Banner 468x60 for

বৃহস্পতিবার, ১৫ মার্চ, ২০১২

চা খেলে রাতে ভালো ঘুম হয়

শারীরিক ও মানসিকভাবে চনমনে থাকার জন্য ভালো ঘুম সবাই চান। কিন্তু অনেকেই ঠিকমতো ঘুমাতে পারেন না। আর এ জন্য তাঁরা ঘুমের ওষুধ খান।
যাঁদের এ ধরনের সমস্যা আছে, তাঁদের জন্য সুখবর নিয়ে এসেছে উত্তর আয়ারল্যান্ডের প্রতিষ্ঠান বেডেক। একটি জরিপ চালিয়ে তাঁরা দেখেছেন, রাতে ভালো ঘুমের জন্য দরকার হলো রাত নয়টা ১০ মিনিটের দিকে এক কাপ চা খাওয়া এবং ঢিলে ঢালা পোশাক পরে ঠিক রাত ১০টার দিকে ঘুমাতে যাওয়া।
পিটিআইয়ের খবরে বলা হয়, বেডেক যুক্তরাজ্যের দুই হাজার প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তির ওপর জরিপ চালান। তাঁরা বলেন, রাত ১০টায় ঘুমাতে গিয়ে ২০ মিনিট ধরে শুয়ে শুয়ে বই পড়লে ভালো ঘুম হয়। তারা জানায়, ডান হাতের ওপর মাথা রেখে ডান দিকে কাত হয়ে শুয়ে পড়লে ঘুম গভীর হয়।
বেডেকের ওই গবেষণায় আরও বলা হয়, রাতের খাবার সাড়ে আটটার সময় এবং ঘুমানোর আগে নয়টা ১০ মিনিটের দিকে রাতের শেষ কাপ চা খাওয়া ভালো। এতে ঘুম সবচেয়ে ভালো হয়। এ ছাড়া ওই জরিপে সারা দিন পরিশ্রম করার পর সন্ধ্যার দিকে কমপক্ষে দুই ঘণ্টা সাত মিনিট বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে নারীদের বিশ্রামের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বেডেকের কর্মকর্তা তানিয়া জনস্টন বলেন, জরিপে দেখা যায়, ভালো ঘুমের জন্য সন্ধ্যার বিশ্রাম এবং নিয়মমাফিক জীবনযাপন খুবই জরুরি।

সঙ্গী সাদা (রয়া মুনতাসীর )

গরমের এই সময়ে সাদা পোশাকটাই যেন সবচেয়ে স্বস্তির। তবে বসন্ত ঋতুতে পোশাক হওয়া চাই বর্ণিল। সাদার সঙ্গে তাই মিলিয়ে নিতে পারেন নানা উজ্জ্বল রং। কামিজটি সাদা আর সালোয়ার ওড়না বর্ণিল। বেশ কয়েক বছর আগের এ ফ্যাশন আবার ফিরে এসেছে। তবে এবার সাদা কামিজেও পাইপিং, বর্ডার ইত্যাদিতে যোগ হচ্ছে কিছু রং। গলায়, কামিজের নিচের অংশেও হালকা নকশা দেখা যাচ্ছে।

রং বাছুন ইচ্ছামতো
সাদা কামিজের মজাটাই অন্য রকম। ওড়না ও সালোয়ারের ক্ষেত্রে বেছে নেওয়া যায় যেকোনো রং। যেকোনো রংই ভালো মানাবে। সালোয়ারটি যদি নীল হয়, তবে ওড়নাটিকে সাজানো যায় নীল, কমলা ও বেগুনির মিশ্রণে। এতে একঘেয়েমি তো আসবেই না। উল্টো পেয়ে যাবেন সবাইকে তাক লাগানোর সুবর্ণ সুযোগটি।
সাদা কামিজটি একদম সাদা না রেখে হালকা কাজ করিয়ে নিতে পারেন। সাদার ওপরই সাদা ব্লকপ্রিন্টের কাজ করানো যায়। অথবা উজ্জ্বল কোনো রঙের এমব্রয়ডারির কাজ করিয়ে নিতে পারেন গলার কাছে। আবার পুরো পোশাকটি সাদা রেখে হাতায় এবং নিচের দিকে করাতে পারেন হালকা পছন্দসই কোনো কাজ।
বেছে নিন উজ্জ্বল রংগুলোকে। সালোয়ার একরঙা রাখলেই ভালো লাগবে দেখতে। ওড়নাটি পছন্দ করুন দুই থেকে তিন রঙা। সাদা সবচেয়ে সুন্দর রং। এর মাঝে যে রংই ব্যবহার করুন না কেন, দেখতে ভালো লাগে। কালো ও লাল রং পরলে গরম বেশি লাগে। এ কারণে বেছে নিতে পারেন নীল, ফিরোজা, হালকা ও গাঢ় সবুজ, ম্যাজেন্টা, হলুদ, সর্ষে হলুদ, কমলা, বেগুনি ইত্যাদি রং।
সালোয়ার ও ওড়নাটিতে হালকা ব্লক কিংবা স্ক্রিন প্রিন্টের নকশা রাখতে পারেন। তবে তা অবশ্যই হতে হবে ছোট কোনো নকশা। ইয়োক আবার ফিরে আসছে ধীরে ধীরে। চাইলে রঙিন কোনো ইয়োকও ব্যবহার করতে পারেন।
সুতি কিংবা হালকা খাদির কাপড় আরাম দেবে এ গরমে। সালোয়ারের ক্ষেত্রেও একই কথা। ফ্যাশন ডিজাইনার আনিলা হক জানান, অ্যান্ডেজ সাদা মেঘের ভেলা নামে নিয়ে এসেছে গরম উপযোগী পোশাক। সাদার প্রাধান্যেই পোশাকগুলো বানানো হয়েছে। লম্বা স্লিম কাটে বানানো সালোয়ার-কামিজগুলোতে দেয়া হয়েছে দেশীয় এবং পাশ্চাত্য ছাটের মিশ্রন। পোশাকগুলোতে বেল্ট এর ব্যবহারও করা হয়েছে।

নকশায় চমক
কামিজটি যেহেতু সাদা, তাই কাটিংয়ে নিয়ে আসতে পারেন অভিনবত্ব। গলায় রাখুন বাহারি কাট। আঙরাখা স্টাইল রাখতে পারেন। কামিজের নিচের অংশে রাউন্ড কাট আনতে পারেন। তবে যে ডিজাইনই আনুন না কেন কামিজটি কিছুটা লম্বা রাখুন। এখনকার ফ্যাশন লম্বা কামিজেরই।
সাদামাটা সালোয়ার না পরে চুড়িদার বা ক্যাপ্রি পরতে পারেন। প্যান্ট সালোয়ারের ফ্যাশনও ফিরে আসছে। আর লেগিংস তো এখন দারুণ জনপ্রিয়।

হালকা সাজই মানানসই
যেহেতু গরম, তাই সাজ যথাসম্ভব হালকা রাখুন। চোখের হালকা কাজলই অনেক কথা বলে দেবে। ক্যাজুয়াল লুক হলেও পরে নিতে পারেন বড় আকারের বিভিন্ন রঙের গয়না। সালোয়ার কিংবা ওড়নার সঙ্গে মিলিয়ে পরে নিতে পারেন রঙিন একটি টিপ। আর ঠোঁটে গোলাপি, কমলা ইত্যাদি রঙের লিপস্টিক দিতে পারেন। ফ্যাশন ডিজাইনার আনিলা হক বলেন, ‘যাঁরা একটু হালকা গড়নের তাদের যে কোনো কাটের এবং রংয়ের পোশাক পরার স্বাধীনতা আছে। তবে যাঁরা একটু ভারী গড়নের তারা লম্বা এবং বড় ওড়না ব্যবহার করলে দেখতে ভাল লাগবে । চুরিদার পরতে পারেন তাহলে কিছুটা লম্বাটে এবং শুকনো দেখাবে।’

পাঠকের উকিল naksha@prothom-alo.info


 কিছুদিন আগে আমি আমার এক পরিচিত ব্যক্তিকে একটি বিশেষ কাজ করার জন্য ৫০ হাজার টাকা দিয়েছিলাম। টাকা দেওয়ার সময় একটি ১৫০ টাকার স্ট্যাম্পে চুক্তি করেছিলাম যে সঠিক সময়ে কাজ সম্পূর্ণ করতে না পারলে আমার টাকা ফেরত দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ে তিনি আমার কাজ করতে পারেননি। এখন শর্ত অনুুযায়ী তাঁর কাছে টাকা ফেরত চাইলে তিনি আমাকে এড়িয়ে যান। এমনকি তিনি আমাকে ধমক দিয়ে বলেন যে ১৫০ টাকার স্ট্যাম্পের আজকাল কোনো মূল্য নেই। এই পরিস্থিতিতে তাঁর কাছ থেকে টাকা আদায় করার ক্ষেত্রে আমার করণীয় কী?
মো. সুমন
ঠাকুরগাঁও।
 টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য আপনাকে আদালতে মোকদ্দমা করতে হবে। এ ধরনের মামলা খরচ ও সময়সাপেক্ষ। ভবিষ্যতে টাকা ধার দেওয়ার ব্যাপারে আপনাকে সতর্ক হতে হবে।

 একটি সরকারি নির্মাণ অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত ঠিকাদার গত বছর মারা যান। তিনি তাঁর ছেলেকে এফিডেভিটের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে মনোনীত করে গেছেন। কিন্তু অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি না জানিয়ে অথবা আইনানুগ অনুমতি ছাড়াই তাঁর ছেলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি চালাচ্ছেন। চুক্তি সম্পাদনে বা মৃত ঠিকাদারের নামে চেক ইস্যুতে কোনো আইনি বাধা আছে কি?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

 তালিকাভুক্ত ঠিকাদার একটি প্রতিষ্ঠান হয়ে থাকলে তা ঠিকাদারের মৃত্যুর পরও চলতে পারে। তবে মৃত ব্যক্তির সঙ্গে চুক্তি অথবা মৃত ব্যক্তির নামে চেক বৈধ নয়।
 আমার দাদা ২০০৪ সালে ফুফুর বিয়েতে খরচের জন্য দেড় বিঘা জমি পাশের গ্রামের এক লোকের কাছে বিক্রি করেন। তাঁর কাছে দাদা ৫০ হাজার টাকা পেতেন কিন্তু তখন তিনি মাত্র ৩০ হাজার টাকা ফেরত দেন। বাকি টাকা দিতে অসমর্থ হন। পরে দাদা আরও আড়াই বিঘা জমি বন্ধক রেখে টাকা জোগান। এই বছর লোকটি জমির দলিল নেওয়ার জন্য দাদার ওপর চাপ দিচ্ছেন কিন্তু আমার দাদা এখন তাঁকে জমি দিতে চান না। উল্লেখ্য, লোকটি ২০০৪ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত জমিটি ভোগ করেন এবং বাকি টাকা না দেওয়ায় তাঁকে জমির দলিল বা অন্যান্য কাগজপত্র দেওয়া হয়নি। এখন লোকটি যদি মামলা করেন, তাহলে দাদা কী করতে পারেন?
সৈকত
মগবাজার, ঢাকা।
 ২০০৪ সালের সংশোধিত নিবন্ধন আইনে সব ধরনের বিক্রয় ও হস্তান্তরের ক্ষেত্রে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। চুক্তি বাস্তবায়নের জন্যও নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারিত হয়েছে। চিঠির তথ্য অনুযায়ী, চুক্তি বাস্তবায়নের সময়সীমা উত্তীর্ণ হয়ে গেছে। এ ক্ষেত্রে লোকটি শুধু আপনার দাদার বিরুদ্ধে অর্থ আদায়ের মোকদ্দমা (মানিস্যুট) করতে পারেন।

 আমি একজন সরকারি চাকরিজীবী। এক বছর আগে আমার এক আত্মীয়ের মেয়েকে বিয়ে করি। কিন্তু বিয়ের কয়েক সপ্তাহ পরে জানতে পারি, বিয়ের আগে তার অন্য এক ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। আমি তাকে খুব ভালোবাসতাম। কিন্তু এ কথা জানার পর তাকে আর মেনে নিতে পারছি না। মেয়েটি তার সম্পর্কের কথা স্বীকার করে না। কিন্তু তার আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব আমাকে বলেছে। তার সঙ্গে আমার দু-একদিন পরপর ঝগড়া হয়। আমি তাঁকে তালাকের কথা বললে সে রাজি হয় না। কিন্তু আমি আর সংসার করতে চাই না। তাঁকে কীভাবে তালাক দেব?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

 মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী আপনি আপনার স্ত্রীকে তালাক দিতে পারেন। সংশ্লিষ্ট কাজি অফিসে তালাক প্রদানের পর তালাকের কপির একটি আপনার স্ত্রীকে এবং আরেকটি চেয়ারম্যান বা মেয়র অফিসে পাঠাতে হবে। চেয়ারম্যান বা মেয়র কর্তৃক ওই নোটিশ প্রাপ্তির ৯০ দিন পর তালাক কার্যকর হবে। তবে দেনমোহর এবং তালাক চলাকালীন অর্থাৎ ভরণপোষণের খরচ আপনার স্ত্রীর প্রাপ্য।

 আমি স্নাতক পর্যায়ে পড়াশোনা করছি। আমার বাবা একটি ব্যাংকে কর্মরত। তিনি প্রথম স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও আমার মাকে জোরপূর্বক বিয়ে করেন। তার এক বছর পর আমার জন্ম হয়। আমার জন্মের কিছুদিন পর থেকেই আব্বু এবং তাঁর প্রথম স্ত্রী মিলে আমাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করলে এক রাতে মা আমাকে নিয়ে পালিয়ে নানার বাসায় চলে আসেন। এরপর বাবা কাউকে না জানিয়ে মাকে তালাক দেন। কিন্তু মা আজ পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো কাগজপত্র পাননি। বাবা অনেক ক্ষমতাবান এবং অর্থসম্পদের মালিক। তাঁর প্রথম স্ত্রীর দুই ছেলে ও এক মেয়ে। আমার মায়ের সন্তান আমি একাই। কিছুদিন আগে শুনেছি, বাবার সব সম্পত্তি তাঁর দুই ছেলে এবং এক মেয়ের নামে লিখে দিয়েছেন। বাবার সঙ্গে আমি অনেকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি, কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। তিনি ও তাঁর স্ত্রী মিলে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেন। আম্মুর আর্থিক অবস্থা ভালো না। তিনি অনেক কষ্ট করে আমাকে পড়াশোনা করাচ্ছেন। তিনি অসুস্থ থাকায় আমার পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গেছে। আমি কি আইনসম্মতভাবে বাবার কোনো সম্পদের অংশ পেতে পারি? তাঁর পেনশনের টাকার অংশ আমি পাব কি?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

 আপনার বাবা জীবিত অবস্থায় তাঁর সম্পত্তি অন্য ছেলেমেয়েকে লিখে দিলে আপনার করণীয় কিছু নেই। জীবিত অবস্থায় তিনি তাঁর সম্পত্তি যাকে খুশি তাকে দান করতে পারেন। পেনশনের ক্ষেত্রে ওই অর্থ শুধু ওনার নমিনির প্রাপ্য। তবে আপনি আপনার ভরণপোষণের জন্য আপনার বাবার বিরুদ্ধে মামলা করতে পারেন। আইনি সাহায্য সংস্থা আপনাকে এ ব্যাপারে সহায়তা করতে পারে।

 আমার খালু এক ছেলে, এক মেয়ে ও স্ত্রীকে রেখে মারা যান। কিছুদিন পর খালার দেবরের সঙ্গে খালার দ্বিতীয় বিয়ে হয়। প্রথম সংসারের ছেলেমেয়ে নিয়ে দ্বিতীয় স্বামীর ঘরে তাঁর সুখের সংসার ছিল। ১৯৭০ সালের জলোচ্ছ্বাসে আমার খালার পুরো পরিবার নিহত হয়। শুধু খালার মেয়ের স্বামী বেঁচে যান। এখন তাঁদের সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হিসেবে আছি আমি অর্থাৎ তাঁর আপন বোনের মেয়ে, আর তাঁর মেয়ের জামাই। কিন্তু খালার শ্বশুরবাড়ির এক দূর সম্পর্কের আত্মীয় ওই জমি দখল করে আছে। এ অবস্থায় প্রকৃত উত্তরাধিকারী কে হবেন?
আমেনা খাতুন
 আপনার চিঠির তথ্য অনুযায়ী আপনার খালার রেখে যাওয়া উত্তরাধিকারীদের তালিকা অসম্পূর্ণ। আপনার মৃত খালার অন্য কোনো জীবিত উত্তরাধিকারী না থাকলে তাঁর মেয়ের জামাই মেয়ের প্রাপ্য অংশের অর্ধেক সম্পত্তি পাবেন। সম্পত্তি বেদখল হলে দেওয়ানি আদালতে দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করতে হবে।

এই ঋতুতে ত্বকের যত্ন (শারমিন নাহার)

বসন্ত মানেই ঝরাপাতার অবসান আর নতুন পাতার আবির্ভাব। তবে শুষ্কতা আর রুক্ষতার কারণে এ সময় প্রকৃতিতে ধুলাবালি বেড়ে যায়। ধুলাবালির সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের তির্যক আলোতেও ক্ষতিগ্রস্ত হয় ত্বক। তাই এই ঋতুতে ত্বকের দরকার বিশেষ যত্ন।
হেয়ারোবিক্স ব্রাইডালের রূপ বিশেষজ্ঞ তানজিমা শারমিন বলেন, এ সময় সানবার্ন খুব বেশি হয়। কেবল মুখেই নয়, পিঠে এবং হাত-পায়েও হয়। তাই ব্যাগে সব সময় রাখতে হবে একটি ছাতা। বাইরে যাওয়ার আগে সানস্ক্রিন লোশন কিংবা জেল ব্যবহার করা উচিত। এ ছাড়া ব্যবহূত অন্য প্রসাধনী—লিপস্টিক ও পাউডারেও যেন এসপিএফ (সান প্রোটেক্টিভ ফিল্টার) ১৫-এর বেশি থাকে। রোদ থেকে চোখ রক্ষা করতে ব্যাগে রাখা যেতে পারে সানগ্লাস।
যাঁরা সানস্ক্রিন লোশন ব্যবহার করতে পারেন না, তাঁরা বারবার পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে পারেন। সারা দিনের কাজ শেষে রাতে নিতে পারেন ত্বকের বাড়তি পরিচর্যা। এ জন্য মুখটা ক্লেনজার দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। এরপর কোমল সাবান দিয়ে মুখ ধুয়ে ত্বকের ধরন অনুযায়ী রাতে ব্যবহারের (নাইট ময়েশ্চারাইজিং) ক্রিম মাখতে হবে। ধুলাবালির কারণে ব্ল্যাক ও হোয়াইট হেডস জমে নাকে, ঠোঁটের নিচে। ব্ল্যাক ও হোয়াইট হেডসে জমা স্থানে গরম পানির ভাপ দিয়ে পাঁচ মিনিট পর প্লাকার দিয়ে নিজেই তুলে ফেলতে পারেন। ধুলাবালি থেকে চুল রক্ষা করতে পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে মাথায় একটা স্কার্ফ অথবা ব্যান্ডেনা বেঁধে রাখতে পারেন। নারকেল তেল ও জলপাইয়ের তেল একসঙ্গে গরম করে চুলে ম্যাসাজ করে শ্যাম্পু করলে চুল হয় ঝরঝরে। এ ছাড়া চুলের বাড়তি যত্নে টক দই, কলা, পেঁপে দিয়ে ঘরে তৈরি প্যাক ব্যবহার করলে চুল ভালো থাকে।
হাত-পায়ের যত্নে ঘরে বসেই নিজেই করে নিতে পারেন পেডিকিউর, ম্যানিকিউর। এ ছাড়া মাসে একবার পারলারে গিয়ে ফেসিয়াল করলে ত্বক ভালো থাকে।
তবে ত্বকের বাইরের যত্নের পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাসের দিকে বিশেষ নজর দেওয়ার পরামর্শ দেন এই রূপ বিশেষজ্ঞ। দিনে অন্তত আট-নয় গ্লাস পানি এবং প্রচুর পরিমাণে ফল, সবজি আর সালাদ খাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

পকেট রস মারুফ রেহমান

ঘুম!!
ঘুম আসে না। কোনোভাবেই ঘুম আসে না। বাদশা মিয়ার সমস্যা শুনে ডাক্তার ওষুধ দিলেন। বাদশা মিয়া ওষুধ খেল। তাও ঘুম আসে না। ডাক্তার টেস্ট দিলেন। বাদশা টেস্ট করাল। উহু! এবারও ঘুমের দেখা নেই। ডাক্তার বললেন, কিছুতেই যখন কাজ হচ্ছে না, তখন ভেড়া গুনুন। বুদ্ধিটা পুরোনো। তবে মাঝেমধ্যে কাজে লাগে। ১০০টা ভেড়া গুনলেই হবে। দুদিন পরে বাদশা মিয়া এল ডাক্তারের কাছে।
—ডাক্তার সাহেব, আগে রাতে ঘুম আসত না। এখন তো দিনের ঘুমও মাথায় উঠেছে।
—কেন? ভেড়া গুনে কাজ হয়নি?
—রাত দেড়টার মধ্যে ১০০ ভেড়া গোনা শেষ। সারা রাত পড়ে আছে। ভেড়াগুলো নিয়ে কী করা যায়? মহা ঝামেলা! রাত দুইটার দিকে ভেড়াগুলোর গা থেকে পশম সংগ্রহ করলাম। উলের ফ্যাক্টরি দিলাম। রাত পৌনে চারটার দিকে সোয়েটারের অর্ডারও পেলাম। কিন্তু শিপমেন্ট পাঠানোর সময় বন্দরে ঝামেলা লেগে গেল। শ্রমিক আন্দোলন। শিপমেন্ট আটকে আছে, ডাক্তার। এ অবস্থায় ঘুমাই কীভাবে?

চোখ
পিন্টুর এসএসসি পরীক্ষা। একই সময়ে বাংলাদেশ বনাম ভারতের খেলা। পরীক্ষা আগামী বছরও দেওয়া যাবে। খেলা মিস করা কোনো কাজের কথা না। বাসায় ঘোষণা দিল, তার চোখে সমস্যা। কোনো কিছুই
ঠিকমতো দেখতে পাচ্ছে না।
মা নিয়ে গেল ডাক্তারের কাছে। ডাক্তার চোখের কোনো সমস্যাই খুঁজে পাচ্ছে না।
— ওপর থেকে অক্ষরগুলো পড়ো তো বাবা।
— অক্ষর!!
— ওই যে চার্ট। দেখতে পাচ্ছ না?
— উহু!
— দেয়ালে টানানো।
— দেয়াল? সেটা কোন দিকে?

ডাক্তার পিন্টুকে পরীক্ষার জন্য আনফিট সার্টিফিকেট দিলেন।
সেদিনের ডে-নাইট ম্যাচ দেখার জন্য পিন্টু গ্যালারিতে বসল। ভারত টসে জিতল। আর সেই সময়ে পিন্টু খেয়াল করল, তার পাশের চেয়ারে চোখের ডাক্তার বসে আছেন এবং তিনি ভ্রু কুচকে পিন্টুর দিকে তাকিয়ে আছেন।
পিন্টু দুইবার কাশি দিয়ে বলল, ভাই, অনেকক্ষণ ধরে বসে আছি। বাসটা ছাড়ছে না কেন?
আমি চোখে ঠিকমতো দেখতে পাই না। বাস না স্টেডিয়াম ঠিকমতো বুঝিও না!!

কবি আসিফ মেহ্দী

কবিতার জোরে বেচারার নামই হয়ে গেছে ‘কবি’! বাবা-মায়ের দেওয়া নামে কেউ আর তাকে ডাকে না। ‘বেচারা’ বলার কারণ, গ্রামের মানুষ তাকে খ্যাপানোর জন্যই ‘কবি’ শব্দটা ব্যবহার করে; যেন যার কাজকর্মের যোগ্যতা নেই, সে-ই হয় কবি!
আমাদের কবি তারাশঙ্করের কবি উপন্যাসের ‘নিতাই কবি’র মতো নয়। গ্রামের অ্যানালগ পরিবেশে থাকলেও শহরের ডিজিটাল হাওয়া তার চারিত্রিক সনদপত্রের বারোটা বাজিয়েছে। লাভ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে কবি যেন শেয়ারবাজারের রাঘববোয়ালদের মতোই পাকা! ‘পিক আওয়ারে’ প্রেম করে একজনের সঙ্গে আর ‘অফ-পিক আওয়ারে’ গল্প জমায় আরেকজনের সঙ্গে। তবে তার ফেসবুকের প্রোফাইলে দেখা যায়, ‘ইন এ রিলেশনশিপ উইথ কবিতা’। ‘কবিতা’ তারই আরেকটি ফেক আইডি হয়তো!
ঘটনা ঘটল গত মাসের ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’তে। অনেক হিসাব কষে কবি ঠিক করল, মীনার সঙ্গে দেখা করবে সকালে, পরিত্যক্ত জমিদার বাড়ির উত্তর দিকের পুকুরপাড়ের ডাব গাছতলায়। আর টুনুর সঙ্গে দেখা করবে বিকেলে, কাজলা বুড়ির বাঁশবাগানের কাছে।
শীতের সকালে পিঠা আর খেজুরের রস খেয়ে, গায়ে সোয়েটারের ওপর পাঞ্জাবি চাপিয়ে, শরীরে বিলেতি খুশবু মেখে কবি রওনা দিল পুকুরপাড়ের উদ্দেশে। সেখানে সময়মতো উপস্থিত হয়ে ভালোবাসার প্রথম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলো কবি। অচিরেই ভালোবাসার দ্বিতীয় পরীক্ষারও মুখোমুখি হলো সে। মীনার ভালোবাসা পাওয়ার জন্য সে নাকি জীবন পর্যন্ত কোরবান করে দিতে পারবে। মীনা তাকে জীবন উৎসর্গ করার মতো বড় কোনো পরীক্ষায় ফেলল না। শুধু গাছ থেকে তার জন্য একটা ডাব পেড়ে দিতে বলল। এ যুগে চাঁদে যাওয়ার জন্য আগ্রহী মানুষের অভাব আছে বলে মনে হয় না; কিন্তু গাছ থেকে ডাব পাড়ার জন্য মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। কবি নিজেও গাছবিদ্যায় পারদর্শী নয়। অথচ কবির নিজেরই একটা অণুপ্যারোডি আছে, ‘গ্রন্থগত বিদ্যা আর বৃক্ষগত ডাব, নহে বিদ্যা নহে ডাব হইলে অভাব’! প্রশ্ন কঠিন হওয়ায় এসএসসি পরীক্ষার হল থেকে পালিয়েছিল কবি, কিন্তু এই পরীক্ষা থেকে পালিয়ে গেলে সর্বনাশ হয়ে যাবে।
হঠাৎ গুগল কর্তৃপক্ষের ওপর তার ভয়ানক রাগ চাপে। লোকে বলে, গুগলে মেলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর! তবে গুগল কেন এমন করছে না, সার্চ করলে আস্ত জিনিসই এসে হাজির হবে! যা হোক, ডাবের বদলে ফুল দিয়ে যদি কিছুটা মেকআপ করা যায়! কবি পাঞ্জাবির পকেট থেকে একটা লাল গোলাপ বের করল। তারপর চোখ বন্ধ করে, এক হাঁটু মাটিতে গেড়ে কাব্যিক ভঙ্গিতে মীনাকে গোলাপ নিবেদন করল। সে সময় হঠাৎ ‘সমগ্র বাংলাদেশ ৫ টন’ টাইপের এক চড় এসে পড়ল কবির গালে! চোখ খুলে খানিকক্ষণ বেচারা কিছুই দেখতে পেল না। দৃষ্টি পরিষ্কার হলে দেখল, চড় মেরেছে টুনু! কী আশ্চর্য, টুনু এ সময় এখানে এল কী করে! মেয়েটার সময়-স্থান জ্ঞান নেই দেখছি!
টুনু মীনার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘আপু, দুষ্ট প্রেমিকের চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো।’ মীনাও একমত হলো, ‘ঠিকই বলেছিস টুনু। দুর্জন বিশ্বপ্রেমিক হলেও পরিত্যাজ্য। পাবলিক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্রের ১০-২০টা ভুলও ক্ষমা করে দেওয়া যায়, কিন্তু প্রেমের পরীক্ষায় প্রেমিকের ভুল ক্ষমা করা অসম্ভব! চল যাই।’
দু-দুটো পোষা ময়না পাখি চোখের সামনে দিয়ে উড়ে চলে গেল! ঘটনার আকস্মিকতায় কবি হাসবে না কাঁদবে, ঠিক বুঝে উঠতে পারল না। প্রেমের ঘানি টানতে যে খরচাপাতি হয়েছে, সেগুলোর জন্যও মন ভারী হয়ে উঠল। কবি নিজেকে সান্ত্বনা দিল এই বলে, সে তো হূৎপিণ্ডের চার ভাগের দুই ভাগ দুজনকে দিয়েছিল। আরও দুই ভাগ তো অক্ষতই রয়েছে!

নতুন স্টাইলের ঝগড়া

বিয়ের পর ঝগড়া অতি কমন একটা ব্যাপার। বিভিন্ন কারণে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে নিয়মিত ঝগড়া হয়ে থাকে। সেই আদিকাল থেকেই চলে আসছে একই স্টাইলের ঝগড়া। সবকিছুতেই পরিবর্তন আসছে। তাই এই ঝগড়ায়ও কিছু পরিবর্তন আনা দরকার।
ঝগড়ার নতুন কিছু স্টাইল নিয়ে এবার গবেষণা করেছেন আলিম আল রাজি

জাতীয় সংসদ স্টাইল
স্বামী: মাননীয় অর্ধাঙ্গী, প্রথমেই অন্তরের অন্তস্তল থেকে আপনাকে ধন্যবাদ যে আমাকে আপনি কথা বলার সুযোগ দিয়েছেন। সুযোগ না পেলে অনেক কথাই অব্যক্ত থাকত।
স্ত্রী: মাননীয় অর্ধাঙ্গ, আপনার প্রশ্নটি করুন।
স্বামী: এই মহান বেডরুমে বসে আমি কিছু বলতে চাই। আপনি মহান। আপনি এই পরিবারের কান্ডারি। আপনি না থাকলে এই পরিবারের আলো নিভু নিভু করে।
স্ত্রী: মাননীয় অর্ধাঙ্গ, আপনার প্রশ্নটি করুন।
স্বামী: আপনি যেন হতাশার মাঝে এক বিন্দু আশার আলো। আপনার অনুপস্থিতিতে এই সংসারের সবার হিয়া কাঁপাকাঁপি করে। কাঁপতে কাঁপতে উলটে পড়ে যায়।
স্ত্রী: আপনার প্রশ্নটি করুন।
স্বামী: আমি এখানে কথা বলছি। কিন্তু আমার মন পড়ে আছে অতীতে। এককালে আপনি আর আমি কত কিছু করতাম। প্রিয় অর্ধাঙ্গী, অতীত হোক, বর্তমান হোক, আপনার গুণের কথা কখনোই বলে শেষ করা যাবে না। আপনি যেন জয় করেছেন সকল অতীত।
স্ত্রী: অর্ধাঙ্গ সাহেব, আপনার প্রশ্নটি করুন।
স্বামী: ইয়ে মানে...চিনির কৌটাটা আপনি কোথায় রেখেছেন?

টক শো স্টাইল
স্বামী: খাওয়াদাওয়া শেষ। এখন আমি এবং আমার স্ত্রী করব একটা ম্যারাথন লেটনাইট ঝগড়া। ঝগড়ায় আমার শালা-শালি, শ্বশুর-শাশুড়ি সবাই অংশ নিতে পারেন।
এ জন্য আপনাকে আমার ফোনে কল করতে হবে। আর শালিকে বলছি, তোমার কল দিতে হবে না। মিসড কল দিলেই চলবে।
স্ত্রী: ঝগড়া শুরু করো, প্লিজ।
স্বামী: হুঁ। প্রথমে আমি বলি।
স্ত্রী: ফাজলামো পাইছ? তুমি বলবা কেন? তোমার সাহস তো কম না।
স্বামী: ইয়ে... মানে!
ক্রিং ক্রিং... (শালির টেলিফোন)
স্বামী: প্রিয় শালি, আপনার নাম বলে প্রশ্ন করুন, প্লিজ।
শালি: আপা, দুলাভাই আমাকে মিসড কল দেয় কেন? বিচার চাই।
স্বামী: ইয়ে... মানে একটা বিজ্ঞাপন বিরতি নিলে কেমন হয়?

কবিতা স্টাইল
স্বামী: হাজার বছর থেকে আমি মশারি টানাইতেছি
খাটের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে দৌড়াদৌড়ি করিয়া
অনেক চেষ্টা করি আমি।
কিন্তু আমি হালকা খাটো হওয়ায়
প্রায়ই মশারি টানাতে পারি না।
সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতো
সন্ধ্যা আসে, আর আমার ভয় বাড়তে থাকে,
এই বুঝি টানাতে হবে মশারি।
আমি বলছি না, মশারি টানাতে হবে।
আমি চাই একজন আমাকে সাহায্য করুক।
টুলটা এনে দিক। এতে আমার সুবিধা হবে।
স্ত্রী: ওরে অভাগা, যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে,
তবে একলা মশারি টানাও রে।
একলা টানাও, একলা টানাও একলা টানাও রে।

বিতর্ক স্টাইল
স্ত্রী: মাননীয় পিংকির আব্বা, আপনাকে ধন্যবাদ আমাকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার জন্য। দেখুন, একবিংশ শতক হচ্ছে পুঁজিবাদী সমাজব্যবস্থার যুগ। বিশ্বায়নের সঙ্গে আমাদের তাল মেলাতে হলে দরকার এটার সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করা। কিন্তু দৃষ্টি প্রসারিত করলে আমরা কয়েকটা অন্য রকম ব্যাপার প্রত্যক্ষ করি। কী সেগুলো? সেগুলো হচ্ছে সাম্রাজ্যবাদীদের আগ্রাসন আর তৃতীয় বিশ্বের দুরবস্থা। তাই সব চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমি বাপের বাড়ি চলে যাব। এ ব্যাপারে আরও যুক্তি উপস্থাপন করবেন আমার দলের দ্বিতীয় বক্তা আই মিন আমাদের বড় মেয়ে পিংকি। ধন্যবাদ, পিংকির আব্বা।

স্বামী: ধন্যবাদ, পিংকির আম্মা। সংক্ষিপ্তভাবে বলার জন্য। দেখুন, সমাজব্যবস্থা পরিবর্তনশীল। এখানে সব রীতিনীতি আর সভ্যতা প্রতিনিয়তই পরিবর্তিত হয়। ইতিহাসের দিকে খেয়াল করলে ব্যাপারটা আমাদের কাছে স্পষ্ট হয়ে আসে। এই পরিবর্তনশীল সময়ে আপনার বাপের বাড়ি চলে যাওয়াটা মেনে নেওয়া যায় না। আপনি চলে গেলে কে রান্না করবে? কে পিংকি আর মজনুকে স্কুলে নিয়ে যাবে? তাই পিংকি ও পিংকির আম্মা, আপনাদের বলছি, কেবল তর্কের খাতিরে তর্ক নয়, আমাদের যুক্তি মেনে নিন। এ ব্যাপারে আরও যুক্তি তুলে ধরবেন আমার দলের দ্বিতীয় বক্তা, মানে আমাদের পুত্র মজনু মিয়া।

Native Banner