Banner 468x60 for

বুধবার, ২৪ এপ্রিল, ২০১৩

এল 'যান্ত্রিক হাত' অ্যাপ


এল 'যান্ত্রিক হাত' অ্যাপ

প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘ডেভেলপার টাচ বায়োনিকস’ এনেছে যান্ত্রিক হাতের এক অভিনব অ্যাপ্লিকেশন। বিজ্ঞানবিষয়ক সাইট নিউসায়েন্টিস্ট এক প্রতিবেদনে জানায়, কৃত্রিম হাত ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছে বিশেষ এ অ্যাপ্লিকেশনটি।

সাইটটির সূত্রে আরও জানা যায়, যান্ত্রিক এ হাত ব্যবহারকারীর পেশির সংকেতে নিয়ন্ত্রিত হবে। তবে সে জন্য প্রয়োজন হবে স্মার্টফোন অ্যাপ্লিকেশনের। নতুন নির্মিত যান্ত্রিক এ হাতটি কাজ করতে পারবে ২৪টি ভিন্ন ক্ষেত্রে। এছাড়াও অতি সংবেদনশীল এ যন্ত্র ব্যবহারকারীর কাজকে করে তুলতে পারবে আরও উন্নত এবং দক্ষতাসম্পন্ন।

অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহারকারীর কাজের প্রক্রিয়া করে তুলবে আরও স্বস্তিকর। অ্যাপটির সাহায্যে মাউস দিয়ে বিভিন্ন ডকুমেন্ট নিয়ন্ত্রণ, টাইপিং ইত্যাদি জটিল প্রক্রিয়া হয়ে যাবে অনেকটাই সহজ। নতুন ব্যবহারকারীর জন্য অ্যাপ্লিকেশনটিতে থাকছে প্রশিক্ষণ সুবিধা। এর ফলে সহজেই ব্যবহারের নিয়মগুলো শিখে নিতে পারবেন ব্যবহারকারী।

স্বামী-স্ত্রীর পছন্দে অমিল


স্বামী-স্ত্রীর পছন্দে অমিল

1 / 2
একসঙ্গে থাকতে গেলে অনেক পছন্দের বিষয় বিসর্জন দিতে হয়। তেমনি অন্যের পছন্দের বিষয়ের উপর দিতে হয় গুরুত্ব। বাবা-মা, ভাই-বোনের সঙ্গে অনেক সময় জেদ করে নিজের পছন্দটা চাপিয়ে দিতে পারলেও স্বামী বা স্ত্রী’র ক্ষেত্রে পছন্দ-অপছন্দের বিষয়ে দিতে হবে সম্মান। এসব নিয়েই পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মেহতাব খানম।

 183
 6
 13      Print Friendly and PDF
একটি ঘটনা দিয়ে শুরু করা যাক। সুপ্তি আর অর্ণবের সংসারে সারাক্ষণই ঝগড়া লেগে থাকে। ছোটখাটো বিষয় হলেও ঝগড়ার মূল কারণ তাদের পছন্দের অমিল। একসঙ্গে টিভি দেখতে বসে দুজনই ঠিক করলেন আজকের রাতের খাবারটা তারা বাইরে করবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বাইরে খাওয়াতো হলই না, উল্টো তাদের মধ্যে কথা বন্ধ হয়ে গেল। কারণ অর্ণব চায়নিজ খাবার খেতে চান আর সুপ্তি চান বাঙালি খাবার।
শুধু খাওয়া নিয়েই নয়, পোশাক, বই, গান, বেড়াতে যাওয়ার জায়গা সব ব্যাপারেই তাদের পছন্দ সম্পূর্ণ আলাদা। ইদানীং একসঙ্গে তারা কিছু করতে গেলেই নিজের পছন্দ অন্যের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। সেখান থেকে শুরু হয় মনোমলিন্য। পরিবারের অন্য সদস্যদের আশঙ্কা, পছন্দের এই অমিল তাদের সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।কীভাবে এ সমস্যা থেকে নিজেদের বের করে আনা যায়, সমস্যার সমাধান করতে পারছেন না দুজনেই।
অনেক স্বামী-স্ত্রীর দাম্পত্য জীবনে পছন্দের অমিল বিষয়টা সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। স্ত্রী বা স্বামী হিসেবে একজন আশা করতেই পারেন যে, দুজনেই কিছু ভাল সময় কাটাবেন। পছন্দের ফারাকের কারণে যখন সে আশা পূর্ণ হয় না, তখনই স্বামী-স্ত্রী সম্পর্কে সমস্যা তৈরি হয়। একে অন্যকে একটু বোঝার চেষ্টা করলে এ সমস্যা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।
* স্বামী বা স্ত্রী যখন তার পছন্দের সংগীত, বই বা সিনেমা নিয়ে সময় কাটাবেন, তখন তাকে সঙ্গ দিন। সেক্ষেত্রে তার পছন্দের সংগীত, বই বা সিনেমা আপনার পছন্দের কি না সে ব্যাপারটি অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্ব দিন।
* কিছু জিনিস আপনার একান্ত পছন্দের। তবে আপনার স্বামী বা স্ত্রী সেটা এড়িয়ে যেতে চান। এমন কিছু জিনিস আছে যা আপনার সঙ্গীর পছন্দের, আপনার অপছন্দ। আবার এমন কিছু নিশ্চয়ই আছে যা আপনাদের দুজনেরই পছন্দ, অথচ আপনারা সেটার খোঁজও রাখেন না। এমন নতুন কিছু খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন দুজনেই।
* দুজনের পছন্দ আলাদা হলে তা প্রতিদিনের কাজে কিছু সমস্যা তৈরি করতে পারে। তারমানে আপনারা পরস্পরের সঙ্গে থাকতে পারবেন না, এমন আশঙ্কার কোনোই কারণ নেই।প্রতিদিন টুকটাক ঝামেলা থেকেই আপনাদের মধ্যে যাতে বড় কোনো ভুল বোঝাবুঝি না হয়, সেদিকে লক্ষ রাখুন।
মনে রাখুন
* আপনাদের সম্পর্ক সুন্দর করে তোলার জন্য নিজের পছন্দের বিষয়গুলো চাপিয়ে বা দমিয়ে রাখবেন না।বরং আপনার ভাললাগার জিনিসগুলো উপভোগ করুন।পাশাপাশি সঙ্গীর সঙ্গে তার ভাললাগাগুলোও সম্মান দিন।
* কী কারণে আপনাদের দুজনের পছন্দ একরকম হল না, তা নিয়ে ঝগড়া করে সুন্দর সময় নষ্ট করার কোনো মানে হয়না।
* নিজের স্বামী বা স্ত্রী ছাড়া অন্য কারও সঙ্গে আপনার পছন্দ মিলতেই পারে।তাই বলে তার সঙ্গে আপনার স্বামীর বা স্ত্রীর তুলনা করবেন না।এতে আপনাদের সম্পর্কে বড় ধরনের সমস্যার সূত্রপাত হতে পারে।
ছবি: রিফাত
মডেল: অ্যানিন ও তারেক

মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৩

ডিডিওএস আক্রমণের শিকার রেডিট


ডিডিওএস আক্রমণের শিকার রেডিট

ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়াল অফ সার্ভিস (ডিডিওএস) আক্রমণের শিকার হচ্ছে ‘সোশ্যাল নিউজ’ এবং বিনোদন বিষয়ক ওয়েবসাইট রেডিট। প্রযুক্তি সংবাদবিষয়ক সাইট ম্যাশএবল জানিয়েছে, সাইবার আক্রমণের খবর নিজস্ব টুইটার অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে নিশ্চিত করেছে রেডিট কর্তৃপক্ষ।

বস্টন ম্যারাথনে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় সন্দেহভাজনদের ধরতে অভিযান চলছে, শুক্রবার রেডিটে এমন একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পর সাইটটির ওপর শুরু হয় ডিডিওএস আক্রমণ।

সাইবার আক্রমণের জন্য দায়ী ব্যক্তিকে ইতোমধ্যেই চিহ্নিত করার দাবি করলেও এ ব্যাপারে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেয়নি রেডিট কর্তৃপক্ষ। এদিকে ওই ঘটনাকে তার দেখা সবচেয়ে বড় সাইবার আক্রমণ বলে ম্যাশএবলকে জানিয়েছে রেডিটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক গোপন সূত্র।

সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, রেডিটের সাইটটি চালু থাকলেও ডিডিওএস আক্রমণের কারণে এখনো বন্ধ আছে সাইটটির বেশকিছু সেবা।

মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রিত কম্পিউটার বানাচ্ছে স্যামসাং


মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রিত কম্পিউটার বানাচ্ছে স্যামসাং

সরাসরি মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রিত বা ‘ব্রেইন কন্ট্রোলড’ ট্যাবলেট কম্পিউটার বানাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ার ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট স্যামসাং। প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট ম্যাশএবল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রিত ট্যাবলেট বানাতে ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাসের ইঞ্জিনিয়ারিং প্রফেসর রোজবেহ জাফারির সঙ্গে জুটি বেঁধেছে প্রতিষ্ঠানটি।

মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রিত ট্যাবলেট নিয়ে গবেষণা অনেকটা এগিয়ে গেলেও এখনও পণ্যটিকে বাজারজাতকরণের উপযোগী করতে পারেনি স্যামসাং। অন্যদিকে টেকনোলজি রিভিউ জানিয়েছে, মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রিত ট্যাবলেটটিতে থাকবে একটি বিশেষ টুপি। টুপিটিতে থাকবে ইইজি মনিটরিং ইলেকট্রোড যা মস্তিষ্কের সংকেত পর্যবেক্ষণ করবে। এই প্রযুক্তিতে ট্যাবলেট স্ক্রিনের আইকনের দিকে তাকিয়ে থেকেই অ্যাপটি চালু করতে সফল হয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

ইইজি ইলেকট্রোডগুলোকে আরও সহজে ব্যবহারযোগ্য করার জন্য কাজ করছেন বলেও জানিয়েছেন প্রফেসর জাফারি। স্যামসাং ও প্রফেসর জাফারি ব্রেইন কন্ট্রোলড ট্যাবলেট বানাতে সফল হলে প্রযুক্তির ইতিহাসে সূচনা হতে পারে নতুন এক যুগের। এই ডিভাইসটি সবচেয়ে বেশি কাজে আসতে পারে শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধীদের। স্যামসাংয়ের ব্রেইন কন্ট্রোলড ট্যাবলেটের বদৌলতে প্রযুক্তিজগতের স্বাদ নেওয়ার সুযোগ পাবেন তারা।


বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

ব্যাটারি নির্মাণে এল যুগান্তকারী সাফল্য


ব্যাটারি নির্মাণে এল যুগান্তকারী সাফল্য

ব্যাটারি নির্মাণে যুগান্তকারী সাফল্য অর্জন করেছেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা। ইউনিভার্সিটি অফ ইলিনয়ের বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন এমন এক নতুন প্রযুক্তি, যাতে লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির বিদ্যুৎ শক্তি ধারণক্ষমতা বাড়বে ৩০ গুণ, চার্জ হবে সাধারণ ব্যাটারির তুলনায় এক হাজার গুণ দ্রুতগতিতে।

ব্যাটারি নির্মাণে যুগান্তকারী এই সাফল্যে নেতৃত্ব দেন ইউনিভার্সিটি অফ ইলিনয়ের প্রফেসর উইলিয়াম কিং। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কিং জানান, ‘অন্যান্য প্রযুক্তির তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে আছে ব্যাটারি নির্মাণ প্রযুক্তি।’

কিন্তু তার আবিষ্কৃত প্রযুক্তিটি দৃশ্যপট পাল্টে দিতে পারবে বলে দাবি করেছেন ওই বিজ্ঞানী।

কিং আরও জানিয়েছেন, নতুন আবিষ্কৃত প্রযুক্তিতে তৈরি ব্যাটারিগুলো এত শক্তিশালী হবে যে, স্মার্টফোনের ব্যাটারি দিয়েই গাড়ির ইঞ্জিন জাম্পস্টার্ট করা যাবে। লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির এই উচ্চক্ষমতা অর্জনে ব্যাটারির মূল উপাদান অ্যানোড এবং ক্যাথোডে অত্যন্ত ক্ষুদ্র সংস্করণ তৈরি করেন বিজ্ঞানীরা। এরপর থ্রি-ডি মাইক্রোস্ট্রাকচারে অ্যানোড ও ক্যাথোডগুলোকে সাজান বিজ্ঞানীরা। ফলাফল, ছোট ব্যাটারিতেই দানবীয় শক্তি। সাধারণ ব্যাটারির তুলনায় ৩০ গুণ শক্তিধারণের ক্ষমতা রয়েছে ব্যাটারিগুলোর, চার্জ হয় সাধারণ ব্যাটারির তুলনায় এক হাজার গুণ দ্রুত।

বিজ্ঞানীদের বর্তমান লক্ষ্য হচ্ছে, এই প্রযুক্তিকে সাধারণ ব্যবহারকারীদের হাতের নাগালে নিয়ে আসা। দু-এক বছরের মধ্যেই এই প্রযুক্তিতে তৈরি ব্যাটারিগুলো ব্যাপক বাজারজাতকরণ সম্ভব বলে মনে করেন আবিষ্কারক।

দ্রততম ইলেকট্রিক স্পোর্টস কার 'এসপি: ০১'


দ্রততম ইলেকট্রিক স্পোর্টস কার 'এসপি: ০১'

চীনের ‘সাংহাই অটো শো’তে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রতগতির ইলেকট্রিক স্পোর্টস কার এসপি:০১ দেখিয়েছে মার্কিন প্রতিষ্ঠান ডেট্রয়েট ইলেকট্রিক। প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট গিজম্যাগ জানিয়েছে, বিদ্যুৎ চালিত গাড়িটির সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২৪৯ কিলোমিটার। মাত্র ৩.৭ সেকেন্ডেই শূন্য থেকে ১০০ কিলোমিটারে পৌঁছে যায় এসপি:০১-এর গতি।

বলা হয়েছে, এই গাড়িটি বিদ্যুতে চলার কারণে গতি বাড়ানোর সময় বারবার গিয়ার পাল্টানোর ঝামেলার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে না চালককে। ডেট্রয়েট ইলেকট্রিক জানিয়েছে, গাড়িটির ৩৭ কিলোওয়াটের ব্যাটারি এক চার্জেই পাড়ি দেয়া যাবেই ১৯০ মাইল।

ডেট্রয়েট ইলেকট্রিকের টানা পাঁচ বছরের গবেষণা আর পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফল এসপি:০১। এ মাসেই বিক্রি শুরু হয়েছে গাড়িটির। শুরুর প্রথম ঘণ্টাতেই ৩৫টি এসপি:০১ গাড়ি বিক্রি হয়ে যায়, যার প্রতিটির দাম দুই লাখ মার্কিন ডলার।


বিডনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় দৌরাত্ম্য বাড়ছে হ্যাকারদের


রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় দৌরাত্ম্য বাড়ছে হ্যাকারদের

বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শিল্পক্ষেত্র এবং প্রতিষ্ঠানের উপর বাড়ছে সাইবার আক্রমণ। আর ওইসব সাইবার আক্রমণের পেছনে মূল হোতাদের সমর্থন দিচ্ছে বিশ্বের প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলো। মার্কিন ব্রডব্যান্ড এবং টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান ভেরাইজনের বার্ষিক প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা বিবিসি।

ভেরাইজনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১২ সালে বিভিন্ন শিল্পক্ষেত্রে সাইবার আক্রমণের ঘটনা যথেষ্ট বেড়েছে। বর্তমানে সবচেয়ে বড় সাইবার হুমকিগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে শিল্পক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সাইবার গুপ্তচরবৃত্তি।

লন্ডনে অনুষ্ঠিত বার্ষিক নিরাপত্তা সম্মেলন ‘ইনফোসেক’-এ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে ভেরাইজন। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর উপর সাইবার আক্রমণ করে অর্থ চুরির ঘটনা ঘটছে সবচেয়ে বেশি। কম্পিউটার নেটওয়ার্কে অনুপ্রবেশ করে হ্যাকারদের চুরি করা গোপন তথ্য চিহ্নিত করতেও প্রতিষ্ঠানগুলোর অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় লাগছে।

ভেরাইজনের ওই প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, ৭৫ শতাংশ ক্ষেত্রেই হ্যাকারদের মূল উদ্দেশ্য ছিল অর্থ চুরি। কিন্তু ২০ শতাংশ ক্ষেত্রে গোপন এবং স্পর্শকাতর তথ্য চুরি করাই ছিল সাইবার অপরাধীদের মূল লক্ষ্য।

এ ব্যাপারে ভেরাইজনের প্রতিবেদনটির মূল লেখক ওয়েড বেকার বলেন, “সাইবার আক্রমণের পরিসংখ্যানে সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটি হয়েছে, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সাইবার আক্রমণের ঘটনার নাটকীয় বৃদ্ধি।”

২০১২ সালে গুপ্তচরবৃত্তির উদ্দেশ্যে হ্যাকিংয়ের ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটেছে বলেও যোগ করেন বেকার।

২০১২ সালে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সাইবার আক্রমণের ঘটনার উপর ভিত্তি করে পরিসংখ্যান প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে ভেরাইজন। 

২০১৩ সালের সাইবার আক্রমণের ঘটনাগুলোও যোগ করা হয়েছে প্রতিবেদনটিতে। ভ্যারাইজনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালেই রাষ্ট্রীয় সাইবার গুপ্তচরবৃত্তির সংখ্যা ৬২১টি।

Native Banner