Banner 468x60 for

মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৬

হৃদরোগ প্রতিরোধে প্রয়োজন সচেতনতা

হৃদরোগ প্রতিরোধে প্রয়োজন সচেতনতা

সুস্থ হার্ট, সুন্দর জীবন| আর সুন্দর জীবনের প্রত্যাশা সবার| বাংলাদেশে প্রায় দেড় কোটি মানুষের বিভিন্ন ধরনের হূদরোগ রয়েছে| আর বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় রয়েছে অকালে হৃদরোগ হওয়ার প্রবণতা| তাই হার্টের সমস্যাকে ছোট করে দেখার কোনো অবকাশ নেই| যদিও বাংলাদেশে হূদরোগের চিকিৎসার খরচ পার্শ্ববর্তী অন্যান্য দেশের তুলনায় সহনীয় পর্যায়ে আছে, তবু এ চিকিৎসাসেবা এখনো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরেই রয়ে গেছে|
আর যেহেতু সরকারি চিকিৎসাসেবার অবকাঠামোর মাধ্যমে সব লোকের চিকিৎসা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব নয়, তাই অন্যান্য রোগের মতো হূদরোগ প্রতিরোধের দিকেই বেশি গুরুত্ব দিতে হবে| আর এ জন্য প্রয়োজন ব্যাপক গণসচেতনতা|
বেতার ও টেলিভিশনে স্বাস্থ্যসংক্রান্ত বিভিন্ন আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় নিয়মিত| কিন্তু এ অনুষ্ঠানগুলো হয় এমন সময়, যখন সবাই কর্মব্যস্ত থাকে| ফলে এ অনুষ্ঠানগুলোর দর্শক-শ্রোতাও বেশি থাকে না|

রোগ নির্ণয় বা রোগের ব্যবস্থাপত্র দেওয়ার জন্য অনুষ্ঠান নয়, কারণ রোগী না দেখে শুধু সামান্য বর্ণনা শুনে চিকিৎসার পরামর্শ দিলে ভুল হওয়ার আশঙ্কা থাকে| আর দর্শক-শ্রোতারাও অন্যের উপসর্গের সঙ্গে নিজের উপসর্গ মিলিয়ে নিজেই নিজের চিকিৎসক (!) বনে যেতে পারেন| আর এ দেশে ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই খুব সহজে ওষুধ কেনা ও সেবন করা সম্ভব|

১৫ কোটি জনসংখ্যার এ দেশে সমস্যার কোনো শেষ নেই| ‘নুন আনতে পান্তা ফুরোয়’-এমন লোকের কাছে চিকিৎসাসেবা অনেক দূরের বিষয়| নি্নমধ্যবিত্ত বা নি্ন আয়ের মানুষেরা সব সময় চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে পারে না বা হলেও অনেক সময় ওষুধ কিংবা অন্য ধরনের চিকিৎসা নেওয়ার সামর্থন তাদের থাকে না| পানি ফুটিয়ে পান করা বা ভালো করে হাত ধোয়ার গুরুত্ব যেমন প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে জনগণের কাছে পৌঁছানো গেছে, তেমনি হূদরোগ প্রতিরোধের জন্য কী করা দরকার তাও তাদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে| সামান্য অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে যে বাতজ্বর ও বাতজ্বর-সংক্রান্ত অন্য অসুখ থেকে বাঁচা সম্ভব, তা জনসাধারণকে জানাতে হবে|

সুস্থ হার্ট নিয়ে বাঁচতে চাইলে তেল, চর্বি, লবণ-এগুলো কম খেতে হবে| উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিস থাকলে তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে| ধূমপান, গুল, জর্দা, সাদাপাতা সম্পূর্ণ বর্জন করতে হবে|
শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে বা মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচতে হলে এগুলো জানা জরুরি|
বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় হূদরোগের প্রকোপ অন্যান্য দেশের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি| হার্ট অ্যাটাকে যাঁরা আক্রান্ত হন, তাঁদের মধ্যে ২৫ শতাংশেরই বয়স চল্লিশের নিচে| আর ৫০ শতাংশের বয়স পঞ্চাশের নিচে|

এটা আমাদের জন্য একটা বিপদসংকেত| ঢাকাসহ বড় বড় শহরে শুধু হাতে গোনা কয়েকটি হাসপাতালে হৃদরোগের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা আছে|
অনেক জেলা বা উপজেলা পর্যায়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক থাকলেও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি না থাকায় সুচিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না| আবার কোথাও রয়েছে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাব|
তাই অকালমৃত্যু রোধে আমাদের একজোট হয়ে হূদরোগ প্রতিরোধ করতে হবে| এ জন্য জনসচেতনতা বাড়াতে হবে, আর এ দায়িত্ব সমাজের সব সচেতন মানুষের|

*************************************

সোমবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৬

পোশাকেই বিদ্যুৎ!

পোশাকেই বিদ্যুৎ!


  
সৌরশক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করতে পারবে এই পোশাকসৌন্দর্যবর্ধন কিংবা শরীর উষ্ণ রাখতেই নয়, প্রযুক্তির এ যুগে পোশাক এখন অদ্ভুত অনেক কাজ করছে। এখন অনেক স্মার্ট পোশাক পাওয়া যায় যেগুলো হৃৎস্পন্দন, শারীরিক গতিবিধি পর্যবেক্ষণ ইত্যাদি কাজ করতে পারে। তবে এবার পরিধেয় পোশাকের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং সংরক্ষণ করার প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন একদল চীনা গবেষক। সৌরশক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করতে পারবে নতুন এই প্রযুক্তির পোশাক। গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্র কেমিক্যাল সোসাইটিতে জমা দেওয়া এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানায় দলটি।
নতুন এই ডিজিটাল পোশাক সৌরশক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করতে পারবে, উৎপাদিত বিদ্যুৎ সংরক্ষণ করেও রাখতে পারবে। যেকোনো স্মার্ট যন্ত্রে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারবে সে পোশাক। এটি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে নতুন সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদক তন্তু, যা দেখতে সাধারণ কাপড়ের সুতার মতোই। এ সুতোকে ইচ্ছানুযায়ী কাটা যাবে এবং সেলাইও করা যাবে, যা বাজারের অন্যান্য ডিজিটাল পোশাকে করা যায় না। পরা অবস্থাতেই সূর্যের আলোয় শক্তি সঞ্চয় করবে এই পোশাক, তবে কোনো শারীরিক তথ্য সংরক্ষণ করবে না পোশাকটি।
এখন পর্যন্ত গবেষণায় তৈরি পোশাকগুলো ১.২ ভোল্ট বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে সক্ষম হয়েছে, তবে তা বৃদ্ধি করার কাজ চলছে বলে জানায় গবেষক দলটি। গবেষণাগারের বাইরে এখনো ব্যবহার না করা হলেও আগামী বছরের শেষ নাগাদ বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপন্নকারী এই ডিজিটাল পোশাকটির ব্যবহার শুরু করা হবে বলে আশাবাদী চীনের গবেষক দলটি।

উদ্যোক্তাদের জন্য উদ্যোগ

দেশে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করার পরিমাণ আরও বাড়ানোর উদ্দেশ্য নিয়ে সম্প্রতি মোবাইল ল্যাবরেটরি বা ‘এম-ল্যাব’ চালু করেছে মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট অ্যান্ড কমিউনিকেশনস লিমিটেড (এমসিসি)। এমসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফ আবির বলছিলেন, ‘আমরা চাই দেশে আরও বেশি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন, মোবাইলভিত্তিক স্টার্টআপ তৈরি হোক। আর যারা দেশে অ্যাপ তৈরি করছে, তাদের সহযোগিতা করতে চাই। এ উদ্দেশ্য থেকে এই প্রশিক্ষণকেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে।’

মোবাইলভিত্তিক উদ্যোগের জন্য পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে বিভিন্ন   প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ‘এম-ল্যাব’। অ্যান্ড্রয়েড, উইন্ডোজ ও আইওএস—তিন অপারেটিং সিস্টেমের স্মার্টফোনের জন্য উদ্যোক্তারা যাতে নিজেদের পণ্য   তৈরি করতে পারেন, সে ধরনের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে এখানে। শুধু প্রশিক্ষণ নয়, প্রতিষ্ঠানটির ইনকিউবেটর, টেস্টিং সেন্টার ব্যবহারের সুযোগ পাবেন নতুন উদ্যোক্তারা। রয়েছে মোবাইল অ্যাপ টেস্টের জন্য বিভিন্ন যন্ত্র ও ক্লাউড সেবা ব্যবহারের সুবিধা। এই ল্যাবে প্রশিক্ষণ নিলে বৃত্তি পাওয়ার সুযোগ আছে। নলেজ পার্টনার হিসেবে তাদের সহায়তা দিচ্ছে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের ইনফোডেভ।
আশরাফ আবির জানান, এম-ল্যাব চেষ্টা করছে দেশীয় মোবাইল অ্যাপের নির্মাতাদের বৈশ্বিকভাবে স্থান করে দেওয়ারও। এ জন্য দেশেও বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে এবং সুযোগ করে দিচ্ছে বৈশ্বিক কোনো প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে নিজের পণ্যকে তুলে ধরার। এম-ল্যাব: www.mlab.mcc.com.bd

ইভেন্টস অ্যাপ আনছে ফেসবুক



ইভেন্টস অ্যাপইভেন্টস নামে আলাদা একটি অ্যাপ উন্মুক্ত করেছে ফেসবুক। যুক্তরাষ্ট্রে আইওএস প্ল্যাটফর্মের ডিভাইস ব্যবহারকারীরা এটি এখন ব্যবহার করতে পারছেন। শিগগিরই অ্যান্ড্রয়েড প্ল্যাটফর্মে এটি চলে আসবে। পরে অন্যান্য দেশেও এটি চালু করা হবে বলে জানিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার ফেসবুকের পণ্য ব্যবস্থাপক আদিত্য কুলওয়াল এক বিবৃতিতে বলেন, ‘প্রতিদিন ১০ কোটির মানুষ ফেসবুকে ইভেন্টস ব্যবহার করেন। আশপাশে কী ঘটতে যাচ্ছে কিংবা দৈনন্দিন ঘটনা স্মরণে রাখতে ফেসবুক ‘ইভেন্টস’ অ্যাপ আনছে। ইভেন্টস অ্যাপটি খুললে ফেসবুক বন্ধুসহ পছন্দ করা পেজে কোনো ইভেন্ট থাকলে সে তথ্য দেখা যাবে। এ ছাড়া সহজেই ঘটনাগুলো সহজে ব্রাউজ ও সার্চ করা যাবে। ইভেন্টসের জন্য আলাদাভাবে অ্যাপ আনলেও ফেসবুক অবশ্য মূল সাইট থেকে এই সেবা সরাচ্ছে না।

Native Banner