Banner 468x60 for

শনিবার, ১ এপ্রিল, ২০২৩

শুক্রানুর সংখ্যা বাড়াবো কেমনে?

১. খালি পেটে কাঁচা রসুন খেতে শুরু করুন।

২. রাতে হজম করতে পারলে এক গ্লাস করে দুধ খান।

৩. কাঁচা পেয়াজ খান নিয়মিত।

৪. অশ্বগন্ধার বড়ি খেতে পারেন বিভিন্ন কোম্পানির আছে।

৫. প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খান। রেড মিট খেতেই পারেন।

৬. নিয়মিত সকালে উঠে ব্যায়াম করুন। জিমে যান। মাঠে দৌড়ান।

পারলে প্রাণায়াম করুন

তাতে শুক্রাণু বাড়বেই।

ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ ব্যক্তি কে যার সম্পর্কে কেউ জানে না?

সবকিছু বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছিল, চার্লস জফিন অসাধারণভাবে শান্ত ছিলেন।

14 এপ্রিল, 1912-এ যখন আরএমএস টাইটানিক একটি আইসবার্গে আঘাত করেছিল, এমনকি জাহাজের কর্মীরাও আতঙ্কের মধ্যে ছিল। কেউ দায়িত্ব নেওয়ার জন্য প্রথম দিকে উঠেনি। আসলে, বেশিরভাগ স্টাফ যাত্রীদের মতোই উন্মত্তভাবে চারপাশে দৌড়াচ্ছিল।

হেড বেকার ছিলেন এবং উপযুক্তভাবে, তার কাজ ছিলো লাইফবোটে রুটি পাঠানো লোকেরা উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত খাবার পায়।

তিনি তার নিজের না পৌঁছা পর্যন্ত অন্যদের তাদের নৌকায় সাহায্য করে চলতে থাকলেন। কেবল লাফানোর পরিবর্তে, তিনি একদল মহিলা ও শিশুদেরকে জোর করে তাদের জীবন বাঁচান।

বরফের জল জাহাজটি দ্রুত ভরাট করে এবং চার্লস সম্পূর্ণরূপে সচেতন যে তার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা সবচেয়ে কম, তাই তিনি যা করতে পারেন তা করেছিলেন।

সে তার কেবিনে গেল এবং যতটা সম্ভব হুইস্কি খেলো। তার পর, তিনি যাত্রীদের ব্যবহারের চেয়ারগুলি সাগরে ছুঁড়ে ফেলেছিলেন।এবং তারপর সে জাহাজ থেকে ঝাঁপ দিল, জমা জলে।

তিনি আটলান্টিক মহাসাগরে ঘন্টার পর ঘন্টা কাটিয়েছেন।তার শরীরে অ্যালকোহল বয়ে যাওয়া ঠান্ডার সঙ্গে লড়াই করে তাকে বাঁচিয়ে রেখেছিল।

আমি শুধু প্যাডেলিং করছিলাম এবং জল মাড়িয়েছি," তিনি বলেছিলেন।ভোর হওয়ার সাথে সাথে, তিনি একটি লাইফবোট খুঁজে পেলেন এবং এটির দিকে সাঁতরে গেলেন, কেবলমাত্র তার জন্য জায়গা নেই।

ভাগ্যক্রমে, কাছাকাছি আরেকটি নৌকা ছিল এবং সে আরোহণ করতে সক্ষম হয়েছিল। শীঘ্রই তাদের উদ্ধার করা হয়েছিলো।

চার্লস নৌবাহিনীতে যোগদান করেন।এবং78 বছর বয়সে মারা যান,

একজন বিবাহিত মেয়েকে বিছানায় নেয়ার জন্য কিভাবে রাজি করাবো?

ওয়াও!!! আপনাকে টাকা ছাড়াই পুরো প্রসেস বলব ভাইয়া। শুধু বিবাহিত মেয়ে কেন অবিবাহিত মেয়েও রাজি হইবে আপনার সাথে বিছানায় যেতে ।

উত্তরটা লেখা শুরু করেছি রাত ঠিক ৩ টার সময়। আপনি নিশ্চয় ক্লান্তদেহ চিন্তিত মন নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছেন। আর হ্যা, সকালে উঠেই তাড়াতাড়ি বিছানার ব্যবস্থা করতে যে। যেই সেই ধরনের বিছানা হলে তো হবে না ভাই!! কত বড় একটা কাজ করতে যাচ্ছেন তাই স্প্রিং এর খাটের বিছানা আনলে খুবই ভালো হয়। আর বিছানা সাদা রঙের বিছানা চাঁদর, বালিশের কাভার আর তাজা তাজা ফুল দিয়ে সুন্দর করে। তাজা ফুলের গন্ধ তোমার কাজকে আরও সাফল্য করতে সাহায্য করবে।হয়তো মেয়েটি আপনার রুচির উপর খুশি হয়ে যাবে। এবার মনে করুন মেয়েটিকে ঘরে আসলো(ওয়াও) ঘরে শুধু আপনি আর সেই মেয়েটি। এই সুন্দর রুমে মেয়েটিকে নিয়ে নিশ্চয় আপনি কবিতা পড়বেন না? তাই না ভাইয়া!!!

অহহ শিট!! আসল জিনিস বলতে ভুলেই গেছি।মেয়েটিকে বিছানায় আনতে আপনাকে বেশি কিছু করা লাগবে না!!! অবাক হওয়ার কিছুই নাই ভাই, শুধু আপনার মেয়েটিকে বিয়ে করা লাগবে। এছাড়া আর কিচ্ছু লাগবে না

একেবারে সঠিক সময়ে তোলা ছবি ভাগাভাগি করতে পারবেন কি?

পিন্টারেস্ট এ ঘোরাঘুরি করতে গিয়ে ছবি গুলো পাই।

১.এটা কী?🤨

২.আহ!কী তুলতুলে☺

৩.হেইয়াবলি।(নোয়াখালীর ভাষা)

৪.আরে!!!এটা কী করছিস,আমাকে ছাড় বলছি😡😤

৫.ওহ!বড্ড লেগেছে😭

৬.তারাতারি একটা ছবি তোল।সূর্য ডুবে যাবেতো😬

৭.কেমন লাগছে আমাকে,হুমম😼

৮.😰🥶🥶😮

৯.কী সুন্দর ঘ্রাণ😍🌻

১০.একি😮🙀আমি টাইগার হলাম কী করে!!!

১১.বাদাম টা তো অনেক বেয়াদপ🤨😒এই শালা বাদাম মুখে ঢোক😬


এক বোতল জলের দাম ৬৫ লক্ষ টাকা। অবিশ্বাস্য মনে হলেও এমনই পানীয় জলের বোতল বাজারে ছেড়েছে আমেরিকার বেভারলি হিল্‌স ড্রিঙ্ক সংস্থা

এক বোতল জলের দাম ৬৫ লক্ষ টাকা। অবিশ্বাস্য মনে হলেও এমনই পানীয় জলের বোতল বাজারে ছেড়েছে আমেরিকার বেভারলি হিল্‌স ড্রিঙ্ক সংস্থা। 

এক বোতল জলের দামই ₹৬৫ লক্ষ! কী এমন বিশেষত্ব?

পানীয় জল অমূল্য। তা বলে এক বোতল জল কিনতে খসবে ৬৫ লক্ষ টাকা! কী কারণে এই জলের বোতলের এমন অবিশ্বাস্য দাম? জানা গিয়েছে, ৫০০০ ফিট উঁচু দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া পাহাড়ের চূড়া থেকে সংগ্রহ করা হয় এই বোতলের জল। সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা তথা সভাপতি জন গ্লাক স্বয়ং দাবি করেছেন, এই জলের স্বাদ 'রেশমের মতো মোলায়েম, মুচমুচে এবং অত্যন্ত হালকা।'

undefined

শুধু কি তাই? বোতলটির নকশা তৈরি করেছেন বিশ্বখ্যাত এক মণিকার। প্রতিটি বোতলে রয়েছে সোনার তৈরি ঢাকনা, যার মধ্যে বসানো হয়েছে ৬০০টি সাদা হিরে ও ২৫০টি কালো হিরে। মোট ১৪ ক্যারাট হিরে ব্যবহার করা হয়েছে বোতলপিছু। Beverly Hills 9OH2O-এর বিশেষ ডায়মন্ড সংস্করণ কিনলে এক বছর ধরে বিনামূল্য়ে পাওয়া যাবে এই পানীয় জল। তবে যাঁরা ৬৫ লক্ষ টাকা খরচ করতে চাইছেন না, তাঁদের জন্য ৫০০ মিলি বোতলবন্দি পানীয় জলের ব্যবস্থা করেছে সংস্থা। এই বোতলের দাম পড়ছে প্রতিটি ১০০ টাকা।


ভয়েজার ১ থেকে তোলা পৃথিবীর একটি ছবি Pale Blue Dot

Pale Blue Dot

ভয়েজার ১ থেকে তোলা পৃথিবীর একটি ছবি, যেটা ১৪ই ফেব্রুয়ারি, ১৯৯০ সালে তোলা হয়। পৃথিবী থেকে ৬ বিলিয়ন কিলোমিটার দূরে। যা পরবর্তীতে Pale Blue Dot নামে পরিচিতি পায় ।

১৯৯০ সাল, ১৪ই ফেব্রুয়ারি। ততদিনে কার্ল সেগান একজন জীবন্ত কিংবদন্তী। ভয়েজার-১ যখন আমাদের সৌরজগত ছেড়ে আরো বাইরে চলে যাচ্ছিলো, তখন সেগান নাসাকে অনুরোধ করলেন, যাতে যাওয়ার আগে পৃথিবীর একটা ছবি তোলা হয় ঐ দূরত্ব থেকে। বিশাল সেই দূরত্ব থেকে ভয়েজার-১ এর তোলা পৃথিবীর ঐ ছবি দেখে Carl Sagan এটার নাম দিয়েছিলেন Pale Blue Dot (আবছা নীল বিন্দু)। আর সাথে তার বিখ্যাত সেই উক্তি Pale Blue Dot Speech:

এই সুবিশাল দূরত্ব থেকে পৃথিবীকে তেমন গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হওয়ার কথা না। কিন্তু আমাদের জন্য ব্যাপারটা একটু আলাদা।

বিন্দুটার দিকে আরেকবার দৃষ্টিপাত করুন। এটা এখানে। এটাই পৃথিবী। আমাদের বাসস্থান। আমরা এটাই। এখানেই ওরা সবাই যাদের আমরা ভালবেসেছি, যাদের আমরা চিনি, যাদের কথা আমরা শুনেছি, তাদের সবাই এখানেই তাদের জীবন কাটিয়েছে। আমাদের সারা জীবনের যত আনন্দ এবং কষ্ট, হাজার হাজার ধর্ম, আদর্শ আর অর্থনৈতিক মতবাদ, যত শিকারী আর লুন্ঠনকারী, যত সাহসী এবং কাপুরুষ, সভ্যতার নির্মাতা আর ধ্বংসকারী, যত রাজা এবং প্রজা, প্রেমে বিভোর সকল তরুণ-তরুণী, সকল বাবা-মা, স্বপ্নে বিভোর শিশু, আবিষ্কারক এবং অনুসন্ধানকারী, সকল নীতিবান শিক্ষক এবং দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদ, যত "সুপারস্টার" যত "উচ্চপদস্থ নেতা", মানব ইতিহাসের সকল সাধু এবং পাপী সবাই তাদের জীবন কাটিয়েছে - সূর্যের আলোয় ভেসে থাকা ধুলোর এই ছোট্ট কণাটিতে।

অসীম এই মহাবিশ্বে খুব ছোট্ট একটা মঞ্চ আমাদের এই পৃথিবী। ভাবুন তো, সেই সীমাহীন হিংস্রতার কথা ছোট্ট এই বিন্দুর আরো ছোট্ট এক প্রান্তের মানুষ যা ঘটিয়েছ অন্য প্রান্ত জয় করবে বলে,কি দ্বন্দ্ব তাদের নিজেদের মাঝে, কতই না অধীর একে অন্যকে হত্যা করার জন্য, কি প্রকট তাদের জিঘাংসা। ভাবুন তো, সেনাপতি আর দিগ্বিজয়ী বীরের দল কত রক্তই না ঝরিয়েছে ক্ষুদ্র এই বিন্দুর ক্ষুদ্র একটা অংশ জয় করে ক্ষণিকের জন্য মহান হবার আশায়।

আমাদের নাক উঁচুভাব, আমাদের কাল্পনিক অহমিকা মহাবিশ্বের মধ্যে আমরাই সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে আছি, সেই বিভ্রম প্রশ্নবিদ্ধ হয় এই ঝাপসা এই নীল আলোর দিকে তাকালে।

আমাদের এই গ্রহ মহাজাগতিক অন্ধকারের মধ্যে নিতান্তই ক্ষুদ্র একটা বিন্দু। আমাদের অজ্ঞানতায়, এই বিশালতায় এমন কোন ইঙ্গিত নেই যে, কেউ আসবে আমাদেরকে নিজেদের হাত থেকে রক্ষা করতে।

আমাদের জানামতে, পৃথিবীই একমাত্র বাসযোগ্য গ্রহ। অন্য কোথাও, অন্তত নিকট ভবিষ্যতে, আমাদের প্রজাতি আস্তানা গাড়তে পারবে না। ভ্রমণ? সম্ভব। বসতি, এখনো নয়।ভালো লাগুক আর নাই লাগুক, এই মুহূর্তে পৃথিবীই আমাদের একমাত্র আশ্রয়।

বলা হয়ে থাকে, জ্যোতির্বিজ্ঞান আমাদের বিনয়ী করে তোলে, চরিত্র গঠনে সাহায্য করে। মানুষের অহংকারকে ধুলিসাৎ করার জন্য দূর থেকে তোলা ছোট্ট পৃথিবীর এই ছবিটার চেয়ে ভালো উদাহরণ আর হয় না। আমার মতে, এটা মনে করিয়ে দেয় কতটা জরুরি পরস্পরের প্রতি আরেকটু সহানুভূতিশীল হওয়া, এই ছোট্ট নীল বিন্দুটাকে সংরক্ষণ করা, উপভোগ করা, আমাদের একমাত্র বাড়ি তো এটাই, তাই না?

বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৩

দলগত বিবাহ কী?

Polyandry culture: A wife with many husbands-



তিব্বতের এক স্ত্রীর তিন ভ্রাতা স্বামীর সাথে জীবন : তিব্বতের রাজধানী লাসা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে তিব্বত মালভূমিতে সমুদ্রতল থেকে ৪৫০০ মিটার উচ্চতায় সাকিয়া নামের গ্রামে ৩০ বছর বয়স্কা মহিলা পেমা তার তিন স্বামী এবং ৫ সন্তানের সাথে বসবাস করেন। তার স্বামীরা তিন ভাইও বটে অর্থাৎ তিন ভাই মিলে একটি মেয়েকে বিবাহ করেছেন।

বড় ভাই অর্থাৎ বড় স্বামী যার বয়স ৩২ বছর গ্রাম্য ডাক্তার হিসাবে কাজ করেন। মেজ স্বামী বয়স ২৭ বছর, মেষপালক যিনি সারাদিন পাহাড়ে মেষ চড়ান। ছোট স্বামীর বয়স ২৫। তিনি লাসা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েশন নিয়ে লাসাতেই চাকরি করেন এবং ছুটি পেলেই পরিবারের সাথে সময় কাটাতে সাকিয়ায় চলে আসেন।

সবচেয়ে ছোট স্বামী সকালবেলা স্ত্রীকে তিব্বতের ঐতিহ্যবাহী বহু স্তর বিশিষ্ট বর্নিল পোশাক পরতে সহায়তা করেন। তারপর তিনি ছেলেমেয়েদের চাইনিজ ভাষা শিক্ষা দেন এবং ফাঁকে ফাঁকে স্ত্রীকে গৃহকর্মে সহায়তা করেন।

পেমা সকালবেলা তিন স্বামী এবং ৫ সন্তানকে নাস্তা পরিবেশন করেন। সকলের খাওয়া শেষ হওয়ার পর তিনি নাস্তা করেন। পেমা পাঁচ সন্তানের দেখাশোনা করেন, রান্নাবান্না গৃহকর্ম করেন, কাপড় বুনেন, পানি সংগ্রহ করেন।

সন্ধ্যা হতেই বাকি দুই স্বামীও নিজ নিজ কাজ সেরে গৃহে ফিরে আসেন। তিন স্বামী মিলে স্ত্রীকে রাতের খাবার তৈরি করতে সহায়তা করেন। সকলে একসাথে বসে ডিনার খান এরপর তারা গৃহে তৈরি বিয়ার পান করেন। বিয়ার পান করতে করতে বড় স্বামী সুন্দর এবং সুখী জীবনের জন্য গান গেয়ে প্রার্থনা করেন।

প্রার্থনা শেষে ছেলেমেয়েদেরকে ঘুমোতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। স্ত্রী তার নিজ কক্ষে চলে যান। একজন স্বামী স্ত্রীর সঙ্গে শুতে যান এবং সেই সময়ে তার জুতো জোড়া ঘরের দরজার সামনে রাখা থাকে যেন ভুলক্রমে অন্যকোন ভাই ঘরে প্রবেশ না করে। " - Tasi Delek, Tibet Vista.

'Nothing is wrong in the nature, only the human and religion say good or bad' - An unknown philosopher.

সকল ভ্রাতা মিলে একটি মেয়েকে বিবাহের কারণ: সমুদ্র সমতল থেকে গড়ে প্রায় ৪৫০০ মিটার উঁচুতে থাকা এভারেস্ট এবং কে২ পর্বতমালা বেষ্টিত তিব্বত মালভূমিতে জীবন খুবই কঠিন। প্রচন্ড ঠান্ডায় আর চরম বৈরী আবহাওয়ায় খাদ্য সংগ্রহ কঠিন, চাষাবাদ বা গৃহনির্মাণের জন্য পরিবারগুলোর খুব সামান্য পরিমাণ জমি থাকে। কোন পরিবারের প্রতিটি ছেলে যদি আলাদা বিয়ে করে তবে গৃহ নির্মাণ এবং খাদ্যের সংস্থান অসম্ভব হবে। তাই টিকে থাকার জন্য হাজার হাজার বছর আগে তিব্বতের সমাজপতিরা পরিবারের সকল ভাই মিলে একটি মেয়েকে বিবাহের প্রথা চালু করেন যেন পারিবারিক সম্পত্তি ভাগ না হয়ে যায় আর জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং পরিবারের সকলেই টিকে থাকতে পারে।

তবে গত শতকের আশির দশকে শুরু হওয়া চীনের এক সন্তান নীতি তিব্বতীদের জন্য অভিশাপ বয়ে এনেছিল কারণ কোন পরিবারের সকল ভাই মিলে একটি মেয়েকে বিয়ে করে এক সন্তান নিলে মাত্র ২/৩ জেনারেশনে তিব্বতীরা পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে।


Native Banner