Banner 468x60 for

বৃহস্পতিবার, ২৬ জুলাই, ২০১২

আইগিলস কেসিং আইফোন কে বানাবে আন্ডারওয়াটার ক্যামেরা

আইগিলস কেসিং আইফোন কে বানাবে আন্ডারওয়াটার ক্যামেরা

গভীর পানিতে আইফোনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে আইগিলস এই-৩৫ কেসিং। পানির ১৩০ ফিট গভীর পর্যন্ত পুরোপুরি পানি নিরোধক থাকবে এই স্মার্টফোন কেসিংটি। শুধু তাই নয় ওয়াটারপ্রুফ কেসিংটির বদৌলতে পুরোদস্তুর ডাইভিং কম্পিউটার হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে আইফোন। খবর গিজম্যাগের।

আইগিলস এসই-৩৫ তৈরি করা হয়েছে পলিকার্বোনেট দিয়ে, যা বুলেটপ্রুফ কাঁচ তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। কেসিংটির সঙ্গেই থাকবে নতুন একটি অ্যাপ্লিকেশন, যা পানির গভীরে নেভিগেশন টুল এবং ডাইভ লগের কাজ করবে। আরো আছে পানির গভীরতা এবং তাপমাত্রা মাপার জন্য বিশেষ সেন্সর এবং ৬টি বিশেষ বাটন, যা দিয়ে আইফোনের প্রায় সব কাজই করা যাবে পানির নিচে।

আইফোন থ্রিজিএস, ফোর এবং ফোরএস-এই তিনটি মডেলে ব্যবহার করা যাবে আইগিলস এসই-৩৫। কেসিংটির বদৌলতে গভীর পানিতেও আইফোনের সফটওয়্যারগুলো ব্যবহার করা যাবে। এছাড়াও এটি ব্যবহার করে ছবি ও ভিডিও করা যাবে।

তবে, পানির নিচে থাকা অবস্থায় মোবাইল ফোনে কথা বলা বা মেসেজিংয়ের সুবিধাগুলো পাবেননা ব্যবহারকারীরা।



এডিডাস বানালো স্মার্ট প্লেয়ার ট্র্যাকিং সিস্টেমএডিডাস বানালো স্মার্ট প্লেয়ার ট্র্যাকিং সিস্টেম

এডিডাস বানালো স্মার্ট প্লেয়ার ট্র্যাকিং সিস্টেম

২৫ জুন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ায় শুরু হচ্ছে ‘মেজর লিগ সকার অল-স্টার গেইম ২০১২’। এ গেইম দিয়েই ফুটবল মাঠে অভিষেক হবে অ্যাডিডাসের নতুন প্লেয়ার ট্র্যাকিং প্রযুক্তির। খবর আইটেকপ্রেস-এর।

এডিডাস তাদের নতুন এই প্লেয়ার ট্র্যাকিং সিস্টেমের নাম দিয়েছে ‘মাইকোচ এলিট সিস্টেম’। ডিভাইসটি ব্যবহার করে মাঠে খেলোয়াড়দের পারফরমেন্স, ফিটনেস এবং খেলার পর তাদের শারীরিক অবস্থার বিস্তারিত বিশ্লেষণ করার সুযোগ পাবেন কোচ এবং ফিজিওথেরাপিস্টরা।

ডিভাইসটিতে রয়েছে একটি প্লেয়ার সেল, যা খেলোয়াড়দের ইউনিফর্মের কাঁধের একটি পকেটে থাকবে। এত আরো রয়েছে আরএফ রেডিও, থ্রিডি এক্সিলেরোমিটার, জিপিএস ইউনিট, জাইরোস্কোপ এবং একটি ম্যাগনেটোমিটার। মাঠে খেলোয়াড়দের হার্ট রেট, গতি, শক্তি, এ সবই মনিটর করবে মাইকোচ এলিট সিস্টেম। সব ডেটা পঠানো হবে মাঠের সাইডলাইনে থাকা একটি কম্পিউটারে। সেখান থেকে ডেটাগুলো চলে যাবে কোচের আইফোনে।

এ ব্যাপারে অ্যাডিডাসের সিইও হারবার্ট হাইনার বলেন, ‘মেজর লিগ সকার অল-স্টার গেইমের মাধ্যমে খেলার মাঠে আমাদের নতুন প্রযুক্তির অভিষেক ঘটাতে পেরে আমরা খুবই আনন্দিত। আমরা সবসময়ই খেলাধুলার জগতে এরকম নতুন প্রযুক্তি পৌঁছে দিতে চাই।’

আইবিএম অফিসে আইফোনের সিরি নিষিদ্ধ

আইবিএম অফিসে আইফোনের সিরি নিষিদ্ধ

গোপন তথ্য ফাঁস হয়ে যাবার ভয়ে প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস বা আইবিএম-এর অফিসে আইফোন ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে। আইবিএম-এর অফিসে আইফোন নিয়ে ঢুকা গেলেও অফিসের মধ্যে এর ‘সিরি’ ফিচারটি ব্যবহার করা যাবে না। খবর সিএনএন-এর।

আইফেনের ফিচার ‘সিরি’র ওপর এ নিষেধাজ্ঞার কারণ হলো, আইফোনের ভয়েজ অ্যাকটিভেটেড ডিজিটাল ফিচার সিরি, শব্দ থেকে তথ্যে রূপান্তর করে উত্তর ক্যারোলিনার মেইডেনে অ্যাপলের মূল তথ্যকেন্দ্রে পাচার করে দিতে পারে। অর্থাৎ সিরি ব্যবহারকারীর সব মেইল এবং সব সার্চের তথ্য সম্ভবত জমা হয় অ্যাপলের তথ্যকেন্দ্রে-এমনটাই আশঙ্কা আইবিএম-এর। আর তাই তাদের অফিসে সিরি ব্যবহৃত হলে এর ভেতরের তথ্যও অ্যাপলের তথ্যকেন্দ্রে চলে যাবার ভয় থাকে।

আইবিএম-এর প্রধান তথ্য কর্মকর্তা জেনেট হোরান বলেছেন, ‘আমাদের কোম্পানির সন্দেহ হলো, সিরিতে যেসব তথ্য অনুসন্ধান করা হয়, তা অবশ্যই কোথাও না কোথাও সংরক্ষণ করা হয়।’

সিরির ডেভেলপারদের মতে সিরি তৈরির ক্ষেত্রে তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা ছিলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এর প্রধান ডেভেলপার এডওয়ার্ড ওয়ার্নবেক বলেন, ‘শুধু আপনি কোথায় আছেন, বা আপনার অবস্থান সম্পর্কে তথ্য সংরক্ষণ কখনোই গোপনীয়তা ফাঁস করতে পারে না।’

তবে কয়েকমাস আগেই তথ্য ফাঁস হবার ভয়েই আমেরিকান সিভিল লিবার্টিস ইউনিয়নও সিরি ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল।

ফেইসবুকে খোঁজ মিললো হারানো সন্তানের!

ফেইসবুকে খোঁজ মিললো হারানো সন্তানের!

অনেকটা সিনেমার গল্পের মতো শোনালেও, সোশাল নেটওয়ার্কিং সাইট ফেইসবুকের মাধ্যমে ২১ বছর পর নিজের সন্তানকে খুঁজে পেলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডন গিবসন। খবর ইয়াহু নিউজ-এর।

৮০-র দশকে বৃটেনে ক্রিসির সঙ্গে পরিচয় হয়েছিলো মার্কিন এয়ারম্যান ডন গিবসনের। ১৯৮৯ সালে বিয়ে করেন এই প্রেমিক জুটি; আর বছর খানেক পরেই জন্ম হয় তাদের একমাত্র সন্তান ক্রেইগের। এর কিছুদিনের মধ্যেই মার্কিন বিমান বাহিনীতে কাজের খাতিরে নিজের দেশে ফিরতে হয় গিবসনকে। কিন্তু আগের দুই সন্তান এবং পরিবারের অন্য সদস্যদের ছেড়ে যুক্তরাজ্যেই থেকে যান ক্রিসি। এরপর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় গিবসন-ক্রিসি জুটির।

কিন্তু নিজের সন্তানকে কখনোই ভুলতে পারেনি গিবসন। স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের সাহায্য, প্রাইভেট ডিটেক্টিভ থেকে শুরু করে অনলাইন ট্র্যাকিং কোম্পানি- সবধরনের উপায়েই ক্রেইগের খোঁজ করেছেন গিবসন। কিন্তু খোঁজ পাননি তার সন্তানের। অন্যদিকে ১২ বছর বয়স থেকে বিভিন্ন সোশাল নেটওয়ার্কিং সাইট ব্যবহার করে ক্রেইগও খুঁজছিলো বাবাকে।

শেষ পর্যন্ত মাসখানেক আগে ফেইসবুকেই ক্রেইগের সন্ধান পান ডন গিবসন। ফেইসবুকে গিবসন প্রথমে খুঁজে পান ক্রেইগের সৎ ভাইকে এবং তার মাধ্যমেই খুঁজে পান ক্রেইগকে। ১৬ জুন বাবা দিবসের আগেরদিন স্কাইপ ব্যবহার করে প্রথমবারের মতো কথা বলেন গিবসন এবং ক্রেইগ। আর এ বছরের অক্টোবর মাসেই বৃটেনে ফিরবেন গিবসন। ২০ বছর পর প্রথমবারের মতো সামনাসামনি দেখার সুযোগ পাবেন নিজের সন্তানকে।

ডন গিবসন এক সাক্ষাৎকারে এ ব্যাপারে বলেন, ‘আধুনিক প্রযুক্তিকে ধন্যবাদ। নাহলে আমি কখনোই আমার সন্তানকে খুঁজে পেতাম না।’

আয়ন কলাইডারে তৈরি হচ্ছে বিগ ব্যাংয়ের মৌল 'সুপ'

আয়ন কলাইডারে তৈরি হচ্ছে বিগ ব্যাংয়ের মৌল 'সুপ'

বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ফোরণের পর সেকেন্ডের ভগ্নাংশ সময়ের জন্য মহাবিশ্ব এতোটাই উত্তপ্ত হয়ে পড়েছিলো যে, বস্তুসমূহ কোয়ার্ক বা ক্ষুদ্রতম মৌল তরলে পরিণত হয়েছিলো। বিজ্ঞানীরা একে বলেন মৌল পদার্থের আদিম ‘সুপ’। সেই মৌল সুপটিই আবার তৈরি করার চেষ্ট চলছে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী আয়ন কোলাইডারে। খবর ফক্স নিউজ-এর।

মৌল পদার্থের সেই আদিম সুপের রহস্য সমাধানের চেষ্টা চলছে নিউ ইয়র্কের ব্রুকহেভেন ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির ‘রিয়ালিস্টিক হেভি আয়ন কলাইডার (আরএইচআইসি)-এ।’ বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পার্টিকল কোলাইডার এটি। বস্তুর কণাগুলোকে ৩ লাখ ৬০ হাজার কোটি ফারেনহাইটে উত্তপ্ত করে, মৌলকণাগুলোতে একরকম তরল প্লাজমাতে পরিণত করছে আরএইচআইসি।

বস্তুর ক্ষুদ্রতম মৌল কণাগুলো তৈরি হয় কোয়ার্ক দিয়ে। যা অনেকটা বিল্ডিং ব্লক হিসেবে কাজ করে। আর এই বিল্ডিং ব্লকগুলোকে একসঙ্গে ধরে রাখতে আঠার মতো কাজ করে গ্লুওন। মহাবিস্ফোরণের পর মহাবিশ্ব সেকেন্ডের ভগ্নাংশ সময়ের জন্য এতোটাই উত্তপ্ত হয়েছিলো যে, সৃষ্টি হয়েছিলো কোয়ার্ক এবং গ্লুওনের এক তরল মিশ্রন যা কোয়ার্ক-গ্লুওন প্লাজমা নামে পরিচিত।

আরএইচআইসিতে ওই কোয়ার্ক-গ্লুওন প্লাজমাই তৈরি করছেন বিজ্ঞানীরা। কোয়ার্ক-গ্লুওন প্লাজমার গঠন নিয়ে গবেষণার মাধ্যমে পুরো মহাবিশ্বের গঠন বিষয়ে বিভিন্ন অজানা তথ্য খুঁজে পাওয়া যাবে, এমনটাই আশা তাদের। শুধু তাই নয়, পদার্থ বিজ্ঞানের থিওরি অফ এভরিথিং মতবাদ অনুযায়ী আমাদের জগতের পাশাপাশি আরো কোনো ত্রিমাত্রিক জগৎ আছে কিনা তাও নিশ্চিত করা যাবে।

লবণে ক্যান্সার ঝুঁকি বাড়ে

লবণে ক্যান্সার ঝুঁকি বাড়ে

প্রতিদিনের খাবারে লবণের পরিমাণ কমিয়ে দিলে পাকস্থলিতে ক্যান্সার হবার ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। এ তথ্য জানিয়েছে ‘ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার রিসার্চ ফান্ড (ডব্লিউসিআরএফ)’। খবর বিবিসির।

সম্প্রতি প্রকাশিত ডব্লিউসিআরএফের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, বৃটেনে প্রতি বছর প্রায় ৬ হাজার মানুষের পাকস্থলি ক্যান্সার হয়। এর মধ্যে শতকরা ১৪ ভাগ বা ৭শ’ পাকস্থলি ক্যান্সার আক্রান্ত ব্যক্তি এই রোগটির হাত থেকে বাঁচতে পারতেন, যদি তারা খাবারের সঙ্গে ৬ গ্রাম পরিমাণ লবণ খেতেন।

অতিরিক্ত মাত্রায় লবণ খাওয়ার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে একাধিক। অতিরিক্ত লবণ বাড়িয়ে দেয় রক্তচাপ। স্ট্রোক এবং হৃৎপিন্ডের বিভিন্ন রোগের একটি অন্যতম কারণও খাবারের সঙ্গে অতিরিক্ত লবণ খাওয়া।

ডব্লিউসিআরএফ জানিয়েছে, একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির প্রতিদিন খাবারের সঙ্গে ৬ গ্রাম লবণ খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই এই পরিমাণ মেনে লবণ খাননা। আর এই বেশি মাত্রায় লবণ খাওয়া বাড়িয়ে দেয় পাকস্থলির ক্যান্সারের ঝুঁকি। খাবারে লবণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে এই ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।



সাঁতার কাটছে কৃত্রিমভাবে তৈরি 'জেলিফিস

সাঁতার কাটছে কৃত্রিমভাবে তৈরি 'জেলিফিস'

সম্প্রতি হাভার্ড ইউনিভার্সিটির বায়োইঞ্জিনিয়ার কেভেন কিট পার্কার ইঁদুরের হৃৎপিণ্ডের কোষ এবং সিলিকন পলিমারের সমন্বয়ে একটি জেলিফিস বানিয়েছেন, যা বাস্তবিক জেলিফিসের মতোই সাঁতার কাটতে পারে। খবর ইয়াহু নিউজ-এর।

কৃত্রিম এ জেলিফিসটির নামকরণ করা হয়েছে ‘মেডুসয়িড’। গবেষক পার্কার জানান, মানুষের হৃৎপিণ্ডের মতো এটিও একটি প্রাকৃতিক বায়োলজিকাল পাম্প। তার মতে, কার্ডিয়াক ফিজিওলজি নিয়ে পড়াশুনার ক্ষেত্রে এটি মডেল হিসাবে বেশ ভালোভাবেই কাজ করবে।

পার্কার জানান, যে কোনো অ্যাকুয়িরিয়ামে বা অন্য কোথাও জেলিফিস ভালোভাবে লক্ষ্য করলে যে কেউ বুঝতে পারবে, পাম্প করার মাধ্যমেই এরা সাঁতার কাটে। ২০০৭ সালে এক প্রদর্শনীতে জেলিফিস দেখে তার মাথায় কৃত্রিমভাবে এটি বানানোর চিন্তা আসে। এরপর ইঁদুরের হৃদযন্ত্রের কোষ এবং পাতলা সিলিকন ফিল্ম দিয়ে তিনি এ কৃত্রিম জেলিফিসটি তৈরি করেন।

পর্কারের মতে, এ কৃত্রিম জেলিফিসটি ভিন্ন ভিন্ন বিজ্ঞানীর ভিন্ন ভিন্ন সমস্যার সমাধান করতে পারবে। উদাহরণস্বরূপ তিনি বলেন, একজন সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানী এর দ্বারা জেলিফিসের দেহ গঠন এবং এর সাঁতার কাটা সম্পর্কে আরও সূত্র ধারণা পেতে পারবে। অন্যদিকে মেডুসয়িডের হার্ট পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে হৃদযন্ত্র নিয়েও গবেষণা সম্ভব।

কার্ডিওভাস্কুলারের ওষুধ নিয়ে গবেষণা এবং এর উন্নয়নে মেডুসয়িড ব্যবহারের পরিকল্পনা করছেন পার্কার। তাছাড়াও তিনি দাবি করছেন এ প্রক্রিয়ায় কৃত্রিম হৃদযন্ত্রও তৈরি করা সম্ভব।

Native Banner