাগসের ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ই লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে ডলারের বদলে ব্যবহার করে বিটকয়েন। মূলত এই দু’টি কারণেই এখনও আইন শৃংখলা রক্ষা বাহিনীর ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে সাইটটির ক্রেতা এবং বিক্রেতারা।

ক্রিস্টিন আবিষ্কার করেন, ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলেছে সিল্ক রোডের ক্রেতার সংখ্যা। কালোবাজারি সাইটটির মাসিক আয় এখন প্রায় ১৯ লাখ ডলার। ক্রিস্টিনকে যে জিনিসগুলো সবচেয়ে বেশি অবাক করে তার মধ্যে একটি হচ্ছে সাইটটির সার্ভিস নিয়ে ক্রেতাদের ইতিবাচক মনোভাব। শতকরা ৯৭.৮ ভাগ ক্রেতা সাইটটির সার্ভিস নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন।

আরো অবাক ব্যাপার হচ্ছে, কোনরকম মার্কেটিং বা বিজ্ঞাপন প্রচার না করেও টিকে আছে কালোবাজারি ড্রাগ সাইটটি। গুগলে সার্চ করলেও সাইটটি খুঁজে পাওয়া সম্ভব নয়। টর নেটওয়ার্কের আইপি অ্যাড্রেস লুকিয়ে ফেলার সুবিধা পুরোপুরি ব্যবহার করা হয়েছে সাইটটি লুকিয়ে রাখতে। অন্যদিকে লেনদেনে বিটকয়েনের ব্যবহার ক্রেতা বিক্রেতার পরিচয় গোপন রাখে সফলভাবে

কেমোথেরাপি বাড়াতে পারে ক্যান্সার

কেমোথেরাপি বাড়াতে পারে ক্যান্সার

সম্প্রতি সিয়াটলের ফ্রেড হাচিনসন ক্যান্সার রিচার্স সেন্টারের বিজ্ঞানীদের গবেষণার অপ্রত্যাশিত এক আবিষ্কার বন্ধ করে দিতে পারে ক্যান্সার নিরাময়ে কেমোথেরাপির ব্যবহার। গবেষকরা বলছেন, শরীরের ক্যান্সার আক্রান্ত কোষগুলোকে ধ্বংস করলেও সুস্থ কোষে ক্যান্সারের সংক্রমণে সাহায্য করতে পারে কেমোথেরাপি। খবর ইয়াহু নিউজ-এর।

ক্যান্সার চিকিৎসার বড় একটি অংশ কেমোথেরাপি। রোগীর শরীরের ক্যান্সার কোষগুলো ধ্বংস করে দেয়া হয় কেমোথেরাপি ব্যবহার করে। কিন্তু সম্প্রতি বিজ্ঞানী পিটার নেলসনের নেতৃত্বাধীন গবেষক দল আবিষ্কার করেছেন বিপরীত কিছু তথ্য। কেমোথেরাপির কারণে ডব্লিউএনটিসিক্সটিনবি  নামের এক ধরণের প্রোটিন তৈরি করে দেহের সুস্থ কোষগুলো, যা ক্যান্সার আক্রান্ত সেলগুলোর বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, কেমোথেরাপি দেবার পরেও অনেক ক্যান্সার রোগীর শরীরে কোনো ইতিবাচক প্রভাব না পড়ার কারণ হতে পারে ওই প্রোটিনটি। সফলভাবে চিকিৎসা শেষ হবার পর আবার রোগীর শরীরে ক্যান্সার ফিরে আসার সম্ভাব্য কারণও হতে পারে এটি।

তবে কেমোথেরাপি নেবার সময় বাড়তি কিছু ওষুধ নিলে কেমোথেরাপির এই অনাকাঙ্ক্ষিত পার্শপ্রতিক্রিয়া এড়ানো সম্ভব বলেই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

LOVE SONG




সোমবার, ৬ আগস্ট, ২০১২

নতুন গ্যালাক্সি নোট আনছে স্যামসাং

নতুন গ্যালাক্সি নোট আনছে স্যামসাং

২৯ অগাস্ট গ্যালাক্সি নোট স্মার্টফোনের একটি নতুন মডেল বাজারে আনছে ইলেকট্রনিক পণ্য নির্মাতা স্যামসাং। খবর গার্ডিয়ান-এর।

অ্যাপলের নতুন আইফোন সেপ্টেম্বরের প্রথমদিকে বাজারে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তার প্রায় দুই সপ্তাহ আগেই নতুন গ্যালাক্সি নোটটি বাজারে আনার ঘোষণা দিয়েছে স্যামসাং। পেটেন্ট লড়াইয়ের পাশাপাশি বাজার দখলের যুদ্ধেও নামছে কোম্পানি দু’টি। ইউরোপের বৃহত্তম কনজিউমার ট্রেড ফেয়ারের দু’দিন আগে আসছে স্যামসাংয়ের এই নতুন স্মার্টফোনটি।

দক্ষিণ কোরিয়ান মিডিয়ার রিপোর্ট থেকে জানা যায়, এতে ৫.৫ ইঞ্চির একটি শক্ত ডিসপ্লে থাকবে। বর্তমান মডেলের চেয়ে সামান্য বড় আকারের এবং দ্রুতগতির প্রসেসর ও ভালো একটি ক্যামেরা থাকবে এতে।

স্মাটফোন নির্মাণে স্যামসাং আগে পিছিয়ে থাকলেও এখন অ্যাপলকে পেছনে ফেলে পৃথিবীর বৃহত্তম স্মার্টফোন নির্মাতা দক্ষিণ কোরিয়ান এই কোম্পানিটি।

পালাবার পথ নেই টাইমলাইনে যেতে হবেই!

পালাবার পথ নেই টাইমলাইনে যেতে হবেই!

ফেইসবুকে নিজেদের প্রোফাইলটি টাইমলাইনে পরিবর্তন না করে যারা নিজেদের ভাগ্যবান ভাবছেন, তাদের জন্য দুঃসংবাদই বটে! না চাইলেও জোর করেই ব্যবহারকারীর প্রোফাইল লেআউট টাইমলাইনে বদলে দিচ্ছে ফেইসবুক। খবর ইয়াহু নিউজ-এর।

টেকক্রাঞ্চের খবর অনুযায়ী, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই সাড়ে ৯ কোটি ব্যবহারকারীর প্রোফাইল টাইমলাইনে বদলে দেবে ফেইসবুক কর্তৃপক্ষ। ব্যবহারকারীর প্রোফাইলটি টাইমলাইনে বদলে দেবার আগে লগইন করার সময় তাকে জানিয়ে দেয় ফেইসবুক।

টাইমলাইন তৈরি করার পর থেকে ধীরে ধীরে অনেক ব্যবহারকারীর প্রোফাইল টাইমলাইনে পাল্টে দিয়েছে ফেইসবুক। আগামী কয়েক মাসে আরও বাড়বে এ কাজের গতি।

এ বছরের জানুয়ারি মাসে ফেইসবুকে চালু হয় টাইমলাইন। না বুঝে নিজের প্রোফাইল লেআউট টাইমলাইনে বদলে নিয়ে এখন আফসোস করছেন অনেকেই। কারণ, ফেইসবুকের টাইমলাইন একবার চালু হয়ে গেলে সাধারণ ব্যবহারকারীরা আর তা বাতিল করতে পারেন না।

স্প্রে করে জোড়া দেয়া যাবে ভগ্ন হৃদয়!

স্প্রে করে জোড়া দেয়া যাবে ভগ্ন হৃদয়!

১০ হাজার ভোল্টের থ্রিডি ইলেকট্রিক স্প্রেয়ার হৃৎপিণ্ডের ক্ষত জোড়া দেবে জীবন্ত হার্ট সেল ছুড়ে দিয়ে। হার্ট অ্যাটাকের ফলে সৃষ্ট হৃৎপিণ্ডের ক্ষত সারাতে চিকিৎসকদের শেষ ভরসা হতে পারে এই ‘স্প্রে-প্যাচ’ প্রযুক্তি। খবর বিবিসির।

হার্ট অ্যাটাক হলে মারা যায় হৃৎপিণ্ডের কিছু সেল। পরে রোগী সুস্থ হয়ে উঠলেও ওই মৃত হার্ট সেলগুলো ঠিক হয় না বরং থেকে যায় ক্ষত। পরে হৃৎপিণ্ডে রক্ত সঞ্চালনে বাধা সৃষ্টি করতে পারে হৃৎপিণ্ডের ওই মৃত অংশটুকু। এ কারণে হৃৎপিণ্ডের দীর্ঘস্থায়ী  সমস্যায় ভোগেন হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত অনেক ব্যক্তি।

দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতের ওই সমস্যা সমাধানে জীবন্ত হার্ট সেল পেইন্টের মতো হৃৎপিণ্ডে ছুঁড়ে দেবার প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা করছেন বৃটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের বিজ্ঞানীরা। হৃৎপিণ্ডের ভেতরের ক্ষত সারিয়ে তোলা সম্ভব হতে পারে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে।

লন্ডনের এক ল্যাবরেটরিতে ওই বায়ো-ইলেকট্রিক হার্ট সেল স্প্রে মেশিনটি বানিয়েছেন মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ার ড. শন জায়াসিংহে। প্রথমে জীবন্ত হার্ট সেল নেয়া হয় স্প্রে মেশিনের সূঁচে। তারপর স্প্রে মেশিন থেকে হার্ট সেলগুলো ছুঁড়ে দেয়া হয় রোগীর হৃৎপিণ্ডের ক্ষতিগ্রস্ত অংশে। তবে গ্রাফিটি আর্টিস্টদের স্প্রে ক্যানের মতো নিখুঁত নয় হার্ট সেল স্প্রে মেশিন। হার্ট সেলগুলোকে নিখুঁত লক্ষ্যে পেঁছে দিতে মেশিনটির সূঁচ বিদ্যুতায়িত করা হয় ১০ হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ ক্ষেত্র দিয়ে।

এ ব্যাপারে বিজ্ঞানী অ্যানাস্তাসিয়া স্টেফানো বলেন, ‘আমরা আশা করছি, ক্ষতিগ্রস্ত হৃৎপিণ্ডের কার্যক্ষমতা বাড়াতে পারবে এই প্রযুক্তি। আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ক্ষতিগ্রস্ত হৃৎপিণ্ড পুরোপুরি সারিয়ে তোলা, যেন হার্ট অ্যাটাকের শিকার রোগীদের ডোনার হার্টের জন্য অপেক্ষা করতে না হয়।’

বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, ভবিষ্যতে স্প্রে মেশিনের জন্য হৃৎপিণ্ডের কোষগুলো রোগীর হৃৎপিণ্ড থেকে সংগ্রহ করে বায়ো-টেকনোলজিকাল পন্থায় বড় করে ব্যবহার করা সম্ভব হবে। এমনকি অসুস্থ ব্যক্তির স্টেম সেল সংগ্রহ করে তা থেকে হার্ট সেল তৈরি করা যাবে বলেও বিজ্ঞানীরা আশা করছেন।

Native Banner