Banner 468x60 for

বুধবার, ১২ মে, ২০২১

ওয়ার্ক ফ্রম হোমে নিজেকে রাখুন শতভাগ কর্মক্ষম

ওয়ার্ক ফ্রম হোমে নিজেকে রাখুন শতভাগ কর্মক্ষম

ওয়ার্ক ফ্রম হোমে নিজেকে রাখুন শতভাগ কর্মক্ষম
করোনাভাইরাস সঙ্কট বদলে দিয়েছে আমাদের নিত্য জীবনের সকল হিসাব-নিকাশ। প্রতিনিয়তই আমরা নিজেদের খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা করছি নতুন স্বাভাবিকতার সাথে।

করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গত বছর মার্চ থেকে দেশব্যাপী লকডাউন ঘোষণার পর বন্ধ হয়ে যায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত। তবে এতে থেমে থাকেনি কর্ম চঞ্চলতা। বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান এ সময় ঘোষণা করে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম।’ ঘরে বসে পেশাগত দায়িত্ব পালনের প্রবণতা এই এক বছরে সবার কাছে বেশ স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। কিন্তু পরিকল্পনা মোতাবেক কাজ না করায় ঘর-অফিস ভারসাম্য করে নিজেকে কর্মক্ষম রাখতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।  

ঘরে থেকে অফিসের কাজ করার ফলে কাজের ধরণে এসেছে পরিবর্তন। তাই প্রথমেই প্রয়োজন কাজের উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা। ঘরের একটি নিরিবিলি জায়গায় অফিসের কাজ করার জন্য নিজের ডেস্ক বানিয়ে নিতে পারেন। কাজের প্রয়োজনীয় সকল অনুসঙ্গ (যেমন- ল্যাপটপ, মাউস, ডায়েরি, পানির বোতল ইত্যাদি) হাতের নাগালে রাখতে হবে। 

মিটিং থেকে শুরু করে অফিসের অনেক কাজ এখন অনলাইনে করতে হচ্ছে বলে দ্রুতগতির ইন্টারনেট কানেকশন, মানসম্পন্ন ক্যামেরা ও শক্তিশালী ব্যাটারি ও ভালো পারফরমেন্সের স্মার্টফোন এবং হেডফোন সাথে থাকা অত্যন্ত জরুরি।

ল্যাপটপ বা ডেস্কটপের পাশাপাশি একাধিক কাজ একসাথে এবং তাৎক্ষণিকভাবে করার সহজ সমাধান স্মার্টফোন। স্মার্টফোনে খুব কম সময়ে ই-মেইল দেওয়া যায় এবং সহজে ভিডিও কল করা যায়। এছাড়াও বিভিন্ন অ্যাপের মোবাইল সংস্করণ স্মার্টফোনে চালানো অধিক স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক। 

আউটলুক অ্যাপে কোনো ই-মেইলে মোবাইল নাম্বার থাকলে সেটি হাইপারলিংক হয়ে থাকে এবং মোবাইলে এক ট্যাপেই সে নাম্বারে কল করা যায় ফলে কাজের গতি বাড়ে।                               

কাজের গতি বৃদ্ধি ছাড়াও অফিসের দরকারি কল মোবাইলে আসে বিধায় মোবাইল সব সময় চালু রাখা অত্যন্ত জরুরি। তাই ভালো পারফর্মেন্সের পাশাপাশি প্রয়োজন সুবিশাল ব্যাটারিযুক্ত স্মার্টফোন। এক্ষেত্রে বেছে নিতে পারেন সদ্য বাজারে আসা স্যামসাং গ্যালাক্সি এম৬২-কে, যা অফিসের সকল কাজ করার জন্য বিশেষ উপযোগী। 

ডিভাইসটিতে ৭০০০ মিলি অ্যাম্পিয়ার ক্ষমতার বিশাল ব্যাটারি থাকায় চার্জ না দিয়েও দীর্ঘ সময় নিশ্চিন্তে ফোনটি চালানো যায় এবং এতে দ্রুতগতিসম্পন্ন এক্সিনোস ৯৮২৫ (৭এনএম) প্রসেসর থাকায় মোবাইলে যেকোন কাজ করা যাবে দ্রুততার সাথে। 

কাজের ফাঁকে ফাঁকে নিজেকে বিরতি দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। এসময় আপনি বন্ধু বা পরিবারের কারও সাথে কথা বলতে পারেন কিংবা হালকা ব্যায়াম করে নিতে পারেন। ব্যায়াম আমাদের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। 

আমরা সাধারণত অফিসে একটি নির্ধারিত কর্মঘণ্টা অনুসারে কাজ করে থাকি। বাড়িতে বসে কাজ করার সময়ও নিজ কর্মঘণ্টার এই সীমানা নির্ধারণের বিষয়টি প্রয়োজন। এক্ষেত্রে স্মার্টফোন আপনাকে সহায়তা করবে। স্যামসাং স্মার্টফোনের স্যামসাং হেলথ অ্যাপে আপনি দরকারি ব্যায়াম খুঁজে পাবেন সহজেই। 

স্ট্যানফোর্ডের এক গবেষণায় দেখা গেছে, ১৬,০০০ কর্মীর মাঝে ওয়ার্ক ফ্রম হোম কর্মক্ষমতা বাড়িয়েছে ১৩ শতাংশ। এছাড়াও কর্মীরা বলেছেন, এর ফলে তাদের কর্ম সন্তুষ্টি বৃদ্ধি পেয়েছে। রুটিন-মাফিক নিয়ম মেনে চললে বাসা থেকে কাজ করার বেশ স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক। আর তা না হলে, কর্মক্ষমতা কমার সাথে সাথে মানসিক শান্তি ও বিশ্রামের বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে হারিয়ে যাবে। তাই করোনাকালীন সময়ে বাসা থেকে অফিসের কাজ পরিচালনায় শতভাগ কর্মক্ষমতা নিশ্চিতে অনুসরণ করতে পারেন এই বিষয়গুলো। 

কোন মন্তব্য নেই:

Native Banner