Banner 468x60 for

শনিবার, ১ এপ্রিল, ২০২৩

নামিবিয়ার আকাশে দৃশ্যমান হোল ধুমকেতু Leonard C/2021 A1 এর অন্তিম ক্ষন ৷

নামিবিয়ার আকাশে দৃশ্যমান হোল ধুমকেতু Leonard C/2021 A1 এর অন্তিম ক্ষন ৷

নামিবিয়ার মেঘশূন্য আকাশ মহাকাশ পর্য্যবেক্ষনের পক্ষে খুবই উপযোগী বিশেষ করে খালি চোখে । ধুমকেতু Leonard C/2021 A1 কে এখান থেকে তার পেরিহেলিয়ন (সূর্যের নিকটতম অবস্থান ) অতিক্রম করার পর দেখা গিয়েছিল জানুয়ারী ৩ , ২০২২ । ঐ সময় ধূমকেতুটি ভেঙ্গে পরছিল ( disintigrate) ৷ ফেব্রুয়ারী ২৩ ,২০২২ তে আবার দেখা যায় যখন ভেঙ্গে পরা সম্পূর্ন হয়েছিল । দৃশ্যটি ছিল এক কথায় অতুলনীয় যা আগে কখনও দেখা যায়নি ৷

বিবাহের ক্ষেত্রে নববধূ হয়ে আপনার সবচেয়ে বিব্রতকর মুহূর্তটি কী ছিল?

বিয়ে আর বৌভাতের মাঝের দিন হলো কালরাত্রি। সেদিন বিকেলের পরে বর বৌ পরস্পরের মুখ দেখা মানা!! বড়োরা পই পই করে বলে দিয়েছেন-একদম যেন মুখ দেখাদেখি না হয়!!

তো বিকেলের পরে আমি একটি ঘরে এককোনায় ঘোমটা দিয়ে জড়োসড়ো হয়ে বসে আছি কারণ বরের নিজের বাড়ি, সে তো যেখানে সেখানে ঘুরে বেড়াবেই। তাছাড়া বরের (পরদিন থেকে আমাদের) ঘরের পাশেই ভিয়েন বসেছে!!

আমার বরের ঘরের পাশে শ্বশুর মহাশয় এর ঘর, সেঘরেই আমি বসে।। হঠাৎই দেখি ছোটো কাকা শ্বশুর আমার বরের নাম ধরে খুব জোরে জোরে ডাকছেন। কিন্তু ভেতর থেকে কেউ সাড়া দিচ্ছে না। আমিও এঘর থেকে বেরিয়ে আসছি না কারণ যদি বর সে মুহূর্তে দরজা খুলে বের হয়ে আসে তো আমার সাথে দেখা দেখি টা হয়ে যেতে পারে!!

এইভাবে একসময় ছোটো কাকাশ্বশুরের সাথে বাড়ির আরও লোকজন, আমার ছোট পিসিশাশুড়ী (তার কাংস নিন্দিত গলার জন্য বিখ্যাত) "গোতো ও গোতো (গৌতম) শিগগির দরজা খোল বলছি " বলছেন আর ধাক্কা দিচ্ছেন! এরপর জড়ো একে একে সব্বাই। প্রবল ধাক্কাধাক্কি দরজায়!! এবার আমার ও ভয় হলো যদি ও ভেতরেই আছে তো এত ধাক্কায় খুলছে না কেন???(আসলে তখনো তেনার ঘুমের বহর জানতেম না কি না!)

আমি এবার বেরিয়ে এলাম এ ঘর থেকে। দেখি আমাকে দেখেই সবার মুখ এত্তবড়ো হাঁ!!! হাঁকডাক বন্ধ!! "মুখ খোলেন পিসি -- আরে বৌ যে এঘরে ", তাহলে ও ঘরে গোতো একা!! য়্যাঁ!!! ওও হো!! গোতো ঘুমুচ্ছে।।আর সে সময়ই গোতো চোখ ডলতে ডলতে বাইরে বেরিয়ে এলেন ---হ্যাঁ কি হয়েছে!!আমি এত্তবড়ো ঘোমটায় মুখ ঢেকে ফেল্লাম সাথে সাথে!

আসল ব্যাপার হলো সবাই ভেবেছে ফাঁকতালে দুজনে একত্রে দোর দিয়েছি!

ছি! ছি! কি লজ্জা!! আমি কি অমন কাজ করতে পারি --কক্ষোনো????

যাই হোক -" কি ঘুম রে বাবা!!কুম্ভকর্ণ নাকি!!"এইসব বলে লজ্জায় তারাও রণে..... দিলেন।

অন্তত একটি ও মজার মুহূর্ত মনে করিয়ে দেবার জন্যে হিমেল কে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

শুক্রানুর সংখ্যা বাড়াবো কেমনে?

১. খালি পেটে কাঁচা রসুন খেতে শুরু করুন।

২. রাতে হজম করতে পারলে এক গ্লাস করে দুধ খান।

৩. কাঁচা পেয়াজ খান নিয়মিত।

৪. অশ্বগন্ধার বড়ি খেতে পারেন বিভিন্ন কোম্পানির আছে।

৫. প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খান। রেড মিট খেতেই পারেন।

৬. নিয়মিত সকালে উঠে ব্যায়াম করুন। জিমে যান। মাঠে দৌড়ান।

পারলে প্রাণায়াম করুন

তাতে শুক্রাণু বাড়বেই।

ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ ব্যক্তি কে যার সম্পর্কে কেউ জানে না?

সবকিছু বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছিল, চার্লস জফিন অসাধারণভাবে শান্ত ছিলেন।

14 এপ্রিল, 1912-এ যখন আরএমএস টাইটানিক একটি আইসবার্গে আঘাত করেছিল, এমনকি জাহাজের কর্মীরাও আতঙ্কের মধ্যে ছিল। কেউ দায়িত্ব নেওয়ার জন্য প্রথম দিকে উঠেনি। আসলে, বেশিরভাগ স্টাফ যাত্রীদের মতোই উন্মত্তভাবে চারপাশে দৌড়াচ্ছিল।

হেড বেকার ছিলেন এবং উপযুক্তভাবে, তার কাজ ছিলো লাইফবোটে রুটি পাঠানো লোকেরা উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত খাবার পায়।

তিনি তার নিজের না পৌঁছা পর্যন্ত অন্যদের তাদের নৌকায় সাহায্য করে চলতে থাকলেন। কেবল লাফানোর পরিবর্তে, তিনি একদল মহিলা ও শিশুদেরকে জোর করে তাদের জীবন বাঁচান।

বরফের জল জাহাজটি দ্রুত ভরাট করে এবং চার্লস সম্পূর্ণরূপে সচেতন যে তার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা সবচেয়ে কম, তাই তিনি যা করতে পারেন তা করেছিলেন।

সে তার কেবিনে গেল এবং যতটা সম্ভব হুইস্কি খেলো। তার পর, তিনি যাত্রীদের ব্যবহারের চেয়ারগুলি সাগরে ছুঁড়ে ফেলেছিলেন।এবং তারপর সে জাহাজ থেকে ঝাঁপ দিল, জমা জলে।

তিনি আটলান্টিক মহাসাগরে ঘন্টার পর ঘন্টা কাটিয়েছেন।তার শরীরে অ্যালকোহল বয়ে যাওয়া ঠান্ডার সঙ্গে লড়াই করে তাকে বাঁচিয়ে রেখেছিল।

আমি শুধু প্যাডেলিং করছিলাম এবং জল মাড়িয়েছি," তিনি বলেছিলেন।ভোর হওয়ার সাথে সাথে, তিনি একটি লাইফবোট খুঁজে পেলেন এবং এটির দিকে সাঁতরে গেলেন, কেবলমাত্র তার জন্য জায়গা নেই।

ভাগ্যক্রমে, কাছাকাছি আরেকটি নৌকা ছিল এবং সে আরোহণ করতে সক্ষম হয়েছিল। শীঘ্রই তাদের উদ্ধার করা হয়েছিলো।

চার্লস নৌবাহিনীতে যোগদান করেন।এবং78 বছর বয়সে মারা যান,

একজন বিবাহিত মেয়েকে বিছানায় নেয়ার জন্য কিভাবে রাজি করাবো?

ওয়াও!!! আপনাকে টাকা ছাড়াই পুরো প্রসেস বলব ভাইয়া। শুধু বিবাহিত মেয়ে কেন অবিবাহিত মেয়েও রাজি হইবে আপনার সাথে বিছানায় যেতে ।

উত্তরটা লেখা শুরু করেছি রাত ঠিক ৩ টার সময়। আপনি নিশ্চয় ক্লান্তদেহ চিন্তিত মন নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছেন। আর হ্যা, সকালে উঠেই তাড়াতাড়ি বিছানার ব্যবস্থা করতে যে। যেই সেই ধরনের বিছানা হলে তো হবে না ভাই!! কত বড় একটা কাজ করতে যাচ্ছেন তাই স্প্রিং এর খাটের বিছানা আনলে খুবই ভালো হয়। আর বিছানা সাদা রঙের বিছানা চাঁদর, বালিশের কাভার আর তাজা তাজা ফুল দিয়ে সুন্দর করে। তাজা ফুলের গন্ধ তোমার কাজকে আরও সাফল্য করতে সাহায্য করবে।হয়তো মেয়েটি আপনার রুচির উপর খুশি হয়ে যাবে। এবার মনে করুন মেয়েটিকে ঘরে আসলো(ওয়াও) ঘরে শুধু আপনি আর সেই মেয়েটি। এই সুন্দর রুমে মেয়েটিকে নিয়ে নিশ্চয় আপনি কবিতা পড়বেন না? তাই না ভাইয়া!!!

অহহ শিট!! আসল জিনিস বলতে ভুলেই গেছি।মেয়েটিকে বিছানায় আনতে আপনাকে বেশি কিছু করা লাগবে না!!! অবাক হওয়ার কিছুই নাই ভাই, শুধু আপনার মেয়েটিকে বিয়ে করা লাগবে। এছাড়া আর কিচ্ছু লাগবে না

একেবারে সঠিক সময়ে তোলা ছবি ভাগাভাগি করতে পারবেন কি?

পিন্টারেস্ট এ ঘোরাঘুরি করতে গিয়ে ছবি গুলো পাই।

১.এটা কী?🤨

২.আহ!কী তুলতুলে☺

৩.হেইয়াবলি।(নোয়াখালীর ভাষা)

৪.আরে!!!এটা কী করছিস,আমাকে ছাড় বলছি😡😤

৫.ওহ!বড্ড লেগেছে😭

৬.তারাতারি একটা ছবি তোল।সূর্য ডুবে যাবেতো😬

৭.কেমন লাগছে আমাকে,হুমম😼

৮.😰🥶🥶😮

৯.কী সুন্দর ঘ্রাণ😍🌻

১০.একি😮🙀আমি টাইগার হলাম কী করে!!!

১১.বাদাম টা তো অনেক বেয়াদপ🤨😒এই শালা বাদাম মুখে ঢোক😬


এক বোতল জলের দাম ৬৫ লক্ষ টাকা। অবিশ্বাস্য মনে হলেও এমনই পানীয় জলের বোতল বাজারে ছেড়েছে আমেরিকার বেভারলি হিল্‌স ড্রিঙ্ক সংস্থা

এক বোতল জলের দাম ৬৫ লক্ষ টাকা। অবিশ্বাস্য মনে হলেও এমনই পানীয় জলের বোতল বাজারে ছেড়েছে আমেরিকার বেভারলি হিল্‌স ড্রিঙ্ক সংস্থা। 

এক বোতল জলের দামই ₹৬৫ লক্ষ! কী এমন বিশেষত্ব?

পানীয় জল অমূল্য। তা বলে এক বোতল জল কিনতে খসবে ৬৫ লক্ষ টাকা! কী কারণে এই জলের বোতলের এমন অবিশ্বাস্য দাম? জানা গিয়েছে, ৫০০০ ফিট উঁচু দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া পাহাড়ের চূড়া থেকে সংগ্রহ করা হয় এই বোতলের জল। সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা তথা সভাপতি জন গ্লাক স্বয়ং দাবি করেছেন, এই জলের স্বাদ 'রেশমের মতো মোলায়েম, মুচমুচে এবং অত্যন্ত হালকা।'

undefined

শুধু কি তাই? বোতলটির নকশা তৈরি করেছেন বিশ্বখ্যাত এক মণিকার। প্রতিটি বোতলে রয়েছে সোনার তৈরি ঢাকনা, যার মধ্যে বসানো হয়েছে ৬০০টি সাদা হিরে ও ২৫০টি কালো হিরে। মোট ১৪ ক্যারাট হিরে ব্যবহার করা হয়েছে বোতলপিছু। Beverly Hills 9OH2O-এর বিশেষ ডায়মন্ড সংস্করণ কিনলে এক বছর ধরে বিনামূল্য়ে পাওয়া যাবে এই পানীয় জল। তবে যাঁরা ৬৫ লক্ষ টাকা খরচ করতে চাইছেন না, তাঁদের জন্য ৫০০ মিলি বোতলবন্দি পানীয় জলের ব্যবস্থা করেছে সংস্থা। এই বোতলের দাম পড়ছে প্রতিটি ১০০ টাকা।


Native Banner