Banner 468x60 for

শনিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৩

কনডমের ইতিহাস

কনডমের ইতিহাস


প্রাচীন মিসরের সবচেয়ে বিখ্যাত রাজা তুতেনখামেন। তার সমাধিস্থল আবিষ্কারের পর এর ঐশ্বর্য দেখে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলেন ব্রিটিশ প্রত্নতাত্ত্বিক হাওয়ার্ড কার্টার। বলে উঠেছিলেন, “ওয়ান্ডারফুল থিংস!” সত্যিই এক বিস্ময়কর ব্যাপার বটে। ১৯২২ সালের ৪ নভেম্বর মিশরের অকালপ্রয়াত সম্রাটের সমাধিতে প্রবেশের পথ আচমকাই বেরিয়ে পড়ে এক শ্রমিকের হাতে। সেই আবিষ্কারের শতবর্ষ পূর্ণ হলো কিছু দিন আগে। যদিও তুতেনখামেনের সোনার শবাধার-সহ মমি আবিষ্কার হতে সময় গড়িয়ে যায় ১৯২৫ পর্যন্ত।

৩৫০০ বছর আগে প্রাচীন মিশরের কিশোর রাজা বা ফারাও ছিলেন তুতেনখামেন। পিতার মৃত্যুর পরে ৯ বছর বয়সেই সিংহাসনে বসেন। ১০ বছর রাজত্ব করার পরে হঠাৎই রহস্যময় কারণে মৃত্যু। অজানা কোনো কারণে বেশ তাড়াতাড়ি কিশোর ফারাওকে বিপুল ঐশ্বর্য-সহ সমাধিস্থ করা হয়। তুতেনখামেনের সমাধির প্রবেশপথ ঢাকা পড়ে গিয়েছিল অন্যান্য খননের ধ্বংসাবশেষে। তাই বিস্তর খোঁজাখুঁজির পরও দীর্ঘ সময় কিছুতেই প্রকাশ্যে আসেনি সেই সমাধি।

ফারাওদের বৈভবের নিরিখে তুতানখামেনের সমাধিক্ষেত্র বেশ ছোটই ছিল। তার মৃত্যুর পর ৭০ দিনের মধ্যে বেশ তড়িঘড়ি করে তাকে সমাধিস্থ করা হয়েছিল। প্রাচীন মিশরীয় বিশ্বাস অনুসারে, ফারাও বা অন্য গুরুত্বপুর্ণ ব্যক্তিদের মৃত্যুর পর তাদের ব্যবহৃত যাবতীয় সামগ্রী মৃতদেহের সঙ্গে রেখে দেওয়ার রীতি ছিল। তুতেনখামেনের সমাধিতে স্বর্ণপালঙ্ক, স্বর্ণসিংহাসন, সোনার শবাধারের ঐশ্বর্যে তামাম বিশ্ব হতচকিত হয়ে পড়ে। সোনা তো শুধু নয়! রুপো, মেহগনি কাঠ, হাতির দাঁত- কী ছিল না সমাধির বদ্ধ কক্ষে।

মমির সঙ্গেই পাওয়া গিয়েছিল একটি ছোট চামড়ার থলি, সঙ্গে কোমরে বেঁধে নেয়ার ফিতে। পরে বোঝা যায়, জিনিসটি আসলে আদি কন্ডোম। বিস্ময়ের কথাই বটে! কয়েক হাজার বছর আগে প্রাচীন মিশরীয়রাও কন্ডোমের ব্যবহার জানতেন! কন্ডোমের মধ্যে পাওয়া ডিএনএ পরীক্ষায় জানা গেল, সেটি স্বয়ং তুতেনখামেনেরই ব্যবহৃত। গবেষকরা এই সিদ্ধান্তেও পৌঁছন যে, কন্ডোমটি গরুর পাতলা চামড়া দিয়ে তৈরি, সেটি গর্ভনিরোধক সরঞ্জাম হিসাবেই মমির সঙ্গে দেওয়া হয়েছিল, কোনো প্রাচীন রীতি পালনের সঙ্গে এর যোগসূত্র নেই। শুধু তাই নয়, তুতেনখামেনের লিঙ্গটি প্রায় ৯০ ডিগ্রি উত্থিত করে তাকে মমি করা হয়েছিল। মমি আবিষ্কারের কিছু পরেই লিঙ্গটি নিখোঁজ হয়, পরে জানা যায়, সেটি ভেঙে অন্যত্র রাখা হয়েছিল।

তুতেনখামেনের মমিতে পাওয়া এই কন্ডোম ইতিহাসের প্রাচীনতম আবিষ্কৃত কন্ডোম। উত্থিত লিঙ্গের সম্ভাব্য কারণ ধর্মাচরণের সঙ্গে যুক্ত। মিশরীয় সভ্যতার রীতি অনুসারে তুতেনখামেনকে দেবতা ওসিরিসের অবতার হিসেবে দেখার চেষ্টা ছিল। অন্য দিকে, প্রাচীন কালেই মিশরবাসী নানা রঙের কন্ডোম ব্যবহার শুরু করেছিলেন। বিভিন্ন সামাজিক স্তরের লোকজনের জন্য নির্দিষ্ট বর্ণের কন্ডোমের চল ছিল।

কন্ডোমের প্রাচীন ইতিহাস মিশরের বাইরেও রয়েছে। কায়রো লাইব্রেরি এবং পুরনো গবেষণার তথ্য হাতড়ালে দেখা যায়, প্রাচীন গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের রাজা মিনোস এক সমস্যায় পড়েন। রাজার সঙ্গে সঙ্গমের পরেই আশ্চর্যজনক ভাবে মারা যাচ্ছিলেন রানিরা।

রাজার শুক্রাণুতে নাকি সাপ ও বিছে রয়েছে, এমন ধারণাও দানা বাঁধে।

এই সময় বুদ্ধিমতী রানি পাসিফি একটি উপায় বার করেন। শুয়োরের পাতলা চামড়া নিজের যৌনাঙ্গে লাগিয়ে রাজার সঙ্গে মিলিত হন। প্রাণে তো বাঁচেনই রানি, শেষে ৮টি সন্তানের জন্মও দেন।

যিশুর জন্মের ১৮০০ বছর আগে প্রাচীন মিশরে ‘কাহুন মেডিক্যাল প্যাপিরাস’ রচিত হয়েছিল। প্রাচীন মিশরীয়রাও সেই পুঁথি অনুসরণ করে কুমিরের মলের সঙ্গে অন্যান্য প্রাকৃতিক ঔষধি মিশিয়ে তৈরি করতেন গর্ভনিরোধক পদার্থ। এই পদার্থ মূলত নারীরা তাদের যৌনাঙ্গে ব্যবহার করতেন। কুমিরের মল অ্যাসিডিক, যা কিনা শুক্রাণুগুলোকে নিমেষে নিকেশ করত। বর্তমান গবেষণা অবশ্য জানাচ্ছে উল্টো কথা।

অ্যাসিডিক হলে সফল নিষেক হবার সম্ভাবনা কমে না, বরং বেড়ে যায়। তাই কুমিরের মলে কতগুলো শুক্রাণু বধ হতো, সে নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। প্রাচীন ভারতীয়রা অবশ্য কুমিরের বদলে হাতির মল দিয়ে গর্ভ নিরোধনের চেষ্টা চালিয়েছিলেন। রোমানরা প্রথমে কন্ডোম নিয়ে তেমন ভাবিত না হলেও, পরে তাদের চিন্তায় ফেলেছিল যৌন রোগ সিফিলিস। সিফিলিসের হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করতে তারা প্রাণীর চামড়ার ব্যবহার শুরু করেন।

তাই মিশরীয়দের কিছু পরে রোমানরা প্রাণীদেহের (মূলত ছাগল ও ভেড়ার) পাতলা চামড়া দিয়ে কন্ডোম তৈরির একটা বন্দোবস্ত করেছিলেন। পিছিয়ে ছিলেন না চিনারাও। সিল্কের সঙ্গে বিশেষ তেল মিশিয়ে তারাও কন্ডোম তৈরি করে ফেলেন। জাপানিরা তো তত দিনে কাবুতা-গাতার ব্যবহার শিখেছে পুরুষ যৌনাঙ্গের মুখ ঢাকতে। মূলত কচ্ছপের খোল ব্যবহার করে কাবুতা-গাতা তৈরি হত।

নিউগিনির প্রাচীন বাসিন্দারা গর্ভনিরোধক হিসেবে বিশেষ কিছু নির্বাচিত উদ্ভিদের নির্যাস স্ত্রীদেহে ব্যবহার শুরু করেছিলেন। সে সময়ের প্রায় সব সভ্যতায় পুরুষেরা মিলনের ঠিক পূর্বে স্ত্রী যৌনাঙ্গে ছয় ইঞ্চি লম্বা বিশেষ পাতা দিয়ে প্রস্তুত ফানেল ব্যবহার করতেন, যার একমুখ খোলা অন্য প্রান্ত বন্ধ।

ষোড়শ শতকের ইতালীয় শরীরতত্ত্ববিদ গাব্রিয়েল ফালোপ্পিও পুরুষের যৌনাঙ্গে ভেড়া ও ছাগলের পাতলা চামড়ার টুপি পরিয়ে পরীক্ষা করে দেখেন, তাতে সিফিলিসের মতো মারাত্মক যৌন রোগ বাধাপ্রাপ্ত হয়। পঞ্চদশ শতকে যখন যৌন রোগ সিফিলিস

আছড়ে পড়ে ফ্রান্সের সেনাদলে, তখন কন্ডোম ব্যবহার আবশ্যিক হয়ে পড়ে। সেই সময় থেকে প্রাণীদেহের পাতলা চামড়া দিয়ে কন্ডোম তৈরির বহুল ব্যবহার শুরু হয়। শুধু তাই নয়, মাছের নাড়িভুঁড়ি ব্যবহার করেও তৈরি হয়েছে কন্ডোম।

সপ্তদশ শতকে ইংল্যান্ডে বহুল ভাবে গর্ভনিরোধক ব্যবস্থা হিসেবে কন্ডোমের প্রচলন শুরু হয়। সে সময় ইংল্যান্ডের জনসংখ্যাও আচমকা কমে যায়। তবে আমেরিকান রসায়নবিদ চার্লস গুডইয়ারের ভালোকানাইজড রবারের ব্যবহারিক প্রয়োগ বিশ্বকে চমকে দেয়। তিনি প্রথম রবারের সঙ্গে গন্ধক মিশিয়ে স্থিতিস্থাপক, নমনীয়, টেকসই আধুনিক কন্ডোমের ধারণা দেন। ১৮৬০ থেকে শুরু হয় আধুনিক কন্ডোমের সাম্রাজ্য বিস্তার।

শনিবার, ১ এপ্রিল, ২০২৩

নামিবিয়ার আকাশে দৃশ্যমান হোল ধুমকেতু Leonard C/2021 A1 এর অন্তিম ক্ষন ৷

নামিবিয়ার আকাশে দৃশ্যমান হোল ধুমকেতু Leonard C/2021 A1 এর অন্তিম ক্ষন ৷

নামিবিয়ার মেঘশূন্য আকাশ মহাকাশ পর্য্যবেক্ষনের পক্ষে খুবই উপযোগী বিশেষ করে খালি চোখে । ধুমকেতু Leonard C/2021 A1 কে এখান থেকে তার পেরিহেলিয়ন (সূর্যের নিকটতম অবস্থান ) অতিক্রম করার পর দেখা গিয়েছিল জানুয়ারী ৩ , ২০২২ । ঐ সময় ধূমকেতুটি ভেঙ্গে পরছিল ( disintigrate) ৷ ফেব্রুয়ারী ২৩ ,২০২২ তে আবার দেখা যায় যখন ভেঙ্গে পরা সম্পূর্ন হয়েছিল । দৃশ্যটি ছিল এক কথায় অতুলনীয় যা আগে কখনও দেখা যায়নি ৷

বিবাহের ক্ষেত্রে নববধূ হয়ে আপনার সবচেয়ে বিব্রতকর মুহূর্তটি কী ছিল?

বিয়ে আর বৌভাতের মাঝের দিন হলো কালরাত্রি। সেদিন বিকেলের পরে বর বৌ পরস্পরের মুখ দেখা মানা!! বড়োরা পই পই করে বলে দিয়েছেন-একদম যেন মুখ দেখাদেখি না হয়!!

তো বিকেলের পরে আমি একটি ঘরে এককোনায় ঘোমটা দিয়ে জড়োসড়ো হয়ে বসে আছি কারণ বরের নিজের বাড়ি, সে তো যেখানে সেখানে ঘুরে বেড়াবেই। তাছাড়া বরের (পরদিন থেকে আমাদের) ঘরের পাশেই ভিয়েন বসেছে!!

আমার বরের ঘরের পাশে শ্বশুর মহাশয় এর ঘর, সেঘরেই আমি বসে।। হঠাৎই দেখি ছোটো কাকা শ্বশুর আমার বরের নাম ধরে খুব জোরে জোরে ডাকছেন। কিন্তু ভেতর থেকে কেউ সাড়া দিচ্ছে না। আমিও এঘর থেকে বেরিয়ে আসছি না কারণ যদি বর সে মুহূর্তে দরজা খুলে বের হয়ে আসে তো আমার সাথে দেখা দেখি টা হয়ে যেতে পারে!!

এইভাবে একসময় ছোটো কাকাশ্বশুরের সাথে বাড়ির আরও লোকজন, আমার ছোট পিসিশাশুড়ী (তার কাংস নিন্দিত গলার জন্য বিখ্যাত) "গোতো ও গোতো (গৌতম) শিগগির দরজা খোল বলছি " বলছেন আর ধাক্কা দিচ্ছেন! এরপর জড়ো একে একে সব্বাই। প্রবল ধাক্কাধাক্কি দরজায়!! এবার আমার ও ভয় হলো যদি ও ভেতরেই আছে তো এত ধাক্কায় খুলছে না কেন???(আসলে তখনো তেনার ঘুমের বহর জানতেম না কি না!)

আমি এবার বেরিয়ে এলাম এ ঘর থেকে। দেখি আমাকে দেখেই সবার মুখ এত্তবড়ো হাঁ!!! হাঁকডাক বন্ধ!! "মুখ খোলেন পিসি -- আরে বৌ যে এঘরে ", তাহলে ও ঘরে গোতো একা!! য়্যাঁ!!! ওও হো!! গোতো ঘুমুচ্ছে।।আর সে সময়ই গোতো চোখ ডলতে ডলতে বাইরে বেরিয়ে এলেন ---হ্যাঁ কি হয়েছে!!আমি এত্তবড়ো ঘোমটায় মুখ ঢেকে ফেল্লাম সাথে সাথে!

আসল ব্যাপার হলো সবাই ভেবেছে ফাঁকতালে দুজনে একত্রে দোর দিয়েছি!

ছি! ছি! কি লজ্জা!! আমি কি অমন কাজ করতে পারি --কক্ষোনো????

যাই হোক -" কি ঘুম রে বাবা!!কুম্ভকর্ণ নাকি!!"এইসব বলে লজ্জায় তারাও রণে..... দিলেন।

অন্তত একটি ও মজার মুহূর্ত মনে করিয়ে দেবার জন্যে হিমেল কে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

শুক্রানুর সংখ্যা বাড়াবো কেমনে?

১. খালি পেটে কাঁচা রসুন খেতে শুরু করুন।

২. রাতে হজম করতে পারলে এক গ্লাস করে দুধ খান।

৩. কাঁচা পেয়াজ খান নিয়মিত।

৪. অশ্বগন্ধার বড়ি খেতে পারেন বিভিন্ন কোম্পানির আছে।

৫. প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খান। রেড মিট খেতেই পারেন।

৬. নিয়মিত সকালে উঠে ব্যায়াম করুন। জিমে যান। মাঠে দৌড়ান।

পারলে প্রাণায়াম করুন

তাতে শুক্রাণু বাড়বেই।

ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ ব্যক্তি কে যার সম্পর্কে কেউ জানে না?

সবকিছু বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছিল, চার্লস জফিন অসাধারণভাবে শান্ত ছিলেন।

14 এপ্রিল, 1912-এ যখন আরএমএস টাইটানিক একটি আইসবার্গে আঘাত করেছিল, এমনকি জাহাজের কর্মীরাও আতঙ্কের মধ্যে ছিল। কেউ দায়িত্ব নেওয়ার জন্য প্রথম দিকে উঠেনি। আসলে, বেশিরভাগ স্টাফ যাত্রীদের মতোই উন্মত্তভাবে চারপাশে দৌড়াচ্ছিল।

হেড বেকার ছিলেন এবং উপযুক্তভাবে, তার কাজ ছিলো লাইফবোটে রুটি পাঠানো লোকেরা উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত খাবার পায়।

তিনি তার নিজের না পৌঁছা পর্যন্ত অন্যদের তাদের নৌকায় সাহায্য করে চলতে থাকলেন। কেবল লাফানোর পরিবর্তে, তিনি একদল মহিলা ও শিশুদেরকে জোর করে তাদের জীবন বাঁচান।

বরফের জল জাহাজটি দ্রুত ভরাট করে এবং চার্লস সম্পূর্ণরূপে সচেতন যে তার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা সবচেয়ে কম, তাই তিনি যা করতে পারেন তা করেছিলেন।

সে তার কেবিনে গেল এবং যতটা সম্ভব হুইস্কি খেলো। তার পর, তিনি যাত্রীদের ব্যবহারের চেয়ারগুলি সাগরে ছুঁড়ে ফেলেছিলেন।এবং তারপর সে জাহাজ থেকে ঝাঁপ দিল, জমা জলে।

তিনি আটলান্টিক মহাসাগরে ঘন্টার পর ঘন্টা কাটিয়েছেন।তার শরীরে অ্যালকোহল বয়ে যাওয়া ঠান্ডার সঙ্গে লড়াই করে তাকে বাঁচিয়ে রেখেছিল।

আমি শুধু প্যাডেলিং করছিলাম এবং জল মাড়িয়েছি," তিনি বলেছিলেন।ভোর হওয়ার সাথে সাথে, তিনি একটি লাইফবোট খুঁজে পেলেন এবং এটির দিকে সাঁতরে গেলেন, কেবলমাত্র তার জন্য জায়গা নেই।

ভাগ্যক্রমে, কাছাকাছি আরেকটি নৌকা ছিল এবং সে আরোহণ করতে সক্ষম হয়েছিল। শীঘ্রই তাদের উদ্ধার করা হয়েছিলো।

চার্লস নৌবাহিনীতে যোগদান করেন।এবং78 বছর বয়সে মারা যান,

একজন বিবাহিত মেয়েকে বিছানায় নেয়ার জন্য কিভাবে রাজি করাবো?

ওয়াও!!! আপনাকে টাকা ছাড়াই পুরো প্রসেস বলব ভাইয়া। শুধু বিবাহিত মেয়ে কেন অবিবাহিত মেয়েও রাজি হইবে আপনার সাথে বিছানায় যেতে ।

উত্তরটা লেখা শুরু করেছি রাত ঠিক ৩ টার সময়। আপনি নিশ্চয় ক্লান্তদেহ চিন্তিত মন নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছেন। আর হ্যা, সকালে উঠেই তাড়াতাড়ি বিছানার ব্যবস্থা করতে যে। যেই সেই ধরনের বিছানা হলে তো হবে না ভাই!! কত বড় একটা কাজ করতে যাচ্ছেন তাই স্প্রিং এর খাটের বিছানা আনলে খুবই ভালো হয়। আর বিছানা সাদা রঙের বিছানা চাঁদর, বালিশের কাভার আর তাজা তাজা ফুল দিয়ে সুন্দর করে। তাজা ফুলের গন্ধ তোমার কাজকে আরও সাফল্য করতে সাহায্য করবে।হয়তো মেয়েটি আপনার রুচির উপর খুশি হয়ে যাবে। এবার মনে করুন মেয়েটিকে ঘরে আসলো(ওয়াও) ঘরে শুধু আপনি আর সেই মেয়েটি। এই সুন্দর রুমে মেয়েটিকে নিয়ে নিশ্চয় আপনি কবিতা পড়বেন না? তাই না ভাইয়া!!!

অহহ শিট!! আসল জিনিস বলতে ভুলেই গেছি।মেয়েটিকে বিছানায় আনতে আপনাকে বেশি কিছু করা লাগবে না!!! অবাক হওয়ার কিছুই নাই ভাই, শুধু আপনার মেয়েটিকে বিয়ে করা লাগবে। এছাড়া আর কিচ্ছু লাগবে না

একেবারে সঠিক সময়ে তোলা ছবি ভাগাভাগি করতে পারবেন কি?

পিন্টারেস্ট এ ঘোরাঘুরি করতে গিয়ে ছবি গুলো পাই।

১.এটা কী?🤨

২.আহ!কী তুলতুলে☺

৩.হেইয়াবলি।(নোয়াখালীর ভাষা)

৪.আরে!!!এটা কী করছিস,আমাকে ছাড় বলছি😡😤

৫.ওহ!বড্ড লেগেছে😭

৬.তারাতারি একটা ছবি তোল।সূর্য ডুবে যাবেতো😬

৭.কেমন লাগছে আমাকে,হুমম😼

৮.😰🥶🥶😮

৯.কী সুন্দর ঘ্রাণ😍🌻

১০.একি😮🙀আমি টাইগার হলাম কী করে!!!

১১.বাদাম টা তো অনেক বেয়াদপ🤨😒এই শালা বাদাম মুখে ঢোক😬


Native Banner