Banner 468x60 for

বৃহস্পতিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১২

অ্যান্ড্রয়েড ফোন ম্যালওয়ারের আখড়া: এফবিআই

অ্যান্ড্রয়েড ফোন ম্যালওয়ারের আখড়া: এফবিআই

মোবাইল ফোনের জন্য তৈরি ম্যালওয়্যারের আখড়া অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের স্মার্টফোনগুলো। স্মার্টফোনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং মোবাইল ম্যালওয়্যারের সংক্রমণ নিয়ে তদন্তের পর এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই। খবর ইয়াহু নিউজ-এর।

এফবিআইয়ের ইন্টারনেট ক্রাইম কন্ট্রোল সেন্টারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফিনফিশার এবং লুজফনের মতো ম্যালওয়্যারগুলোর মূল লক্ষ্যই ছিলো অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন। স্মার্টফোন থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করতে ইন্টারনেটে অপরাধীরা বানিয়েছে বিভিন্ন রকমের ম্যালওয়্যার। কোনোটির কাজ স্মার্টফোন অ্যাড্রেসবুকের তথ্য চুরি করা, আবার কোনোটির কাজ স্মার্টফোনটির নিয়ন্ত্রণ দখল করে নেয়া।

স্মার্টফোনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পাস কোড ব্যবহার এবং বিশ্বস্ত ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে এফবিআই। স্মার্টফোনটিকে সব সময় আপডেট রাখা এবং জেইলব্রেকিং এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে গোয়েন্দা সংস্থাটি।

ডিভাইসটি কেনার আগে রিভিউগুলো পড়ে নেবার কথাও বলেছে এফবিআই। আর কেনার পর ডিভাইস এনক্রিপশন আর অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করাও জরুরি। এ ছাড়াও কোনো অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড বা কেনার সময় সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শও দিয়েছে গোয়েন্দা সংস্থাটি।

দি সুপারসনিক ম্যান: ফেলিক্স বমগার্টনার

দি সুপারসনিক ম্যান: ফেলিক্স বমগার্টনার

ইতিহাসের পাতায় নাম লেখালেন অস্ট্রিয়ান ‘ডেয়ারডেভিল’ ফেলিক্স বমগার্টনার। ১৪ অক্টোবর মাটি থেকে ১ লাখ ২৮ হাজার ১০০ ফিট উপরের একটি স্পেস ক্যাপসুল থেকে পৃথিবীর উদ্দেশ্যে লাফিয়ে পড়েন বমগার্টনার। পতনের গতি ছাড়িয়ে যায় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৮৩৩.৯ মাইল। শব্দের চেয়েও দ্রুতগতিতে পতনের পর প্যারাসুটের সাহায্যে মাটিতে নামেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকোর রসওয়েলে। সবচেয়ে উচ্চতম স্কাইডাইভিংয়ে আগের রেকর্ডটি ভেঙে গড়েন নতুন রেকর্ড। সাউন্ড ব্যারিয়ার ভেঙে ইতিহাসের পাতায় নাম লেখান বিশ্বের প্রথম সুপারসনিক ম্যান হিসেবে। খবর বিবিসির।

ইতিহাস গড়া স্কাইডাইভিংয়ের জন্য বমগার্টনারকে পেরিয়ে আসতে হয়েছে অনেক বাধা বিপত্তি। প্রশিক্ষণ নিয়েছেন দীর্ঘদিন। প্রথমে স্কাইডাইভিংয়ের দিন স্থির করা হয়েছিলো ৮ অক্টোবর। খারাপ আবহাওয়ার কারণে বারবার পিছিয়ে যায় বহু প্রতীক্ষিত দিনটি। শেষে ১৪ অক্টোবর জীবনের ঝুঁকি ভুলে ঝাঁপিয়ে পড়েন মহাশূন্যে। পৃথিবীর মাটিতে পা দিয়ে গড়েন ইতিহাস।

কিন্তু আরেকটু হলেই শেষ মুহুর্তে বমগার্টনারকে বাতিল করতে হতো স্কাইডাইভ। কাজ করছিলো না তার স্পেস স্যুটটির হিটার। ফলে প্রতিবার নিশ্বাস ফেললেই ঘোলা হয়ে যাচ্ছিলো ভাইজরটি।

স্পেস ক্যাপসুল থেকে লাফ দেবার পর বমগার্টনার মাটিতে নেমে আসেন ৯ মিনিট ৩ সেকেন্ডে। একেবারে মাটির কাছাকাছি এসেই খুলে দেন নিজের প্যারাসুট। অবতরণের পর হাঁটু গেড়ে বসে পড়েন মাটিতে, হাত দুটো আকাশ পানে ছুঁড়ে করেন বিজয় উল্লাস। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে অভিনন্দন জানাতে সেখানে পৌঁছে যায় রিকভারি হেলিকপ্টার।


এর পরপরই এক প্রেস কনফারেন্সে নিজের অনুভূতি জানিয়ে বমগার্টনার বলেন, ‘আমি যখন পৃথিবীর উপরে স্পেস ক্যাপসুলটিতে দাঁড়িয়ে ছিলাম, নিজেকে অনেক ক্ষুদ্র মনে হচ্ছিলো তখন। ভুলে গিয়েছিলাম বিশ্ব রেকর্ড ভাঙার কথা। কেবল জীবন্ত পৃথিবীর বুকে ফিরে আসার কথাই ভাবছিলাম বারবার।’
শুরুতেই নিজের রেড বুল স্ট্র্যাটোস টিমের সদস্য আর দর্শক, সাংবাদিকদের দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছিলেন বমগার্টনার। পতনের শুরুতে মাথা নিচে, দু’ হাত ছড়িয়ে দিয়ে তার থাকার কথা ছিলো ডেল্টা পজিশনে। কিন্তু লাফিয়ে পড়ার পরই বায়ুমণ্ডলে বারবার ঘুরপাক খাচ্ছিলেন বমগার্টনার। শেষপর্যন্ত দীর্ঘদিনের বেইজ জাম্পিং এবং স্কাইডাইভিংয়ের অভিজ্ঞতাই তাকে বাঁচিয়ে দেয় মৃত্যুর হাত থেকে। নিয়ন্ত্রণ ফিরে পান নিজের ওপর। ফিরে আসেন ডেল্টা পজিশনে।

কিন্তু নাটকীয়তার শুরু আরো আগেই। মিশন শুরু হবার আগেই একদম শেষ মুহূর্তের ইকুইপমেন্ট চেকে ধরা পড়ে, নষ্ট হয়ে গেছে বমগার্টনারের স্পেস স্যুটের হিটারটি। ফলে বমগার্টনার শ্বাস ফেললেই ঘোলা হয়ে যাচ্ছিলো তার ভাইজরটি। ছোট ত্রুটি মনে হলেও, ওই নষ্ট হিটারটির জন্য তার মৃত্যু হতে পারতো।


তবুও আর পিছপা হতে রাজি ছিলেন না বমগার্টনার। ঘোলাটে দৃষ্টিসীমার কারণে আছড়ে পড়তে পারতেন পৃথিবীতে। পুরো দলের সঙ্গে আলোচনা করে মিশন চালিয়ে যাবার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

ফেলিক্সের প্রশিক্ষণের দায়িত্বে ছিলেন আরেক কিংবদন্তী মার্কিন এয়ারফোর্স কর্ণেল জো কিটেনগার। বিশ্বের উচ্চতম স্কাইডাইভিংয়ের রেকর্ডটির মালিক এতোদিন ছিলেন কিটেনগার। সেই রেকর্ডের পাঁচ দশক পর নতুন রেকর্ড গড়ে যেন গুরুর নাম রাখলেন শিষ্য ফেলিক্স।

শুরু থেকেই ফেলিক্সের সঙ্গে ছিলেন কিটেনগার। যখনই হতাশ হয়ে পড়েছেন বমগার্টনার, নিজের দক্ষতাকে  প্রশ্ন করেছেন, তখনই উৎসাহ জুগিয়েছেন কিটেনগার। দিয়েছেন সাহস ও অনুপ্রেরণা। ফেলিক্স মাটিতে অবতরণ করার পর জ্যেষ্ঠ এই কিংবদন্তী বলেন, ‘ফেলিক্স খুবই সাহসিকতার সঙ্গে কাজটি করেছে। ওর সঙ্গে কাজ করতে পেরে আমি গর্বিত।’


২০০৫ সালে প্রথম এই স্কাইডাইভিংয়ের কথা মাথায় আসে বমগার্টনারের। এরপর অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে অসম্ভবকে সম্ভব করেন তিনি। ১৪ অক্টোবর নিউ মেক্সিকোর আকাশে বাতাসের চাপ ছিলো মাত্র ২ শতাংশ। বমগার্টনারকে মহাকাশে পৌঁছে দিতে নভোচারীদের স্পেস ক্যাপসুলের ডিজাইন অনুকরণ করে বানানো হয়েছিলো একটি বিশেষ ক্যাপসুল। হিলিয়াম বেলুন ক্যাপসুলটিকে উড়িয়ে নিয়ে যায় মাটি থেকে প্রায় ২৪ মাইল উপরে। স্পেস স্যুটটিও বানানো হয়  নভোচারীদের স্পেস স্যুটের আদলে।

বমগার্টনারের এই ইতিহাস গড়া স্কাইডাইভিংয়ের বৈজ্ঞানিক গুরুত্বও কিন্তু কম নয়। দ্রুতগতিতে মহাকাশ থেকে পতন সম্পর্কে নানা তথ্য পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা, যা কাজে আসবে ভবিষ্যৎ স্পেস মিশনে। মিশনে বমগার্টনারকে নানাভাবে সহযোগিতা করেছিলো নাসাও।

বমগার্টনারের মিশনটি নিয়ে বিবিসি এবং ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক বানাচ্ছে একটি ডকুমেন্টারি ফিল্ম। নভেম্বর মাসে দেখানো হতে পারে ডকুমেন্টারিটি।

'আয়রন ম্যান' স্যুট বানাচ্ছে নাসা!

আয়রন ম্যান' স্যুট বানাচ্ছে নাসা!

সাই-ফাই কমিকস আর হলিউডি সিনেমা ছেড়ে আয়রন ম্যান বা ওয়ারমেশিনের মতো এক্সোস্কেলিটন মোবাইল স্যুট এবার বুঝি বাস্তব দুনিয়াতে চলে এলো। মহাকাশের ভরশূন্য অবস্থায় নভোচারীদের চলাফেলায় সুবিধা করে দিতে নাসা বানিয়েছে রোবোটিক এক্সোস্কেলিটন ‘এক্স ওয়ান’। শুধু মহাকাশেই নয়, পৃথিবীর বুকেও পঙ্গুত্বের শিকার ব্যক্তিদের হাঁটার ক্ষমতা ফিরিয়ে দিতে পারে মোবাইল স্যুটটি। খবর ম্যাশএবল-এর।

এক বিবৃতিতে নাসা জানিয়েছে, মহাকাশে ভরশূন্য অবস্থায় নভোচারীদের হাঁটতে সাহায্য করবে ৫৭ পাউন্ড ওজনের এক্স ওয়ান। এছাড়াও মেরুদণ্ডে আঘাতের কারণে পঙ্গুত্বের শিকার ব্যক্তিদের হাঁটতেও সাহায্য করবে রোবোটিক এক্সোস্কেলিটনটি।

এখনও পরীক্ষামূলক অবস্থায় রয়েছে এক্স ওয়ান। লম্বা সময় স্পেস স্টেশনে কাটানোর সময় বা ভবিষ্যত মার্স মিশনে নভোচারীদের সাহায্য করতে এক্স ওয়ান কতোটা ভূমিকা রাখতে পারবে, সে ব্যাপারটি ক্ষতিয়ে দেখছেন নাসার বিজ্ঞানীরা।

এক্স ওয়ান তৈরিতে নাসা জোট বেঁধেছিলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা ইনস্টিটিউট ফর হিউম্যান অ্যান্ড মেশিন কগনিশন এবং ওশেনিয়ারিং স্পেস সিস্টেমের প্রকৌশলীদের সঙ্গে। এখনো পরীক্ষামূলক পর্যায়ে থাকলেও, নাসার বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, নভোচারীদের ভরশূন্য অবস্থায় চলাচল করতে এবং এক্সসারসাইজ ডিভাইস হিসেবে কাজ করবে রোবট এক্সোস্কেলেটন এক্স ওয়ান।

ভিডিও লিঙ্ক:
http://mashable.com/2012/10/14/nasa-exoskeleton-suit

৬০০ কোটি ছাড়ালো মোবাইল সিম সংখ্যা

৬০০ কোটি ছাড়ালো মোবাইল সিম সংখ্যা

পুরো পৃথিবীর মানুষের সংখ্যার প্রায় সমান এখন অ্যাকটিভ মোবাইল সংখ্যা। জাতিসংঘের টেলিকম এজেন্সি ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ)-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০১১ সালের শেষ দিক পর্যন্ত পুরো পৃথিবীতে অ্যাকটিভ মোবাইল ডিভাইসের সংখ্যা ৬০০ কোটি। খবর বিবিসির।

বিশ্বের ১৫৫টি দেশের টেলিকমিউনিকেশন ব্যবস্থার ওপর গবেষণা চালিয়ে ‘মেজারিং দি ইনফরমেশন সোসাইটি ২০১২’ নামে প্রতিবেদনটি তৈরি করে আইটিইউ। আইটিইউ-এর হেড অফ ডেটা ডিভিশন সুসান টেলশার এ ব্যাপারে বলেন, ‘আমরা সিমকার্ডের সংখ্যা গুনেছি; ব্যবহারকারী বা ডিভাইস নয়। তাই একজন ব্যক্তির যদি ডুয়াল সিম ব্যবহারযোগ্য মোবাইলে দু’টি সিম কার্ড থাকে তবে আমরা দু’টি সাবস্ক্রিপশন হিসেব করেছি।’

সুসান আরো জানান, আইটিইউ-এর প্রতিবেদনে যোগ করা হয়নি ট্যাবলেট পিসি এবং ল্যাপটপ ও ডেস্কটপ কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করা সিমগুলোর সংখ্যা।

ওই প্রতিবেদনে আইটিইউ আরো জানিয়েছে, উন্নত দেশগুলোতে শতকরা ৭০ ভাগ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করলেও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এই হার মাত্র ২৪ শতাংশ। শুধু তাই নয়, ফিক্সড ব্রডব্যান্ড লাইনের তুলনায় মোবাইল ব্রডব্যান্ড সার্ভিসের সংখ্যা দ্বিগুণ।

আইটিইউ-এর টেলিকমিউনিকেশন ব্যুরোর পরিচালক ব্রাহিমা সানোউ বলেন, ‘উন্নয়নশীল দেশগুলোতে মোবাইল ব্রডব্যান্ড সার্ভিসের সংখ্যা বাড়ায় নতুন অনেক ব্যবহারকারীর কাছেই পৌঁছে গেছে ইন্টারনেট সুবিধা। তবে ব্যবহার বাড়লেও উন্নয়নশীল অনেক দেশেই মোবাইল ও ইন্টারনেটের দাম তুলনামূলকভাবে বেশি।’

১৪ অক্টোবর দুবাইয়ে ‘আইটিইউ টেলিকমিউনিকেশন ওয়ার্ল্ড ২০১২’ ইভেন্টে একত্রিত হবে টেলিকমিউনিকেশন শিল্পের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো। কনফারেন্সে থাকবেন প্রায় তিনশ’ বিশ্বনেতা। এছাড়া সিসকো, ভেরাইজন, ক্যাসপারস্কি ল্যাব, হুয়াউই, কোয়ালকম এবং এরিকসনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরাও থাকবেন।


সুর বদলে গান গাইতে পারে ইঁদুর!

সুর বদলে গান গাইতে পারে ইঁদুর!


কেবল চিঁ-চিঁ আওয়াজ করেই ক্ষান্ত হয়না ইঁদুররা। আল্ট্রাসনিক সুরে গাইতে পারে গান। এমনকি নিজের গলার সুরও বদলে ফেলতে পারে ওরা। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় ইঁদুরদের এই গানের প্রতিভা আবিষ্কার করেছেন নিউরোবায়োলজিস্টরা। খবর লাইভসায়েন্স-এর।


নতুন নতুন সুর শিখতে পারে, মানুষ ছাড়া প্রাণীজগতে এমন প্রাণীর সংখ্যা হাতে গোনা। এতোদিন কেবল ডলফিন এবং তোতা পাখির মতো কিছু গায়ক পাখির নতুন সুর শিখতে পারার ক্ষমতার কথা জানা ছিলো বিজ্ঞানীদের। কিন্তু ইঁদুরদের মধ্যেও একই প্রতিভা আবিষ্কার করে বেশ অবাক হয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

লাইভসায়েন্সকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ডিউক ইউনিভার্সিটির নিউরোবায়োলজিস্ট ড. এরিক জারভিস বলেন, ‘ইঁদুরদের মধ্যে গলার আওয়াজ আওয়াজ ব্যবহার করে যোগাযোগ স্থাপনের উপায়টি আমরা যতোটা আদিম ভেবেছিলাম, আদতে তা নয়। বরং মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থার সঙ্গে অনেক মিল রয়েছে ওদের।’

ইঁদুরদের এই গানের প্রতিভা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে নানা পরীক্ষা চালান বিজ্ঞানীরা। প্রথমে তারা কয়েকটি ইঁদুরের কণ্ঠনালীর মাংশপেশী নিয়ন্ত্রণকারী মস্তিষ্কের মোটর কন্ট্রোল সিস্টেমটি নষ্ট করে দেন। তারপর তারা দেখেন, আগের মতো আর গান গাইতে পারছে না ইঁদুরগুলো।

এরপর তারা দু’টি সুস্থ পুরুষ ইঁদুরকে মেয়ে ইঁদুরদের সঙ্গে একই খাঁচায় রাখেন। মেয়ে ইঁদুরদের আকৃষ্ট করতে পুরুষ ইঁদুরদের গান গাবার স্বভাব বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছিলেন আগেই। শুরুতে পুরুষ ইঁদুর দু’টির গলার স্বর ছিলো পুরো আলাদা। কিন্তু আট সপ্তাহ পর বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেন, গলার সুর বদলে পুরুষ ইঁদুর দু’টি একই সুরে গলা মিলিয়ে গান গাইছে!

ড. জারভিস এ ঘটনার ব্যাখ্যা দেন এভাবে, ‘এক কথায় বলতে গেলে, ইঁদুর দু’টি নিজেদের গলার স্বর বদলে ফেলেছে যাতে মেয়েদের কাছে ওদের দু’জনের গলা একই শোনায়।’

ভবিষ্যতে ইঁদুরদের গানের প্রতিভার সঙ্গে জড়িত জিনগুলো নিয়ে গবেষণা করতে চান ড. জারভিস।

স্যামসাং আনছে গ্যালাক্সি এসথ্রি মিনি

স্যামসাং আনছে গ্যালাক্সি এসথ্রি মিনি

গ্যালাক্সি এসথ্রি ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনের মিনি ভার্সন বাজারে আনছে স্যামসাং। খবর গার্ডিয়ান-এর।

অ্যাপলের আইফোন ফাইভের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় স্যামসাং নিয়ে আসছে গ্যালাক্সি এসথ্রি মিনি। বৃহস্পতিবার ডিভাইসটি ইউরোপের বাজারে ছাড়বে বলে জানিয়েছে স্যামসাং।

দক্ষিণ কোরিয়ায় স্যামসাংয়ের হেডকোয়ার্টারে অনুষ্ঠিত প্রেস কনফারেন্সে স্যামসাং একথা জানায়। নতুন ডিভাইসটির বাজার সম্ভাবনার কথা বলেন কোম্পানির হেড অফ মোবাইল কমিউনিকেশন জেকে শিন। তিনি বলেন, ‘ইউরোপের বাজারে চার ইঞ্চি স্ক্রিনের স্মার্টফোনের চাহিদা অনেক। বাজার চাহিদার প্রেক্ষিতে গ্যালাক্সি এসথ্রি মিনি ডিভাইস আনা হচ্ছে। অনেকে একে এন্ট্রি লেভেলের ডিভাইস নামেও চেনেন। আমরা একে বলছি গ্যালাক্সি এসথ্রি মিনি ডিভাইস।’

স্মার্টফোনের সবধরনের ডিভাইসের বাজার ধরতে এ পদক্ষেপ নিয়েছে স্যামসাং। গত মাসে অ্যাপল আইফোন ফাইভ বাজারে ছাড়ে। তারই প্রেক্ষিতে স্যামসাং মে মাসে বাজারে নিয়ে আসা গ্যালাক্সি এসথ্রি ৪.৮ ইঞ্চি স্ক্রিনের ডিভাইসের মিনি ভার্সন বাজারে ছাড়বে বলে জানিয়েছে।

নোকিয়ার লুমিয়া সিরিজের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় স্যামসাং মাইক্রোসফটের নতুন উইন্ডোজ ফোন ৮ সিস্টেমচালিত কয়েকটি ডিভাইস বাজারে ছাড়ছে। তার মধ্যে আছে ট্যাবলেট গ্যালাক্সি নোট টু।



বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

বৃহস্পতিবার, ১১ অক্টোবর, ২০১২

৩ লাখ ৭৫ হাজার রুপী নিয়ে চম্পট বিয়ের কনে!

৩ লাখ ৭৫ হাজার রূপী নিয়ে ভেগে গেছে বিয়ের কনে। প্রায় ৫০ জন বরযাত্রী ঘটনাস্থলে গিয়ে কনের আর কোনো হদিস পায়নি।

ভারতের রাজস্থানে জয়পুর থেকে ৫৫০ কিলোমিটার দূরের বারমার শহরে এ ঘটনা ঘটে। বিয়ে ঠিক করতে বরপক্ষের কাছ থেকে ওই রূপী নিয়েছিল দুই ঘটক বীর সিং ও জেথা রাম।

২৮ অগাস্টে জোধপুরের হিরাদেসার গ্রামের বাসিন্দা অর্জুনরাম ৫০ জন বরযাত্রী নিয়ে বারমারে বিয়ে করতে ওই কনের বাড়িতে গিয়ে দেখে দরজায় তালা ঝুলছে। কনে এমনকি তার পরিবারশুদ্ধ লাপাত্তা।

সারারাত অপেক্ষা করেও কারো দেখা না পেয়ে পরে সবাই বুঝতে পারে যে তারা প্রতারণার শিকার হয়েছে।

দুই ঘটকের একজনকে সোমবার গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বারমারে এখনো অবস্থান করছে অর্জুনরামসহ কয়েকজন গ্রামবাসী।

প্রাথমিক তদন্তে ওই কনে ও দুই ঘটক বিয়ের নামে প্রতারণাকারী একটি চক্রের সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এমএফ/এলকিউ/২১১৪ঘ.

Native Banner